জেনে রাখুন পিসির কনফিগারেশন
কম্পিউটারের যে কোনো সমস্যা আর হার্ডওয়্যারের সমস্যাতো তো বটেই সবার আগে আপনার প্রয়োজন পড়বে পিসির কনফিগারেশন অর্থাৎ প্রসেসর, র্যাম, মাদারবোর্ড, হার্ডডিস্ক, সাউন্ড কার্ড, এজিপি কার্ড কোনটি কোন কোম্পানির কি মানের তা জানার। দেখা যায় যে বেশিরভাগ মানুষই অন্য কারো সহায়তা বা দোকানির পরামর্শে কম্পিউটার কেনেন এবং পরে যখন কোনো সমস্যায় পড়ে অন্য কারো দারস্থ হন তখন আর কনফিগারেশন বলতে পারেন না। এতে সমাধানকারীকে অতিরিক্ত ঝামেলায় পড়তে হয়। এই তথ্যগুলো তাই জেনে নিয়ে দরকার পড়লে লিখে রাখুন। তাহলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সমাধানকারীর জন্য সমস্যার কারণ খুঁজে পাওয়াটা সহজ হয়ে যায়।
এই বেসিক কনফিগারেশনগুলো জানতে বেশ কয়েকটি উপায় রয়েছে। মাই কম্পিউটারে রাইট ক্লিক করে প্রোপ্রার্টিজে গিয়ে জেনারেল ট্যাব থেকে জেনে নিতে পারবেন প্রসেসর, র্যাম ও অপারেটিং সিস্টেম সংক্রান্ত তথ্য। গ্রাফিক্স বা ডিসপ্লে প্রোপ্রার্টিজে গিয়ে ইনফরমেশন থেকে জানতে পারবেন গ্রাফিক্সকার্ড সংক্রান্ত তথ্য। আর অনেকক্ষেত্রেই কম্পিউটার কেনার ক্যাশমেমোতেই এসব বিস্তারিত লিখা থাকে। আরেকটি কাজ করতে পারেন। কোনো অভিজ্ঞ ব্যবহারকারীর সহায়তায় জেনে নিতে পারেন তথ্যগুলো। যেভাবেই যাই জানুন না কেন তা ভালোভাবে লিখে যত্নসহকারে রেখে দিন।
বিল্ট ইন মানে কি?
এখন প্রায় সব কম্পিউটারেই বিল্টইন কিছু না কিছু থাকেই। যেমন- এজিপি কার্ড, সাউন্ড কার্ড, ল্যান কার্ড ইত্যাদি। বিল্টইন অর্থ এই হার্ডওয়্যারটি আপনার মাদারবোর্ডে দেয়াই আছে। আপনি আলাদা না কিনে এটি দিয়েই কাজ চালাতে পারেন। কিন্তু কথায় আছে সস্তার দশ অবস্থা। কোম্পানি বা দোকানি যতই গলা ফটাক না কেন এটা বুঝতে খুব বেশি বুদ্ধিমান হবার দরকার পড়ে না যে, পারফরমেন্সে বিল্টইন হার্ডওয়্যারটি কখনই স্বতন্ত্র হার্ডওয়্যারের সমকক্ষ হতে পারে না। তবে যারা সাধারণ বা মাঝারি মানের ব্যবহারকারী তাদের জন্য বিল্টইন সাউন্ড বা এজিপি কার্ডই যথেষ্ঠ। আর বিল্টইন ল্যান কার্ড দিয়ে সমস্যা ছাড়াই কাজ চালাতে পারেন। তবে একটা কথা। যারা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট লাইন নেন তাদের সবার ল্যান কার্ডের ফিজিকাল বা ম্যাক এড্রেস কিন্তু সংশ্লিষ্ট আইএসপি নিয়ে রেকর্ড করে রাখে।ফলে মাদারবোর্ডে কোনো সমস্যা হলে নেট লাইন নিয়ে বিপদে পড়বেন আপনি। এক্ষেত্রে আইএসপি’র শরণাপন্ন আপনাকে হতেই হবে। আর আলাদা ল্যানে যে বাড়তি সুবিধা একই কারণে পাবেন তা হচ্ছে এটি অন্য পিসিতে লাগিয়ে একই নেট কানেকশন কাজের সময় ব্যবহার করতে পারবেন আপনি।
আর বিল্টইন সাউন্ড কার্ড বা এজিপিতে সমস্যা হলে তা বেশ বিড়ম্বনাকর। অনেকক্ষেত্রে মাদারবোর্ডের উপরই চাপটা পড়ে বেশ জটিলাকার ধারণ করে। তবে মনে রাখবেন, বিল্টইন এজিপি মানেই এটি আপনার সিস্টেম থেকে র্যাম শেয়ার করে। তাই বিল্টইন এজিপি ব্যবহার করলে বাড়তি র্যাম লাগানোটাই ভালো। নাহলে সিস্টেম স্লো হয়ে যাওয়া বা হ্যাং করাসহ অনেক সমস্যাই হতে পারে আপনার।একটা সহজ পয়েন্ট উল্লেখ করি।ক্রিয়েটিভের ভালোমানের সাউন্ড কার্ডের দাম ৪০০০ টাকার উপরে,এনভিডিয়ার ৯৬০০ জিটি ১ গিগাবাইট র্যামবিশিষ্ট এজিপির দাম ১৫০০০ টাকা।আর সুপার-ডুপার সাউন্ড(!),১৭৫৮ মেগাবাইট পর্যন্ত এজিপি বিশিষ্ট মাদারবোর্ড আপনি ৭০০০ টাকাতেই পাবেন!!আর কিছু বলতে হবে?
পাওয়ার,পাওয়ার সাপ্লাই-দেখে শুনে কিনুন
কম্পিউটারের অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ অংশ এই পাওয়ার সাপ্লাই। এর কারণে অনেক সমস্যাই হতে পারে। ইউপিএস কেন ব্যবহার করবেন, কেন করবেন না এই নিয়ে বেশি কিছু বলব না। শুধু বলব অস্থিতিশীল ভোল্টেজ সাপ্লাই আপনার মূল্যবান হার্ডওয়্যারের মৃত্যু ডেকে আনতে পারে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে আর্থিং। ভালো আর্থিং কম্পিউটারের জন্য অতীব প্রয়োজনীয়। কোনো ইলেকট্রিশিয়ানকে ডেকে আপনার আর্থিং ঠিক আছে কিনা তা চেক করে নিতে পারে। আর্থিং না থাকার কারণে অনেক সময় কোনো কোনো হার্ডওয়্যার ঠিকমতো কাজ নাও করতে পারে। মনিটর কাঁপতে পারে, কেসিং-এর বডি শক করতে পারে; এমনকি মাদারবোর্ড বা হার্ডডিস্কের ক্ষতি পর্যন্ত হতে পারে।
আরেকটি সমস্যা অনেকসময় দেখা যায়। কম্পিউটারের উপর যখন বেশি চাপ পড়ে। হাইএন্ড গেম বা এপ্লিকেশন রান করতে যায় তখন পিসি রিস্টার্ট করে। এর সম্ভাব্য কারণ হতে পারে অপর্যাপ্ত পাওয়ার সাপ্লাই। অর্থাৎ কাজের সময় আপনার পাওয়ার সাপ্লাই মাদারবোর্ডে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে না। এক্ষেত্রে আপনাকে পাওয়ার সাপ্লাইটি পরিবর্তন করতে হবে।
জানেন কি কম্পিউটারের ভেতরের যাবতীয় হার্ডওয়্যার চলে ডিসি পাওয়ারে? এসি ২২০ ভোল্ট পাওয়ারকে পাওয়ার সাপ্লাই ডিসি ৩.৫ ভোল্ট, ৫ ভোল্ট ও ১২ ভোল্টে রূপান্তর করে মাদারবোর্ডে সরবরাহ করে। ফলে সিপিইউর ভেতর যে কারেন্ট থাকে তা বিপদজনক নয়। তবে যদি পাওয়ার অন করে কখনও কাজ করতে হয় তখন খেয়াল রাখবেন যেন শর্টসার্কিট না হয় এবং আপনার পায়ে যেন শুকনা জুতা থাকে।
Showing posts with label হার্ডওয়ার. Show all posts
Showing posts with label হার্ডওয়ার. Show all posts
February 12, 2010
কম্পিউটার ট্রাবলশ্যুটিং সমগ্রঃ ধাপে ধাপে পিসির বিভিন্ন সমস্যার সমাধান- পর্ব ৪: যেসব ব্যাপার মাথায় রাখবেন
Labels:
উইন্ডোজ,
কম্পিউটার,
টিপস এন্ড ট্রিকস,
ট্রাবলশ্যুটিং,
র্যাম,
হার্ডওয়ার
কম্পিউটার ট্রাবলশ্যুটিং সমগ্রঃ ধাপে ধাপে পিসির বিভিন্ন সমস্যার সমাধান- পর্ব ৩: হার্ডওয়ার ট্রাবলশ্যুটিং
কম্পিউটারের ট্রাবলশুটিংয়ের প্রসঙ্গ আসলেই চলে আসবে হার্ডওয়্যারজনিত বিভিন্ন সমস্যার কথা। এত এত হার্ডওয়্যার পিসির ভেতর কোন না কোনোটিতে সমস্যা হওয়াটি নিত্যনৈমত্তিক একটা ঘটনা। তাই এর ব্যবহারকারী সবারই হার্ডওয়্যারগত বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করার সাধারণ কিছু উপায় জানা উচিত। আসুন ধাপে ধাপে জেনে নিই এমন কিছু সমস্যা ও তার সমাধান।
হার্ডওয়্যার ট্রাবলশ্যুটিং
মনিটর/ডিসপ্লে
>> যদি মনিটরে কোনো ডিসপ্লে না আসে এবং এর লেড লাইট জ্বলে নিভে তখন বুঝতে হবে ভিডিও কার্ডে কোনো সমস্যা বা মনিটরের ক্যাবল কানেকশন লুজ হয়ে গেছে। কানেকশন চেক করুন।
>>যদি মনিটর ও পিসির পাওয়ার সুইচ অন করার পর তিনটি শর্ট বীপ শুনতে পান তাহলে বুঝতে হবে গ্রাফিক্স কার্ডে সমস্যা। আপনার গ্রাফিক্স কার্ডটি খুলে অন্য পিসিতে লাগিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন এটি ঠিক আছে কিনা। আর যদি বিল্টইন গ্রাফিক্স হয় তাহলে আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড এজিপি স্লটে লাগিয়ে টেস্ট করতে পারেন।ইন্টিগ্রেটেড এজিপির সমস্যা সমাধানে বায়োস সেটিংস রিসেট করে দেখতে পারেন।
>>যদি মনিটর ঝাপসা মনে হয় বা এটি কাঁপতে থাকে তাহলে বুঝতে হবে মনিটর ও গ্রাফিক্স কার্ডের রিফ্রেশ রেটে অসামঞ্জস্য আছে। যদি উইন্ডোজ লোড হওয়াকালীন এই সমস্যা হয় তাহলে বুঝবেন মনিটরের রিফ্রেশ রেট ভুলভাবে সেটিংস করা হয়েছে। এমতাবস্থায় সিস্টেম বুট হবার পর যখন Starting Windows মেসেজটি দেখবেন তখনই কী-বোর্ডের এফ৮ চেপে সেফ মোডে উইন্ডোজ চালু করুন। এর গ্রাফিক্স/ডিসপ্লে প্রোপার্টিজে গিয়ে রিফ্রেশ রেট ঠিক করুন।
>> যদি মনিটরে অস্পষ্ট কালার ও প্যাটার্ন দেখা যায় এবং চালু করতে গেলে মনিটর কাঁপতে থাকে বা চালুই হয় না তখন বুঝতে হবে একহয় আপনার ডাইরেক্ট এক্স পুরাতন অথবা গ্রাফিক্স কার্ডের লেটেস্ট ড্রাইভার নেই। তাই সবসময় লেটেস্ট ডাইরেক্ট এক্স ব্যবহার করবেন ও গ্রাফিক্স কার্ড ড্রাইভার আপডেটেড রাখবেন। এরপর সমস্যা থাকলে বুঝতে হবে আপনার ভিডিও কার্ড ও উইন্ডোজের মধ্যে কম্পাটিবিলিটিতে সমস্যা আছে। এমতাবস্থায় অভিজ্ঞ কাউকে দেখান অথবা বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করুন।
সিডি/ডিভিডি রম
>> যদি ড্রাইভে সিডি/ডিভিডি ঢুকালে তা দেখা না যায় অথবা সেটি রান না করে তখন বুঝতে হবে সিডি/ডিভিডিতে স্ক্র্যাচ পড়েছে অথবা আপনার ড্রাইভের হেডে ধুলা জমে সেটি অকার্যকর হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় পারলে সিডি ড্রাইভ খুলে সেটির হেড থেকে ধুলা পরিষ্কার করুন অথবা সিডি ক্লিনার কিনে তা প্রবেশ করিয়ে ড্রাইভের হেড ক্লিন করুন।
>> সিডি যদি ড্রাইভের Eject বাটন চাপার পরও বের না হয় তখন বুঝতে হবে সিডিটি এখনও রান করছে। তাই অপেক্ষা করুন। তবে নিয়মিত এই সমস্যাটি হলে বুঝতে হবে সিডি ড্রাইভের মেকানিজমে সমস্যা। বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করুন।
>> যদি মাই কম্পিউটারেই সিডি ড্রাইভ খুঁজে পাওয়া না যায় তখন দেখুন এর পেছনের ডাটা ক্যাবল ও পাওয়ার ক্যাবল লুজ হয়ে গিয়েছে কিনা। তারপরও কাজ না হলে বায়োসে ঢুকে দেখতে পারেন আসলেই মাদারবোর্ড ড্রাইভটিকে ডিটেক্ট করতে পারছে কি-না। এখানে বুট ডিভাইস লিস্টে ড্রাইভটি দেখা গেলে বুঝা যাবে যে উইন্ডোজের সমস্যা। সেক্ষেত্রে ডিভাইস ম্যানেজারে গিয়ে ড্রাইভের ড্রাইভারটি আনইন্সটল করুন। ড্রাইভের ডাটা ক্যাবল খুলে আবার লাগান। উইন্ডোজ এবার নতুন করে ড্রাইভার ইন্সটল করবে।
>>অনেকেই হয়তো জানেন না ময়লা সিডি ক্লিন করতে ইচ্ছে করলে আপনি সেটিকে হালকা সাবানা পানি দিয়ে ধুলে পরিষ্কর করে ভালোমতো শুকিয়ে তারপর ব্যবহার করতে পারেন। তবে ডিটারজেন্ট ব্যবহার করবেন না।
র্যাম
র্যামের ট্রাবলশুটিং বলতে বুঝায় যদি কখনও বিনা কারণেই পিসি হ্যাং করে বা রিস্টার্ট হয় তখন খেয়াল করবেন র্যাম স্লটে ঠিকমতো বসানো আছে কিনা। এরপর যদি একাধিক র্যাম ব্যবহার করে থাকেন তাহলে খেয়াল করুন সবগুলোই একই বাসস্পিডবিশিষ্ট কিনা। সিস্টেম স্ট্যাবিলিটির জন্য একই বাসস্পিডবিশিষ্ট র্যাম ব্যবহার করা খুবই জরুরি।
সাউন্ড
সাউন্ড নিঃসন্দেহে কম্পিউটারের অপরিহার্য একটি অংশ। কিন্তু একে নিয়ে বিড়ম্বনাও কম না। বন্ধুদেরকে নিয়ে আসলেন মুভি দেখাবেন বলে। কিন্তু পিসি অন করে মুভি প্লে করে দেখলেন ভিডিও আসছে কিন্তু সাউন্ড উধাও। অনেকেই মাঝেমধ্যে এরকম বিড়ম্বনাকর পরিস্থিতিতে পড়ে থাকেন। হঠাৎ হঠাৎ তো সাউন্ডের আইকনটাকেই খুঁজে পাওয়া যায় না। আসুন দেখে নিই কি করবেন তখন।
>>প্রথমেই যথারীতি দেখতে হবে সাউন্ড কার্ড ও স্পিকারের সব কানেকশন ঠিক আছে কিনা। মনে রাখবেন সাউন্ড কার্ডের মাঝের সবুজ পোর্টে স্পিকারের ইনপুট জ্যাকে ঢুকাতে হয়।
>> সব ঠিক আছে ? তাহলে এবার দেখুন তো উইন্ডোজের নোটিফিকেশনগুলোর (ডিসপ্লের নিচে ডানকোণায় ঘড়ির পাশে) মধ্যে সাউন্ডের আইকনটি খুঁজে পাওয়া যায় কি। নেই ? নাকি লাল ক্রস? তাহলে বুঝতে হবে সাউন্ডের ড্রাইভার ইন্সটল করতে হবে। ড্রাইভার ইন্সটল করে পিসি রিস্টার্ট দিন। ড্রাইভার না থাকলে উইন্ডোজ আপডেটের সহায়তা নিন।
>> আইকন ঠিক আছে ? তাহলে দেখুন Mute অন করা কিনা। সাউন্ডের প্রোপ্রার্টিজে গিয়ে সাউন্ডের লেভেল চেক করুন।
>>সব ঠিক ? ড্রাইভারও আছে ? তাহলে আগের ড্রাইভারটি আনইন্সটল করে আবার নতুন করে ড্রাইভার ইন্সটল করুন।
>> আরেকটি ব্যাপার হতে পারে। সাউন্ড কার্ডের ড্রাইভার অন্য কোনো ড্রাইভারের সাথে কনফ্লিক্ট করতে পারে। এটি দেখার জন্য ডিভাইস ম্যানেজারে যান।
>> সাউন্ড, ভিডিও এন্ড গেম কন্ট্রোলারস এক্সপান্ড করুন। যদি সাউন্ড কার্ডের পাশে হলুদ রংয়ের ‘!’ চিহ্ন দেখেন তাহলে বুঝতে হবে অন্য কোনো ডিভাইস সাউন্ড কার্ডের সাথে কনফ্লিক্ট করছে।
>>এর সমাধান করতে ডিভাইস ম্যানেজার ট্যাব হতে প্রোপার্টিজ>রিসোর্সে যান। কনফ্লিক্টিং ডিভাইস লিস্ট হতে দায়ী ডিভাইসটি খুঁজে বের করুন। অটোমেটিক সেটিংস চেকবক্সে ক্লিক করে পিসি রিস্টার্ট করুন।
>.এতেও কাজ হয়নি ? উপরের কাজটি আবার করে অটোমেটিক সেটিংস চেকবক্সটি ডিজেবল করে চেঞ্জ সেটিংস-এ ক্লিক করুন। অতঃপর বিভিন্ন সেটিংস-এর মাঝে দেখুন কখন কোন ডিভাইস কনফ্লিক করে, কখন করে না। কাজ শেষ হলে Ok করে পিসি আবার রিস্টার্ট দিন।
>>স্পীকার যেই সাউন্ড কার্ডে লাগানো সেটাই ডিফল্ট সাউন্ড ডিভাইস হিসেবে চিহ্নিত করা আছে কিনা দেখুন।কেননা বর্তমানে এক্সটার্নাল গ্রাফিক্স কার্ডেও সাউন্ড কার্ড থাকে।
>>সামনের পোর্ট দিয়ে স্পষ্ট সাউন্ড পেতে হলে ড্রাইভার এবং বায়োস সেটিংস দুটোই কিন্তু ঠিক থাকতে হবে।
মাউস
সাধারণত রোলার বলবিশিষ্ট মাউসগুলোর ভেতর ময়লা ও ধুলাবালি জমে প্রায়ই সমস্যা তৈরি করে। এজন্য উচিত নিয়মিত মাউস পরিষ্কার করা। প্রথমে মাউসটি হাতে নিয়ে উল্টো করে নিচের অংশ গোলাকৃতি চাকতিটি হাতের আঙ্গুল দিয়ে চেপে ধরে বামদিকে ঘুরিয়ে ফেলুন। ভেতরের রোলার বলটি বের করুন। এবার মাউস হোলের ভেতরে তাকান। সেখানে বেশ কিছু রোলার দেখতে পাবেন। ময়লা-ধুলাবালি সেখানেই জমে। চিমটা বা হাতের নখ দিয়ে ময়লাগুলো আলগা করে মাউস উল্টে বাইরে ফেলে দিন। এবার মাউসের বলটি পরিষ্কার কাপড় বা টিস্যু দিয়ে মুছে ফেলুন। সব কাজ শেষ হলে বলটি ভেতরে রেখে চাকতিটি নিয়ে বিপরীত দিকে ঘুরিয়ে বন্ধ করুন।
প্রাচীন কালের টিপস হয়ে গেল বলে দুঃখিত।কি করব বলুন।অপটিক্যাল মাউস নিয়ে বলার কিছু নেই।কেননা বেসিক ইলেকট্রনিক সার্কিট,সোল্ডারিং,মাল্টিমিটার এর সাথে যাদের পরিচয় নেই তারা আসলে নতুন মাউস কেনা ছাড়া কিছুই করতে পারবেন না।আর যারা এগুলো ব্যবহার করতে পারেন তাদের কোন সমস্যা হলে আশা করি নিজেরাই পারবেন বুঝেশুনে কাজ করতে।নইলে আমি তো আছিই!!
কী-বোর্ড
কী-বোর্ডে যে সমস্যাটি বেশি ঝামেলা ফেলে তা হচ্ছে কী-বোর্ডের যে বাটনে যেটি আসার কথা তা না এসে অন্যটি আসা। এ সমস্যার সমাধান করা জানা থাকলে খুবই সহজ। আসুন জেনে নেই-
>>কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে Regional and Language অপশনে যান।
>> Keyboard and Language ট্যাব থেকে Change Keyboard-এ ক্লিক করুন।
>> সেখান থেকে United States International সিলেক্ট করে Apply,Ok করুন।
>> এছাড়াও ডিভাইস ম্যানেজারে গিয়ে দেখে আসতে পারেন কী-বোর্ড ঠিকমতো কাজ করছে কিনা। সব ঠিক থাকার পরও যদি সমস্যা থেকে যায় তাহলে বুঝতে হবে কী-বোর্ড পরিবর্তনের দ্বারপ্রান্তে আপনি।
মডেম
প্রায় সময়ই দেখা যায় মডেমটি কাজ করছে না। এটি দিয়ে ইন্টারনেট কানেক্ট হতে পারছেন না আপনি অথবা পিসি মডেমই খুঁজে পাচ্ছে না। এই সমস্যা যেমন হার্ডওয়্যারজনিত হতে পারে তেমনি কমিউনিকেশন সফটওয়্যার বা সেটিংসজনিত কারণেও হতে পারে। নিচে এই জাতীয় বেশ কিছু ট্রাবলশুটিংয়ের কথা বলছি।
>>যদি উইন্ডোজ মডেমই ডিটেক্ট করতে না পারে তখন মডেমটি খুলে অন্য স্লটে লাগিয়ে দেখুন।
>>মডেম ওকে কিন্তু নেট কাজ করছে না ? তখন ডিভাইস ম্যানেজারে গিয়ে দেখুন মডেমটি ঠিকমতো কাজ করছে কিনা। প্রয়োজনবোধে ড্রাইভার রিইন্সটল করে দেখতে পারেন।
>>কাজ হচ্ছে না ? ফোন লাইন চেক করুন। মডেম ঠিক মোডে আছে কিনা দেখুন। যদি আপনি ট্রান্সমিশন রিসিভ করতে চান তাহলে মডেম অ্যানসার মোডে আর ইন্টারনেট ব্যবহার করতে ডায়াল মোডে থাকা লাগবে।
>> যদি মডেম ডায়াল করতে পারে কিন্তু কানেক্ট হয় না তখন দেখুন আপনার ডায়ালিং নাম্বার ঠিক আছে কিনা।
>>যদি না ডায়ালটোন হয় তাহলে লাইন চেক করুন। ফোনের বাসায় অন্য এক্সটেনশন লাইন থাকলে সেটি পরীক্ষা করুন।
>>কমিউনিকেশন সফটওয়্যার ঠিক আছে কিনা তা দেখুন। কন্ট্রোল প্যানেলে মডেম প্রোপার্টিজে wait for dial tone before dialing অপশনটি অফ করে দিলে সমস্যার সমাধান হতে পারে।
>>COM পোর্ট সেটিংস ঠিক আছে কি-না দেখুন। মডেম প্রোপার্টিজ থেকে এটি দেখতে পারবেন। প্রয়োজনে COM Port পরিবর্তন করুন।
এজ মডেম
উপরের প্রায় প্রতিটা পয়েন্টই এজ মডেমের জন্য প্রযোজ্য।আরো যেসব বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে তা বলছি এবার-
>>নেট কানেকশন না পেলে বা স্পীড খুব কম থাকলে সীমটি ট্রে থেকে খুলে আবার লাগিয়ে কানেক্ট দিন।অনেকসময় মডেম ঠিকমতো সীম কানেকশন না পাবার কারনেও নেট সমস্যা করে থাকে।
>>মডেম সবসময় উন্মুক্ত স্থানে রাখুন।কেননা এর উপর নেটওয়ার্ক নির্ভর করে।
>>মডেম কেনার সময় ভাল করে জেনে নিন এই মডেম উইন্ডোজ এক্সপি,ভিসতা,সেভেন বা লিনাক্স সাপোর্ট করে কিনা এবং সংশ্লিষ্ট সব ড্রাইভার সাথে দেয়া আছে কিনা।
হার্ডডিস্ক
অনেক সময় কম্পিউটার চালু হবার সময় হার্ডডিস্ক এরর দেখায়। এর কারণ হতে পারে-
>> মাদারবোর্ড হার্ডডিস্ক পাচ্ছে না। প্রথমেই নিশ্চিত হোন হার্ডডিস্কের পাওয়ার ক্যাবল ঠিক আছে কি-না। তারপর হার্ডডিস্ক থেকে মাদারবোর্ডের ডাটা ক্যাবল চেক করুন।
>>হার্ডডিস্কের পেছনের পিন ঠিক আছে কিনা দেখুন।
>>হয়তোবা বায়োসের সেটিংসের কারণেও সমস্যা হতে পারে। বায়োসে গিয়ে দেখতে পারেন হার্ডডিস্ক পাওয়া যাচ্ছে কিনা।
হার্ডওয়্যার ট্রাবলশ্যুটিং
মনিটর/ডিসপ্লে
>> যদি মনিটরে কোনো ডিসপ্লে না আসে এবং এর লেড লাইট জ্বলে নিভে তখন বুঝতে হবে ভিডিও কার্ডে কোনো সমস্যা বা মনিটরের ক্যাবল কানেকশন লুজ হয়ে গেছে। কানেকশন চেক করুন।

>>যদি মনিটর ঝাপসা মনে হয় বা এটি কাঁপতে থাকে তাহলে বুঝতে হবে মনিটর ও গ্রাফিক্স কার্ডের রিফ্রেশ রেটে অসামঞ্জস্য আছে। যদি উইন্ডোজ লোড হওয়াকালীন এই সমস্যা হয় তাহলে বুঝবেন মনিটরের রিফ্রেশ রেট ভুলভাবে সেটিংস করা হয়েছে। এমতাবস্থায় সিস্টেম বুট হবার পর যখন Starting Windows মেসেজটি দেখবেন তখনই কী-বোর্ডের এফ৮ চেপে সেফ মোডে উইন্ডোজ চালু করুন। এর গ্রাফিক্স/ডিসপ্লে প্রোপার্টিজে গিয়ে রিফ্রেশ রেট ঠিক করুন।
>> যদি মনিটরে অস্পষ্ট কালার ও প্যাটার্ন দেখা যায় এবং চালু করতে গেলে মনিটর কাঁপতে থাকে বা চালুই হয় না তখন বুঝতে হবে একহয় আপনার ডাইরেক্ট এক্স পুরাতন অথবা গ্রাফিক্স কার্ডের লেটেস্ট ড্রাইভার নেই। তাই সবসময় লেটেস্ট ডাইরেক্ট এক্স ব্যবহার করবেন ও গ্রাফিক্স কার্ড ড্রাইভার আপডেটেড রাখবেন। এরপর সমস্যা থাকলে বুঝতে হবে আপনার ভিডিও কার্ড ও উইন্ডোজের মধ্যে কম্পাটিবিলিটিতে সমস্যা আছে। এমতাবস্থায় অভিজ্ঞ কাউকে দেখান অথবা বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করুন।
সিডি/ডিভিডি রম
>> যদি ড্রাইভে সিডি/ডিভিডি ঢুকালে তা দেখা না যায় অথবা সেটি রান না করে তখন বুঝতে হবে সিডি/ডিভিডিতে স্ক্র্যাচ পড়েছে অথবা আপনার ড্রাইভের হেডে ধুলা জমে সেটি অকার্যকর হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় পারলে সিডি ড্রাইভ খুলে সেটির হেড থেকে ধুলা পরিষ্কার করুন অথবা সিডি ক্লিনার কিনে তা প্রবেশ করিয়ে ড্রাইভের হেড ক্লিন করুন।
>> সিডি যদি ড্রাইভের Eject বাটন চাপার পরও বের না হয় তখন বুঝতে হবে সিডিটি এখনও রান করছে। তাই অপেক্ষা করুন। তবে নিয়মিত এই সমস্যাটি হলে বুঝতে হবে সিডি ড্রাইভের মেকানিজমে সমস্যা। বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করুন।
>> যদি মাই কম্পিউটারেই সিডি ড্রাইভ খুঁজে পাওয়া না যায় তখন দেখুন এর পেছনের ডাটা ক্যাবল ও পাওয়ার ক্যাবল লুজ হয়ে গিয়েছে কিনা। তারপরও কাজ না হলে বায়োসে ঢুকে দেখতে পারেন আসলেই মাদারবোর্ড ড্রাইভটিকে ডিটেক্ট করতে পারছে কি-না। এখানে বুট ডিভাইস লিস্টে ড্রাইভটি দেখা গেলে বুঝা যাবে যে উইন্ডোজের সমস্যা। সেক্ষেত্রে ডিভাইস ম্যানেজারে গিয়ে ড্রাইভের ড্রাইভারটি আনইন্সটল করুন। ড্রাইভের ডাটা ক্যাবল খুলে আবার লাগান। উইন্ডোজ এবার নতুন করে ড্রাইভার ইন্সটল করবে।
>>অনেকেই হয়তো জানেন না ময়লা সিডি ক্লিন করতে ইচ্ছে করলে আপনি সেটিকে হালকা সাবানা পানি দিয়ে ধুলে পরিষ্কর করে ভালোমতো শুকিয়ে তারপর ব্যবহার করতে পারেন। তবে ডিটারজেন্ট ব্যবহার করবেন না।
র্যাম
র্যামের ট্রাবলশুটিং বলতে বুঝায় যদি কখনও বিনা কারণেই পিসি হ্যাং করে বা রিস্টার্ট হয় তখন খেয়াল করবেন র্যাম স্লটে ঠিকমতো বসানো আছে কিনা। এরপর যদি একাধিক র্যাম ব্যবহার করে থাকেন তাহলে খেয়াল করুন সবগুলোই একই বাসস্পিডবিশিষ্ট কিনা। সিস্টেম স্ট্যাবিলিটির জন্য একই বাসস্পিডবিশিষ্ট র্যাম ব্যবহার করা খুবই জরুরি।
সাউন্ড
সাউন্ড নিঃসন্দেহে কম্পিউটারের অপরিহার্য একটি অংশ। কিন্তু একে নিয়ে বিড়ম্বনাও কম না। বন্ধুদেরকে নিয়ে আসলেন মুভি দেখাবেন বলে। কিন্তু পিসি অন করে মুভি প্লে করে দেখলেন ভিডিও আসছে কিন্তু সাউন্ড উধাও। অনেকেই মাঝেমধ্যে এরকম বিড়ম্বনাকর পরিস্থিতিতে পড়ে থাকেন। হঠাৎ হঠাৎ তো সাউন্ডের আইকনটাকেই খুঁজে পাওয়া যায় না। আসুন দেখে নিই কি করবেন তখন।
>>প্রথমেই যথারীতি দেখতে হবে সাউন্ড কার্ড ও স্পিকারের সব কানেকশন ঠিক আছে কিনা। মনে রাখবেন সাউন্ড কার্ডের মাঝের সবুজ পোর্টে স্পিকারের ইনপুট জ্যাকে ঢুকাতে হয়।
>> সব ঠিক আছে ? তাহলে এবার দেখুন তো উইন্ডোজের নোটিফিকেশনগুলোর (ডিসপ্লের নিচে ডানকোণায় ঘড়ির পাশে) মধ্যে সাউন্ডের আইকনটি খুঁজে পাওয়া যায় কি। নেই ? নাকি লাল ক্রস? তাহলে বুঝতে হবে সাউন্ডের ড্রাইভার ইন্সটল করতে হবে। ড্রাইভার ইন্সটল করে পিসি রিস্টার্ট দিন। ড্রাইভার না থাকলে উইন্ডোজ আপডেটের সহায়তা নিন।
>> আইকন ঠিক আছে ? তাহলে দেখুন Mute অন করা কিনা। সাউন্ডের প্রোপ্রার্টিজে গিয়ে সাউন্ডের লেভেল চেক করুন।
>>সব ঠিক ? ড্রাইভারও আছে ? তাহলে আগের ড্রাইভারটি আনইন্সটল করে আবার নতুন করে ড্রাইভার ইন্সটল করুন।
>> আরেকটি ব্যাপার হতে পারে। সাউন্ড কার্ডের ড্রাইভার অন্য কোনো ড্রাইভারের সাথে কনফ্লিক্ট করতে পারে। এটি দেখার জন্য ডিভাইস ম্যানেজারে যান।
>> সাউন্ড, ভিডিও এন্ড গেম কন্ট্রোলারস এক্সপান্ড করুন। যদি সাউন্ড কার্ডের পাশে হলুদ রংয়ের ‘!’ চিহ্ন দেখেন তাহলে বুঝতে হবে অন্য কোনো ডিভাইস সাউন্ড কার্ডের সাথে কনফ্লিক্ট করছে।
>>এর সমাধান করতে ডিভাইস ম্যানেজার ট্যাব হতে প্রোপার্টিজ>রিসোর্সে যান। কনফ্লিক্টিং ডিভাইস লিস্ট হতে দায়ী ডিভাইসটি খুঁজে বের করুন। অটোমেটিক সেটিংস চেকবক্সে ক্লিক করে পিসি রিস্টার্ট করুন।
>.এতেও কাজ হয়নি ? উপরের কাজটি আবার করে অটোমেটিক সেটিংস চেকবক্সটি ডিজেবল করে চেঞ্জ সেটিংস-এ ক্লিক করুন। অতঃপর বিভিন্ন সেটিংস-এর মাঝে দেখুন কখন কোন ডিভাইস কনফ্লিক করে, কখন করে না। কাজ শেষ হলে Ok করে পিসি আবার রিস্টার্ট দিন।
>>স্পীকার যেই সাউন্ড কার্ডে লাগানো সেটাই ডিফল্ট সাউন্ড ডিভাইস হিসেবে চিহ্নিত করা আছে কিনা দেখুন।কেননা বর্তমানে এক্সটার্নাল গ্রাফিক্স কার্ডেও সাউন্ড কার্ড থাকে।
>>সামনের পোর্ট দিয়ে স্পষ্ট সাউন্ড পেতে হলে ড্রাইভার এবং বায়োস সেটিংস দুটোই কিন্তু ঠিক থাকতে হবে।
মাউস
সাধারণত রোলার বলবিশিষ্ট মাউসগুলোর ভেতর ময়লা ও ধুলাবালি জমে প্রায়ই সমস্যা তৈরি করে। এজন্য উচিত নিয়মিত মাউস পরিষ্কার করা। প্রথমে মাউসটি হাতে নিয়ে উল্টো করে নিচের অংশ গোলাকৃতি চাকতিটি হাতের আঙ্গুল দিয়ে চেপে ধরে বামদিকে ঘুরিয়ে ফেলুন। ভেতরের রোলার বলটি বের করুন। এবার মাউস হোলের ভেতরে তাকান। সেখানে বেশ কিছু রোলার দেখতে পাবেন। ময়লা-ধুলাবালি সেখানেই জমে। চিমটা বা হাতের নখ দিয়ে ময়লাগুলো আলগা করে মাউস উল্টে বাইরে ফেলে দিন। এবার মাউসের বলটি পরিষ্কার কাপড় বা টিস্যু দিয়ে মুছে ফেলুন। সব কাজ শেষ হলে বলটি ভেতরে রেখে চাকতিটি নিয়ে বিপরীত দিকে ঘুরিয়ে বন্ধ করুন।
প্রাচীন কালের টিপস হয়ে গেল বলে দুঃখিত।কি করব বলুন।অপটিক্যাল মাউস নিয়ে বলার কিছু নেই।কেননা বেসিক ইলেকট্রনিক সার্কিট,সোল্ডারিং,মাল্টিমিটার এর সাথে যাদের পরিচয় নেই তারা আসলে নতুন মাউস কেনা ছাড়া কিছুই করতে পারবেন না।আর যারা এগুলো ব্যবহার করতে পারেন তাদের কোন সমস্যা হলে আশা করি নিজেরাই পারবেন বুঝেশুনে কাজ করতে।নইলে আমি তো আছিই!!
কী-বোর্ড
কী-বোর্ডে যে সমস্যাটি বেশি ঝামেলা ফেলে তা হচ্ছে কী-বোর্ডের যে বাটনে যেটি আসার কথা তা না এসে অন্যটি আসা। এ সমস্যার সমাধান করা জানা থাকলে খুবই সহজ। আসুন জেনে নেই-
>>কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে Regional and Language অপশনে যান।
>> Keyboard and Language ট্যাব থেকে Change Keyboard-এ ক্লিক করুন।
>> সেখান থেকে United States International সিলেক্ট করে Apply,Ok করুন।
>> এছাড়াও ডিভাইস ম্যানেজারে গিয়ে দেখে আসতে পারেন কী-বোর্ড ঠিকমতো কাজ করছে কিনা। সব ঠিক থাকার পরও যদি সমস্যা থেকে যায় তাহলে বুঝতে হবে কী-বোর্ড পরিবর্তনের দ্বারপ্রান্তে আপনি।
মডেম
প্রায় সময়ই দেখা যায় মডেমটি কাজ করছে না। এটি দিয়ে ইন্টারনেট কানেক্ট হতে পারছেন না আপনি অথবা পিসি মডেমই খুঁজে পাচ্ছে না। এই সমস্যা যেমন হার্ডওয়্যারজনিত হতে পারে তেমনি কমিউনিকেশন সফটওয়্যার বা সেটিংসজনিত কারণেও হতে পারে। নিচে এই জাতীয় বেশ কিছু ট্রাবলশুটিংয়ের কথা বলছি।
>>যদি উইন্ডোজ মডেমই ডিটেক্ট করতে না পারে তখন মডেমটি খুলে অন্য স্লটে লাগিয়ে দেখুন।
>>মডেম ওকে কিন্তু নেট কাজ করছে না ? তখন ডিভাইস ম্যানেজারে গিয়ে দেখুন মডেমটি ঠিকমতো কাজ করছে কিনা। প্রয়োজনবোধে ড্রাইভার রিইন্সটল করে দেখতে পারেন।
>>কাজ হচ্ছে না ? ফোন লাইন চেক করুন। মডেম ঠিক মোডে আছে কিনা দেখুন। যদি আপনি ট্রান্সমিশন রিসিভ করতে চান তাহলে মডেম অ্যানসার মোডে আর ইন্টারনেট ব্যবহার করতে ডায়াল মোডে থাকা লাগবে।
>> যদি মডেম ডায়াল করতে পারে কিন্তু কানেক্ট হয় না তখন দেখুন আপনার ডায়ালিং নাম্বার ঠিক আছে কিনা।
>>যদি না ডায়ালটোন হয় তাহলে লাইন চেক করুন। ফোনের বাসায় অন্য এক্সটেনশন লাইন থাকলে সেটি পরীক্ষা করুন।
>>কমিউনিকেশন সফটওয়্যার ঠিক আছে কিনা তা দেখুন। কন্ট্রোল প্যানেলে মডেম প্রোপার্টিজে wait for dial tone before dialing অপশনটি অফ করে দিলে সমস্যার সমাধান হতে পারে।
>>COM পোর্ট সেটিংস ঠিক আছে কি-না দেখুন। মডেম প্রোপার্টিজ থেকে এটি দেখতে পারবেন। প্রয়োজনে COM Port পরিবর্তন করুন।
এজ মডেম
উপরের প্রায় প্রতিটা পয়েন্টই এজ মডেমের জন্য প্রযোজ্য।আরো যেসব বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে তা বলছি এবার-
>>নেট কানেকশন না পেলে বা স্পীড খুব কম থাকলে সীমটি ট্রে থেকে খুলে আবার লাগিয়ে কানেক্ট দিন।অনেকসময় মডেম ঠিকমতো সীম কানেকশন না পাবার কারনেও নেট সমস্যা করে থাকে।
>>মডেম সবসময় উন্মুক্ত স্থানে রাখুন।কেননা এর উপর নেটওয়ার্ক নির্ভর করে।
>>মডেম কেনার সময় ভাল করে জেনে নিন এই মডেম উইন্ডোজ এক্সপি,ভিসতা,সেভেন বা লিনাক্স সাপোর্ট করে কিনা এবং সংশ্লিষ্ট সব ড্রাইভার সাথে দেয়া আছে কিনা।
হার্ডডিস্ক
অনেক সময় কম্পিউটার চালু হবার সময় হার্ডডিস্ক এরর দেখায়। এর কারণ হতে পারে-
>> মাদারবোর্ড হার্ডডিস্ক পাচ্ছে না। প্রথমেই নিশ্চিত হোন হার্ডডিস্কের পাওয়ার ক্যাবল ঠিক আছে কি-না। তারপর হার্ডডিস্ক থেকে মাদারবোর্ডের ডাটা ক্যাবল চেক করুন।
>>হার্ডডিস্কের পেছনের পিন ঠিক আছে কিনা দেখুন।
>>হয়তোবা বায়োসের সেটিংসের কারণেও সমস্যা হতে পারে। বায়োসে গিয়ে দেখতে পারেন হার্ডডিস্ক পাওয়া যাচ্ছে কিনা।
Labels:
উইন্ডোজ,
কম্পিউটার,
টিপস এন্ড ট্রিকস,
ট্রাবলশ্যুটিং,
র্যাম,
হার্ডওয়ার
কম্পিউটার ট্রাবলশ্যুটিং সমগ্রঃ ধাপে ধাপে পিসির বিভিন্ন সমস্যার সমাধান- পর্ব ২: কম্পিউটার চালু না হলে কি করবেন আপনি
আগের পর্বে বলেছিলাম কিভাবে কম্পিউটার কেসিং খুলতে হবে সে ব্যাপারে।এবারে বলব কম্পিউটার চালু না হলে আপনি কি কি করতে পারেন সে ব্যাপারে কিছু কথা।
কম্পিউটার চালু হচ্ছে না: কি করবেন এখন?
এটিকে একটি পরিচিত সমস্যা হিসেবেই চিহ্নিত করতে চাই। নিয়মিত কম্পিউটার চালু হয় না এমনটা বললে মনে হয় ভুল বলা হবে না। নতুন ব্যবহারকারীদের কাছে এই সমস্যার একটাই সমাধান। তা হচ্ছে বিক্রেতার শরণাপন্ন হয়ে অযথা পয়সা খরচ। দেখি তো আপনাকে বাঁচাতে পারি কিনা। নিচের কথাগুলো শুনুন মনোযোগ দিয়ে।
>> পাওয়ার সুইচ অন করার পর সিস্টেমের ইন্টারনাল স্পিকার কয়টা আওয়াজ করলো খেয়াল করুন। যদি বীপ সংখ্যা এক হয় তার মানে কম্পিউটার ডিসপ্লে আউটপুট পাচ্ছে না।অথবা কীবোর্ড মাদারবোর্ডের সাথে ঠিকমতো সংযুক্ত না হলেও এমনটা হতে পারে।
>>যদি একটি বড় বীপের পর দুটি ছোটো বীপ হয় তারমানে র্যাম পাচ্ছে না আপনার মাদারবোর্ড।র্যাম পরিবর্তন না স্লট পরিবর্তন করে দেখুন।
>>যদি একটি বড় বীপের পর তিনটি ছোট বীপ হয় তাহলে বুঝবেন নিশ্চিতভাবেই ডিসপ্লে বা গ্রাফিক্স আউটপুটের সমস্যা।
>>আর যদি একটা বড় বীপ তারপর চারটা ছোট বীপ হয় তারমানে আপনার মাদারবোর্ড বা গুরুত্বপূর্ণ কোন হার্ডওয়ার নষ্ট হয়ে গিয়েছে বা ঠিকমতো কাজ করছে না।
>>তবে এর জন্য আপনার পিসিতে ইন্টারনাল স্পীকার কিন্তু থাকতে হবে। অনেক মাদারবোর্ডে ইন্টারনাল স্পীকার বিল্ট-ইন থাকে।অন্যগুলাতে আলাদা লাগাবে হয়।সাধারনত কম্পিউটার কেনার সময় বিক্রেতাই এটি দিয়ে দেয় তবে অনেকসময় ভুলে তা ঠিকমতো লাগানো নাও থাকতে পারে।সেক্ষেত্রে আপনার মাদারবোর্ডের বক্সে দেখুন স্পীকার পান কিনা।নইলে সময় করে বিক্রেতার কাছ থেকে নিয়ে আসুন।বুঝতেই পারছেন কেন আমি এটাকে এতো গুরুত্ব দিচ্ছি।
>> মনিটরের দিকে তাকান। এটি কি স্লীপ মোডে আছে ? অর্থাৎ এর লেড লাইট কি জ্বলছে নিভছে কিনা খেয়াল করুন। যদি তা না হয় অর্থাৎ লেড লাইট জ্বলেই থাকে এবং মনিটরে কিছু না কিছু দেখা যায় তাহলে আপনাকে অভিনন্দন। আপনার মাদারবোর্ড ও গ্রাফিক্স কার্ড ঠিক আছে।সমস্যাটা ছোটোখাটো।নো টেনশন!
>> যদি পাওয়ার অন করাই সম্ভব না হয় তাহলে কেসিং খুলে দেখুন নিঃসন্দেহে আপনার পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা। খোঁজার চেষ্টা করুন সমস্যাটা কোথায়।
>> এবারে ধরুন মাদারবোর্ডের পাওয়ার লেড জ্বলছে কিন্তু কেসিংয়ের পাওয়ার বাটন চাপলেও পিসি রেসপন্স করছে না তখন বুঝতে হবে কেসিংয়ের পাওয়ার সাপ্লাইয়ে কোনো সমস্যা হবার কারণে এটি পর্যাপ্ত ভোল্টেজ আউটপুট দিতে পারছে না। এক্ষেত্রে সম্ভব হলে অন্য পাওয়ার সাপ্লাই লাগিয়ে চেষ্টা করে দেখুন।
>> এবারেও কাজ হয়নি ? হতে পারে আপনার পাওয়ার সুইচেই সমস্যা। অভিজ্ঞ কাজ জানা ব্যবহারকারীরা সম্ভব হলে মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল দেখে মাদারবোর্ডের পাওয়ার বাটন পিন দুইটি বের করে তা কোনোভাবে কন্টাক্ট করে দেখতে পারেন কাজ হয় কিনা। তবে অনভিজ্ঞরা এই কাজটি না করতে যাওয়াটাই ভালো।
>> পাওয়ার সংক্রান্ত সমস্যার আশাকরি সমাধান হলো। এবারও কম্পিউটার চালু হচ্ছে না ? তাহলে বুঝতে হবে র্যামের সমস্যা। র্যামের স্লট পরিবর্তন করে নতুবা অন্য র্যাম লাগিয়ে দেখুন।
>> কম্পিউটার বুট হলো ঠিকঠাক কিন্তু উইন্ডোজ লোডিং-এর আগেই আটকে গেছে ? তখন বুঝতে হবে আপনার হার্ডডিস্কের সমস্যা। হার্ডডিস্কের পাওয়ার ও ডাটা ক্যাবলের কানেকশন চেক করুন। সম্ভব হবে মাদারবোর্ডের যে কানেক্টরে ক্যাবলটি লাগানো তা পরিবর্তন করে দেখুন। এছাড়া এমনটি কি হচ্ছে কম্পিউটার ঠিকমতো চালু হচ্ছে হয়তো অপারেটিং সিস্টেমও লোড হচ্ছে তারপর ধুড়ুম করে পিসি বন্ধ হয়ে রিস্টার্ট করছে। এটি সম্ভবত প্রসেসরের কুলিং ফ্যান বা হিটসিংক ও প্রসেসরের কানেকশনের দুর্বলতার কারণে হচ্ছে। চেক করে দেখুন ফ্যান ঠিকমতো ঘুরছে কি-না বা ফ্যানসহ সবকিছু ঠিকমতো টাইট আছে কিনা। পারলে কুলিং ফ্যানসহ হিটসিংক খুলে আবারও লাগান। কুলিং ফ্যান নিচের ছবির মতো বিপরীত দুইপাশে একসাথে চাপ দিয়ে খুলতে হয়।
আর হঠাৎ করে বন্ধ না হলে মানে একটু সময় নিয়ে সংকেত দিয়ে বন্ধ হওয়া মানে ভাইরাসের আক্রমণের শিকার আপনি।
>> হঠাৎ বলতে আমি এটা বুঝাচ্ছি যে কম্পিউটার চলার সময় পাওয়ার চলে গেলে যেভাবে বন্ধ হয় সেরকম ঘটনা।
>> এছাড়াও কোনো না কোনো ক্যাবল লুজ/ নষ্ট হয়ে যাবার কারণেও কম্পিউটার চালু হওয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই ব্যাপারটিও খেয়াল রাখবেন।
প্রধান এই সমস্যাগুলোর কারণেই কম্পিউটার চালু হয় না। তবে বুঝতেই পারছেন এই অংশে শুধুমাত্র হার্ডওয়্যারজনিত সমস্যার কথাই বললাম, অপারেটিং সিস্টেম সংক্রান্ত সমস্যা এখানে আলোচনা করিনি।
কম্পিউটার চালু হচ্ছে না: কি করবেন এখন?
এটিকে একটি পরিচিত সমস্যা হিসেবেই চিহ্নিত করতে চাই। নিয়মিত কম্পিউটার চালু হয় না এমনটা বললে মনে হয় ভুল বলা হবে না। নতুন ব্যবহারকারীদের কাছে এই সমস্যার একটাই সমাধান। তা হচ্ছে বিক্রেতার শরণাপন্ন হয়ে অযথা পয়সা খরচ। দেখি তো আপনাকে বাঁচাতে পারি কিনা। নিচের কথাগুলো শুনুন মনোযোগ দিয়ে।
>> পাওয়ার সুইচ অন করার পর সিস্টেমের ইন্টারনাল স্পিকার কয়টা আওয়াজ করলো খেয়াল করুন। যদি বীপ সংখ্যা এক হয় তার মানে কম্পিউটার ডিসপ্লে আউটপুট পাচ্ছে না।অথবা কীবোর্ড মাদারবোর্ডের সাথে ঠিকমতো সংযুক্ত না হলেও এমনটা হতে পারে।
>>যদি একটি বড় বীপের পর দুটি ছোটো বীপ হয় তারমানে র্যাম পাচ্ছে না আপনার মাদারবোর্ড।র্যাম পরিবর্তন না স্লট পরিবর্তন করে দেখুন।
>>যদি একটি বড় বীপের পর তিনটি ছোট বীপ হয় তাহলে বুঝবেন নিশ্চিতভাবেই ডিসপ্লে বা গ্রাফিক্স আউটপুটের সমস্যা।
>>আর যদি একটা বড় বীপ তারপর চারটা ছোট বীপ হয় তারমানে আপনার মাদারবোর্ড বা গুরুত্বপূর্ণ কোন হার্ডওয়ার নষ্ট হয়ে গিয়েছে বা ঠিকমতো কাজ করছে না।
>>তবে এর জন্য আপনার পিসিতে ইন্টারনাল স্পীকার কিন্তু থাকতে হবে। অনেক মাদারবোর্ডে ইন্টারনাল স্পীকার বিল্ট-ইন থাকে।অন্যগুলাতে আলাদা লাগাবে হয়।সাধারনত কম্পিউটার কেনার সময় বিক্রেতাই এটি দিয়ে দেয় তবে অনেকসময় ভুলে তা ঠিকমতো লাগানো নাও থাকতে পারে।সেক্ষেত্রে আপনার মাদারবোর্ডের বক্সে দেখুন স্পীকার পান কিনা।নইলে সময় করে বিক্রেতার কাছ থেকে নিয়ে আসুন।বুঝতেই পারছেন কেন আমি এটাকে এতো গুরুত্ব দিচ্ছি।
>> মনিটরের দিকে তাকান। এটি কি স্লীপ মোডে আছে ? অর্থাৎ এর লেড লাইট কি জ্বলছে নিভছে কিনা খেয়াল করুন। যদি তা না হয় অর্থাৎ লেড লাইট জ্বলেই থাকে এবং মনিটরে কিছু না কিছু দেখা যায় তাহলে আপনাকে অভিনন্দন। আপনার মাদারবোর্ড ও গ্রাফিক্স কার্ড ঠিক আছে।সমস্যাটা ছোটোখাটো।নো টেনশন!
>> যদি পাওয়ার অন করাই সম্ভব না হয় তাহলে কেসিং খুলে দেখুন নিঃসন্দেহে আপনার পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা। খোঁজার চেষ্টা করুন সমস্যাটা কোথায়।
>> এবারে ধরুন মাদারবোর্ডের পাওয়ার লেড জ্বলছে কিন্তু কেসিংয়ের পাওয়ার বাটন চাপলেও পিসি রেসপন্স করছে না তখন বুঝতে হবে কেসিংয়ের পাওয়ার সাপ্লাইয়ে কোনো সমস্যা হবার কারণে এটি পর্যাপ্ত ভোল্টেজ আউটপুট দিতে পারছে না। এক্ষেত্রে সম্ভব হলে অন্য পাওয়ার সাপ্লাই লাগিয়ে চেষ্টা করে দেখুন।
>> এবারেও কাজ হয়নি ? হতে পারে আপনার পাওয়ার সুইচেই সমস্যা। অভিজ্ঞ কাজ জানা ব্যবহারকারীরা সম্ভব হলে মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল দেখে মাদারবোর্ডের পাওয়ার বাটন পিন দুইটি বের করে তা কোনোভাবে কন্টাক্ট করে দেখতে পারেন কাজ হয় কিনা। তবে অনভিজ্ঞরা এই কাজটি না করতে যাওয়াটাই ভালো।
>> পাওয়ার সংক্রান্ত সমস্যার আশাকরি সমাধান হলো। এবারও কম্পিউটার চালু হচ্ছে না ? তাহলে বুঝতে হবে র্যামের সমস্যা। র্যামের স্লট পরিবর্তন করে নতুবা অন্য র্যাম লাগিয়ে দেখুন।
>> কম্পিউটার বুট হলো ঠিকঠাক কিন্তু উইন্ডোজ লোডিং-এর আগেই আটকে গেছে ? তখন বুঝতে হবে আপনার হার্ডডিস্কের সমস্যা। হার্ডডিস্কের পাওয়ার ও ডাটা ক্যাবলের কানেকশন চেক করুন। সম্ভব হবে মাদারবোর্ডের যে কানেক্টরে ক্যাবলটি লাগানো তা পরিবর্তন করে দেখুন। এছাড়া এমনটি কি হচ্ছে কম্পিউটার ঠিকমতো চালু হচ্ছে হয়তো অপারেটিং সিস্টেমও লোড হচ্ছে তারপর ধুড়ুম করে পিসি বন্ধ হয়ে রিস্টার্ট করছে। এটি সম্ভবত প্রসেসরের কুলিং ফ্যান বা হিটসিংক ও প্রসেসরের কানেকশনের দুর্বলতার কারণে হচ্ছে। চেক করে দেখুন ফ্যান ঠিকমতো ঘুরছে কি-না বা ফ্যানসহ সবকিছু ঠিকমতো টাইট আছে কিনা। পারলে কুলিং ফ্যানসহ হিটসিংক খুলে আবারও লাগান। কুলিং ফ্যান নিচের ছবির মতো বিপরীত দুইপাশে একসাথে চাপ দিয়ে খুলতে হয়।
আর হঠাৎ করে বন্ধ না হলে মানে একটু সময় নিয়ে সংকেত দিয়ে বন্ধ হওয়া মানে ভাইরাসের আক্রমণের শিকার আপনি।
>> হঠাৎ বলতে আমি এটা বুঝাচ্ছি যে কম্পিউটার চলার সময় পাওয়ার চলে গেলে যেভাবে বন্ধ হয় সেরকম ঘটনা।
>> এছাড়াও কোনো না কোনো ক্যাবল লুজ/ নষ্ট হয়ে যাবার কারণেও কম্পিউটার চালু হওয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই ব্যাপারটিও খেয়াল রাখবেন।
প্রধান এই সমস্যাগুলোর কারণেই কম্পিউটার চালু হয় না। তবে বুঝতেই পারছেন এই অংশে শুধুমাত্র হার্ডওয়্যারজনিত সমস্যার কথাই বললাম, অপারেটিং সিস্টেম সংক্রান্ত সমস্যা এখানে আলোচনা করিনি।
Labels:
উইন্ডোজ,
কম্পিউটার,
টিপস এন্ড ট্রিকস,
ট্রাবলশ্যুটিং,
র্যাম,
হার্ডওয়ার
কম্পিউটার ট্রাবলশ্যুটিং সমগ্রঃ ধাপে ধাপে পিসির বিভিন্ন সমস্যার সমাধান- পর্ব ১: কেসিং খোলার নিয়মকানুন
কম্পিউটার যদি আপনার দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে থাকে তাহলে নিঃসন্দেহে আপনার কম্পিউটিং জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ সমস্যা।আজ সফটওয়ারের এই সমস্যাতো কাল ঐ হার্ডওয়ার সমস্যা করছে।সেই ডস থেকে উইন্ডোজ সেভেন,পেন্টিয়াম ১ থেকে কোর আই সেভেন-সবসময়ই আপনার পিসির সাথেই ছিল এই সমস্যা নামক বস্তুটা!ইন্টারনেটে এই টপিকে তেমন কোন ভালো বাংলা লেখা নেই।তাইতো বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে লিখাছি আজকের এই আর্টিকেলটি। কয়েক পর্বের এই লিখায় আমি চেষ্টা করব পিসির বিভিন্ন ট্রাবলশ্যুটিং এবং সমস্যা ও তার সমাধানের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিতে। আশা করি সবারই কাজে আসবে।
ট্রাবলশ্যুটিং-এর হাতেখড়িঃ কেসিং খুলবেন যেভাবে
যারা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা রাখেন না তাদের জন্য এই অংশটি। এখানে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেবো কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারগুলোর সাথে এবং জানাব কিভাবে কেসিং খুলতে হয় তা।
>> সাধারণত কেসিং-এর পেছনে এটি খোলার ২+২=৪টি স্ক্রু থাকে। কেসিং খোলার আগের পাওয়ার সাপ্লাই অফ করুন। মাদারবোর্ডের পেছন থেকে সব প্লাগ খুলে ফেলুন।
>>সাধারণত সামনে থেকে কেসিংটাকে দেখলে এর বামপাশের অংশটি খুলতে হয়। এর পেছনে স্ক্রু দুটি খুলতে ভালো চারকোণা স্ক্রু ড্রাইভার লাগবে আপনার। খোলা স্ক্রু সযত্নে রাখুন।
>> স্ক্রু খোলা হয়ে গেলে কেসিং-এর পাশ থেকে কভারটি আলাদা করে নিন। সাধারণত কভারটি পেছনদিকে কিছুটা স্লাইড করে খুলতে হয়।
>>কেসিং খুলেছেন ? ভেতরে তাকান। মূল যে বড় সার্কিট বোর্ডটি দেখছেন তাই মাদারবোর্ড। আর পাওয়ার সাপ্লাই থাকে কেসিং এর উপরে পেছন দিকে। পাওয়ার সাপ্লাই থেকে অনেকগুলো লাল, হলুদ, কালো বা নীল তার বের হয়ে আসে। এর কিছু সংযুক্ত মাদারবোর্ডে কিছু বা সরাসরি অন্য হার্ডওয়্যারে যেমন- সিডি ড্রাইভ, ফ্লপি ড্রাইভ, হার্ডডিস্ক।
>> মাদারবোর্ডে প্রসেসর কোনটি তা বুঝতে এর কুলিং ফ্যান খুঁজে বের করুন। সাধারণত এটি মাদারবোর্ডের উপরে কিছুটা বামে থাকে। প্রসেসর ফ্যানের জন্য সরাসরি দেখা সম্ভব নয়।
>>র্যাম সাধারণ প্রসেসরের ডানপাশে থাকে। মডেলভেদে ২-৪টি স্লট, লম্বাকৃতির।
>>সাউন্ডকার্ড কোনটি বুঝতে হলে খুঁজে বের করুন স্পিকারের ইনপুট জ্যাক কোথায় লাগে সেই ডিভাইসটি।
>> একইভাবে মনিটরের ক্যাবল দিয়ে জানতে পারবেন কোনটি আপনার গ্রাফিক্স কার্ড।
>> একই উপায়ে মডেম (টেলিফোনের তার), ল্যান কার্ড (ব্রন্ডব্যান্ড ইন্টারনেটের তার) খুঁজে বের করতে পারবেন আপনি।
>> চিকন চিকন লাল, হলুদ, কাল বা নীল তারগুলো পাওয়ার ক্যাবল। সাদা বা লাল চওড়া ক্যাবলগুলো ডাটা ক্যাবল।
>> সাধারণ একটি পিসিতে কেসিং-এর পেছনে পাওয়ার কর্ড, মনিটর কর্ড, মাউস ও কী-বোর্ড, স্পিকার ইনপুট এগুলো প্রাথমিক অনুসঙ্গ যা সব পিসিতেই আছে।>>বিভিন্ন ক্যাবল আলাদা রকমের হওয়াতে সবচেয়ে বড় সুবিধা এক ধরনের কানেকশন আপনি ভুল করে চাইলেও অন্যটিতে লাগাতে পারবেন না ।
ট্রাবলশ্যুটিং-এর হাতেখড়িঃ কেসিং খুলবেন যেভাবে
যারা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা রাখেন না তাদের জন্য এই অংশটি। এখানে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেবো কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারগুলোর সাথে এবং জানাব কিভাবে কেসিং খুলতে হয় তা।
>> সাধারণত কেসিং-এর পেছনে এটি খোলার ২+২=৪টি স্ক্রু থাকে। কেসিং খোলার আগের পাওয়ার সাপ্লাই অফ করুন। মাদারবোর্ডের পেছন থেকে সব প্লাগ খুলে ফেলুন।
>>সাধারণত সামনে থেকে কেসিংটাকে দেখলে এর বামপাশের অংশটি খুলতে হয়। এর পেছনে স্ক্রু দুটি খুলতে ভালো চারকোণা স্ক্রু ড্রাইভার লাগবে আপনার। খোলা স্ক্রু সযত্নে রাখুন।
>> স্ক্রু খোলা হয়ে গেলে কেসিং-এর পাশ থেকে কভারটি আলাদা করে নিন। সাধারণত কভারটি পেছনদিকে কিছুটা স্লাইড করে খুলতে হয়।
>>কেসিং খুলেছেন ? ভেতরে তাকান। মূল যে বড় সার্কিট বোর্ডটি দেখছেন তাই মাদারবোর্ড। আর পাওয়ার সাপ্লাই থাকে কেসিং এর উপরে পেছন দিকে। পাওয়ার সাপ্লাই থেকে অনেকগুলো লাল, হলুদ, কালো বা নীল তার বের হয়ে আসে। এর কিছু সংযুক্ত মাদারবোর্ডে কিছু বা সরাসরি অন্য হার্ডওয়্যারে যেমন- সিডি ড্রাইভ, ফ্লপি ড্রাইভ, হার্ডডিস্ক।
>> মাদারবোর্ডে প্রসেসর কোনটি তা বুঝতে এর কুলিং ফ্যান খুঁজে বের করুন। সাধারণত এটি মাদারবোর্ডের উপরে কিছুটা বামে থাকে। প্রসেসর ফ্যানের জন্য সরাসরি দেখা সম্ভব নয়।
>>র্যাম সাধারণ প্রসেসরের ডানপাশে থাকে। মডেলভেদে ২-৪টি স্লট, লম্বাকৃতির।
>>সাউন্ডকার্ড কোনটি বুঝতে হলে খুঁজে বের করুন স্পিকারের ইনপুট জ্যাক কোথায় লাগে সেই ডিভাইসটি।
>> একইভাবে মনিটরের ক্যাবল দিয়ে জানতে পারবেন কোনটি আপনার গ্রাফিক্স কার্ড।
>> একই উপায়ে মডেম (টেলিফোনের তার), ল্যান কার্ড (ব্রন্ডব্যান্ড ইন্টারনেটের তার) খুঁজে বের করতে পারবেন আপনি।
>> চিকন চিকন লাল, হলুদ, কাল বা নীল তারগুলো পাওয়ার ক্যাবল। সাদা বা লাল চওড়া ক্যাবলগুলো ডাটা ক্যাবল।
>> সাধারণ একটি পিসিতে কেসিং-এর পেছনে পাওয়ার কর্ড, মনিটর কর্ড, মাউস ও কী-বোর্ড, স্পিকার ইনপুট এগুলো প্রাথমিক অনুসঙ্গ যা সব পিসিতেই আছে।>>বিভিন্ন ক্যাবল আলাদা রকমের হওয়াতে সবচেয়ে বড় সুবিধা এক ধরনের কানেকশন আপনি ভুল করে চাইলেও অন্যটিতে লাগাতে পারবেন না ।
Labels:
উইন্ডোজ,
কম্পিউটার,
টিপস এন্ড ট্রিকস,
ট্রাবলশ্যুটিং,
র্যাম,
হার্ডওয়ার
February 9, 2010
আপনার সাটা হার্ডড্রাইভের AHCI এনাবেল রাখুন
বর্তমানে প্রায় সবারই হার্ডড্রাইভ সাটা ক্যাবলবিশিষ্ট।স্বভাবতই এর ডাটা ট্রান্সফার রেট অনেক বেশি আগের যেকোন মডেলের হার্ডড্রাইভের চেয়ে।কিন্তু কথা হচ্ছে আপনি এর কতটা ব্যবহার করতে পারছেন?বা করছেন?জানেন কি হয়তো আপনার এই সাটা ড্রাইভটাই আপনাকে আগের আইডিই বা পাটা’র মতো পারফরম্যান্স প্রদান করছে?শুধুমাত্র কিছু সিস্টেম সেটিং-এর কারনে?সেটা নিয়েই বলব এখন।
ঘটনাটা ঘটে থাকে মূলত মাদারবোর্ড এবং অপারেটিং সিস্টেম নির্মাতাদের কারনে।কেননা তারা এখনো হার্ডড্রাইভের ডিফল্ট ডাটা ট্রান্সফার মোড হিসেবে আগের প্রযুক্তিকেই ব্যবহার করে থাকে।তাই বর্তমান ড্রাইভগুলার সর্বোচ্চ সুবিধা পেতে আপনাকে এর কনফিগারেশন পরিবর্তন করে AHCI বাএডভান্সড হোস্ট কন্ট্রোলার ইন্টারফেস করে দিতে হবে। এজন্য প্রথমে
>> স্টার্ট মেনুতে regedit লিখে রেজিস্ট্রি এডিটর ওপেন করুন।
>> HKEY_LOCAL_MACHINE\System\CurrentControlSet\Services\Msahci-এ যান।
>> ডানপাশের বক্স থেকে Start এন্ট্রিটির ভ্যালু 3 থেকে পরিবর্তন করে 0 করে দিন।
>> কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন।বায়োসে ঢুকুন।আপনার হার্ডড্রাইভের সাটা কনফিগারেশন খুজে বের করে তা AHCI করে দিন।সেভ করে বের হয়ে আসুন।
>> এবারে পিসি চালু করলে উইন্ডোজ আপনার হার্ডড্রাইভকে নতুন করে ডিটেক্ট করবে।কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন।এরপর আবার পিসি নিজেই রিস্টার্ট চাইবে।রিস্টার্ট দিন।কাজ শেষ।
ঘটনাটা ঘটে থাকে মূলত মাদারবোর্ড এবং অপারেটিং সিস্টেম নির্মাতাদের কারনে।কেননা তারা এখনো হার্ডড্রাইভের ডিফল্ট ডাটা ট্রান্সফার মোড হিসেবে আগের প্রযুক্তিকেই ব্যবহার করে থাকে।তাই বর্তমান ড্রাইভগুলার সর্বোচ্চ সুবিধা পেতে আপনাকে এর কনফিগারেশন পরিবর্তন করে AHCI বাএডভান্সড হোস্ট কন্ট্রোলার ইন্টারফেস করে দিতে হবে। এজন্য প্রথমে
>> স্টার্ট মেনুতে regedit লিখে রেজিস্ট্রি এডিটর ওপেন করুন।
>> HKEY_LOCAL_MACHINE\System\CurrentControlSet\Services\Msahci-এ যান।
>> ডানপাশের বক্স থেকে Start এন্ট্রিটির ভ্যালু 3 থেকে পরিবর্তন করে 0 করে দিন।
>> কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন।বায়োসে ঢুকুন।আপনার হার্ডড্রাইভের সাটা কনফিগারেশন খুজে বের করে তা AHCI করে দিন।সেভ করে বের হয়ে আসুন।
>> এবারে পিসি চালু করলে উইন্ডোজ আপনার হার্ডড্রাইভকে নতুন করে ডিটেক্ট করবে।কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন।এরপর আবার পিসি নিজেই রিস্টার্ট চাইবে।রিস্টার্ট দিন।কাজ শেষ।
Labels:
উইন্ডোজ,
কম্পিউটার,
টিপস এন্ড ট্রিকস,
হার্ডওয়ার
পিসির গতি বাড়ানোর সহজ ২টি টিপস
হার্ডওয়ার আপগ্রেড করুন
এইটা সবাইই বুঝেন যে পিসির গতি বাড়ানোর জন্য হার্ডওয়ার আপগ্রেড করার চেয়ে ভাল কোন উপায় আর হতে পারে না।কিন্তু বাজেট স্বলপতার জন্য সবসময় কি আর তা করা সম্ভব?আর করলেও বা কতোটুকুই করবেন?কোনটা রেখে কোনটা আপগ্রেড করবেন?এই প্রসঙ্গেই কিছু কথা বলছি।মন দিয়ে শুনুন-
র্যাম বাড়ান,যতটা সম্ভব
এটি মনে হয় পিসির পারফরম্যান্স বাড়ানোর সহজতম ছোট টিপস। পকেটে টাকা আছে? থাকলে আজই কিনে ফেলুন র্যাম। কেননা পিসি চলাকালীন সময়ে যত কাজ হয় তার সবকিছুই ট্রান্সমিট হয় র্যামের মধ্য দিয়ে। তাই র্যাম মেমোরি যত বেশি হবে আপনার কাজও তত দ্রুত হবে এই কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়। এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই র্যাম মেমোরি বাড়ালে উইন্ডোজের পারফরম্যান্স এ পরিবর্তনটা ঈর্ষণীয় (!) পর্যায়ের। তবে খেয়াল রাখবেন নতুন র্যামটি যেন আপনার পুরাতন র্যামের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বাসস্পিড বিশিষ্ট হয়। নাহলে সিস্টেম হ্যাং করতে পারে। আর চেষ্টা করবেন বেশি বাসস্পিডের র্যাম কিনতে।
বর্তমানে বাজারে ডিডিআর২ ৫৩৩, ৬৬৭, ৮০০,১০৬৬ এবং ডিডিআর৩ ১৩৩৩ মেগাহার্জ স্পিডের র্যাম পাওয়া যাচ্ছে। আর আপনার মাদারবোর্ড যদি ডুয়েল চ্যানেল মেমোরি সাপোর্টেড হয় তাহলে র্যাম একটির বদলে দুটি কিনে র্যাম দুটি একই রঙের স্লটে স্থাপন করুন। ব্যাস। বর্ধিত বাসস্পিড পাবেন আপনি।
আপগ্রেড করুন আপনার গ্রাফিক্স কার্ড
বর্তমানে প্রায় সব মাদারবোর্ডেই ইন্টিগ্রেটেড গ্রাফিক্স বা এজিপি কার্ড বিশিষ্ট। সাধারণ প্রায় সব কাজের জন্য এই ইন্টিগ্রেটেড কার্ডই যথেষ্ঠ। এই এজিপি কার্ডগুলো মূল র্যাম থেকে মেমোরি শেয়ার করে কাজ করে। তাই বর্তমানে অনেকেই যেই কাজটা করে বেশি করে র্যাম কিনে এই ইন্টিগ্রেটেড এজিপি থেকে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স পাবার চেষ্টা করেন। তারা ভাবেন, ‘এই ভাবে কম খরচে র্যাম যেমন বাড়ানো গেল তেমনি এজিপির কাজটাও চললো।’ হ্যাঁ, কথাটা হয়তো ঠিক আবার কিছুটা ভুল। কারণ ইন্টিগ্রেটেড এজিপি মেমোরি ৫১২ মেগাবাইট হতে পারে সত্যি কিন্তু তা কখনই আসল এজিপি কার্ডের সমতূল্য হতে পারে না। তাই গেমার বা প্রফেশনালদের বলছি, বাড়তি র্যাম লাগিয়ে এজিপি বাড়ানো এই কথাটি আপনাদের জন্য প্রযোজ্য নয়।কারন মাঝারি মানের একটি এজিপি কার্ডের দামই যেখানে ৫০০০ টাকার উপরে সেখানে আপনার মাদারবোর্ডের দাম কতো ভাবুনতো একবার?মনে রাখবেন বর্তমানে মাদারবোর্ডের বিজ্ঞাপনে লিখা ১৭০০+ মেগাবাইট এজিপি কার্ডের চেয়েও আপনার ৫০০০ টাকা দামের ৫১২ মেগাবাইট এজিপি কার্ডের পারফরম্যান্স অনেক অনেক ভাল।আর লেটেস্ট গেমগুলার মধ্যে কিছু কিছু গেম কিন্তু ইন্টিগ্রেটেড এজিপি দিয়ে চালুই হয় না।
আর ভালোমানের দামী এজিপি কার্ডগুলার জন্য আলাদা পাওয়ার সাপ্লাই প্রয়োজন হয়।সুতরাং সেক্ষেত্রে আপনার পুরাতন পাওয়ার সাপ্লাইটি পরিবর্তন করা লাগতে পারে।আর নতুন পিসি কেনার সময় বিষয়টি খেয়াল রাখুন।
এইটা সবাইই বুঝেন যে পিসির গতি বাড়ানোর জন্য হার্ডওয়ার আপগ্রেড করার চেয়ে ভাল কোন উপায় আর হতে পারে না।কিন্তু বাজেট স্বলপতার জন্য সবসময় কি আর তা করা সম্ভব?আর করলেও বা কতোটুকুই করবেন?কোনটা রেখে কোনটা আপগ্রেড করবেন?এই প্রসঙ্গেই কিছু কথা বলছি।মন দিয়ে শুনুন-
র্যাম বাড়ান,যতটা সম্ভব
এটি মনে হয় পিসির পারফরম্যান্স বাড়ানোর সহজতম ছোট টিপস। পকেটে টাকা আছে? থাকলে আজই কিনে ফেলুন র্যাম। কেননা পিসি চলাকালীন সময়ে যত কাজ হয় তার সবকিছুই ট্রান্সমিট হয় র্যামের মধ্য দিয়ে। তাই র্যাম মেমোরি যত বেশি হবে আপনার কাজও তত দ্রুত হবে এই কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়। এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই র্যাম মেমোরি বাড়ালে উইন্ডোজের পারফরম্যান্স এ পরিবর্তনটা ঈর্ষণীয় (!) পর্যায়ের। তবে খেয়াল রাখবেন নতুন র্যামটি যেন আপনার পুরাতন র্যামের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বাসস্পিড বিশিষ্ট হয়। নাহলে সিস্টেম হ্যাং করতে পারে। আর চেষ্টা করবেন বেশি বাসস্পিডের র্যাম কিনতে।
বর্তমানে বাজারে ডিডিআর২ ৫৩৩, ৬৬৭, ৮০০,১০৬৬ এবং ডিডিআর৩ ১৩৩৩ মেগাহার্জ স্পিডের র্যাম পাওয়া যাচ্ছে। আর আপনার মাদারবোর্ড যদি ডুয়েল চ্যানেল মেমোরি সাপোর্টেড হয় তাহলে র্যাম একটির বদলে দুটি কিনে র্যাম দুটি একই রঙের স্লটে স্থাপন করুন। ব্যাস। বর্ধিত বাসস্পিড পাবেন আপনি।
আপগ্রেড করুন আপনার গ্রাফিক্স কার্ড
বর্তমানে প্রায় সব মাদারবোর্ডেই ইন্টিগ্রেটেড গ্রাফিক্স বা এজিপি কার্ড বিশিষ্ট। সাধারণ প্রায় সব কাজের জন্য এই ইন্টিগ্রেটেড কার্ডই যথেষ্ঠ। এই এজিপি কার্ডগুলো মূল র্যাম থেকে মেমোরি শেয়ার করে কাজ করে। তাই বর্তমানে অনেকেই যেই কাজটা করে বেশি করে র্যাম কিনে এই ইন্টিগ্রেটেড এজিপি থেকে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স পাবার চেষ্টা করেন। তারা ভাবেন, ‘এই ভাবে কম খরচে র্যাম যেমন বাড়ানো গেল তেমনি এজিপির কাজটাও চললো।’ হ্যাঁ, কথাটা হয়তো ঠিক আবার কিছুটা ভুল। কারণ ইন্টিগ্রেটেড এজিপি মেমোরি ৫১২ মেগাবাইট হতে পারে সত্যি কিন্তু তা কখনই আসল এজিপি কার্ডের সমতূল্য হতে পারে না। তাই গেমার বা প্রফেশনালদের বলছি, বাড়তি র্যাম লাগিয়ে এজিপি বাড়ানো এই কথাটি আপনাদের জন্য প্রযোজ্য নয়।কারন মাঝারি মানের একটি এজিপি কার্ডের দামই যেখানে ৫০০০ টাকার উপরে সেখানে আপনার মাদারবোর্ডের দাম কতো ভাবুনতো একবার?মনে রাখবেন বর্তমানে মাদারবোর্ডের বিজ্ঞাপনে লিখা ১৭০০+ মেগাবাইট এজিপি কার্ডের চেয়েও আপনার ৫০০০ টাকা দামের ৫১২ মেগাবাইট এজিপি কার্ডের পারফরম্যান্স অনেক অনেক ভাল।আর লেটেস্ট গেমগুলার মধ্যে কিছু কিছু গেম কিন্তু ইন্টিগ্রেটেড এজিপি দিয়ে চালুই হয় না।
আর ভালোমানের দামী এজিপি কার্ডগুলার জন্য আলাদা পাওয়ার সাপ্লাই প্রয়োজন হয়।সুতরাং সেক্ষেত্রে আপনার পুরাতন পাওয়ার সাপ্লাইটি পরিবর্তন করা লাগতে পারে।আর নতুন পিসি কেনার সময় বিষয়টি খেয়াল রাখুন।
Labels:
কম্পিউটার,
গ্রাফিক্স কার্ড,
টিপস এন্ড ট্রিকস,
র্যাম,
হার্ডওয়ার
আইপ্যাড রিভিউঃ ডিজাইন,ফিচার এবং টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন
দীর্ঘ এক বছরের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে গত জানুয়ারির ২৭ তারিখে সানফ্রন্সিসকোতে ‘অবিশ্বাস্য মূল্যে জাদুকরী ও বৈপ্লবিক ডিভাইস’ থিম কে সামনে রেখে এপলের আইপ্যাড-এর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। খুব সহজ কথায় বলতে গেলে এটি একটি বড় মাপের আইপড, ল্যাপটপ আর স্মার্টফোনের মধ্যবর্তী দূরত্ব ঘোঁচানোটাই আইপ্যাডের মূল উদ্দেশ্য।আইপ্যাডে ওয়েব ব্রাউজিং, ইমেইল পাঠানো, পিকচার শো, ভিডিও দেখা, গান শোনা, গেম খেলা, ইবুক পড়া ছাড়াও আরো অনেক কিছু করা যাবে। এর রয়েছে উচ্চ রেজ্যুলেশনের ৯.৭ ইঞ্চি মাপের এল ই ডি ব্যাকলিট ও আইপিএস (ইন প্লেন সুইচিং)প্রযুক্তির আল্ট্রা-ওয়াইড (১৭৮ ডিগ্রী ভিউইং এ্যাঙ্গেল) মাল্টিটাচ ডিসপ্লে স্ক্রিন, এটি বাজারে প্রচলিত যে কোন নেটবুক ল্যাপটপের চেয়ে হালকা পাতলা।
নতুন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবনে এপলের জুড়ি মেলা ভার।সেই কম্পিউটিং প্রজন্মের শুরু থেকেই একের পর এক তাকলাগানো পণ্য দিয়ে কম্পিউটার বোদ্ধাদের প্রসংশা কুড়িয়ে আসছে এপল।ম্যাক পিসি,ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম থেকে শুরু করে হালের আইপড কিংবা আইফোন,সবসময়ই এপল পণ্যের আকর্ষণটা একটু অন্যরকম।দাম হয়তো কিছুটা বেশি কিন্তু গুণে-মাণে এপলের ধারেকাছে কেউ নেই।
সেই এপলই এবার ঘোষণা দিল আইপ্যাড নামের ট্যাবলেট পিসির,যার পুরোটাই টাচ ইন্টারফেস বিশিষ্ট।সেই ২০০১ সালে মাইক্রোসফট প্রথম পেন-এনাবেল টাচ স্ক্রীণ ট্যাবলেট পিসির ঘোষণা দিলেও তা তেমন বাজার পাইনি।এরপর আই ফোন বাজারে আসার পর থেকেই গুজব চলছিল যে এপল বড় আকৃতির টাচ স্ক্রীণ বিশিষ্ট ট্যাবলেট পিসি বা নেটবুক বাজারে আনছে যার নাম হতে পারে আই স্লেট।অবশেষে গত ২৭ জানুয়ারী স্টিভ জবস আনুষ্ঠানিকভাবে এর ঘোষণা দেন।
এপলের পণ্য মানেই নতুন কিছু,নতুন প্রযুক্তি,নতুন চমক।আইপ্যাডও তার ব্যতিক্রম নয়। আসুন আগে এক নজরে দেখে নিই এর প্রধান ফিচারসমূহ-
১. ওয়েব ব্রাউজিং- বিশাল মাল্টিটাচ স্ক্রীণে ইন্টারনেট ব্রাউজিং আপনার এতো বছরের ব্রাউজিং-এর পরিচিত অভিজ্ঞতাকে অনেকটাই বদলে দেবে।শুধুমাত্র হাতের স্পর্শেই এখন থেকে সব করতে পারবেন আপনি।ল্যান্ডস্কেপ কিংবা পোট্রেট যেভাবেই আইপ্যাডকে রাখুন এটি নিজের থেকেই স্ক্রীণকে সেভাবে ওয়েবসাইটের পেজের আকার বুঝে পরিবর্তন করে দিতে সক্ষম।
২.ই-মেইল- জনপ্রিয় সব ই-মেইল সার্ভিস প্রোভাইডরের সেবাই আপনি পাবেন আইপ্যাডে।মেইল লিখার জন্য আছে অনস্ক্রীণ ফুল কীবোর্ড সুবিধা।আর আইপ্যাডের ইন্টিলিজেন্ট ভার্চুয়াল কীবোর্ডকে প্রায় ট্রেডিশনাল কীবোর্ডের রূপ দেওয়া হয়েছে।সুতরাং মেইল লিখতে আপনাকে কোন বেগ পেতে হবে না।
৩. ফটো ভিউয়ার
৪. ভিডিও প্লেয়ার- হাই ডেফিনেশন ভিডিও প্লে ব্যাক সুবিধা আছে এতে।
৫. ইউটিউব- ইউটিউব ভিডিও চালানোর জন্য বিশেষ সুবিধা দেয়া হয়েছে আইপ্যাডে।
৬. আইবুক- এটিকে চাইলে খুব সহজেই আপনি ই-বুক রীডার হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।বিল্ট-ইন এপল বুক স্টোর থেকে বই সরাসরি কেনার অপশনও আছে এতে।
৭. আইপড- এ সম্পর্কে আর কিছু না বলি!!
৮. আইটিউন
৯. ক্যালেন্ডার
১০. কন্টাক্ট অর্গানাইজার
১১. ম্যাপ সার্ভিস
১১. নোটস
১২. স্পট লাইট সার্চ
১৩. এপ্লিকেশন স্টোর- আইপ্যাডে ১২ টি নতুন স্পেশাল এপ্লিকেশান ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া এ্যাপল নির্মিত এপ্লিকেশান স্টোরের প্রায় ১৪০,০০০ এপ্লিকেশান চালাতে সক্ষম। প্রতিটি এপ্লিকেশান পোট্রেট ও ল্যান্ডস্কেপ দুভাবেই কাজ করে।
এপলের আইফোন, আইপড টাচ, আইটিউনস্ এর জন্য নির্মিত সকল এপ্লিকেশান (১১ মিলিয়ন গান, ৫০,০০০ টিভি সিরিয়াল, ৮,০০০ মুভি, ২,০০০ বিভিন্ন ভিডিও, অসংখ্য আইবুক কনটেন্টস) এতে ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া প্রতিটি ৯.৯৯ মার্কিন ডলার মূল্যের পেজেস, কী-নোট, নাম্বারস নামের আইওয়ার্ক আইপ্যাডে ব্যবহার করে ডকুমেন্ট, প্রেজেন্টেশান, এ্যানিমেশান এন্ড ট্রানজিশান, চার্ট সহ স্প্রেড শীট, বিভিন্ন ফাংশান এবং ফর্মুলা তৈরি করা যাবে।
ডিজাইন
ফিচারের পরই চলে আসে আইপ্যাডের মনোমুগ্ধকর ডিজাইনের কথা।ডিজাইনে নতুনত্ব এপলের প্রাচীন ঐতিহ্য।আইপ্যাডও তার ব্যতিক্রম নয়।আগে এর ডিজাইনের মূল ফিচারসমূহ-এর দিকে একনজরে চোখ বুলিয়ে নেয়া যাক-
>> ডিসপ্লে- সন্দেহ নেই ৯.৭ ইঞ্চির হাই রেজুলেশন মাল্টিটাচবিশিষ্ট এলইডি-ব্যাকলিট আইপিএস ডিসপ্লেটিই আইপ্যাডের প্রাণ।এর অসাধারণ কালার রেজুলেশন একে করেছে হাই ডেফিনেশন মুভি কিংবা ওয়েব ব্রাউজিং-এর জন্য আদর্শ।রয়েছে মোশন সেন্সর টেকনোলজি।ইউজার আইপ্যাডকে যেদিকেই ঘোরাক না কেন এটির ডিসপ্লে স্বয়ংক্রিয় ভাবে ইউজারের দিকে ঘুরে যাবে। এর ভিউয়িং এঙ্গেল হচ্ছে ১৭৮ ডিগ্রী।
>> মাল্টিটাচ- আইফোন দিয়ে মাল্টিটাচ টেকনোলজির জগতে আলোড়ন ফেলেছিল এপল।এবার তাই পূর্ণতা পেতে যাচ্ছে আইপ্যাডের বিশাল স্ক্রীণের মাধ্যমে।এখন থেকে আপনি খুব স্বাচ্ছন্দের সাথেই একই মুহুর্তে একাধিক স্পর্শের মাধ্যমে যেকোন কাজ আগের চেয়ে দ্রুতগতিতে করতে সক্ষম হবেন।
>> স্লিম এন্ড লাইট- এপল পণ্যের একটি বৈশিষ্টই এটি।পাতলা এবং হালকা।চন্তা ক্রএ দেখুন এই অসম্ভব শক্তিশালী ন্ত্রটি আপনার মোবাইলের চেয়েও পাতলা,মাত্র আধা ইঞ্ছি!আর ওজন?দেড় পাউন্ড মাত্র।আর আকারে আমরা সচরাচর যেসব ম্যাগাজিন পত্রিকা দেখে থাকি তার চেয়ে একটু ছোট আকৃতির এই আইপ্যাড।
>> দীর্ঘ ব্যাটারীলাইফ- ১০ ঘণ্টার ব্যাটারি লাইফ এবং ৩০ দিনের স্টান্ডবাই।আর কি বলব?যেখানে আমাদের মোবাইলই এই লেভেলে যায়নি আজো সেখানে একটি ট্যাবলেট পিসিতে এতো মহাশক্তিশালী ব্যাটারী?এপলের ইঞ্জিনিয়াররা খুব বেশি স্পেশাল একটা ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা পেতেই পারেন আমাদের কাছ থেকে। অ্যাডভান্স কেমিস্ট্রি এবং এডাপ্টিং চার্জিং টেকনোলজি টানা ৫ বছর কিছুমাত্র না কমিয়ে ব্যাটারিকে ১০০০ চার্জ সাইকেল দিতে সক্ষম।
টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন
এই যে এতো এতো ফিচার আর মনমাতানো ডিজাইন,এর সবকিছুর পেছনেই কিন্তু রয়েছে আইপ্যাডের নেক্সট জেনারেশন হার্ডওয়ার স্পেসিফিকেশন।বিস্তারিত বলার আগে একনজরে আগে দেখে নিই এর টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন-
*১ গিগাহার্জ এপল ১ফোর প্রসেসর
*১৬-৬৪ গিগাবাইট ইন্টারনাল ফ্লাশ মেমোরি
*৯.৭’’ আইপিএস ডিসপ্লে
* ফুল ক্যাপাসিটিভ মাল্টিটাচ ডিসপ্লে
* ১০ ঘন্টা ব্যাটারী লাইফ(১ মাস স্ট্যান্ডবাই টাইম)
*বিল্ট ইন এক্সেলারোমিটার সেন্সর এবং ডিজিটাল কম্পাস
*স্পীকার,মাইক্রোফোন এবং ৩০ পিন কানেক্টর
* ব্লুটুথ ২.১
* ওয়াই-ফাই ৮০২.১১এন
* আধা ইঞ্চি পুরুত্ব এবং দেড় পাউন্ড
প্রথমেই চলে আসবে প্রসেসরের কথা।আইপ্যাডের প্রাণভোমরা হচ্ছে এপলের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ১ গিগাহার্জ গতিসম্পন্ন এফোর প্রসেসর।এটি একইসাথে যেমন গতিসম্পন্ন তেমনি বিদ্যুত সাশ্রয়ী।নতুবা ১০ ঘন্টা ব্যাটারীলাইফ অসম্ভব ছিল।গেমিং থেকে শুরু করে হাই ডেফিনেশন ভিডিও প্রসেসিং-সবখানেই দূরন্ত গতি পাবেন আপনি।
ডিসপ্লে সম্পর্কে আগেই বলেছি এবারে বলব এর ওয়ারলেস কানেক্টিভিটির কথা।এতে থাকছে ৮০২.১১এন ওয়াই-ফাই কানেকশন যা কিনা ৩০০ এমবিপিএস গতিতে ইন্টারনেটে ডাটা আদা-প্রদানে সক্ষম।এর ব্লুটুথ ২.১ আর ইডিআর এর মাধ্যমে আপনি ওয়ারলেস হেডফোন কিংবা কিবোর্ড/মাউস লাগিয়ে স্বাচ্ছন্দের সাথেই ব্যবহার করতে পারবেন।আর এর থ্রিজি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ৭.২ এমবিপিএস গতিতে ডাটা ট্রান্সফার করা সম্ভব।
আইপ্যাডকে ম্যাক, পিসি বা ডিজিটাল ক্যামেরার সাথে সংযুক্ত করা যাবে।এই সব কাজ আপনি একত্রে সারতে পারবেন এতে থাকা ৩০ পিন মাল্টি-কানেক্টরের মাধ্যমে।
আইপ্যাডকে পরিবেশ বান্ধব করে তৈরী করা হয়েছে এর কেসিং রিসাইকেলএ্যাবল অ্যালুমিনিয়ামের তৈরী। ব্যাকলিট হিসাবে ব্যবহার করা এলইডি মার্কারী মুক্ত এবং ডিসপ্লে গ্লাস আর্সেনিক মুক্ত। আইপ্যাডে ব্রোমিনেটেড ফ্লেম রিটারড্যান্টস (অগ্নি শিখা ঠেকানো) ব্যবহার করা হয়নি এবং সম্পূর্ণ পিভিসি (পলি ভিনাইল ক্লোরাইড) মুক্ত।
আইপ্যাড বাজারে আসছে দুটি ভার্সন নিয়ে একটি শুধু ওয়াইফাই সহ এবং আরেকটি ওয়াইফাই ও থ্রিজি। এ বছর মার্চের শেষ দিকে এ্যপলের এ ডিভাইসটি পৃথিবীর প্রায় সব দেশে ৪৯৯ থেকে ৮২৯ মার্কিন ডলার মূল্যে একযোগে পাওয়া যাবে।
নতুন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবনে এপলের জুড়ি মেলা ভার।সেই কম্পিউটিং প্রজন্মের শুরু থেকেই একের পর এক তাকলাগানো পণ্য দিয়ে কম্পিউটার বোদ্ধাদের প্রসংশা কুড়িয়ে আসছে এপল।ম্যাক পিসি,ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম থেকে শুরু করে হালের আইপড কিংবা আইফোন,সবসময়ই এপল পণ্যের আকর্ষণটা একটু অন্যরকম।দাম হয়তো কিছুটা বেশি কিন্তু গুণে-মাণে এপলের ধারেকাছে কেউ নেই।
সেই এপলই এবার ঘোষণা দিল আইপ্যাড নামের ট্যাবলেট পিসির,যার পুরোটাই টাচ ইন্টারফেস বিশিষ্ট।সেই ২০০১ সালে মাইক্রোসফট প্রথম পেন-এনাবেল টাচ স্ক্রীণ ট্যাবলেট পিসির ঘোষণা দিলেও তা তেমন বাজার পাইনি।এরপর আই ফোন বাজারে আসার পর থেকেই গুজব চলছিল যে এপল বড় আকৃতির টাচ স্ক্রীণ বিশিষ্ট ট্যাবলেট পিসি বা নেটবুক বাজারে আনছে যার নাম হতে পারে আই স্লেট।অবশেষে গত ২৭ জানুয়ারী স্টিভ জবস আনুষ্ঠানিকভাবে এর ঘোষণা দেন।
এপলের পণ্য মানেই নতুন কিছু,নতুন প্রযুক্তি,নতুন চমক।আইপ্যাডও তার ব্যতিক্রম নয়। আসুন আগে এক নজরে দেখে নিই এর প্রধান ফিচারসমূহ-
১. ওয়েব ব্রাউজিং- বিশাল মাল্টিটাচ স্ক্রীণে ইন্টারনেট ব্রাউজিং আপনার এতো বছরের ব্রাউজিং-এর পরিচিত অভিজ্ঞতাকে অনেকটাই বদলে দেবে।শুধুমাত্র হাতের স্পর্শেই এখন থেকে সব করতে পারবেন আপনি।ল্যান্ডস্কেপ কিংবা পোট্রেট যেভাবেই আইপ্যাডকে রাখুন এটি নিজের থেকেই স্ক্রীণকে সেভাবে ওয়েবসাইটের পেজের আকার বুঝে পরিবর্তন করে দিতে সক্ষম।
২.ই-মেইল- জনপ্রিয় সব ই-মেইল সার্ভিস প্রোভাইডরের সেবাই আপনি পাবেন আইপ্যাডে।মেইল লিখার জন্য আছে অনস্ক্রীণ ফুল কীবোর্ড সুবিধা।আর আইপ্যাডের ইন্টিলিজেন্ট ভার্চুয়াল কীবোর্ডকে প্রায় ট্রেডিশনাল কীবোর্ডের রূপ দেওয়া হয়েছে।সুতরাং মেইল লিখতে আপনাকে কোন বেগ পেতে হবে না।
৩. ফটো ভিউয়ার
৪. ভিডিও প্লেয়ার- হাই ডেফিনেশন ভিডিও প্লে ব্যাক সুবিধা আছে এতে।
৫. ইউটিউব- ইউটিউব ভিডিও চালানোর জন্য বিশেষ সুবিধা দেয়া হয়েছে আইপ্যাডে।
৬. আইবুক- এটিকে চাইলে খুব সহজেই আপনি ই-বুক রীডার হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।বিল্ট-ইন এপল বুক স্টোর থেকে বই সরাসরি কেনার অপশনও আছে এতে।
৭. আইপড- এ সম্পর্কে আর কিছু না বলি!!
৮. আইটিউন
৯. ক্যালেন্ডার
১০. কন্টাক্ট অর্গানাইজার
১১. ম্যাপ সার্ভিস
১১. নোটস
১২. স্পট লাইট সার্চ
১৩. এপ্লিকেশন স্টোর- আইপ্যাডে ১২ টি নতুন স্পেশাল এপ্লিকেশান ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া এ্যাপল নির্মিত এপ্লিকেশান স্টোরের প্রায় ১৪০,০০০ এপ্লিকেশান চালাতে সক্ষম। প্রতিটি এপ্লিকেশান পোট্রেট ও ল্যান্ডস্কেপ দুভাবেই কাজ করে।
এপলের আইফোন, আইপড টাচ, আইটিউনস্ এর জন্য নির্মিত সকল এপ্লিকেশান (১১ মিলিয়ন গান, ৫০,০০০ টিভি সিরিয়াল, ৮,০০০ মুভি, ২,০০০ বিভিন্ন ভিডিও, অসংখ্য আইবুক কনটেন্টস) এতে ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া প্রতিটি ৯.৯৯ মার্কিন ডলার মূল্যের পেজেস, কী-নোট, নাম্বারস নামের আইওয়ার্ক আইপ্যাডে ব্যবহার করে ডকুমেন্ট, প্রেজেন্টেশান, এ্যানিমেশান এন্ড ট্রানজিশান, চার্ট সহ স্প্রেড শীট, বিভিন্ন ফাংশান এবং ফর্মুলা তৈরি করা যাবে।
ডিজাইন
ফিচারের পরই চলে আসে আইপ্যাডের মনোমুগ্ধকর ডিজাইনের কথা।ডিজাইনে নতুনত্ব এপলের প্রাচীন ঐতিহ্য।আইপ্যাডও তার ব্যতিক্রম নয়।আগে এর ডিজাইনের মূল ফিচারসমূহ-এর দিকে একনজরে চোখ বুলিয়ে নেয়া যাক-
>> ডিসপ্লে- সন্দেহ নেই ৯.৭ ইঞ্চির হাই রেজুলেশন মাল্টিটাচবিশিষ্ট এলইডি-ব্যাকলিট আইপিএস ডিসপ্লেটিই আইপ্যাডের প্রাণ।এর অসাধারণ কালার রেজুলেশন একে করেছে হাই ডেফিনেশন মুভি কিংবা ওয়েব ব্রাউজিং-এর জন্য আদর্শ।রয়েছে মোশন সেন্সর টেকনোলজি।ইউজার আইপ্যাডকে যেদিকেই ঘোরাক না কেন এটির ডিসপ্লে স্বয়ংক্রিয় ভাবে ইউজারের দিকে ঘুরে যাবে। এর ভিউয়িং এঙ্গেল হচ্ছে ১৭৮ ডিগ্রী।
>> মাল্টিটাচ- আইফোন দিয়ে মাল্টিটাচ টেকনোলজির জগতে আলোড়ন ফেলেছিল এপল।এবার তাই পূর্ণতা পেতে যাচ্ছে আইপ্যাডের বিশাল স্ক্রীণের মাধ্যমে।এখন থেকে আপনি খুব স্বাচ্ছন্দের সাথেই একই মুহুর্তে একাধিক স্পর্শের মাধ্যমে যেকোন কাজ আগের চেয়ে দ্রুতগতিতে করতে সক্ষম হবেন।
>> স্লিম এন্ড লাইট- এপল পণ্যের একটি বৈশিষ্টই এটি।পাতলা এবং হালকা।চন্তা ক্রএ দেখুন এই অসম্ভব শক্তিশালী ন্ত্রটি আপনার মোবাইলের চেয়েও পাতলা,মাত্র আধা ইঞ্ছি!আর ওজন?দেড় পাউন্ড মাত্র।আর আকারে আমরা সচরাচর যেসব ম্যাগাজিন পত্রিকা দেখে থাকি তার চেয়ে একটু ছোট আকৃতির এই আইপ্যাড।
>> দীর্ঘ ব্যাটারীলাইফ- ১০ ঘণ্টার ব্যাটারি লাইফ এবং ৩০ দিনের স্টান্ডবাই।আর কি বলব?যেখানে আমাদের মোবাইলই এই লেভেলে যায়নি আজো সেখানে একটি ট্যাবলেট পিসিতে এতো মহাশক্তিশালী ব্যাটারী?এপলের ইঞ্জিনিয়াররা খুব বেশি স্পেশাল একটা ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা পেতেই পারেন আমাদের কাছ থেকে। অ্যাডভান্স কেমিস্ট্রি এবং এডাপ্টিং চার্জিং টেকনোলজি টানা ৫ বছর কিছুমাত্র না কমিয়ে ব্যাটারিকে ১০০০ চার্জ সাইকেল দিতে সক্ষম।
টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন
এই যে এতো এতো ফিচার আর মনমাতানো ডিজাইন,এর সবকিছুর পেছনেই কিন্তু রয়েছে আইপ্যাডের নেক্সট জেনারেশন হার্ডওয়ার স্পেসিফিকেশন।বিস্তারিত বলার আগে একনজরে আগে দেখে নিই এর টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন-
*১ গিগাহার্জ এপল ১ফোর প্রসেসর
*১৬-৬৪ গিগাবাইট ইন্টারনাল ফ্লাশ মেমোরি
*৯.৭’’ আইপিএস ডিসপ্লে
* ফুল ক্যাপাসিটিভ মাল্টিটাচ ডিসপ্লে
* ১০ ঘন্টা ব্যাটারী লাইফ(১ মাস স্ট্যান্ডবাই টাইম)
*বিল্ট ইন এক্সেলারোমিটার সেন্সর এবং ডিজিটাল কম্পাস
*স্পীকার,মাইক্রোফোন এবং ৩০ পিন কানেক্টর
* ব্লুটুথ ২.১
* ওয়াই-ফাই ৮০২.১১এন
* আধা ইঞ্চি পুরুত্ব এবং দেড় পাউন্ড
প্রথমেই চলে আসবে প্রসেসরের কথা।আইপ্যাডের প্রাণভোমরা হচ্ছে এপলের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ১ গিগাহার্জ গতিসম্পন্ন এফোর প্রসেসর।এটি একইসাথে যেমন গতিসম্পন্ন তেমনি বিদ্যুত সাশ্রয়ী।নতুবা ১০ ঘন্টা ব্যাটারীলাইফ অসম্ভব ছিল।গেমিং থেকে শুরু করে হাই ডেফিনেশন ভিডিও প্রসেসিং-সবখানেই দূরন্ত গতি পাবেন আপনি।
ডিসপ্লে সম্পর্কে আগেই বলেছি এবারে বলব এর ওয়ারলেস কানেক্টিভিটির কথা।এতে থাকছে ৮০২.১১এন ওয়াই-ফাই কানেকশন যা কিনা ৩০০ এমবিপিএস গতিতে ইন্টারনেটে ডাটা আদা-প্রদানে সক্ষম।এর ব্লুটুথ ২.১ আর ইডিআর এর মাধ্যমে আপনি ওয়ারলেস হেডফোন কিংবা কিবোর্ড/মাউস লাগিয়ে স্বাচ্ছন্দের সাথেই ব্যবহার করতে পারবেন।আর এর থ্রিজি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ৭.২ এমবিপিএস গতিতে ডাটা ট্রান্সফার করা সম্ভব।
আইপ্যাডকে ম্যাক, পিসি বা ডিজিটাল ক্যামেরার সাথে সংযুক্ত করা যাবে।এই সব কাজ আপনি একত্রে সারতে পারবেন এতে থাকা ৩০ পিন মাল্টি-কানেক্টরের মাধ্যমে।
আইপ্যাডকে পরিবেশ বান্ধব করে তৈরী করা হয়েছে এর কেসিং রিসাইকেলএ্যাবল অ্যালুমিনিয়ামের তৈরী। ব্যাকলিট হিসাবে ব্যবহার করা এলইডি মার্কারী মুক্ত এবং ডিসপ্লে গ্লাস আর্সেনিক মুক্ত। আইপ্যাডে ব্রোমিনেটেড ফ্লেম রিটারড্যান্টস (অগ্নি শিখা ঠেকানো) ব্যবহার করা হয়নি এবং সম্পূর্ণ পিভিসি (পলি ভিনাইল ক্লোরাইড) মুক্ত।
আইপ্যাড বাজারে আসছে দুটি ভার্সন নিয়ে একটি শুধু ওয়াইফাই সহ এবং আরেকটি ওয়াইফাই ও থ্রিজি। এ বছর মার্চের শেষ দিকে এ্যপলের এ ডিভাইসটি পৃথিবীর প্রায় সব দেশে ৪৯৯ থেকে ৮২৯ মার্কিন ডলার মূল্যে একযোগে পাওয়া যাবে।
January 27, 2010
ভার্চুয়াল মেশিনঃ একসাথে একই সময়ে দুইটি অপারেটিং সিস্টেম চালান আপনার পিসিতে
ডুয়েল বুটিং এর সাথে আমাদের প্রায় সবারই পরিচয় আছে।একই পিসিতে দুই ড্রাইভে দুই অপারেটিং সিস্টেম,কম্পিউটার চালুর সময় ঠিক করে দিতে হয় কোনটি দিয়ে কোনটি দিয়ে পিসি রান করাবেন আপনি।কিন্তু এতেও অনেকে সন্তুষ্ট থাকতে পারেন না।কেননা আপনি হয়তো উইন্ডোজ সেভেন বা ভিসতা ব্যবহার করেন কিন্তু প্রোগ্রাম কম্পাটিবিলিটির কথা চিন্তা করে এক্সপিও রেখেছেন কম্পিউটারে,কিন্তু এক্সপি চালালে ইন্টারনেট নেই কিংবা এক্সপিতে নেই লেটেস্ট ড্রাইভার আপডেট যা কিনা সেভেনে পেতেন।মানে একটি অভাব পূরণ হলে আরেকটি অভাব তৈরি হয়ে যাচ্ছে নিজে থেকেই।লিনাক্স ডুয়েল বুটিং-এর ক্ষেত্রেও একই অবস্থা।অনেকে একসাথে ৩টি অপারেটিং সিস্টেমও ব্যবহার করেন সে প্রসংগে আর যাচ্ছি না।এ ধরনের সমস্যায় আপনি একটা কথাই ভাবেন-ইশ!যদি দুইটা অপারেটিং সিস্টেমই একই সময়ে একই পিসিতে চালানো যেত!অনেক ভাল হতো! হ্যা পাঠক আপনার সেই স্বপ্ন কিন্তু এখন আর স্বপ্ন না।ঠিক এখন হবে না শব্দটা,আসলে অনেক আগে থেকেই এটি করা সম্ভব।কিন্তু অজ্ঞতার জন্য আমরা এই অতি সহজ কাজটা করতে পারিনি আজো।আজ আপনাদের সেই অজ্ঞতার অভিশাপ থেকে মুক্তি দিতে একসাথে দুই অপারেটিং সিস্টেম চালানোর নাড়ী-নক্ষত্র জানিয়ে দিব।
শুনতে কি একটু অস্বাভাবিক ঠেকছে?কেন বলুন তো?অপারেটিং সিস্টেম আসলে কি?একটা সফটওয়ার বা প্রোগ্রাম তাই না?তাহলে একটা অপারেটিং সিস্টেমের ভেতরতো আরেকটা চালানোই যেতে পারে।খুব সহজ তাই না?সহজ কিংবা কঠিন বলতে পারব না,শুধু এটাই বলব দুইটা সিস্টেম একসাথে চালাবার সহজতম উপায়টাই এবার আপনাদের শেখাব আমি।অভিজ্ঞরা এতোক্ষণে নিশ্চয়ই ধরে ফেলেছেন আমি কিসের কথা বলছি,হ্যা পাঠক-ভার্চুয়াল মেশিনের কথাই বলা হচ্ছে। সোজা বাংলায় একটাকে প্রধান অপারেটিং সিস্টেম ধরে সেটার ভেতর এপ্লিকেশন হিসেবে আরেকটা অপারেটিং সিস্টেম গেস্ট হিসেবে চালানোটাই ভার্চুয়াল মেশিনের মূল মন্ত্র।
আর নিঃসন্দেহে পিসিতে ভার্চুয়াল মেশিন চালাবার জন্য ভিএমওয়ার প্লেয়ার হচ্ছে সবচেয়ে সহজ এবং অন্যতম কার্যকর পন্থা।উইন্ডোজের যেকোন ভার্সন,লিনাক্স কিংবা ক্রোম- ভিএমওয়ার প্লেয়ার-এর কম্পাটিবিলিটি নিয়ে ভাবতে হবে না আপনাকে।২০০টির মতো অপারেটিং সাপোর্ট করে এই ভিএমওয়ার প্লেয়ার ।আর উইন্ডোজ সেভেনের এক্সপি মোডের চেয়েও এখানে আপনি অনেক ভালভাবে কাজ করতে পারবেন নিঃসন্দেহে এই কথা বলা যায়।এখন কথা না বাড়িয়ে কাজ শুরু করে দেই।আমি উইন্ডোজ সেভেনে কিভাবে উইন্ডোজ এক্সপি গেস্ট হিসেবে ইন্সটল করবেন তার উপায় বলব এখানে।অন্য যেকোন অপারেটিং সিস্টেমের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।আশা করি বুঝতে কোন সমস্যা হবে না।
>> প্রথমেই দেখতে হবে আপনার পিসি ভার্চুয়াল পিসি রান করানোর যোগ্যতা রাখে কিনা।আমি মূলত পিসির কনফিগারেশনের কথা বলছি।কিভাবে বুঝবেন?ধরছি আপনার মূল অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ৭,আর আপনি চাচ্ছেন গেস্ট হিসেবে এক্সপি ইন্সটল করতে।এখন উইন্ডোজ এক্সপির আর সেভেন আলাদা আলাদা কনফিগারেশন যোগ করুন।বিশেষত র্যাম,২ গিগাবাইট র্যাম ছাড়া ভার্চুয়াল মেশিনের আশা করবেন না।কেননা এই সিস্টেমে পুরো প্রেশারটাই যাবে র্যামের উপর দিয়ে।আর প্রসেসরও ন্যূনতম কোর ২ ডুয়ো হওয়া উচিত।আর ভিএমওয়ার প্লেয়ার আপনার সি ড্রাইভে আলাদা ১৫০ মেগাবাইট স্পেস নিবে।
>> প্রথমেই ভিএমওয়ার প্লেয়ারটি ডাউনলোড করে নিন।এর সর্বশেষ ভার্সন হচ্ছে ৩.০.০ আর সাইজ ৯০ মেগাবাইটের মতো।
ডাউনলোড
>> ইন্সটলার ফাইলটি রান করান।ইন্সটলেশন ঠিকভাবে শুরু হলে এমন উইন্ডো দেখবেন।
>> এরপর নেক্সেটে গিয়ে কোথায় ইন্সটল করবেন তা দেখিয়ে দিন।নেক্সেটে গেলে ইন্সটলেশন শুরু হবে।অপেক্ষা করুন।
>> সফলভাবে ইন্সটলেশন শেষ হলে ভিএমওয়ার প্লেয়ার রিস্টার্ট চাইবে।পিসি রিস্টার্ট করুন।
>> রিস্টার্ট হবার ডেস্কটপেই ভিএমওয়ার প্লেয়ার-এর আইকনটি দেখতে পাবেন।এতে ক্লিক করে প্লেয়ারটি চালু করুন।
>> লাইসেন্স এগ্রিমেন্ট ইয়েস করুন।
>> এবারে ভিএমওয়ার প্লেয়ার-এর হোমপেজ দেখতে পাবেন।বামে রয়েছে ইন্সটল করা ভার্চুয়াল মেশিনের লিস্ট(যা এই মুহুর্তে ফাঁকা) আর ডানে বিভিন্ন অপশন।আর উপরেও মেনুবারে যাবতীয় অপশন ও হেল্প ফাইল আপনি পাবেন।
>> আমরা এখন নতুন ভার্চুয়াল মেশিন তৈরি করব।এর আগে হার্ডড্রাইভের একটি ড্রাইভ পুরো ফাঁকা করে এনটিএফএস ফরম্যাটে নিয়ে নিন।সেটাই সবচেয়ে সুবিধাজনক ও নিরাপদ হবে।Create a New Virtual Machine-এ ক্লিক করুন।
>> এবারে ইন্সটলার ফাইলটি দেখিয়ে দিন।আপনি চাইলে অপারেটিং সিস্টেমের সিডি/বা ডিভিডি ড্রাইভে ঢুকিয়ে সেখান থেকে অথবা সরাসরি অপারেটিং সিস্টেমের আইএসও ফাইল দেখিয়ে সেখান থেকেও নতুন গেস্ট অপারেটিং সিস্টেম ইন্সতল করে নিতে পারবেন।পদ্ধতি নির্বাচন করে নেক্সটে যান।এই অবস্থাতেই ভিএমওয়ার প্লেয়ার আপনার গেস্ট অপারেটিং সিস্টেমের ফাইলটি ডিটেক্ট করে নাম নাম
>> উইন্ডোজের সিডি কী,উইজারনেম ও পাসওয়ার্ড প্রবেশ করান।
>> এবারে ভার্চুয়াল মেশিন(অপারেটিং সিস্টেম)-এর নাম ও তা কোথায় ইন্সটল করবেন তা দেখিয়ে দিন।
>> ভিএমওয়ার প্লেয়ার জানতে চাইবে ভার্চুয়াল মেশিনের জয়ন আপনি সর্বোচ্চ কতটুকু হার্ডডিস্ক স্পেস দিবেন সেটা।কাজের ব্যপ্তী এবং আপনার হার্ডডিস্কের অবস্থা বুঝে এটি ঠিক করুন।উইন্ডোজ এক্সপি গেস্ট হলে ৫ গিগাবাইট যেমন যথেষ্ঠ আবার ভিসতার জন্য কিন্তু ১৫ গিগাবাইট লাগবে।আবার আপনি যদি গেস্ট সিস্টেমে বড় কোন প্রোগ্রাম চালাতে চান সেটির স্পেস-এর কথাও মাথায় রাখুন।
>> এবারে ফাইনাল স্টেজ।আপনার ভার্চুয়াল মেশিনের যাবতীয় তথ্য এখন দেখতে পাবেন।আর এতে কিকি ডিভাইস থাকছে তাও দেখতে পাবেন।সাধারনত ডিফল্টভাবে সাউন্ট,ল্যান,সিডি/ডিভিডি ড্রাইভ সবই এখানে অন্তর্ভুক্ত হবে।
>> ভিএমওয়ার প্লেয়ার-এর মেইন মেনুতে ফিরে আসবেন এখন আপনি।Play virtual machine-এ ক্লিক করুন।
>> উইন্ডোজ এক্সপি ইন্সটলেশন শুরু হবে।শুধু মাথায় রাখু সাধারনভাবে যেভাবে যতক্ষন ধরে এক্সপি ইন্সটল হয় এখানেও ভিএমওয়ার প্লেয়ার-এর ভেতর এখন ঠিক তাই হবে।সুতরাং ধৈর্য্য করে কাজ করে যান।ফরম্যাট,কপি,লোডিং,সেটআপ সবই দেখতে পাবেন।
>> কাজ হলে আপনি চাইলে ভিএমওয়ার প্লেয়ার দিয়ে অথবা যেখানে গেস্ট অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করেছেন সেখানে গিয়েও ভার্চুয়াল মেশিন রান করাতে পারেন।ব্যস আর কি!এবার একসাথে উপভোগ করুন দুইটি অপারেটিং সিস্টেম।
আশা করছি সবারই কাজে আসবে লেখাটি।যেকোন সমস্যা হলে এখানে তা আমাকে জানান অথবা মেইল করুন এই ঠিকানায়ঃ shuknopata@yahoo.com
http://techtoday4u.blogspot.com/
Labels:
উইন্ডোজ,
কম্পিউটার,
টিপস এন্ড ট্রিকস,
ভার্চুয়াল মেশিন,
হার্ডওয়ার



















































