জেনে রাখুন পিসির কনফিগারেশন
কম্পিউটারের যে কোনো সমস্যা আর হার্ডওয়্যারের সমস্যাতো তো বটেই সবার আগে আপনার প্রয়োজন পড়বে পিসির কনফিগারেশন অর্থাৎ প্রসেসর, র্যাম, মাদারবোর্ড, হার্ডডিস্ক, সাউন্ড কার্ড, এজিপি কার্ড কোনটি কোন কোম্পানির কি মানের তা জানার। দেখা যায় যে বেশিরভাগ মানুষই অন্য কারো সহায়তা বা দোকানির পরামর্শে কম্পিউটার কেনেন এবং পরে যখন কোনো সমস্যায় পড়ে অন্য কারো দারস্থ হন তখন আর কনফিগারেশন বলতে পারেন না। এতে সমাধানকারীকে অতিরিক্ত ঝামেলায় পড়তে হয়। এই তথ্যগুলো তাই জেনে নিয়ে দরকার পড়লে লিখে রাখুন। তাহলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সমাধানকারীর জন্য সমস্যার কারণ খুঁজে পাওয়াটা সহজ হয়ে যায়।
এই বেসিক কনফিগারেশনগুলো জানতে বেশ কয়েকটি উপায় রয়েছে। মাই কম্পিউটারে রাইট ক্লিক করে প্রোপ্রার্টিজে গিয়ে জেনারেল ট্যাব থেকে জেনে নিতে পারবেন প্রসেসর, র্যাম ও অপারেটিং সিস্টেম সংক্রান্ত তথ্য। গ্রাফিক্স বা ডিসপ্লে প্রোপ্রার্টিজে গিয়ে ইনফরমেশন থেকে জানতে পারবেন গ্রাফিক্সকার্ড সংক্রান্ত তথ্য। আর অনেকক্ষেত্রেই কম্পিউটার কেনার ক্যাশমেমোতেই এসব বিস্তারিত লিখা থাকে। আরেকটি কাজ করতে পারেন। কোনো অভিজ্ঞ ব্যবহারকারীর সহায়তায় জেনে নিতে পারেন তথ্যগুলো। যেভাবেই যাই জানুন না কেন তা ভালোভাবে লিখে যত্নসহকারে রেখে দিন।
বিল্ট ইন মানে কি?
এখন প্রায় সব কম্পিউটারেই বিল্টইন কিছু না কিছু থাকেই। যেমন- এজিপি কার্ড, সাউন্ড কার্ড, ল্যান কার্ড ইত্যাদি। বিল্টইন অর্থ এই হার্ডওয়্যারটি আপনার মাদারবোর্ডে দেয়াই আছে। আপনি আলাদা না কিনে এটি দিয়েই কাজ চালাতে পারেন। কিন্তু কথায় আছে সস্তার দশ অবস্থা। কোম্পানি বা দোকানি যতই গলা ফটাক না কেন এটা বুঝতে খুব বেশি বুদ্ধিমান হবার দরকার পড়ে না যে, পারফরমেন্সে বিল্টইন হার্ডওয়্যারটি কখনই স্বতন্ত্র হার্ডওয়্যারের সমকক্ষ হতে পারে না। তবে যারা সাধারণ বা মাঝারি মানের ব্যবহারকারী তাদের জন্য বিল্টইন সাউন্ড বা এজিপি কার্ডই যথেষ্ঠ। আর বিল্টইন ল্যান কার্ড দিয়ে সমস্যা ছাড়াই কাজ চালাতে পারেন। তবে একটা কথা। যারা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট লাইন নেন তাদের সবার ল্যান কার্ডের ফিজিকাল বা ম্যাক এড্রেস কিন্তু সংশ্লিষ্ট আইএসপি নিয়ে রেকর্ড করে রাখে।ফলে মাদারবোর্ডে কোনো সমস্যা হলে নেট লাইন নিয়ে বিপদে পড়বেন আপনি। এক্ষেত্রে আইএসপি’র শরণাপন্ন আপনাকে হতেই হবে। আর আলাদা ল্যানে যে বাড়তি সুবিধা একই কারণে পাবেন তা হচ্ছে এটি অন্য পিসিতে লাগিয়ে একই নেট কানেকশন কাজের সময় ব্যবহার করতে পারবেন আপনি।
আর বিল্টইন সাউন্ড কার্ড বা এজিপিতে সমস্যা হলে তা বেশ বিড়ম্বনাকর। অনেকক্ষেত্রে মাদারবোর্ডের উপরই চাপটা পড়ে বেশ জটিলাকার ধারণ করে। তবে মনে রাখবেন, বিল্টইন এজিপি মানেই এটি আপনার সিস্টেম থেকে র্যাম শেয়ার করে। তাই বিল্টইন এজিপি ব্যবহার করলে বাড়তি র্যাম লাগানোটাই ভালো। নাহলে সিস্টেম স্লো হয়ে যাওয়া বা হ্যাং করাসহ অনেক সমস্যাই হতে পারে আপনার।একটা সহজ পয়েন্ট উল্লেখ করি।ক্রিয়েটিভের ভালোমানের সাউন্ড কার্ডের দাম ৪০০০ টাকার উপরে,এনভিডিয়ার ৯৬০০ জিটি ১ গিগাবাইট র্যামবিশিষ্ট এজিপির দাম ১৫০০০ টাকা।আর সুপার-ডুপার সাউন্ড(!),১৭৫৮ মেগাবাইট পর্যন্ত এজিপি বিশিষ্ট মাদারবোর্ড আপনি ৭০০০ টাকাতেই পাবেন!!আর কিছু বলতে হবে?
পাওয়ার,পাওয়ার সাপ্লাই-দেখে শুনে কিনুন
কম্পিউটারের অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ অংশ এই পাওয়ার সাপ্লাই। এর কারণে অনেক সমস্যাই হতে পারে। ইউপিএস কেন ব্যবহার করবেন, কেন করবেন না এই নিয়ে বেশি কিছু বলব না। শুধু বলব অস্থিতিশীল ভোল্টেজ সাপ্লাই আপনার মূল্যবান হার্ডওয়্যারের মৃত্যু ডেকে আনতে পারে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে আর্থিং। ভালো আর্থিং কম্পিউটারের জন্য অতীব প্রয়োজনীয়। কোনো ইলেকট্রিশিয়ানকে ডেকে আপনার আর্থিং ঠিক আছে কিনা তা চেক করে নিতে পারে। আর্থিং না থাকার কারণে অনেক সময় কোনো কোনো হার্ডওয়্যার ঠিকমতো কাজ নাও করতে পারে। মনিটর কাঁপতে পারে, কেসিং-এর বডি শক করতে পারে; এমনকি মাদারবোর্ড বা হার্ডডিস্কের ক্ষতি পর্যন্ত হতে পারে।
আরেকটি সমস্যা অনেকসময় দেখা যায়। কম্পিউটারের উপর যখন বেশি চাপ পড়ে। হাইএন্ড গেম বা এপ্লিকেশন রান করতে যায় তখন পিসি রিস্টার্ট করে। এর সম্ভাব্য কারণ হতে পারে অপর্যাপ্ত পাওয়ার সাপ্লাই। অর্থাৎ কাজের সময় আপনার পাওয়ার সাপ্লাই মাদারবোর্ডে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে না। এক্ষেত্রে আপনাকে পাওয়ার সাপ্লাইটি পরিবর্তন করতে হবে।
জানেন কি কম্পিউটারের ভেতরের যাবতীয় হার্ডওয়্যার চলে ডিসি পাওয়ারে? এসি ২২০ ভোল্ট পাওয়ারকে পাওয়ার সাপ্লাই ডিসি ৩.৫ ভোল্ট, ৫ ভোল্ট ও ১২ ভোল্টে রূপান্তর করে মাদারবোর্ডে সরবরাহ করে। ফলে সিপিইউর ভেতর যে কারেন্ট থাকে তা বিপদজনক নয়। তবে যদি পাওয়ার অন করে কখনও কাজ করতে হয় তখন খেয়াল রাখবেন যেন শর্টসার্কিট না হয় এবং আপনার পায়ে যেন শুকনা জুতা থাকে।
Showing posts with label টিপস এন্ড ট্রিকস. Show all posts
Showing posts with label টিপস এন্ড ট্রিকস. Show all posts
February 12, 2010
কম্পিউটার ট্রাবলশ্যুটিং সমগ্রঃ ধাপে ধাপে পিসির বিভিন্ন সমস্যার সমাধান- পর্ব ৪: যেসব ব্যাপার মাথায় রাখবেন
Labels:
উইন্ডোজ,
কম্পিউটার,
টিপস এন্ড ট্রিকস,
ট্রাবলশ্যুটিং,
র্যাম,
হার্ডওয়ার
কম্পিউটার ট্রাবলশ্যুটিং সমগ্রঃ ধাপে ধাপে পিসির বিভিন্ন সমস্যার সমাধান- পর্ব ৩: হার্ডওয়ার ট্রাবলশ্যুটিং
কম্পিউটারের ট্রাবলশুটিংয়ের প্রসঙ্গ আসলেই চলে আসবে হার্ডওয়্যারজনিত বিভিন্ন সমস্যার কথা। এত এত হার্ডওয়্যার পিসির ভেতর কোন না কোনোটিতে সমস্যা হওয়াটি নিত্যনৈমত্তিক একটা ঘটনা। তাই এর ব্যবহারকারী সবারই হার্ডওয়্যারগত বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করার সাধারণ কিছু উপায় জানা উচিত। আসুন ধাপে ধাপে জেনে নিই এমন কিছু সমস্যা ও তার সমাধান।
হার্ডওয়্যার ট্রাবলশ্যুটিং
মনিটর/ডিসপ্লে
>> যদি মনিটরে কোনো ডিসপ্লে না আসে এবং এর লেড লাইট জ্বলে নিভে তখন বুঝতে হবে ভিডিও কার্ডে কোনো সমস্যা বা মনিটরের ক্যাবল কানেকশন লুজ হয়ে গেছে। কানেকশন চেক করুন।
>>যদি মনিটর ও পিসির পাওয়ার সুইচ অন করার পর তিনটি শর্ট বীপ শুনতে পান তাহলে বুঝতে হবে গ্রাফিক্স কার্ডে সমস্যা। আপনার গ্রাফিক্স কার্ডটি খুলে অন্য পিসিতে লাগিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন এটি ঠিক আছে কিনা। আর যদি বিল্টইন গ্রাফিক্স হয় তাহলে আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড এজিপি স্লটে লাগিয়ে টেস্ট করতে পারেন।ইন্টিগ্রেটেড এজিপির সমস্যা সমাধানে বায়োস সেটিংস রিসেট করে দেখতে পারেন।
>>যদি মনিটর ঝাপসা মনে হয় বা এটি কাঁপতে থাকে তাহলে বুঝতে হবে মনিটর ও গ্রাফিক্স কার্ডের রিফ্রেশ রেটে অসামঞ্জস্য আছে। যদি উইন্ডোজ লোড হওয়াকালীন এই সমস্যা হয় তাহলে বুঝবেন মনিটরের রিফ্রেশ রেট ভুলভাবে সেটিংস করা হয়েছে। এমতাবস্থায় সিস্টেম বুট হবার পর যখন Starting Windows মেসেজটি দেখবেন তখনই কী-বোর্ডের এফ৮ চেপে সেফ মোডে উইন্ডোজ চালু করুন। এর গ্রাফিক্স/ডিসপ্লে প্রোপার্টিজে গিয়ে রিফ্রেশ রেট ঠিক করুন।
>> যদি মনিটরে অস্পষ্ট কালার ও প্যাটার্ন দেখা যায় এবং চালু করতে গেলে মনিটর কাঁপতে থাকে বা চালুই হয় না তখন বুঝতে হবে একহয় আপনার ডাইরেক্ট এক্স পুরাতন অথবা গ্রাফিক্স কার্ডের লেটেস্ট ড্রাইভার নেই। তাই সবসময় লেটেস্ট ডাইরেক্ট এক্স ব্যবহার করবেন ও গ্রাফিক্স কার্ড ড্রাইভার আপডেটেড রাখবেন। এরপর সমস্যা থাকলে বুঝতে হবে আপনার ভিডিও কার্ড ও উইন্ডোজের মধ্যে কম্পাটিবিলিটিতে সমস্যা আছে। এমতাবস্থায় অভিজ্ঞ কাউকে দেখান অথবা বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করুন।
সিডি/ডিভিডি রম
>> যদি ড্রাইভে সিডি/ডিভিডি ঢুকালে তা দেখা না যায় অথবা সেটি রান না করে তখন বুঝতে হবে সিডি/ডিভিডিতে স্ক্র্যাচ পড়েছে অথবা আপনার ড্রাইভের হেডে ধুলা জমে সেটি অকার্যকর হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় পারলে সিডি ড্রাইভ খুলে সেটির হেড থেকে ধুলা পরিষ্কার করুন অথবা সিডি ক্লিনার কিনে তা প্রবেশ করিয়ে ড্রাইভের হেড ক্লিন করুন।
>> সিডি যদি ড্রাইভের Eject বাটন চাপার পরও বের না হয় তখন বুঝতে হবে সিডিটি এখনও রান করছে। তাই অপেক্ষা করুন। তবে নিয়মিত এই সমস্যাটি হলে বুঝতে হবে সিডি ড্রাইভের মেকানিজমে সমস্যা। বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করুন।
>> যদি মাই কম্পিউটারেই সিডি ড্রাইভ খুঁজে পাওয়া না যায় তখন দেখুন এর পেছনের ডাটা ক্যাবল ও পাওয়ার ক্যাবল লুজ হয়ে গিয়েছে কিনা। তারপরও কাজ না হলে বায়োসে ঢুকে দেখতে পারেন আসলেই মাদারবোর্ড ড্রাইভটিকে ডিটেক্ট করতে পারছে কি-না। এখানে বুট ডিভাইস লিস্টে ড্রাইভটি দেখা গেলে বুঝা যাবে যে উইন্ডোজের সমস্যা। সেক্ষেত্রে ডিভাইস ম্যানেজারে গিয়ে ড্রাইভের ড্রাইভারটি আনইন্সটল করুন। ড্রাইভের ডাটা ক্যাবল খুলে আবার লাগান। উইন্ডোজ এবার নতুন করে ড্রাইভার ইন্সটল করবে।
>>অনেকেই হয়তো জানেন না ময়লা সিডি ক্লিন করতে ইচ্ছে করলে আপনি সেটিকে হালকা সাবানা পানি দিয়ে ধুলে পরিষ্কর করে ভালোমতো শুকিয়ে তারপর ব্যবহার করতে পারেন। তবে ডিটারজেন্ট ব্যবহার করবেন না।
র্যাম
র্যামের ট্রাবলশুটিং বলতে বুঝায় যদি কখনও বিনা কারণেই পিসি হ্যাং করে বা রিস্টার্ট হয় তখন খেয়াল করবেন র্যাম স্লটে ঠিকমতো বসানো আছে কিনা। এরপর যদি একাধিক র্যাম ব্যবহার করে থাকেন তাহলে খেয়াল করুন সবগুলোই একই বাসস্পিডবিশিষ্ট কিনা। সিস্টেম স্ট্যাবিলিটির জন্য একই বাসস্পিডবিশিষ্ট র্যাম ব্যবহার করা খুবই জরুরি।
সাউন্ড
সাউন্ড নিঃসন্দেহে কম্পিউটারের অপরিহার্য একটি অংশ। কিন্তু একে নিয়ে বিড়ম্বনাও কম না। বন্ধুদেরকে নিয়ে আসলেন মুভি দেখাবেন বলে। কিন্তু পিসি অন করে মুভি প্লে করে দেখলেন ভিডিও আসছে কিন্তু সাউন্ড উধাও। অনেকেই মাঝেমধ্যে এরকম বিড়ম্বনাকর পরিস্থিতিতে পড়ে থাকেন। হঠাৎ হঠাৎ তো সাউন্ডের আইকনটাকেই খুঁজে পাওয়া যায় না। আসুন দেখে নিই কি করবেন তখন।
>>প্রথমেই যথারীতি দেখতে হবে সাউন্ড কার্ড ও স্পিকারের সব কানেকশন ঠিক আছে কিনা। মনে রাখবেন সাউন্ড কার্ডের মাঝের সবুজ পোর্টে স্পিকারের ইনপুট জ্যাকে ঢুকাতে হয়।
>> সব ঠিক আছে ? তাহলে এবার দেখুন তো উইন্ডোজের নোটিফিকেশনগুলোর (ডিসপ্লের নিচে ডানকোণায় ঘড়ির পাশে) মধ্যে সাউন্ডের আইকনটি খুঁজে পাওয়া যায় কি। নেই ? নাকি লাল ক্রস? তাহলে বুঝতে হবে সাউন্ডের ড্রাইভার ইন্সটল করতে হবে। ড্রাইভার ইন্সটল করে পিসি রিস্টার্ট দিন। ড্রাইভার না থাকলে উইন্ডোজ আপডেটের সহায়তা নিন।
>> আইকন ঠিক আছে ? তাহলে দেখুন Mute অন করা কিনা। সাউন্ডের প্রোপ্রার্টিজে গিয়ে সাউন্ডের লেভেল চেক করুন।
>>সব ঠিক ? ড্রাইভারও আছে ? তাহলে আগের ড্রাইভারটি আনইন্সটল করে আবার নতুন করে ড্রাইভার ইন্সটল করুন।
>> আরেকটি ব্যাপার হতে পারে। সাউন্ড কার্ডের ড্রাইভার অন্য কোনো ড্রাইভারের সাথে কনফ্লিক্ট করতে পারে। এটি দেখার জন্য ডিভাইস ম্যানেজারে যান।
>> সাউন্ড, ভিডিও এন্ড গেম কন্ট্রোলারস এক্সপান্ড করুন। যদি সাউন্ড কার্ডের পাশে হলুদ রংয়ের ‘!’ চিহ্ন দেখেন তাহলে বুঝতে হবে অন্য কোনো ডিভাইস সাউন্ড কার্ডের সাথে কনফ্লিক্ট করছে।
>>এর সমাধান করতে ডিভাইস ম্যানেজার ট্যাব হতে প্রোপার্টিজ>রিসোর্সে যান। কনফ্লিক্টিং ডিভাইস লিস্ট হতে দায়ী ডিভাইসটি খুঁজে বের করুন। অটোমেটিক সেটিংস চেকবক্সে ক্লিক করে পিসি রিস্টার্ট করুন।
>.এতেও কাজ হয়নি ? উপরের কাজটি আবার করে অটোমেটিক সেটিংস চেকবক্সটি ডিজেবল করে চেঞ্জ সেটিংস-এ ক্লিক করুন। অতঃপর বিভিন্ন সেটিংস-এর মাঝে দেখুন কখন কোন ডিভাইস কনফ্লিক করে, কখন করে না। কাজ শেষ হলে Ok করে পিসি আবার রিস্টার্ট দিন।
>>স্পীকার যেই সাউন্ড কার্ডে লাগানো সেটাই ডিফল্ট সাউন্ড ডিভাইস হিসেবে চিহ্নিত করা আছে কিনা দেখুন।কেননা বর্তমানে এক্সটার্নাল গ্রাফিক্স কার্ডেও সাউন্ড কার্ড থাকে।
>>সামনের পোর্ট দিয়ে স্পষ্ট সাউন্ড পেতে হলে ড্রাইভার এবং বায়োস সেটিংস দুটোই কিন্তু ঠিক থাকতে হবে।
মাউস
সাধারণত রোলার বলবিশিষ্ট মাউসগুলোর ভেতর ময়লা ও ধুলাবালি জমে প্রায়ই সমস্যা তৈরি করে। এজন্য উচিত নিয়মিত মাউস পরিষ্কার করা। প্রথমে মাউসটি হাতে নিয়ে উল্টো করে নিচের অংশ গোলাকৃতি চাকতিটি হাতের আঙ্গুল দিয়ে চেপে ধরে বামদিকে ঘুরিয়ে ফেলুন। ভেতরের রোলার বলটি বের করুন। এবার মাউস হোলের ভেতরে তাকান। সেখানে বেশ কিছু রোলার দেখতে পাবেন। ময়লা-ধুলাবালি সেখানেই জমে। চিমটা বা হাতের নখ দিয়ে ময়লাগুলো আলগা করে মাউস উল্টে বাইরে ফেলে দিন। এবার মাউসের বলটি পরিষ্কার কাপড় বা টিস্যু দিয়ে মুছে ফেলুন। সব কাজ শেষ হলে বলটি ভেতরে রেখে চাকতিটি নিয়ে বিপরীত দিকে ঘুরিয়ে বন্ধ করুন।
প্রাচীন কালের টিপস হয়ে গেল বলে দুঃখিত।কি করব বলুন।অপটিক্যাল মাউস নিয়ে বলার কিছু নেই।কেননা বেসিক ইলেকট্রনিক সার্কিট,সোল্ডারিং,মাল্টিমিটার এর সাথে যাদের পরিচয় নেই তারা আসলে নতুন মাউস কেনা ছাড়া কিছুই করতে পারবেন না।আর যারা এগুলো ব্যবহার করতে পারেন তাদের কোন সমস্যা হলে আশা করি নিজেরাই পারবেন বুঝেশুনে কাজ করতে।নইলে আমি তো আছিই!!
কী-বোর্ড
কী-বোর্ডে যে সমস্যাটি বেশি ঝামেলা ফেলে তা হচ্ছে কী-বোর্ডের যে বাটনে যেটি আসার কথা তা না এসে অন্যটি আসা। এ সমস্যার সমাধান করা জানা থাকলে খুবই সহজ। আসুন জেনে নেই-
>>কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে Regional and Language অপশনে যান।
>> Keyboard and Language ট্যাব থেকে Change Keyboard-এ ক্লিক করুন।
>> সেখান থেকে United States International সিলেক্ট করে Apply,Ok করুন।
>> এছাড়াও ডিভাইস ম্যানেজারে গিয়ে দেখে আসতে পারেন কী-বোর্ড ঠিকমতো কাজ করছে কিনা। সব ঠিক থাকার পরও যদি সমস্যা থেকে যায় তাহলে বুঝতে হবে কী-বোর্ড পরিবর্তনের দ্বারপ্রান্তে আপনি।
মডেম
প্রায় সময়ই দেখা যায় মডেমটি কাজ করছে না। এটি দিয়ে ইন্টারনেট কানেক্ট হতে পারছেন না আপনি অথবা পিসি মডেমই খুঁজে পাচ্ছে না। এই সমস্যা যেমন হার্ডওয়্যারজনিত হতে পারে তেমনি কমিউনিকেশন সফটওয়্যার বা সেটিংসজনিত কারণেও হতে পারে। নিচে এই জাতীয় বেশ কিছু ট্রাবলশুটিংয়ের কথা বলছি।
>>যদি উইন্ডোজ মডেমই ডিটেক্ট করতে না পারে তখন মডেমটি খুলে অন্য স্লটে লাগিয়ে দেখুন।
>>মডেম ওকে কিন্তু নেট কাজ করছে না ? তখন ডিভাইস ম্যানেজারে গিয়ে দেখুন মডেমটি ঠিকমতো কাজ করছে কিনা। প্রয়োজনবোধে ড্রাইভার রিইন্সটল করে দেখতে পারেন।
>>কাজ হচ্ছে না ? ফোন লাইন চেক করুন। মডেম ঠিক মোডে আছে কিনা দেখুন। যদি আপনি ট্রান্সমিশন রিসিভ করতে চান তাহলে মডেম অ্যানসার মোডে আর ইন্টারনেট ব্যবহার করতে ডায়াল মোডে থাকা লাগবে।
>> যদি মডেম ডায়াল করতে পারে কিন্তু কানেক্ট হয় না তখন দেখুন আপনার ডায়ালিং নাম্বার ঠিক আছে কিনা।
>>যদি না ডায়ালটোন হয় তাহলে লাইন চেক করুন। ফোনের বাসায় অন্য এক্সটেনশন লাইন থাকলে সেটি পরীক্ষা করুন।
>>কমিউনিকেশন সফটওয়্যার ঠিক আছে কিনা তা দেখুন। কন্ট্রোল প্যানেলে মডেম প্রোপার্টিজে wait for dial tone before dialing অপশনটি অফ করে দিলে সমস্যার সমাধান হতে পারে।
>>COM পোর্ট সেটিংস ঠিক আছে কি-না দেখুন। মডেম প্রোপার্টিজ থেকে এটি দেখতে পারবেন। প্রয়োজনে COM Port পরিবর্তন করুন।
এজ মডেম
উপরের প্রায় প্রতিটা পয়েন্টই এজ মডেমের জন্য প্রযোজ্য।আরো যেসব বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে তা বলছি এবার-
>>নেট কানেকশন না পেলে বা স্পীড খুব কম থাকলে সীমটি ট্রে থেকে খুলে আবার লাগিয়ে কানেক্ট দিন।অনেকসময় মডেম ঠিকমতো সীম কানেকশন না পাবার কারনেও নেট সমস্যা করে থাকে।
>>মডেম সবসময় উন্মুক্ত স্থানে রাখুন।কেননা এর উপর নেটওয়ার্ক নির্ভর করে।
>>মডেম কেনার সময় ভাল করে জেনে নিন এই মডেম উইন্ডোজ এক্সপি,ভিসতা,সেভেন বা লিনাক্স সাপোর্ট করে কিনা এবং সংশ্লিষ্ট সব ড্রাইভার সাথে দেয়া আছে কিনা।
হার্ডডিস্ক
অনেক সময় কম্পিউটার চালু হবার সময় হার্ডডিস্ক এরর দেখায়। এর কারণ হতে পারে-
>> মাদারবোর্ড হার্ডডিস্ক পাচ্ছে না। প্রথমেই নিশ্চিত হোন হার্ডডিস্কের পাওয়ার ক্যাবল ঠিক আছে কি-না। তারপর হার্ডডিস্ক থেকে মাদারবোর্ডের ডাটা ক্যাবল চেক করুন।
>>হার্ডডিস্কের পেছনের পিন ঠিক আছে কিনা দেখুন।
>>হয়তোবা বায়োসের সেটিংসের কারণেও সমস্যা হতে পারে। বায়োসে গিয়ে দেখতে পারেন হার্ডডিস্ক পাওয়া যাচ্ছে কিনা।
হার্ডওয়্যার ট্রাবলশ্যুটিং
মনিটর/ডিসপ্লে
>> যদি মনিটরে কোনো ডিসপ্লে না আসে এবং এর লেড লাইট জ্বলে নিভে তখন বুঝতে হবে ভিডিও কার্ডে কোনো সমস্যা বা মনিটরের ক্যাবল কানেকশন লুজ হয়ে গেছে। কানেকশন চেক করুন।

>>যদি মনিটর ঝাপসা মনে হয় বা এটি কাঁপতে থাকে তাহলে বুঝতে হবে মনিটর ও গ্রাফিক্স কার্ডের রিফ্রেশ রেটে অসামঞ্জস্য আছে। যদি উইন্ডোজ লোড হওয়াকালীন এই সমস্যা হয় তাহলে বুঝবেন মনিটরের রিফ্রেশ রেট ভুলভাবে সেটিংস করা হয়েছে। এমতাবস্থায় সিস্টেম বুট হবার পর যখন Starting Windows মেসেজটি দেখবেন তখনই কী-বোর্ডের এফ৮ চেপে সেফ মোডে উইন্ডোজ চালু করুন। এর গ্রাফিক্স/ডিসপ্লে প্রোপার্টিজে গিয়ে রিফ্রেশ রেট ঠিক করুন।
>> যদি মনিটরে অস্পষ্ট কালার ও প্যাটার্ন দেখা যায় এবং চালু করতে গেলে মনিটর কাঁপতে থাকে বা চালুই হয় না তখন বুঝতে হবে একহয় আপনার ডাইরেক্ট এক্স পুরাতন অথবা গ্রাফিক্স কার্ডের লেটেস্ট ড্রাইভার নেই। তাই সবসময় লেটেস্ট ডাইরেক্ট এক্স ব্যবহার করবেন ও গ্রাফিক্স কার্ড ড্রাইভার আপডেটেড রাখবেন। এরপর সমস্যা থাকলে বুঝতে হবে আপনার ভিডিও কার্ড ও উইন্ডোজের মধ্যে কম্পাটিবিলিটিতে সমস্যা আছে। এমতাবস্থায় অভিজ্ঞ কাউকে দেখান অথবা বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করুন।
সিডি/ডিভিডি রম
>> যদি ড্রাইভে সিডি/ডিভিডি ঢুকালে তা দেখা না যায় অথবা সেটি রান না করে তখন বুঝতে হবে সিডি/ডিভিডিতে স্ক্র্যাচ পড়েছে অথবা আপনার ড্রাইভের হেডে ধুলা জমে সেটি অকার্যকর হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় পারলে সিডি ড্রাইভ খুলে সেটির হেড থেকে ধুলা পরিষ্কার করুন অথবা সিডি ক্লিনার কিনে তা প্রবেশ করিয়ে ড্রাইভের হেড ক্লিন করুন।
>> সিডি যদি ড্রাইভের Eject বাটন চাপার পরও বের না হয় তখন বুঝতে হবে সিডিটি এখনও রান করছে। তাই অপেক্ষা করুন। তবে নিয়মিত এই সমস্যাটি হলে বুঝতে হবে সিডি ড্রাইভের মেকানিজমে সমস্যা। বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করুন।
>> যদি মাই কম্পিউটারেই সিডি ড্রাইভ খুঁজে পাওয়া না যায় তখন দেখুন এর পেছনের ডাটা ক্যাবল ও পাওয়ার ক্যাবল লুজ হয়ে গিয়েছে কিনা। তারপরও কাজ না হলে বায়োসে ঢুকে দেখতে পারেন আসলেই মাদারবোর্ড ড্রাইভটিকে ডিটেক্ট করতে পারছে কি-না। এখানে বুট ডিভাইস লিস্টে ড্রাইভটি দেখা গেলে বুঝা যাবে যে উইন্ডোজের সমস্যা। সেক্ষেত্রে ডিভাইস ম্যানেজারে গিয়ে ড্রাইভের ড্রাইভারটি আনইন্সটল করুন। ড্রাইভের ডাটা ক্যাবল খুলে আবার লাগান। উইন্ডোজ এবার নতুন করে ড্রাইভার ইন্সটল করবে।
>>অনেকেই হয়তো জানেন না ময়লা সিডি ক্লিন করতে ইচ্ছে করলে আপনি সেটিকে হালকা সাবানা পানি দিয়ে ধুলে পরিষ্কর করে ভালোমতো শুকিয়ে তারপর ব্যবহার করতে পারেন। তবে ডিটারজেন্ট ব্যবহার করবেন না।
র্যাম
র্যামের ট্রাবলশুটিং বলতে বুঝায় যদি কখনও বিনা কারণেই পিসি হ্যাং করে বা রিস্টার্ট হয় তখন খেয়াল করবেন র্যাম স্লটে ঠিকমতো বসানো আছে কিনা। এরপর যদি একাধিক র্যাম ব্যবহার করে থাকেন তাহলে খেয়াল করুন সবগুলোই একই বাসস্পিডবিশিষ্ট কিনা। সিস্টেম স্ট্যাবিলিটির জন্য একই বাসস্পিডবিশিষ্ট র্যাম ব্যবহার করা খুবই জরুরি।
সাউন্ড
সাউন্ড নিঃসন্দেহে কম্পিউটারের অপরিহার্য একটি অংশ। কিন্তু একে নিয়ে বিড়ম্বনাও কম না। বন্ধুদেরকে নিয়ে আসলেন মুভি দেখাবেন বলে। কিন্তু পিসি অন করে মুভি প্লে করে দেখলেন ভিডিও আসছে কিন্তু সাউন্ড উধাও। অনেকেই মাঝেমধ্যে এরকম বিড়ম্বনাকর পরিস্থিতিতে পড়ে থাকেন। হঠাৎ হঠাৎ তো সাউন্ডের আইকনটাকেই খুঁজে পাওয়া যায় না। আসুন দেখে নিই কি করবেন তখন।
>>প্রথমেই যথারীতি দেখতে হবে সাউন্ড কার্ড ও স্পিকারের সব কানেকশন ঠিক আছে কিনা। মনে রাখবেন সাউন্ড কার্ডের মাঝের সবুজ পোর্টে স্পিকারের ইনপুট জ্যাকে ঢুকাতে হয়।
>> সব ঠিক আছে ? তাহলে এবার দেখুন তো উইন্ডোজের নোটিফিকেশনগুলোর (ডিসপ্লের নিচে ডানকোণায় ঘড়ির পাশে) মধ্যে সাউন্ডের আইকনটি খুঁজে পাওয়া যায় কি। নেই ? নাকি লাল ক্রস? তাহলে বুঝতে হবে সাউন্ডের ড্রাইভার ইন্সটল করতে হবে। ড্রাইভার ইন্সটল করে পিসি রিস্টার্ট দিন। ড্রাইভার না থাকলে উইন্ডোজ আপডেটের সহায়তা নিন।
>> আইকন ঠিক আছে ? তাহলে দেখুন Mute অন করা কিনা। সাউন্ডের প্রোপ্রার্টিজে গিয়ে সাউন্ডের লেভেল চেক করুন।
>>সব ঠিক ? ড্রাইভারও আছে ? তাহলে আগের ড্রাইভারটি আনইন্সটল করে আবার নতুন করে ড্রাইভার ইন্সটল করুন।
>> আরেকটি ব্যাপার হতে পারে। সাউন্ড কার্ডের ড্রাইভার অন্য কোনো ড্রাইভারের সাথে কনফ্লিক্ট করতে পারে। এটি দেখার জন্য ডিভাইস ম্যানেজারে যান।
>> সাউন্ড, ভিডিও এন্ড গেম কন্ট্রোলারস এক্সপান্ড করুন। যদি সাউন্ড কার্ডের পাশে হলুদ রংয়ের ‘!’ চিহ্ন দেখেন তাহলে বুঝতে হবে অন্য কোনো ডিভাইস সাউন্ড কার্ডের সাথে কনফ্লিক্ট করছে।
>>এর সমাধান করতে ডিভাইস ম্যানেজার ট্যাব হতে প্রোপার্টিজ>রিসোর্সে যান। কনফ্লিক্টিং ডিভাইস লিস্ট হতে দায়ী ডিভাইসটি খুঁজে বের করুন। অটোমেটিক সেটিংস চেকবক্সে ক্লিক করে পিসি রিস্টার্ট করুন।
>.এতেও কাজ হয়নি ? উপরের কাজটি আবার করে অটোমেটিক সেটিংস চেকবক্সটি ডিজেবল করে চেঞ্জ সেটিংস-এ ক্লিক করুন। অতঃপর বিভিন্ন সেটিংস-এর মাঝে দেখুন কখন কোন ডিভাইস কনফ্লিক করে, কখন করে না। কাজ শেষ হলে Ok করে পিসি আবার রিস্টার্ট দিন।
>>স্পীকার যেই সাউন্ড কার্ডে লাগানো সেটাই ডিফল্ট সাউন্ড ডিভাইস হিসেবে চিহ্নিত করা আছে কিনা দেখুন।কেননা বর্তমানে এক্সটার্নাল গ্রাফিক্স কার্ডেও সাউন্ড কার্ড থাকে।
>>সামনের পোর্ট দিয়ে স্পষ্ট সাউন্ড পেতে হলে ড্রাইভার এবং বায়োস সেটিংস দুটোই কিন্তু ঠিক থাকতে হবে।
মাউস
সাধারণত রোলার বলবিশিষ্ট মাউসগুলোর ভেতর ময়লা ও ধুলাবালি জমে প্রায়ই সমস্যা তৈরি করে। এজন্য উচিত নিয়মিত মাউস পরিষ্কার করা। প্রথমে মাউসটি হাতে নিয়ে উল্টো করে নিচের অংশ গোলাকৃতি চাকতিটি হাতের আঙ্গুল দিয়ে চেপে ধরে বামদিকে ঘুরিয়ে ফেলুন। ভেতরের রোলার বলটি বের করুন। এবার মাউস হোলের ভেতরে তাকান। সেখানে বেশ কিছু রোলার দেখতে পাবেন। ময়লা-ধুলাবালি সেখানেই জমে। চিমটা বা হাতের নখ দিয়ে ময়লাগুলো আলগা করে মাউস উল্টে বাইরে ফেলে দিন। এবার মাউসের বলটি পরিষ্কার কাপড় বা টিস্যু দিয়ে মুছে ফেলুন। সব কাজ শেষ হলে বলটি ভেতরে রেখে চাকতিটি নিয়ে বিপরীত দিকে ঘুরিয়ে বন্ধ করুন।
প্রাচীন কালের টিপস হয়ে গেল বলে দুঃখিত।কি করব বলুন।অপটিক্যাল মাউস নিয়ে বলার কিছু নেই।কেননা বেসিক ইলেকট্রনিক সার্কিট,সোল্ডারিং,মাল্টিমিটার এর সাথে যাদের পরিচয় নেই তারা আসলে নতুন মাউস কেনা ছাড়া কিছুই করতে পারবেন না।আর যারা এগুলো ব্যবহার করতে পারেন তাদের কোন সমস্যা হলে আশা করি নিজেরাই পারবেন বুঝেশুনে কাজ করতে।নইলে আমি তো আছিই!!
কী-বোর্ড
কী-বোর্ডে যে সমস্যাটি বেশি ঝামেলা ফেলে তা হচ্ছে কী-বোর্ডের যে বাটনে যেটি আসার কথা তা না এসে অন্যটি আসা। এ সমস্যার সমাধান করা জানা থাকলে খুবই সহজ। আসুন জেনে নেই-
>>কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে Regional and Language অপশনে যান।
>> Keyboard and Language ট্যাব থেকে Change Keyboard-এ ক্লিক করুন।
>> সেখান থেকে United States International সিলেক্ট করে Apply,Ok করুন।
>> এছাড়াও ডিভাইস ম্যানেজারে গিয়ে দেখে আসতে পারেন কী-বোর্ড ঠিকমতো কাজ করছে কিনা। সব ঠিক থাকার পরও যদি সমস্যা থেকে যায় তাহলে বুঝতে হবে কী-বোর্ড পরিবর্তনের দ্বারপ্রান্তে আপনি।
মডেম
প্রায় সময়ই দেখা যায় মডেমটি কাজ করছে না। এটি দিয়ে ইন্টারনেট কানেক্ট হতে পারছেন না আপনি অথবা পিসি মডেমই খুঁজে পাচ্ছে না। এই সমস্যা যেমন হার্ডওয়্যারজনিত হতে পারে তেমনি কমিউনিকেশন সফটওয়্যার বা সেটিংসজনিত কারণেও হতে পারে। নিচে এই জাতীয় বেশ কিছু ট্রাবলশুটিংয়ের কথা বলছি।
>>যদি উইন্ডোজ মডেমই ডিটেক্ট করতে না পারে তখন মডেমটি খুলে অন্য স্লটে লাগিয়ে দেখুন।
>>মডেম ওকে কিন্তু নেট কাজ করছে না ? তখন ডিভাইস ম্যানেজারে গিয়ে দেখুন মডেমটি ঠিকমতো কাজ করছে কিনা। প্রয়োজনবোধে ড্রাইভার রিইন্সটল করে দেখতে পারেন।
>>কাজ হচ্ছে না ? ফোন লাইন চেক করুন। মডেম ঠিক মোডে আছে কিনা দেখুন। যদি আপনি ট্রান্সমিশন রিসিভ করতে চান তাহলে মডেম অ্যানসার মোডে আর ইন্টারনেট ব্যবহার করতে ডায়াল মোডে থাকা লাগবে।
>> যদি মডেম ডায়াল করতে পারে কিন্তু কানেক্ট হয় না তখন দেখুন আপনার ডায়ালিং নাম্বার ঠিক আছে কিনা।
>>যদি না ডায়ালটোন হয় তাহলে লাইন চেক করুন। ফোনের বাসায় অন্য এক্সটেনশন লাইন থাকলে সেটি পরীক্ষা করুন।
>>কমিউনিকেশন সফটওয়্যার ঠিক আছে কিনা তা দেখুন। কন্ট্রোল প্যানেলে মডেম প্রোপার্টিজে wait for dial tone before dialing অপশনটি অফ করে দিলে সমস্যার সমাধান হতে পারে।
>>COM পোর্ট সেটিংস ঠিক আছে কি-না দেখুন। মডেম প্রোপার্টিজ থেকে এটি দেখতে পারবেন। প্রয়োজনে COM Port পরিবর্তন করুন।
এজ মডেম
উপরের প্রায় প্রতিটা পয়েন্টই এজ মডেমের জন্য প্রযোজ্য।আরো যেসব বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে তা বলছি এবার-
>>নেট কানেকশন না পেলে বা স্পীড খুব কম থাকলে সীমটি ট্রে থেকে খুলে আবার লাগিয়ে কানেক্ট দিন।অনেকসময় মডেম ঠিকমতো সীম কানেকশন না পাবার কারনেও নেট সমস্যা করে থাকে।
>>মডেম সবসময় উন্মুক্ত স্থানে রাখুন।কেননা এর উপর নেটওয়ার্ক নির্ভর করে।
>>মডেম কেনার সময় ভাল করে জেনে নিন এই মডেম উইন্ডোজ এক্সপি,ভিসতা,সেভেন বা লিনাক্স সাপোর্ট করে কিনা এবং সংশ্লিষ্ট সব ড্রাইভার সাথে দেয়া আছে কিনা।
হার্ডডিস্ক
অনেক সময় কম্পিউটার চালু হবার সময় হার্ডডিস্ক এরর দেখায়। এর কারণ হতে পারে-
>> মাদারবোর্ড হার্ডডিস্ক পাচ্ছে না। প্রথমেই নিশ্চিত হোন হার্ডডিস্কের পাওয়ার ক্যাবল ঠিক আছে কি-না। তারপর হার্ডডিস্ক থেকে মাদারবোর্ডের ডাটা ক্যাবল চেক করুন।
>>হার্ডডিস্কের পেছনের পিন ঠিক আছে কিনা দেখুন।
>>হয়তোবা বায়োসের সেটিংসের কারণেও সমস্যা হতে পারে। বায়োসে গিয়ে দেখতে পারেন হার্ডডিস্ক পাওয়া যাচ্ছে কিনা।
Labels:
উইন্ডোজ,
কম্পিউটার,
টিপস এন্ড ট্রিকস,
ট্রাবলশ্যুটিং,
র্যাম,
হার্ডওয়ার
কম্পিউটার ট্রাবলশ্যুটিং সমগ্রঃ ধাপে ধাপে পিসির বিভিন্ন সমস্যার সমাধান- পর্ব ২: কম্পিউটার চালু না হলে কি করবেন আপনি
আগের পর্বে বলেছিলাম কিভাবে কম্পিউটার কেসিং খুলতে হবে সে ব্যাপারে।এবারে বলব কম্পিউটার চালু না হলে আপনি কি কি করতে পারেন সে ব্যাপারে কিছু কথা।
কম্পিউটার চালু হচ্ছে না: কি করবেন এখন?
এটিকে একটি পরিচিত সমস্যা হিসেবেই চিহ্নিত করতে চাই। নিয়মিত কম্পিউটার চালু হয় না এমনটা বললে মনে হয় ভুল বলা হবে না। নতুন ব্যবহারকারীদের কাছে এই সমস্যার একটাই সমাধান। তা হচ্ছে বিক্রেতার শরণাপন্ন হয়ে অযথা পয়সা খরচ। দেখি তো আপনাকে বাঁচাতে পারি কিনা। নিচের কথাগুলো শুনুন মনোযোগ দিয়ে।
>> পাওয়ার সুইচ অন করার পর সিস্টেমের ইন্টারনাল স্পিকার কয়টা আওয়াজ করলো খেয়াল করুন। যদি বীপ সংখ্যা এক হয় তার মানে কম্পিউটার ডিসপ্লে আউটপুট পাচ্ছে না।অথবা কীবোর্ড মাদারবোর্ডের সাথে ঠিকমতো সংযুক্ত না হলেও এমনটা হতে পারে।
>>যদি একটি বড় বীপের পর দুটি ছোটো বীপ হয় তারমানে র্যাম পাচ্ছে না আপনার মাদারবোর্ড।র্যাম পরিবর্তন না স্লট পরিবর্তন করে দেখুন।
>>যদি একটি বড় বীপের পর তিনটি ছোট বীপ হয় তাহলে বুঝবেন নিশ্চিতভাবেই ডিসপ্লে বা গ্রাফিক্স আউটপুটের সমস্যা।
>>আর যদি একটা বড় বীপ তারপর চারটা ছোট বীপ হয় তারমানে আপনার মাদারবোর্ড বা গুরুত্বপূর্ণ কোন হার্ডওয়ার নষ্ট হয়ে গিয়েছে বা ঠিকমতো কাজ করছে না।
>>তবে এর জন্য আপনার পিসিতে ইন্টারনাল স্পীকার কিন্তু থাকতে হবে। অনেক মাদারবোর্ডে ইন্টারনাল স্পীকার বিল্ট-ইন থাকে।অন্যগুলাতে আলাদা লাগাবে হয়।সাধারনত কম্পিউটার কেনার সময় বিক্রেতাই এটি দিয়ে দেয় তবে অনেকসময় ভুলে তা ঠিকমতো লাগানো নাও থাকতে পারে।সেক্ষেত্রে আপনার মাদারবোর্ডের বক্সে দেখুন স্পীকার পান কিনা।নইলে সময় করে বিক্রেতার কাছ থেকে নিয়ে আসুন।বুঝতেই পারছেন কেন আমি এটাকে এতো গুরুত্ব দিচ্ছি।
>> মনিটরের দিকে তাকান। এটি কি স্লীপ মোডে আছে ? অর্থাৎ এর লেড লাইট কি জ্বলছে নিভছে কিনা খেয়াল করুন। যদি তা না হয় অর্থাৎ লেড লাইট জ্বলেই থাকে এবং মনিটরে কিছু না কিছু দেখা যায় তাহলে আপনাকে অভিনন্দন। আপনার মাদারবোর্ড ও গ্রাফিক্স কার্ড ঠিক আছে।সমস্যাটা ছোটোখাটো।নো টেনশন!
>> যদি পাওয়ার অন করাই সম্ভব না হয় তাহলে কেসিং খুলে দেখুন নিঃসন্দেহে আপনার পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা। খোঁজার চেষ্টা করুন সমস্যাটা কোথায়।
>> এবারে ধরুন মাদারবোর্ডের পাওয়ার লেড জ্বলছে কিন্তু কেসিংয়ের পাওয়ার বাটন চাপলেও পিসি রেসপন্স করছে না তখন বুঝতে হবে কেসিংয়ের পাওয়ার সাপ্লাইয়ে কোনো সমস্যা হবার কারণে এটি পর্যাপ্ত ভোল্টেজ আউটপুট দিতে পারছে না। এক্ষেত্রে সম্ভব হলে অন্য পাওয়ার সাপ্লাই লাগিয়ে চেষ্টা করে দেখুন।
>> এবারেও কাজ হয়নি ? হতে পারে আপনার পাওয়ার সুইচেই সমস্যা। অভিজ্ঞ কাজ জানা ব্যবহারকারীরা সম্ভব হলে মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল দেখে মাদারবোর্ডের পাওয়ার বাটন পিন দুইটি বের করে তা কোনোভাবে কন্টাক্ট করে দেখতে পারেন কাজ হয় কিনা। তবে অনভিজ্ঞরা এই কাজটি না করতে যাওয়াটাই ভালো।
>> পাওয়ার সংক্রান্ত সমস্যার আশাকরি সমাধান হলো। এবারও কম্পিউটার চালু হচ্ছে না ? তাহলে বুঝতে হবে র্যামের সমস্যা। র্যামের স্লট পরিবর্তন করে নতুবা অন্য র্যাম লাগিয়ে দেখুন।
>> কম্পিউটার বুট হলো ঠিকঠাক কিন্তু উইন্ডোজ লোডিং-এর আগেই আটকে গেছে ? তখন বুঝতে হবে আপনার হার্ডডিস্কের সমস্যা। হার্ডডিস্কের পাওয়ার ও ডাটা ক্যাবলের কানেকশন চেক করুন। সম্ভব হবে মাদারবোর্ডের যে কানেক্টরে ক্যাবলটি লাগানো তা পরিবর্তন করে দেখুন। এছাড়া এমনটি কি হচ্ছে কম্পিউটার ঠিকমতো চালু হচ্ছে হয়তো অপারেটিং সিস্টেমও লোড হচ্ছে তারপর ধুড়ুম করে পিসি বন্ধ হয়ে রিস্টার্ট করছে। এটি সম্ভবত প্রসেসরের কুলিং ফ্যান বা হিটসিংক ও প্রসেসরের কানেকশনের দুর্বলতার কারণে হচ্ছে। চেক করে দেখুন ফ্যান ঠিকমতো ঘুরছে কি-না বা ফ্যানসহ সবকিছু ঠিকমতো টাইট আছে কিনা। পারলে কুলিং ফ্যানসহ হিটসিংক খুলে আবারও লাগান। কুলিং ফ্যান নিচের ছবির মতো বিপরীত দুইপাশে একসাথে চাপ দিয়ে খুলতে হয়।
আর হঠাৎ করে বন্ধ না হলে মানে একটু সময় নিয়ে সংকেত দিয়ে বন্ধ হওয়া মানে ভাইরাসের আক্রমণের শিকার আপনি।
>> হঠাৎ বলতে আমি এটা বুঝাচ্ছি যে কম্পিউটার চলার সময় পাওয়ার চলে গেলে যেভাবে বন্ধ হয় সেরকম ঘটনা।
>> এছাড়াও কোনো না কোনো ক্যাবল লুজ/ নষ্ট হয়ে যাবার কারণেও কম্পিউটার চালু হওয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই ব্যাপারটিও খেয়াল রাখবেন।
প্রধান এই সমস্যাগুলোর কারণেই কম্পিউটার চালু হয় না। তবে বুঝতেই পারছেন এই অংশে শুধুমাত্র হার্ডওয়্যারজনিত সমস্যার কথাই বললাম, অপারেটিং সিস্টেম সংক্রান্ত সমস্যা এখানে আলোচনা করিনি।
কম্পিউটার চালু হচ্ছে না: কি করবেন এখন?
এটিকে একটি পরিচিত সমস্যা হিসেবেই চিহ্নিত করতে চাই। নিয়মিত কম্পিউটার চালু হয় না এমনটা বললে মনে হয় ভুল বলা হবে না। নতুন ব্যবহারকারীদের কাছে এই সমস্যার একটাই সমাধান। তা হচ্ছে বিক্রেতার শরণাপন্ন হয়ে অযথা পয়সা খরচ। দেখি তো আপনাকে বাঁচাতে পারি কিনা। নিচের কথাগুলো শুনুন মনোযোগ দিয়ে।
>> পাওয়ার সুইচ অন করার পর সিস্টেমের ইন্টারনাল স্পিকার কয়টা আওয়াজ করলো খেয়াল করুন। যদি বীপ সংখ্যা এক হয় তার মানে কম্পিউটার ডিসপ্লে আউটপুট পাচ্ছে না।অথবা কীবোর্ড মাদারবোর্ডের সাথে ঠিকমতো সংযুক্ত না হলেও এমনটা হতে পারে।
>>যদি একটি বড় বীপের পর দুটি ছোটো বীপ হয় তারমানে র্যাম পাচ্ছে না আপনার মাদারবোর্ড।র্যাম পরিবর্তন না স্লট পরিবর্তন করে দেখুন।
>>যদি একটি বড় বীপের পর তিনটি ছোট বীপ হয় তাহলে বুঝবেন নিশ্চিতভাবেই ডিসপ্লে বা গ্রাফিক্স আউটপুটের সমস্যা।
>>আর যদি একটা বড় বীপ তারপর চারটা ছোট বীপ হয় তারমানে আপনার মাদারবোর্ড বা গুরুত্বপূর্ণ কোন হার্ডওয়ার নষ্ট হয়ে গিয়েছে বা ঠিকমতো কাজ করছে না।
>>তবে এর জন্য আপনার পিসিতে ইন্টারনাল স্পীকার কিন্তু থাকতে হবে। অনেক মাদারবোর্ডে ইন্টারনাল স্পীকার বিল্ট-ইন থাকে।অন্যগুলাতে আলাদা লাগাবে হয়।সাধারনত কম্পিউটার কেনার সময় বিক্রেতাই এটি দিয়ে দেয় তবে অনেকসময় ভুলে তা ঠিকমতো লাগানো নাও থাকতে পারে।সেক্ষেত্রে আপনার মাদারবোর্ডের বক্সে দেখুন স্পীকার পান কিনা।নইলে সময় করে বিক্রেতার কাছ থেকে নিয়ে আসুন।বুঝতেই পারছেন কেন আমি এটাকে এতো গুরুত্ব দিচ্ছি।
>> মনিটরের দিকে তাকান। এটি কি স্লীপ মোডে আছে ? অর্থাৎ এর লেড লাইট কি জ্বলছে নিভছে কিনা খেয়াল করুন। যদি তা না হয় অর্থাৎ লেড লাইট জ্বলেই থাকে এবং মনিটরে কিছু না কিছু দেখা যায় তাহলে আপনাকে অভিনন্দন। আপনার মাদারবোর্ড ও গ্রাফিক্স কার্ড ঠিক আছে।সমস্যাটা ছোটোখাটো।নো টেনশন!
>> যদি পাওয়ার অন করাই সম্ভব না হয় তাহলে কেসিং খুলে দেখুন নিঃসন্দেহে আপনার পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা। খোঁজার চেষ্টা করুন সমস্যাটা কোথায়।
>> এবারে ধরুন মাদারবোর্ডের পাওয়ার লেড জ্বলছে কিন্তু কেসিংয়ের পাওয়ার বাটন চাপলেও পিসি রেসপন্স করছে না তখন বুঝতে হবে কেসিংয়ের পাওয়ার সাপ্লাইয়ে কোনো সমস্যা হবার কারণে এটি পর্যাপ্ত ভোল্টেজ আউটপুট দিতে পারছে না। এক্ষেত্রে সম্ভব হলে অন্য পাওয়ার সাপ্লাই লাগিয়ে চেষ্টা করে দেখুন।
>> এবারেও কাজ হয়নি ? হতে পারে আপনার পাওয়ার সুইচেই সমস্যা। অভিজ্ঞ কাজ জানা ব্যবহারকারীরা সম্ভব হলে মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল দেখে মাদারবোর্ডের পাওয়ার বাটন পিন দুইটি বের করে তা কোনোভাবে কন্টাক্ট করে দেখতে পারেন কাজ হয় কিনা। তবে অনভিজ্ঞরা এই কাজটি না করতে যাওয়াটাই ভালো।
>> পাওয়ার সংক্রান্ত সমস্যার আশাকরি সমাধান হলো। এবারও কম্পিউটার চালু হচ্ছে না ? তাহলে বুঝতে হবে র্যামের সমস্যা। র্যামের স্লট পরিবর্তন করে নতুবা অন্য র্যাম লাগিয়ে দেখুন।
>> কম্পিউটার বুট হলো ঠিকঠাক কিন্তু উইন্ডোজ লোডিং-এর আগেই আটকে গেছে ? তখন বুঝতে হবে আপনার হার্ডডিস্কের সমস্যা। হার্ডডিস্কের পাওয়ার ও ডাটা ক্যাবলের কানেকশন চেক করুন। সম্ভব হবে মাদারবোর্ডের যে কানেক্টরে ক্যাবলটি লাগানো তা পরিবর্তন করে দেখুন। এছাড়া এমনটি কি হচ্ছে কম্পিউটার ঠিকমতো চালু হচ্ছে হয়তো অপারেটিং সিস্টেমও লোড হচ্ছে তারপর ধুড়ুম করে পিসি বন্ধ হয়ে রিস্টার্ট করছে। এটি সম্ভবত প্রসেসরের কুলিং ফ্যান বা হিটসিংক ও প্রসেসরের কানেকশনের দুর্বলতার কারণে হচ্ছে। চেক করে দেখুন ফ্যান ঠিকমতো ঘুরছে কি-না বা ফ্যানসহ সবকিছু ঠিকমতো টাইট আছে কিনা। পারলে কুলিং ফ্যানসহ হিটসিংক খুলে আবারও লাগান। কুলিং ফ্যান নিচের ছবির মতো বিপরীত দুইপাশে একসাথে চাপ দিয়ে খুলতে হয়।
আর হঠাৎ করে বন্ধ না হলে মানে একটু সময় নিয়ে সংকেত দিয়ে বন্ধ হওয়া মানে ভাইরাসের আক্রমণের শিকার আপনি।
>> হঠাৎ বলতে আমি এটা বুঝাচ্ছি যে কম্পিউটার চলার সময় পাওয়ার চলে গেলে যেভাবে বন্ধ হয় সেরকম ঘটনা।
>> এছাড়াও কোনো না কোনো ক্যাবল লুজ/ নষ্ট হয়ে যাবার কারণেও কম্পিউটার চালু হওয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই ব্যাপারটিও খেয়াল রাখবেন।
প্রধান এই সমস্যাগুলোর কারণেই কম্পিউটার চালু হয় না। তবে বুঝতেই পারছেন এই অংশে শুধুমাত্র হার্ডওয়্যারজনিত সমস্যার কথাই বললাম, অপারেটিং সিস্টেম সংক্রান্ত সমস্যা এখানে আলোচনা করিনি।
Labels:
উইন্ডোজ,
কম্পিউটার,
টিপস এন্ড ট্রিকস,
ট্রাবলশ্যুটিং,
র্যাম,
হার্ডওয়ার
কম্পিউটার ট্রাবলশ্যুটিং সমগ্রঃ ধাপে ধাপে পিসির বিভিন্ন সমস্যার সমাধান- পর্ব ১: কেসিং খোলার নিয়মকানুন
কম্পিউটার যদি আপনার দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে থাকে তাহলে নিঃসন্দেহে আপনার কম্পিউটিং জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ সমস্যা।আজ সফটওয়ারের এই সমস্যাতো কাল ঐ হার্ডওয়ার সমস্যা করছে।সেই ডস থেকে উইন্ডোজ সেভেন,পেন্টিয়াম ১ থেকে কোর আই সেভেন-সবসময়ই আপনার পিসির সাথেই ছিল এই সমস্যা নামক বস্তুটা!ইন্টারনেটে এই টপিকে তেমন কোন ভালো বাংলা লেখা নেই।তাইতো বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে লিখাছি আজকের এই আর্টিকেলটি। কয়েক পর্বের এই লিখায় আমি চেষ্টা করব পিসির বিভিন্ন ট্রাবলশ্যুটিং এবং সমস্যা ও তার সমাধানের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিতে। আশা করি সবারই কাজে আসবে।
ট্রাবলশ্যুটিং-এর হাতেখড়িঃ কেসিং খুলবেন যেভাবে
যারা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা রাখেন না তাদের জন্য এই অংশটি। এখানে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেবো কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারগুলোর সাথে এবং জানাব কিভাবে কেসিং খুলতে হয় তা।
>> সাধারণত কেসিং-এর পেছনে এটি খোলার ২+২=৪টি স্ক্রু থাকে। কেসিং খোলার আগের পাওয়ার সাপ্লাই অফ করুন। মাদারবোর্ডের পেছন থেকে সব প্লাগ খুলে ফেলুন।
>>সাধারণত সামনে থেকে কেসিংটাকে দেখলে এর বামপাশের অংশটি খুলতে হয়। এর পেছনে স্ক্রু দুটি খুলতে ভালো চারকোণা স্ক্রু ড্রাইভার লাগবে আপনার। খোলা স্ক্রু সযত্নে রাখুন।
>> স্ক্রু খোলা হয়ে গেলে কেসিং-এর পাশ থেকে কভারটি আলাদা করে নিন। সাধারণত কভারটি পেছনদিকে কিছুটা স্লাইড করে খুলতে হয়।
>>কেসিং খুলেছেন ? ভেতরে তাকান। মূল যে বড় সার্কিট বোর্ডটি দেখছেন তাই মাদারবোর্ড। আর পাওয়ার সাপ্লাই থাকে কেসিং এর উপরে পেছন দিকে। পাওয়ার সাপ্লাই থেকে অনেকগুলো লাল, হলুদ, কালো বা নীল তার বের হয়ে আসে। এর কিছু সংযুক্ত মাদারবোর্ডে কিছু বা সরাসরি অন্য হার্ডওয়্যারে যেমন- সিডি ড্রাইভ, ফ্লপি ড্রাইভ, হার্ডডিস্ক।
>> মাদারবোর্ডে প্রসেসর কোনটি তা বুঝতে এর কুলিং ফ্যান খুঁজে বের করুন। সাধারণত এটি মাদারবোর্ডের উপরে কিছুটা বামে থাকে। প্রসেসর ফ্যানের জন্য সরাসরি দেখা সম্ভব নয়।
>>র্যাম সাধারণ প্রসেসরের ডানপাশে থাকে। মডেলভেদে ২-৪টি স্লট, লম্বাকৃতির।
>>সাউন্ডকার্ড কোনটি বুঝতে হলে খুঁজে বের করুন স্পিকারের ইনপুট জ্যাক কোথায় লাগে সেই ডিভাইসটি।
>> একইভাবে মনিটরের ক্যাবল দিয়ে জানতে পারবেন কোনটি আপনার গ্রাফিক্স কার্ড।
>> একই উপায়ে মডেম (টেলিফোনের তার), ল্যান কার্ড (ব্রন্ডব্যান্ড ইন্টারনেটের তার) খুঁজে বের করতে পারবেন আপনি।
>> চিকন চিকন লাল, হলুদ, কাল বা নীল তারগুলো পাওয়ার ক্যাবল। সাদা বা লাল চওড়া ক্যাবলগুলো ডাটা ক্যাবল।
>> সাধারণ একটি পিসিতে কেসিং-এর পেছনে পাওয়ার কর্ড, মনিটর কর্ড, মাউস ও কী-বোর্ড, স্পিকার ইনপুট এগুলো প্রাথমিক অনুসঙ্গ যা সব পিসিতেই আছে।>>বিভিন্ন ক্যাবল আলাদা রকমের হওয়াতে সবচেয়ে বড় সুবিধা এক ধরনের কানেকশন আপনি ভুল করে চাইলেও অন্যটিতে লাগাতে পারবেন না ।
ট্রাবলশ্যুটিং-এর হাতেখড়িঃ কেসিং খুলবেন যেভাবে
যারা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা রাখেন না তাদের জন্য এই অংশটি। এখানে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেবো কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারগুলোর সাথে এবং জানাব কিভাবে কেসিং খুলতে হয় তা।
>> সাধারণত কেসিং-এর পেছনে এটি খোলার ২+২=৪টি স্ক্রু থাকে। কেসিং খোলার আগের পাওয়ার সাপ্লাই অফ করুন। মাদারবোর্ডের পেছন থেকে সব প্লাগ খুলে ফেলুন।
>>সাধারণত সামনে থেকে কেসিংটাকে দেখলে এর বামপাশের অংশটি খুলতে হয়। এর পেছনে স্ক্রু দুটি খুলতে ভালো চারকোণা স্ক্রু ড্রাইভার লাগবে আপনার। খোলা স্ক্রু সযত্নে রাখুন।
>> স্ক্রু খোলা হয়ে গেলে কেসিং-এর পাশ থেকে কভারটি আলাদা করে নিন। সাধারণত কভারটি পেছনদিকে কিছুটা স্লাইড করে খুলতে হয়।
>>কেসিং খুলেছেন ? ভেতরে তাকান। মূল যে বড় সার্কিট বোর্ডটি দেখছেন তাই মাদারবোর্ড। আর পাওয়ার সাপ্লাই থাকে কেসিং এর উপরে পেছন দিকে। পাওয়ার সাপ্লাই থেকে অনেকগুলো লাল, হলুদ, কালো বা নীল তার বের হয়ে আসে। এর কিছু সংযুক্ত মাদারবোর্ডে কিছু বা সরাসরি অন্য হার্ডওয়্যারে যেমন- সিডি ড্রাইভ, ফ্লপি ড্রাইভ, হার্ডডিস্ক।
>> মাদারবোর্ডে প্রসেসর কোনটি তা বুঝতে এর কুলিং ফ্যান খুঁজে বের করুন। সাধারণত এটি মাদারবোর্ডের উপরে কিছুটা বামে থাকে। প্রসেসর ফ্যানের জন্য সরাসরি দেখা সম্ভব নয়।
>>র্যাম সাধারণ প্রসেসরের ডানপাশে থাকে। মডেলভেদে ২-৪টি স্লট, লম্বাকৃতির।
>>সাউন্ডকার্ড কোনটি বুঝতে হলে খুঁজে বের করুন স্পিকারের ইনপুট জ্যাক কোথায় লাগে সেই ডিভাইসটি।
>> একইভাবে মনিটরের ক্যাবল দিয়ে জানতে পারবেন কোনটি আপনার গ্রাফিক্স কার্ড।
>> একই উপায়ে মডেম (টেলিফোনের তার), ল্যান কার্ড (ব্রন্ডব্যান্ড ইন্টারনেটের তার) খুঁজে বের করতে পারবেন আপনি।
>> চিকন চিকন লাল, হলুদ, কাল বা নীল তারগুলো পাওয়ার ক্যাবল। সাদা বা লাল চওড়া ক্যাবলগুলো ডাটা ক্যাবল।
>> সাধারণ একটি পিসিতে কেসিং-এর পেছনে পাওয়ার কর্ড, মনিটর কর্ড, মাউস ও কী-বোর্ড, স্পিকার ইনপুট এগুলো প্রাথমিক অনুসঙ্গ যা সব পিসিতেই আছে।>>বিভিন্ন ক্যাবল আলাদা রকমের হওয়াতে সবচেয়ে বড় সুবিধা এক ধরনের কানেকশন আপনি ভুল করে চাইলেও অন্যটিতে লাগাতে পারবেন না ।
Labels:
উইন্ডোজ,
কম্পিউটার,
টিপস এন্ড ট্রিকস,
ট্রাবলশ্যুটিং,
র্যাম,
হার্ডওয়ার
February 9, 2010
উইন্ডোজের দিন-তারিখের ফরম্যাটটি নিজের মতো করে নিন
আমরা সবাইই জানি উইন্ডোজ স্ক্রীণের নিচে বামপাশে থাকে এর ঘড়ি এবং দিন তারিখের আইকনটি।যারা পিসির সামনে সারাটা দিন বসে থাকেন তাদের সময় গণনার জন্য এই ঘড়িটিই ভরসা,সেটাই স্বাভাবিক।কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ঘড়িটি ডিফল্ট হিসেবে আমেরিকান স্টাইল অনুসরন করে,যা হঠাত করে তাকালে আমাদের বুঝতে একটু সময় লাগে।তাই একবার কষ্ট করে এই ঘড়িটকে আপনার সুবিধামতো ফরম্যাটে নিয়ে আসুন,কাজে দিবে।
>> ঘড়িতে ক্লিক করে change date and time settings এ ক্লিক করুন।Change date and time এ ক্লিক করুন। Change calender settings এ যান।
>> Date formats এর Short Dates ড্রপডাউন মেন্যু থেকে আপনার পছন্দের ফরম্যাটটি নির্বাচন করুন।
>> আর একটু নিচে First day of week থেকে সোমবার বা Monday বদলে শনিবার করে দিন।এপ্লাই করে ওকে করুন।
এবারে দেখুনতো ঘড়িটা দেখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন কিনা?
>> ঘড়িতে ক্লিক করে change date and time settings এ ক্লিক করুন।Change date and time এ ক্লিক করুন। Change calender settings এ যান।
>> Date formats এর Short Dates ড্রপডাউন মেন্যু থেকে আপনার পছন্দের ফরম্যাটটি নির্বাচন করুন।
>> আর একটু নিচে First day of week থেকে সোমবার বা Monday বদলে শনিবার করে দিন।এপ্লাই করে ওকে করুন।
এবারে দেখুনতো ঘড়িটা দেখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন কিনা?
Labels:
উইন্ডোজ,
উইন্ডোজ এক্সপি,
কম্পিউটার,
টিপস এন্ড ট্রিকস
উইন্ডোজ সেভেনে মিডিয়া প্লেয়ার ১২-এর ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করুন সহজেই
মিডিয়া প্লেয়ার ১২ উইন্ডোজ সেভেনের অন্যতম আপডেটেড প্রোগ্রাম কিন্তু কতোদিন একই চেহারার মিডিয়া প্লেয়ার দেখা যায় বলুন তো?জানেন কি উইন্ডোজ দিয়েই আপনি চাইলে আপনার মিডিয়া প্লেয়ার-এর ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তনের কাজটি সারতে পারবেন।
>> প্রথমেই স্টার্ট মেনুতে regedit লিখে এন্টার প্রেস করে রেজিস্ট্রি এডিটর ওপেন করুন।
>> HKEY_CURRENT_USER\Software\Microsoft\MediaPlayer\Preferences এ যান।
>> LibraryBackgroundImage কীতে ডাবল ক্লিক করে এর ভ্যালু 0-6 এর মধ্য যেকোন সংখ্যা করে দিন।প্রতিটির জন্যই আলাদা আলাদা ব্যাকগ্রাউন্ড পাবেন।
ট্যাগঃ Windows 7 Media player background
>> প্রথমেই স্টার্ট মেনুতে regedit লিখে এন্টার প্রেস করে রেজিস্ট্রি এডিটর ওপেন করুন।
>> HKEY_CURRENT_USER\Software\Microsoft\MediaPlayer\Preferences এ যান।
>> LibraryBackgroundImage কীতে ডাবল ক্লিক করে এর ভ্যালু 0-6 এর মধ্য যেকোন সংখ্যা করে দিন।প্রতিটির জন্যই আলাদা আলাদা ব্যাকগ্রাউন্ড পাবেন।
ট্যাগঃ Windows 7 Media player background
Labels:
উইন্ডোজ,
উইন্ডোজ সেভেন,
কম্পিউটার,
টিপস এন্ড ট্রিকস,
মিডিয়া প্লেয়ার
উইন্ডোজ এক্সপির ২টি শর্টকাট টিপস
১. এক্সপি ব্যবহারকারীরা একটা মেসেজ দেখে এখন এতোটাই অভ্যস্থ হয়ে গেছেন যে এটাইকেই তারা তাদের নিয়তি হিসেবে মেনে নেন। সেটা হচ্ছে- “Send an Error Report to Microsoft”.
খুব সহজ ২টি ধাপে আপনি চিরতরে বন্ধ করে দিতে পারেন এই মেসেজ-
১.মাই কম্পিউটারে রাইট ক্লিক করে সিস্টেম প্রোপার্টিজ থেকে এডভান্সড-এ যান।
২. এরর রিপোর্টিং ডিজাবেল করে ওকে করুন।
কাজ কিন্তু শেষ!
২. আরেকটি অতি পরিচিত এক্সপি মেসেজ- "Your computer might be at risk"।যখন তখন কোন আগমনী বার্তা বা কারন ছাড়াই উইন্ডোজ নোটিফিকেশন এর আগমনের সাথে সবারই জানাশোনা আছে বৈকি।আসুনতো কথা না বাড়িয়ে এটিকে বিদায় করে দিই।
১.নোটিফিকেশন এরিয়ার লাল সিকিউরিটি সেন্টার আইকনে ক্লিক করে সিকিউরিটি সেন্টার ওপেন করুন।বামপাশে Resources সেকশনে দেখুন সবার নিচে আছে- “Change the way Security Center alerts me”।এখানে ক্লিক করুন।
২.এলার্ট সেটিংস উইন্ডো আসবে।টিকগুলা উঠিয়ে দিলেই ঝামেলা শেষ।
খুব সহজ ২টি ধাপে আপনি চিরতরে বন্ধ করে দিতে পারেন এই মেসেজ-
১.মাই কম্পিউটারে রাইট ক্লিক করে সিস্টেম প্রোপার্টিজ থেকে এডভান্সড-এ যান।
২. এরর রিপোর্টিং ডিজাবেল করে ওকে করুন।
কাজ কিন্তু শেষ!
২. আরেকটি অতি পরিচিত এক্সপি মেসেজ- "Your computer might be at risk"।যখন তখন কোন আগমনী বার্তা বা কারন ছাড়াই উইন্ডোজ নোটিফিকেশন এর আগমনের সাথে সবারই জানাশোনা আছে বৈকি।আসুনতো কথা না বাড়িয়ে এটিকে বিদায় করে দিই।
১.নোটিফিকেশন এরিয়ার লাল সিকিউরিটি সেন্টার আইকনে ক্লিক করে সিকিউরিটি সেন্টার ওপেন করুন।বামপাশে Resources সেকশনে দেখুন সবার নিচে আছে- “Change the way Security Center alerts me”।এখানে ক্লিক করুন।
২.এলার্ট সেটিংস উইন্ডো আসবে।টিকগুলা উঠিয়ে দিলেই ঝামেলা শেষ।
Labels:
উইন্ডোজ,
উইন্ডোজ এক্সপি,
কম্পিউটার,
টিপস এন্ড ট্রিকস,
ট্রাবলশ্যুটিং
উইন্ডোজ সেভেনে আপনার এলসিডি মনিটর ফাইন টিউন করে নিন
এলসিডি মনিটর বিলাসিতার লেভেল থেকে নেমে প্রয়োজনের বস্তুতে পরিণত হয়েছে অনেক আগেই।এর একটা ব্যাপার অনেকেইহয়তো খেয়াল করেছেন যে-বিভিন্ন মনিটর ছবির কোয়ালিটি বা লেখার শার্পনেস-এর পার্থক্যটা বেশ চোখে পড়ে।আগের সিআরটি মনিটরে কিন্তু এমনটা হতো না।অনেকসময় অনেক টেক্সট ফাইল পড়তে সমস্যা হতেও দেখা যায়।আর ব্যক্তিভেবে চোখের ক্ষমতার পার্থক্যতো আছেই। এইসব সমস্যার অতি সহজ সমাধান আছে উইন্ডোজ সেভেন।আর তা হচ্ছে ClearType Text Tuner.
>> আপনার স্টার্ট মেনুতে cleartype লিখুন।Adjust cleartype text-এ ক্লিক করুন।
>> Turn On ClearType বক্সে টিক দিন।নেক্সেটে যান।
>> উইন্ডোজ আপনার মনিটরের রেজুলেশন চেক করে ওকে আছে কিনা বলবে।তারপর নেক্সেটে যান।
>> এবার পরপর চারটি উইন্ডোতে উইন্ডোজ আপনাকে কিছু লিখা দেখাবে।প্রতিটি স্ক্রীণে যেটা আপনি সবচেয়ে পরিষ্কারভাবে দেখতে পারছেন তাতে ক্লিক করে নেক্সটে যেতে থাকুন।
>> কাজ শেষ হলে ফিনিশ প্রেস করুন।
>> আপনার স্টার্ট মেনুতে cleartype লিখুন।Adjust cleartype text-এ ক্লিক করুন।
>> Turn On ClearType বক্সে টিক দিন।নেক্সেটে যান।
>> উইন্ডোজ আপনার মনিটরের রেজুলেশন চেক করে ওকে আছে কিনা বলবে।তারপর নেক্সেটে যান।
>> এবার পরপর চারটি উইন্ডোতে উইন্ডোজ আপনাকে কিছু লিখা দেখাবে।প্রতিটি স্ক্রীণে যেটা আপনি সবচেয়ে পরিষ্কারভাবে দেখতে পারছেন তাতে ক্লিক করে নেক্সটে যেতে থাকুন।
>> কাজ শেষ হলে ফিনিশ প্রেস করুন।
Labels:
উইন্ডোজ,
উইন্ডোজ সেভেন,
এলসিডি মনিটর,
কম্পিউটার,
টিপস এন্ড ট্রিকস
সিস্টেমের যেকোন সমস্যায় F8-এর ব্যবহার শিখে রাখুন
অপারেটিং সিস্টেম চালু হচ্ছে না।উইন্ডোজ রিপেয়ার করবেন।কিন্তু আপনার কাছে নেই উইন্ডোজ এর ইন্সটলেশন ডিস্ক।এমতাবস্থায় কিভাবে সিস্টেম রিপেয়ার করবেন?উপায় কিন্তু একটা ঠিকই আছে।আর তা হচ্ছে F8. এজন্য বুট স্ক্রীন দেখা যাবার পর উইন্ডোজ স্ক্রীন আসার পূর্বেই কী-বোর্ডের F৮ প্রেস করুন। Advanced Boot Options দেখতে পাবেন। এবারে একে একে আপনাদের জানাব এখানকার কোন অপ্সহনগুলার কি কাজ।
** Safe Mode : এটির ব্যবহার অনেকেই জানি আমরা। এই মোডে উইন্ডোজ শুধুমাত্র বেসিক টুলস/ইউটিলিটিসগুলো নিয়ে লোড হয়। কিন্তু ফাইল/সফটওয়্যার/ড্রাইভার ঠিকই মুছতে/আনইন্সটল করতে পারবেন আপনি।
** Safe Mode with Networking: সাধারণ Safe Mode -এ ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় না। কিন্তু ব্যাপারটা যদি এমন হয় সমস্যার সমাধানে আপনার ইন্টারনেট লাগবে তখন এই অপশন দিয়ে উইন্ডোজ লোড করতে হবে আপনাকে।
** Safe mode with command prompt: এটি পূর্ববর্তী কমান্ড প্রম্পট উইন্ডোই। আগের মতোই ব্যবহার করা যাবে এটিকে।
** Enable Boot Logging: এটি দিয়ে ল্যান করালে উইন্ডোজ বুট হবার প্রতিটি ধাপ ‘সি’ ড্রাইভের উইন্ডোজ ফোল্ডারে btbtlog.txt লিখা হয়ে যাবে। এরপর যদি উইন্ডোজ চালু না হয় তাহলে Safe Mode -এ পিসি চালু করুন। সেভ হওয়া ফাইলটি পড়ুন। খুব সম্ভবত এই ফাইলের শেষ এন্ট্রিটিই আপনার পিসি চালু না হবার কারণ। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন।
** Enable low resulation video(৬৪০*৪৮০) : এর মাধ্যমে উইন্ডোজ তার রেকর্ডে থাকা সর্বশেষ ভালো রেজিস্ট্রি ও ড্রাইভার সেটআপসহ বুট করার চেষ্টা করবে।
** Directory Services Restore Mode: পিসি যদি এনটি ডোমেইন কন্ট্রোলার হয় তখন এইটার প্রসঙ্গ আসবে। অন্য আরেকদিন এটি নিয়ে বলবো।
** Debugging Mode: এটির আসলে তেমন কোনো ভ্যালু দেখছি না আমি। এটি আপনার পিসির সিরিয়াল পোর্ট ব্যবহার করে অন্য ভালো পিসিতে আপনার ডিবাগ ইনফরমেশন সেন্ড করে।
** Disable Automatic Restart on System Failure: এটি পূর্ববর্তী অপশনগুলোর থেকে একটু ভিন্ন। কাজ চলাকালীন ভিসতা ক্র্যাশ করলে খেয়াল করবেন যে, একটি নীল স্ক্রীনে কিছু লিখা এসে পিসি রিস্টার্ট হয়। মাইক্রোসফটই জানে ১/২ সেকেন্ডে এতো বড় এরর মেসেজ পড়ার যোগ্যতা কয়জন মানুষের হয়েছে এটা নিয়ে তাদের মতামতটা আসলে কি, কিন্তু আমি মনে করি এটা নিয়ে তাদের মতামতটা আসলে কি, কিন্তু আমি মনে করি এটা খুবই হাস্যকর এক নিষ্ঠুরতা! কেননা জরুরী এরর মেসেজটা যদি নাই পড়তে পারি তাহলে এর দরকারই বা কোথায়। তাই অটোমেটিক রিস্টার্ট ডিসেবল রাখলে আপনি শান্তিমতো এরর মেসেজ করে পরে ম্যানুয়ালি যা ইচ্ছা তা করতে পারবেন।
** Disable Driver Signature Enfarcemen: সাধারণত ৬৪-বিট ভিসতায় কিংবা সেভেনে আপনি ডিজিটালি সিগনেচার করা ছাড়া কোনো ডিভাইস ড্রাইভার ইন্সটল করতে পারবেন না। তাই নন সাইনড ড্রাইভার ইন্সটল করার জন্য এটি চালু করা লাগে।
** Safe Mode : এটির ব্যবহার অনেকেই জানি আমরা। এই মোডে উইন্ডোজ শুধুমাত্র বেসিক টুলস/ইউটিলিটিসগুলো নিয়ে লোড হয়। কিন্তু ফাইল/সফটওয়্যার/ড্রাইভার ঠিকই মুছতে/আনইন্সটল করতে পারবেন আপনি।
** Safe Mode with Networking: সাধারণ Safe Mode -এ ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় না। কিন্তু ব্যাপারটা যদি এমন হয় সমস্যার সমাধানে আপনার ইন্টারনেট লাগবে তখন এই অপশন দিয়ে উইন্ডোজ লোড করতে হবে আপনাকে।
** Safe mode with command prompt: এটি পূর্ববর্তী কমান্ড প্রম্পট উইন্ডোই। আগের মতোই ব্যবহার করা যাবে এটিকে।
** Enable Boot Logging: এটি দিয়ে ল্যান করালে উইন্ডোজ বুট হবার প্রতিটি ধাপ ‘সি’ ড্রাইভের উইন্ডোজ ফোল্ডারে btbtlog.txt লিখা হয়ে যাবে। এরপর যদি উইন্ডোজ চালু না হয় তাহলে Safe Mode -এ পিসি চালু করুন। সেভ হওয়া ফাইলটি পড়ুন। খুব সম্ভবত এই ফাইলের শেষ এন্ট্রিটিই আপনার পিসি চালু না হবার কারণ। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন।
** Enable low resulation video(৬৪০*৪৮০) : এর মাধ্যমে উইন্ডোজ তার রেকর্ডে থাকা সর্বশেষ ভালো রেজিস্ট্রি ও ড্রাইভার সেটআপসহ বুট করার চেষ্টা করবে।
** Directory Services Restore Mode: পিসি যদি এনটি ডোমেইন কন্ট্রোলার হয় তখন এইটার প্রসঙ্গ আসবে। অন্য আরেকদিন এটি নিয়ে বলবো।
** Debugging Mode: এটির আসলে তেমন কোনো ভ্যালু দেখছি না আমি। এটি আপনার পিসির সিরিয়াল পোর্ট ব্যবহার করে অন্য ভালো পিসিতে আপনার ডিবাগ ইনফরমেশন সেন্ড করে।
** Disable Automatic Restart on System Failure: এটি পূর্ববর্তী অপশনগুলোর থেকে একটু ভিন্ন। কাজ চলাকালীন ভিসতা ক্র্যাশ করলে খেয়াল করবেন যে, একটি নীল স্ক্রীনে কিছু লিখা এসে পিসি রিস্টার্ট হয়। মাইক্রোসফটই জানে ১/২ সেকেন্ডে এতো বড় এরর মেসেজ পড়ার যোগ্যতা কয়জন মানুষের হয়েছে এটা নিয়ে তাদের মতামতটা আসলে কি, কিন্তু আমি মনে করি এটা নিয়ে তাদের মতামতটা আসলে কি, কিন্তু আমি মনে করি এটা খুবই হাস্যকর এক নিষ্ঠুরতা! কেননা জরুরী এরর মেসেজটা যদি নাই পড়তে পারি তাহলে এর দরকারই বা কোথায়। তাই অটোমেটিক রিস্টার্ট ডিসেবল রাখলে আপনি শান্তিমতো এরর মেসেজ করে পরে ম্যানুয়ালি যা ইচ্ছা তা করতে পারবেন।
** Disable Driver Signature Enfarcemen: সাধারণত ৬৪-বিট ভিসতায় কিংবা সেভেনে আপনি ডিজিটালি সিগনেচার করা ছাড়া কোনো ডিভাইস ড্রাইভার ইন্সটল করতে পারবেন না। তাই নন সাইনড ড্রাইভার ইন্সটল করার জন্য এটি চালু করা লাগে।
Labels:
উইন্ডোজ এক্সপি,
উইন্ডোজ ভিসতা,
টিপস এন্ড ট্রিকস,
ট্রাবলশ্যুটিং,
বায়োস
আপনার উইন্ডোজের রেজিস্ট্রি ব্যাকআপ করে রাখুন
উইন্ডোজের রেজিস্ট্রি অপারেটিং সিস্টেমের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর কোনো সমস্যা আপনার পিসির ঠিকমতো কাজ করার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে। সাধারণত কোন প্রোগ্রাম ইন্সতল বা আনইন্সটলজনিত যেসব সমস্যা হয়ে থাকে তা মূলে রয়েছে এই রেজিস্ট্রি।তাই আমাদের সবার উচিত এই রেজিস্ট্রি একটি ব্যাকআপ করে তা নিরাপদ স্থানে সেভ করে রাখা, যাতে প্রয়োজনের সময় তা ব্যবহার করা যায়। কিভাবে এই ব্যাকআপ তৈরি করতে পারবেন আপনি এবারে তাই জানাব আপনাদের।
>> প্রথমে স্টার্ট মেনু থেকে রানে গিয়ে regedit লিখে এন্টার দিয়ে রেজিস্ট্রি এডিটর চালু করুন।
>> এবার ফাইল মেনু থেকে Export সিলেক্ট করুন।
>> এবার এক্সপোর্ট রেঞ্জ All সিলেক্ট করে ফাইলটি কোথায় কি নামে সেভ করবেন তা দেখালেই কাজ হয়ে যাবে।
ট্যাগঃ Windows Registry
>> প্রথমে স্টার্ট মেনু থেকে রানে গিয়ে regedit লিখে এন্টার দিয়ে রেজিস্ট্রি এডিটর চালু করুন।
>> এবার ফাইল মেনু থেকে Export সিলেক্ট করুন।
>> এবার এক্সপোর্ট রেঞ্জ All সিলেক্ট করে ফাইলটি কোথায় কি নামে সেভ করবেন তা দেখালেই কাজ হয়ে যাবে।
ট্যাগঃ Windows Registry
Labels:
উইন্ডোজ,
উইন্ডোজ এক্সপি,
কম্পিউটার,
টিপস এন্ড ট্রিকস,
রেজিস্ট্রি
উইন্ডোজে হারানো সিস্টেম রিস্টোরকে ফিরিয়ে আনুন
অনেকসময় ভাইরাসের কারসাজিতে বা অন্য কোন প্রোগ্রামের অনৈতিক(!) হস্তক্ষেপের কারনে আপনার উইন্ডোজ থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি টুল হারিয়ে যেতে পারে।আর তা হচ্ছে সিস্টেম রিস্টোর।তখন আপনার সিস্টেম রিস্টোর তো কাজ করবেই না উপরন্তু এটি এনাবেল করার অপশনও কাজ করবে না আর।তেমন পরিস্থিতি থেকে বাঁচার জন্য কি করবেন এবারে তাই বলছি আপনাদের
>> প্রথমেই স্টার্ট মেনুতে gpedit.msc লিখে এন্টার প্রেস করুন।গ্রুপ পলিসি এডিটর ওপেন হবে।
>> এবারে বামপাশের ট্রি মেনু থেকে Computer Configuration–> Administrative Templates—> System-> System Restore এ যান।
>> ডানপাশের বক্স থেকে Turn off System Restore এ রাইট ক্লিক করে edit এ ক্লিক করুন।
>> Disable থেকে সরিয়ে Not Configured সিলেক্ট করে Apply,OK করুন।
>> একইভাবে turn Off Configuration ও Not Configured করে দিন।
>> পিসি রিস্টার্ট করুন।আশা করি সব ঠিক হয়ে যাবে।
ট্যাগঃ Windows system restore
>> প্রথমেই স্টার্ট মেনুতে gpedit.msc লিখে এন্টার প্রেস করুন।গ্রুপ পলিসি এডিটর ওপেন হবে।
>> এবারে বামপাশের ট্রি মেনু থেকে Computer Configuration–> Administrative Templates—> System-> System Restore এ যান।
>> ডানপাশের বক্স থেকে Turn off System Restore এ রাইট ক্লিক করে edit এ ক্লিক করুন।
>> Disable থেকে সরিয়ে Not Configured সিলেক্ট করে Apply,OK করুন।
>> একইভাবে turn Off Configuration ও Not Configured করে দিন।
>> পিসি রিস্টার্ট করুন।আশা করি সব ঠিক হয়ে যাবে।
ট্যাগঃ Windows system restore
Labels:
উইন্ডোজ,
কম্পিউটার,
টিপস এন্ড ট্রিকস,
ট্রাবলশ্যুটিং,
সিস্টেম রিস্টোর
উইন্ডোজের মাধ্যমেই যেকোন ড্রাইভ-এ বাড়তি স্পেস যোগ করুন
হার্ডডিস্কের যেকোন পার্টিশন ভাঙ্গা বা নতুন করে তৈরি করার কাজের জন্য অনেকেই আমরা থার্ড পার্টি টুল বা অপারেটিং সিস্টেম সেটাপের সময় প্রদত্ত মেনু ব্যবহার করে থাকি।এবং এই কাজগুলা করতে যেয়ে অনাকাংখিত সমস্যার সম্মুখীন হননি এমন মানুষের সংখ্যাটাও নেহায়েত কম না।উইন্ডোজ ৭ এসব যাবতীয় সমস্যার সমাধান করতে একাই একশ।এই আর্টিকেলে সেদিকে যাব না।আজ বলব অন্য কথা।ধরুন কোন কারনে সেভেন ইন্সটল করে ফেলেছেন এমন একটা ড্রাইভে যেখানে কিনা পর্যাপ্ত পরিমান স্পেস নেই এখন।শুরুর সময়তো আর এতোকিছু বুঝে কাজ করা হয়নি।এদিকে না আছে নতুন প্রোগ্রাম ইন্সটল করার মতো স্পেস না আছে উইন্ডোজ় নতুন করে ইন্সটল করার অবস্থা।কেননা জরুরী সব কাজের রেকর্ড তো এখানেই।এমন অবস্থায় পড়ার অভিজ্ঞতা আমাদের অনেকেরই আছে।আসুন দেখি তো এখন,এমন অবস্থায় করলে কি করতে পারেন আপনি।
এই পরিস্থিতিতে সহজ এক সমাধানের নাম হচ্ছে উইন্ডোজের কম্পিউটার ম্যানেজমেন্ট।সেখানকারই এক অধিবাসী Extend a Partion হতে পারে আপনার ত্রাণকর্তা।এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার হার্ডডাইভের খালি অংশ উইন্ডোজ বা অন্য যেকোন ড্রাইভের সাথে যুক্ত করে দিতে পারেন।
>> প্রথমেই কন্ট্রোল প্যানেল থেকে Administrative Tools এ যান।সেখান থেকে কম্পিউটার ম্যানেজমেন্টে যান।
>>বামপাশের Storage থেকে Disk Management সিলেক্ট করুন।ডানপাশের ঘরে আপনার সিস্টেমের সাথে যুক্ত মেমোরি ডিভাইসগুলার যাবতীয় তথ্য দেখতে পাবেন।
>> এখন আপনি আপনার উইন্ডোজ ড্রাইভে যেখান থেকে স্পেস যুক্ত করবেন হার্ডড্রাইভের সেই পার্টিশনটি শুধু ফরম্যাট করলেই চলবে না এটিকে মুছেও ফেলতে হবে।মানে পার্টিশনটি ডিলিট করে ফেলতে হবে আপনাকে।এজন্য ড্রাইভটিতে রাইট ক্লিক করে Delete Volume-এ ক্লিক করুন।
>> উইন্ডোজ কনফার্মেশন চাইলে Yes প্রেস করুন।
>> এবারে আমরা এই অতিরিক্ত হার্ডডিস্ক স্পেস আমাদের কাংখিত ড্রাইভে যুক্ত করব।এজন্য কাংখিত ড্রাইভে মাউসের রাইট ক্লিক করে Extent Volume-এ ক্লিক করুন।
>> নতুন উইন্ডোতে Extend Volume Wizard ওপেন হবে।নেক্সটে যান।
>> পরের উইন্ডোতে স্পেস বাড়ানোর জন্য প্রাপ্ত মেমোরির পরিমাণ আপনাকে দেখানো হবে।এই মেমোরি সিলেক্ট করে নেক্সটে যান।
>> এবারে ফিনিশ প্রেস করুন।
কাজ হয়ে যাবে।তবে খুব সতর্কতার সাথে বুঝেশুনে কাজ করবেন।প্রতিটি মেসেজ/ওয়ার্নিং ভালো করে পড়বেন।হাজার হলেও ডাটা নিয়ে কাজকারবার তাই না?
এই পরিস্থিতিতে সহজ এক সমাধানের নাম হচ্ছে উইন্ডোজের কম্পিউটার ম্যানেজমেন্ট।সেখানকারই এক অধিবাসী Extend a Partion হতে পারে আপনার ত্রাণকর্তা।এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার হার্ডডাইভের খালি অংশ উইন্ডোজ বা অন্য যেকোন ড্রাইভের সাথে যুক্ত করে দিতে পারেন।
>> প্রথমেই কন্ট্রোল প্যানেল থেকে Administrative Tools এ যান।সেখান থেকে কম্পিউটার ম্যানেজমেন্টে যান।
>>বামপাশের Storage থেকে Disk Management সিলেক্ট করুন।ডানপাশের ঘরে আপনার সিস্টেমের সাথে যুক্ত মেমোরি ডিভাইসগুলার যাবতীয় তথ্য দেখতে পাবেন।
>> এখন আপনি আপনার উইন্ডোজ ড্রাইভে যেখান থেকে স্পেস যুক্ত করবেন হার্ডড্রাইভের সেই পার্টিশনটি শুধু ফরম্যাট করলেই চলবে না এটিকে মুছেও ফেলতে হবে।মানে পার্টিশনটি ডিলিট করে ফেলতে হবে আপনাকে।এজন্য ড্রাইভটিতে রাইট ক্লিক করে Delete Volume-এ ক্লিক করুন।
>> উইন্ডোজ কনফার্মেশন চাইলে Yes প্রেস করুন।
>> এবারে আমরা এই অতিরিক্ত হার্ডডিস্ক স্পেস আমাদের কাংখিত ড্রাইভে যুক্ত করব।এজন্য কাংখিত ড্রাইভে মাউসের রাইট ক্লিক করে Extent Volume-এ ক্লিক করুন।
>> নতুন উইন্ডোতে Extend Volume Wizard ওপেন হবে।নেক্সটে যান।
>> পরের উইন্ডোতে স্পেস বাড়ানোর জন্য প্রাপ্ত মেমোরির পরিমাণ আপনাকে দেখানো হবে।এই মেমোরি সিলেক্ট করে নেক্সটে যান।
>> এবারে ফিনিশ প্রেস করুন।
কাজ হয়ে যাবে।তবে খুব সতর্কতার সাথে বুঝেশুনে কাজ করবেন।প্রতিটি মেসেজ/ওয়ার্নিং ভালো করে পড়বেন।হাজার হলেও ডাটা নিয়ে কাজকারবার তাই না?
Labels:
উইন্ডোজ,
উইন্ডোজ সেভেন,
কম্পিউটার,
টিপস এন্ড ট্রিকস
এক্সক্লুসিভ উইন্ডোজ সেভেন টিপসঃ উইন্ডোজ ইজি ট্রান্সফার
উইন্ডোজ সেভেনে যে কয়টি নতুন ফিচার যুক্ত হয়েছে তারমধ্যে আমার নিজের পছন্দের একটি ফিচার হচ্ছে উইন্ডোজ ইজি ট্রান্সফার। এটির মাধ্যমে আপনি আপনার পিসির উইজার একাউন্টে থাকা যাবতীয় ডাটা হার্ডডস্কে কপি করে নিতে পারবেন, যার মধ্যে আছে-পিকচার, ডকুমেন্ট, মিউজিক, ভিডিও, ডাউনলোড থেকে শুধু করে সব।এরপর নতুন করে অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটলের কারনে ডাটা হারানো নিয়ে আর চিন্তিত থাকতে হবে না আপনাকে। শুধু এইখানে একবার ঢু মারলেই হবে। প্রথমেই কিভাবে এটি ব্যবহার করবেন তা বলছি।
>> প্রথমেই কন্ট্রোল প্যানেলের ব্যাকআপ এন্ড রিস্টোরে যান।।একদম নিচে বামে Windows Easy Transfer ক্লিক করে ওপেন করুন। নেক্সটে যান।
>> যদি পিসিতে লাগানো কোনো হার্ডড্রাইভ বা পেনড্রাইভে সেভ রাখতে চান তাহলে নিচের ৩ নাম্বার অপশনটি সিলেক্ট করুন। দ্বিতীয় অপশনটি দিয়ে নেটওয়ার্কে থাকা পিসিতে ডাটা রাখতে পারবেন।আর চাইলে ইউএসবি ইজি ডাটা ট্রান্সফার ক্যাবল ব্যবহার করে অন্য পিসিতে ডাটা রাখতে পারবেন।এমনকি অন্য পিসি এক্সপি বা ভিসতা হলেও সমস্যা নেই।শুধু কখন কি করতে হবে তা দেখে কাজ করুন।আর আপনার পিসি বলার আগ পর্যন্ত ক্যাবল পিসিতে লাগাবেন না।আমি ইউএসবি ড্রাইভ বা হার্ডড্রাইভ নিয়ে বিস্তারিত বলছি।
>> এতে ক্লিক করার পর উইন্ডোজ জানতে চাইবে এইটা কি আপনার নতুন না পুরাতন পিসি। যদি আপনি ব্যাকয়াপ করতে চান তাহলে এটি আপনার পুরাতন পিসি মানে এই পিসির ডাটাই তো আপনি সেভ করবেন-এই অর্থে। আর নতুন পিসি সিলেক্ট করে ব্যাকয়াপ থেকে ডাটা রিস্টোর করতে পারবেন বুঝতেই পারছেন।
>> এখন উইন্ডোজ আপনার ইউজার একাউন্টের ডাটা ও শেয়ারড ডাটার পরিমান ও অবস্থান ঠিক করবে।কিছুটা সময় লাগবে এই কাজটি শেষ করতে।অপেক্ষা করুন।
>> হিসেব শেষ হলে মোট আকার ও প্রয়োজনীয় স্পেস-এর পরিমান আপনি দেখতে পাবেন। আর চাইলে ইচ্ছে মতো যেকোনো অংশ আপনি বাদ দিতে পারবেন।এজন্য কাস্টোমাইজে ক্লিক করে অপ্রয়োজনীয় ফাইল বা ফোল্ডার বাদ দিয়ে দিন। বাদ দেবার জন্য এডভান্সড অপশনও রয়েছে, দেখে নিতে ভুলবেন না।
>> এই কাজ শেষ করে নেক্সটে যান।এবার আপনাকে ফাইলটির জন্য পাসওয়ার্ড দিতে হবে।আর ভবিষ্যতে ডাটা রিকভারেও কিন্তু এই পাসওয়ার্ড কাজে লাগবে আপনার,মনে রাখবেন কথাটা। সুতরাং সতর্কতার সাথে কাজ করবেন।
>> এরপর সেভ এ ক্লিক করলেই কাজ হয়ে যাবে।
আর বুঝতেই পারছেন এই সিস্টেমে ডাটা আবার নতুন পিসিতে স্থানান্তরের সমস্য আপনাকে পিসি নির্বাচনের সময় Old Computer অপশনটি সিলেক্ট করতে হবে।
ট্যাগঃ Windows 7 easy transfer
>> প্রথমেই কন্ট্রোল প্যানেলের ব্যাকআপ এন্ড রিস্টোরে যান।।একদম নিচে বামে Windows Easy Transfer ক্লিক করে ওপেন করুন। নেক্সটে যান।
>> যদি পিসিতে লাগানো কোনো হার্ডড্রাইভ বা পেনড্রাইভে সেভ রাখতে চান তাহলে নিচের ৩ নাম্বার অপশনটি সিলেক্ট করুন। দ্বিতীয় অপশনটি দিয়ে নেটওয়ার্কে থাকা পিসিতে ডাটা রাখতে পারবেন।আর চাইলে ইউএসবি ইজি ডাটা ট্রান্সফার ক্যাবল ব্যবহার করে অন্য পিসিতে ডাটা রাখতে পারবেন।এমনকি অন্য পিসি এক্সপি বা ভিসতা হলেও সমস্যা নেই।শুধু কখন কি করতে হবে তা দেখে কাজ করুন।আর আপনার পিসি বলার আগ পর্যন্ত ক্যাবল পিসিতে লাগাবেন না।আমি ইউএসবি ড্রাইভ বা হার্ডড্রাইভ নিয়ে বিস্তারিত বলছি।
>> এতে ক্লিক করার পর উইন্ডোজ জানতে চাইবে এইটা কি আপনার নতুন না পুরাতন পিসি। যদি আপনি ব্যাকয়াপ করতে চান তাহলে এটি আপনার পুরাতন পিসি মানে এই পিসির ডাটাই তো আপনি সেভ করবেন-এই অর্থে। আর নতুন পিসি সিলেক্ট করে ব্যাকয়াপ থেকে ডাটা রিস্টোর করতে পারবেন বুঝতেই পারছেন।
>> এখন উইন্ডোজ আপনার ইউজার একাউন্টের ডাটা ও শেয়ারড ডাটার পরিমান ও অবস্থান ঠিক করবে।কিছুটা সময় লাগবে এই কাজটি শেষ করতে।অপেক্ষা করুন।
>> হিসেব শেষ হলে মোট আকার ও প্রয়োজনীয় স্পেস-এর পরিমান আপনি দেখতে পাবেন। আর চাইলে ইচ্ছে মতো যেকোনো অংশ আপনি বাদ দিতে পারবেন।এজন্য কাস্টোমাইজে ক্লিক করে অপ্রয়োজনীয় ফাইল বা ফোল্ডার বাদ দিয়ে দিন। বাদ দেবার জন্য এডভান্সড অপশনও রয়েছে, দেখে নিতে ভুলবেন না।
>> এই কাজ শেষ করে নেক্সটে যান।এবার আপনাকে ফাইলটির জন্য পাসওয়ার্ড দিতে হবে।আর ভবিষ্যতে ডাটা রিকভারেও কিন্তু এই পাসওয়ার্ড কাজে লাগবে আপনার,মনে রাখবেন কথাটা। সুতরাং সতর্কতার সাথে কাজ করবেন।
>> এরপর সেভ এ ক্লিক করলেই কাজ হয়ে যাবে।
আর বুঝতেই পারছেন এই সিস্টেমে ডাটা আবার নতুন পিসিতে স্থানান্তরের সমস্য আপনাকে পিসি নির্বাচনের সময় Old Computer অপশনটি সিলেক্ট করতে হবে।
ট্যাগঃ Windows 7 easy transfer
Labels:
উইন্ডোজ,
উইন্ডোজ সেভেন,
কম্পিউটার,
টিপস এন্ড ট্রিকস
উইন্ডোজ সেভেনে হিডেন ড্রাইভ দেখতে চাইলে
উইন্ডোজ সেভেনে সাধারনত খালি হার্ডড্রাইভ বা ব্ল্যাংক সিডি/ডিভিডি ড্রাইভকে দেখা যায় না।উইন্ডোজ নিজে থেকেই এগুলাকে হাইড করে রাখে।এই সমস্যার সমাধান করতে চাইলে
>> প্রথমে ফোল্ডার অপশনে গিয়ে ভিউ ট্যাবে যান।
>> সেখান থেকে Hide empty drives in the Computer folder এ টিক চিহ্ন দিয়ে ওকে করুন।
>> প্রথমে ফোল্ডার অপশনে গিয়ে ভিউ ট্যাবে যান।
>> সেখান থেকে Hide empty drives in the Computer folder এ টিক চিহ্ন দিয়ে ওকে করুন।
Labels:
উইন্ডোজ,
উইন্ডোজ সেভেন,
কম্পিউটার,
টিপস এন্ড ট্রিকস
উইন্ডোজ সেভেন শর্টকাট টিপস: খুব সহজেই গতিময় করুন আপনার কম্পিউটার ব্যবহার
Shift+Right Click শর্টকাট
ফোল্ডার-ফাইল –এ মাউসের রাইট ক্লিক করে কি করা যায় না যায় সে সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নাই।শুধু যেটা ব্লব এখন তা হচ্ছে কিবোর্ডের Shift বাটনটা চেপে কাজটা করুনতো দেখি।এক্সট্রা আরো কিছু অপশনের দেখা পাবেন এখানে যে কিন্তু বেশ কাজের।যেমন লোকেশন এড্রেসটা কপি করা,কমান্ড উইন্ডোতে ওপেন করা,নিউ প্রসেস হিসেবে রান করানো,স্টার্ট মেনুতে পিন করা সহ আরো কিছু অপশন দেখতে পাবেন।কখনো না কখনো আপনার যা কাজে আসবেই,আমি নিশ্চিত। আর এভাবে কোন ফাইলে ক্লিক করে Sent To-তেও আরো বেশি লোকেশনে সরাসরি ফাইলটি পাঠাবার সুযোগ পাবেন আপনি।
‘’ run as administrator’’ শর্টকাট
উইন্ডোজ ভিসতা এবং সেভেনে অনেক এপ্লিকেশনই চলার আগে run as administrator হিসেবে চলার অনুমতি চায়।এই ঝামেলা থেকে বাচার বিভিন্ন পদ্ধতি আছে যার মধ্যে আজ আপনাদের একটি কিবোর্ড শর্টকাট শেখাব।এপ্লিকেশনটিতে ক্লিক করার সময় কিবোর্ডের Ctrl+Shift চেপে ধরে রাখুন,তাহলেই হয়ে যাবে।
ভলিউম কন্ট্রোল করুন আলাদাভাবে
অনেকেই আমরা খেয়াল করে দেখি নাই যে উইন্ডোজ সেভেন সাউন্ড আইকনে ক্লিক করলে মিউট বাটনের নিচে মিক্সার নামে একটি নতুন অপশন আছে।কখনো এতে ঢুকেছেন কি?এর মাধ্যমে আপনি আপনার সিস্টেমে চলতে থাকা প্রতিটি প্রোগ্রামের সাউন্ড আলাদা করে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।যেকন একটি প্রোগ্রামের সাউন্ড কমিয়ে আরেকটির সাউন্ড বাড়াতে পারবেন,যেভাবে ইচ্ছা সেভাবেই।
শাটডাউন বাটন ঠিক করুন
মাইক্রোসফটের আজব এক খেয়াল!স্টার্ট মেনু থেকে শাটডাউনকে বাদ দিয়ে সেখানে লক বাটনকে স্থান দিয়েছে তারা।এর কি মানে থাকতে পারে তা বোধোহয় অনেকেরই বোধগম্য নয়।এখন যাই হোক কষ্ট করে আপনিই না হয় কাজটা করে ফেলুন।
>> টাস্কবারে রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজে যান।
>> Start Menu ট্যাবে যান।
>>Power button action ড্রপডাউন বক্স থেকে Shut Down সিলেক্ট করে Apply,Ok করুন।
নোটিফিকেশন এরিয়া কাস্টোমাইজেশন
উইন্ডোজ সেভেনের নোটিফিকেশন এরিয়াতে সাধারণত বাটনগুলা দেখা যায় না।বরং সেখানে থাকা এরোতে ক্লিক করলে বাটন দেখা যায় এবং এরপরে গিয়েই কাজ সারা যায়।কিন্তু আমার ধারনা যেসব প্রোগ্রামের নোটিফিকেশন এরিয়াতে বাটন থাকে সেগুলা বেশ গুরুত্বপূর্ণই বটে এবং সবসময় এগুলা দেখা গেলেই বরং কাজের সুবিধা হয়।
>> নোটিফিকেশন এরিয়াতে Customize-এ ক্লিক করুন।কন্ট্রোল প্যানেলের নোটিফিকেশন এরিয়া আইকন সেটিংস ওপেন হবে।
>> একদম নিচের অপশনে টিক দেয়া মানে সবগুলা আইকনই দেখা যাবে।
>> আর তা না করতে চাইলে প্রতিটি প্রোগ্রামের পাশের ড্রপডাউন মেনু থেকে কাংখিত অপশন নির্বাচন করে দিন।
>> আর সিস্টেম আইকন গুলারে সেটিংস পাবেন এই বক্সের নিচেই Turn system icons on or off-এ গিয়ে।
উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার কাস্টোমাইজেশন
উইন্ডোজ সেভেনে এক্সপ্লোরার উইন্ডোতে এক্সপির মতো File,Edit বা Tools ট্যাব দেখা যায় না।
এই সমস্যার সমাধান করতে Organize ট্যাবে ক্লিক করে Layout থেকে Menu bar-এ টিক চিহ্ন দিয়ে দিন।আর Layout-এর নিচেই খুজে পাবেন সবার দরকারি Folder and search options অপশনটি।
ফোল্ডার-ফাইল –এ মাউসের রাইট ক্লিক করে কি করা যায় না যায় সে সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নাই।শুধু যেটা ব্লব এখন তা হচ্ছে কিবোর্ডের Shift বাটনটা চেপে কাজটা করুনতো দেখি।এক্সট্রা আরো কিছু অপশনের দেখা পাবেন এখানে যে কিন্তু বেশ কাজের।যেমন লোকেশন এড্রেসটা কপি করা,কমান্ড উইন্ডোতে ওপেন করা,নিউ প্রসেস হিসেবে রান করানো,স্টার্ট মেনুতে পিন করা সহ আরো কিছু অপশন দেখতে পাবেন।কখনো না কখনো আপনার যা কাজে আসবেই,আমি নিশ্চিত। আর এভাবে কোন ফাইলে ক্লিক করে Sent To-তেও আরো বেশি লোকেশনে সরাসরি ফাইলটি পাঠাবার সুযোগ পাবেন আপনি।
‘’ run as administrator’’ শর্টকাট
উইন্ডোজ ভিসতা এবং সেভেনে অনেক এপ্লিকেশনই চলার আগে run as administrator হিসেবে চলার অনুমতি চায়।এই ঝামেলা থেকে বাচার বিভিন্ন পদ্ধতি আছে যার মধ্যে আজ আপনাদের একটি কিবোর্ড শর্টকাট শেখাব।এপ্লিকেশনটিতে ক্লিক করার সময় কিবোর্ডের Ctrl+Shift চেপে ধরে রাখুন,তাহলেই হয়ে যাবে।
ভলিউম কন্ট্রোল করুন আলাদাভাবে
অনেকেই আমরা খেয়াল করে দেখি নাই যে উইন্ডোজ সেভেন সাউন্ড আইকনে ক্লিক করলে মিউট বাটনের নিচে মিক্সার নামে একটি নতুন অপশন আছে।কখনো এতে ঢুকেছেন কি?এর মাধ্যমে আপনি আপনার সিস্টেমে চলতে থাকা প্রতিটি প্রোগ্রামের সাউন্ড আলাদা করে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।যেকন একটি প্রোগ্রামের সাউন্ড কমিয়ে আরেকটির সাউন্ড বাড়াতে পারবেন,যেভাবে ইচ্ছা সেভাবেই।
শাটডাউন বাটন ঠিক করুন
মাইক্রোসফটের আজব এক খেয়াল!স্টার্ট মেনু থেকে শাটডাউনকে বাদ দিয়ে সেখানে লক বাটনকে স্থান দিয়েছে তারা।এর কি মানে থাকতে পারে তা বোধোহয় অনেকেরই বোধগম্য নয়।এখন যাই হোক কষ্ট করে আপনিই না হয় কাজটা করে ফেলুন।
>> টাস্কবারে রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজে যান।
>> Start Menu ট্যাবে যান।
>>Power button action ড্রপডাউন বক্স থেকে Shut Down সিলেক্ট করে Apply,Ok করুন।
নোটিফিকেশন এরিয়া কাস্টোমাইজেশন
উইন্ডোজ সেভেনের নোটিফিকেশন এরিয়াতে সাধারণত বাটনগুলা দেখা যায় না।বরং সেখানে থাকা এরোতে ক্লিক করলে বাটন দেখা যায় এবং এরপরে গিয়েই কাজ সারা যায়।কিন্তু আমার ধারনা যেসব প্রোগ্রামের নোটিফিকেশন এরিয়াতে বাটন থাকে সেগুলা বেশ গুরুত্বপূর্ণই বটে এবং সবসময় এগুলা দেখা গেলেই বরং কাজের সুবিধা হয়।
>> নোটিফিকেশন এরিয়াতে Customize-এ ক্লিক করুন।কন্ট্রোল প্যানেলের নোটিফিকেশন এরিয়া আইকন সেটিংস ওপেন হবে।
>> একদম নিচের অপশনে টিক দেয়া মানে সবগুলা আইকনই দেখা যাবে।
>> আর তা না করতে চাইলে প্রতিটি প্রোগ্রামের পাশের ড্রপডাউন মেনু থেকে কাংখিত অপশন নির্বাচন করে দিন।
>> আর সিস্টেম আইকন গুলারে সেটিংস পাবেন এই বক্সের নিচেই Turn system icons on or off-এ গিয়ে।
উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার কাস্টোমাইজেশন
উইন্ডোজ সেভেনে এক্সপ্লোরার উইন্ডোতে এক্সপির মতো File,Edit বা Tools ট্যাব দেখা যায় না।
এই সমস্যার সমাধান করতে Organize ট্যাবে ক্লিক করে Layout থেকে Menu bar-এ টিক চিহ্ন দিয়ে দিন।আর Layout-এর নিচেই খুজে পাবেন সবার দরকারি Folder and search options অপশনটি।
Labels:
উইন্ডোজ,
উইন্ডোজ সেভেন,
কম্পিউটার,
টিপস এন্ড ট্রিকস
উইন্ডোজ সেভেনের নতুন টাস্কবারের ব্যবহার
প্রয়োজনীয় এপ্লিকেশন পিন করে রাখুন
উইন্ডোজ ৭ ব্যবহারের শুরুতেই এর টাস্কবারের একটি পরিবর্তন সবার নজরে আসে।আর তা হচ্ছে এতে কুইক লঞ্চ বাটন নেই। কিন্তু এতে বেশি দুশ্চিন্তা করার কিছু আছে বলে মনে হয় না।আপনি চাইলে আপনার টাস্কবারেই যেকোন এপ্লিকেশনকে পিন করে রাখতে পারেন।কিভাবে?খুব সহজ।যেকোন প্রোগ্রাম চালু করে টাস্কবারে তা আইকনে রাইট ক্লিক করে Pin this program to taskbar-এ ক্লিক করুন,কাজ হয়ে যাবে।যেকোন ফোল্ডারকেও একইভাবে পিন করে রাখতে পারবেন যা কিনা আগে ছিল না।আর কোন এপ্লিকেশন টাস্কবারের কোথায় থাকবে তাও মাউস দিয়ে ড্রাগ এন্ড ড্রপ করেই নির্ধারণ করতে পারবেন।
যেকোন প্রোগ্রাম আইকনে প্রথমবার ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি ওপেন হবে।কিন্তু পরবর্তী যেকোন সময়ে ক্লিক করে উইন্ডোটি ম্যাক্সিমাইজ হবে,নতুন প্রোগ্রাম কিন্তু ওপেন হবে না।তখন নতুন প্রোগ্রাম ওপেনের জন্য আপনাকে রাইট ক্লিক করতে হবে।
উইন্ডো ওপেন না করেই কাজ সারুন এক ক্লিকে
যেকোন এপ্লিকেশন উইন্ডো যেমন ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার,ফায়ারফক্স কিংবা পিডিএফ ভিউয়ার এ যদি একাধিক ট্যাব ওপেন করে রাখা হয় তাহলে দরকারি ট্যাবটি খুলতে বা বন্ধ সবসময় যে আপনার উইন্ডোটি ম্যাক্সিমাইজ করতেই হনে এমনটা ভাবার দিন কিন্তু শেষ।যদি আপনার এরো এনাবেল করা থাকে(৭৫%) পিসিতেই তা করা থাকে বলে আমার বিশ্বাস) তাহলে আপনি জাস্ট টাস্কবারে এপ্লিকেশন আইকনে মাউস রেখেই কাজটি সেরে নিতে পারবেন।
যেমন আইই-এর ক্ষেত্রে টাস্কবারে মাউস রাখুন,দেখবেন যে কয়টি ট্যাব খোলা তার প্রতিটিরই থাম্বনেইল দেখা যাচ্ছে।থাম্বনেইলে মাউস রাখলেই অটোমেটিক তা ম্যাক্সিমাইজ হচ্ছে।অথচ এখন পর্যন্ত কোন মাউস ক্লিকই করতে হয়নি আপনাকে।এবারে যেটি ম্যাক্সিমাইজ করতে চান সেটিতে ক্লিক করুন আর বন্ধ করতে চাইলে উপরে ডানে ক্রস আইকন প্রেস করুন।
সাম্পতিক ফাইল ওপেন করুন টাস্কবার থেকেই
এতোদিন পরযন্ত সাম্প্রতিক ডকুমেন্ট ওপেন করতে হলে আপনাকে রিসেন্ট ফাইলস বা ডকুমেন্টস এ যেতে হতো।কিন্তু উইন্ডোজ ৭ এ এই কাজটিও আপনি টাস্কবার থেকেই সারতে পারেন।ধরুন ওয়ার্ডের রিসেন্ট ফাইল খুলতে টাস্কবারে থাকা ওয়ার্ড আইকনে রাইট ক্লিক করলেই সাম্পতিক ওপেন করা ফাইলগুলার নাম দেখতে পাবেন।এবার শুধু তাতে ক্লিক করুন।তবে এজন্য আপনার এপ্লিকেশনটিও উইন্ডোজ ৭ কম্পাটিবল হতে হবে।যেমন অপেরার লেটেস্ট ভার্সন ব্যবহার না করলে আপনি এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন।
টাস্কবার প্রোগ্রাম চালুর কিবোর্ড শর্টকাট
টাস্কবারে থাকা প্রোগ্রাম আপনি শুধু যে মাউসের সাহায্যেই চালু করতে পারবেন এমনটা কিন্তু নয়।নতুন আরেকটি কিবোর্ড শর্টকাটের মাধ্যমেও চাইলে আপনি টাস্কবারে থাকা প্রোগ্রাম চালু করতে পারেন।উইন্ডোজ কী চেপে ০-৯ পর্যন্ত যেকোন সংখ্যা চাপলে টাস্কবারে থাকা প্রোগ্রামগুলা বাঁ থেকে ডানে ক্রমান্বয়ে চালু হবে।
টাস্কবার আগের মতো করে নিন
মাইক্রোসফটতো আপনার ১৪’’/১৫’’ ছোট্ট মণিটরের কথা না ভেবেই এক্সপি/ভিসতার তুলনায় বড় এক টাস্কবার বানিয়ে বসে আছে।এর চাহিদা পূরণ করতেই তো অনেকখানি চলে যাচ্ছে আপনার ,চাই নয় কি?সুতরাং আর দেরি না করে এখনি একে ছোট করে ফেলুন তো!
>> টাস্কবারে রাইটক্লিক করে প্রোপার্টিজে যান।
>> Use small icons বক্সে্ টিক দিয়ে Apply,OK করুন।
উইন্ডোজ ৭ ব্যবহারের শুরুতেই এর টাস্কবারের একটি পরিবর্তন সবার নজরে আসে।আর তা হচ্ছে এতে কুইক লঞ্চ বাটন নেই। কিন্তু এতে বেশি দুশ্চিন্তা করার কিছু আছে বলে মনে হয় না।আপনি চাইলে আপনার টাস্কবারেই যেকোন এপ্লিকেশনকে পিন করে রাখতে পারেন।কিভাবে?খুব সহজ।যেকোন প্রোগ্রাম চালু করে টাস্কবারে তা আইকনে রাইট ক্লিক করে Pin this program to taskbar-এ ক্লিক করুন,কাজ হয়ে যাবে।যেকোন ফোল্ডারকেও একইভাবে পিন করে রাখতে পারবেন যা কিনা আগে ছিল না।আর কোন এপ্লিকেশন টাস্কবারের কোথায় থাকবে তাও মাউস দিয়ে ড্রাগ এন্ড ড্রপ করেই নির্ধারণ করতে পারবেন।
যেকোন প্রোগ্রাম আইকনে প্রথমবার ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি ওপেন হবে।কিন্তু পরবর্তী যেকোন সময়ে ক্লিক করে উইন্ডোটি ম্যাক্সিমাইজ হবে,নতুন প্রোগ্রাম কিন্তু ওপেন হবে না।তখন নতুন প্রোগ্রাম ওপেনের জন্য আপনাকে রাইট ক্লিক করতে হবে।
উইন্ডো ওপেন না করেই কাজ সারুন এক ক্লিকে
যেকোন এপ্লিকেশন উইন্ডো যেমন ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার,ফায়ারফক্স কিংবা পিডিএফ ভিউয়ার এ যদি একাধিক ট্যাব ওপেন করে রাখা হয় তাহলে দরকারি ট্যাবটি খুলতে বা বন্ধ সবসময় যে আপনার উইন্ডোটি ম্যাক্সিমাইজ করতেই হনে এমনটা ভাবার দিন কিন্তু শেষ।যদি আপনার এরো এনাবেল করা থাকে(৭৫%) পিসিতেই তা করা থাকে বলে আমার বিশ্বাস) তাহলে আপনি জাস্ট টাস্কবারে এপ্লিকেশন আইকনে মাউস রেখেই কাজটি সেরে নিতে পারবেন।
যেমন আইই-এর ক্ষেত্রে টাস্কবারে মাউস রাখুন,দেখবেন যে কয়টি ট্যাব খোলা তার প্রতিটিরই থাম্বনেইল দেখা যাচ্ছে।থাম্বনেইলে মাউস রাখলেই অটোমেটিক তা ম্যাক্সিমাইজ হচ্ছে।অথচ এখন পর্যন্ত কোন মাউস ক্লিকই করতে হয়নি আপনাকে।এবারে যেটি ম্যাক্সিমাইজ করতে চান সেটিতে ক্লিক করুন আর বন্ধ করতে চাইলে উপরে ডানে ক্রস আইকন প্রেস করুন।
সাম্পতিক ফাইল ওপেন করুন টাস্কবার থেকেই
এতোদিন পরযন্ত সাম্প্রতিক ডকুমেন্ট ওপেন করতে হলে আপনাকে রিসেন্ট ফাইলস বা ডকুমেন্টস এ যেতে হতো।কিন্তু উইন্ডোজ ৭ এ এই কাজটিও আপনি টাস্কবার থেকেই সারতে পারেন।ধরুন ওয়ার্ডের রিসেন্ট ফাইল খুলতে টাস্কবারে থাকা ওয়ার্ড আইকনে রাইট ক্লিক করলেই সাম্পতিক ওপেন করা ফাইলগুলার নাম দেখতে পাবেন।এবার শুধু তাতে ক্লিক করুন।তবে এজন্য আপনার এপ্লিকেশনটিও উইন্ডোজ ৭ কম্পাটিবল হতে হবে।যেমন অপেরার লেটেস্ট ভার্সন ব্যবহার না করলে আপনি এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন।
টাস্কবার প্রোগ্রাম চালুর কিবোর্ড শর্টকাট
টাস্কবারে থাকা প্রোগ্রাম আপনি শুধু যে মাউসের সাহায্যেই চালু করতে পারবেন এমনটা কিন্তু নয়।নতুন আরেকটি কিবোর্ড শর্টকাটের মাধ্যমেও চাইলে আপনি টাস্কবারে থাকা প্রোগ্রাম চালু করতে পারেন।উইন্ডোজ কী চেপে ০-৯ পর্যন্ত যেকোন সংখ্যা চাপলে টাস্কবারে থাকা প্রোগ্রামগুলা বাঁ থেকে ডানে ক্রমান্বয়ে চালু হবে।
টাস্কবার আগের মতো করে নিন
মাইক্রোসফটতো আপনার ১৪’’/১৫’’ ছোট্ট মণিটরের কথা না ভেবেই এক্সপি/ভিসতার তুলনায় বড় এক টাস্কবার বানিয়ে বসে আছে।এর চাহিদা পূরণ করতেই তো অনেকখানি চলে যাচ্ছে আপনার ,চাই নয় কি?সুতরাং আর দেরি না করে এখনি একে ছোট করে ফেলুন তো!
>> টাস্কবারে রাইটক্লিক করে প্রোপার্টিজে যান।
>> Use small icons বক্সে্ টিক দিয়ে Apply,OK করুন।
Labels:
উইন্ডোজ,
উইন্ডোজ সেভেন,
কম্পিউটার,
টাস্কবার,
টিপস এন্ড ট্রিকস

















































