Showing posts with label ট্রাবলশ্যুটিং. Show all posts
Showing posts with label ট্রাবলশ্যুটিং. Show all posts

February 12, 2010

কম্পিউটার ট্রাবলশ্যুটিং সমগ্রঃ ধাপে ধাপে পিসির বিভিন্ন সমস্যার সমাধান- পর্ব ৪: যেসব ব্যাপার মাথায় রাখবেন

জেনে রাখুন পিসির কনফিগারেশন
কম্পিউটারের যে কোনো সমস্যা আর হার্ডওয়্যারের সমস্যাতো তো বটেই সবার আগে আপনার প্রয়োজন পড়বে পিসির কনফিগারেশন অর্থাৎ প্রসেসর, র‌্যাম, মাদারবোর্ড, হার্ডডিস্ক, সাউন্ড কার্ড, এজিপি কার্ড কোনটি কোন কোম্পানির কি মানের তা জানার। দেখা যায় যে বেশিরভাগ মানুষই অন্য কারো সহায়তা বা দোকানির পরামর্শে কম্পিউটার কেনেন এবং পরে যখন কোনো সমস্যায় পড়ে অন্য কারো দারস্থ হন তখন আর কনফিগারেশন বলতে পারেন না। এতে সমাধানকারীকে অতিরিক্ত ঝামেলায় পড়তে হয়। এই তথ্যগুলো তাই জেনে নিয়ে দরকার পড়লে লিখে রাখুন। তাহলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সমাধানকারীর জন্য সমস্যার কারণ খুঁজে পাওয়াটা সহজ হয়ে যায়।

এই বেসিক কনফিগারেশনগুলো জানতে বেশ কয়েকটি উপায় রয়েছে। মাই কম্পিউটারে রাইট ক্লিক করে প্রোপ্রার্টিজে গিয়ে জেনারেল ট্যাব থেকে জেনে নিতে পারবেন প্রসেসর, র‌্যাম ও অপারেটিং সিস্টেম সংক্রান্ত তথ্য। গ্রাফিক্স বা ডিসপ্লে প্রোপ্রার্টিজে গিয়ে ইনফরমেশন থেকে জানতে পারবেন গ্রাফিক্সকার্ড সংক্রান্ত তথ্য। আর অনেকক্ষেত্রেই কম্পিউটার কেনার ক্যাশমেমোতেই এসব বিস্তারিত লিখা থাকে। আরেকটি কাজ করতে পারেন। কোনো অভিজ্ঞ ব্যবহারকারীর সহায়তায় জেনে নিতে পারেন তথ্যগুলো। যেভাবেই যাই জানুন না কেন তা ভালোভাবে লিখে যত্নসহকারে রেখে দিন।

বিল্ট ইন মানে কি?
এখন প্রায় সব কম্পিউটারেই বিল্টইন কিছু না কিছু থাকেই। যেমন- এজিপি কার্ড, সাউন্ড কার্ড, ল্যান কার্ড ইত্যাদি। বিল্টইন অর্থ এই হার্ডওয়্যারটি আপনার মাদারবোর্ডে দেয়াই আছে। আপনি আলাদা না কিনে এটি দিয়েই কাজ চালাতে পারেন। কিন্তু কথায় আছে সস্তার দশ অবস্থা। কোম্পানি বা দোকানি যতই গলা ফটাক না কেন এটা বুঝতে খুব বেশি বুদ্ধিমান হবার দরকার পড়ে না যে, পারফরমেন্সে বিল্টইন হার্ডওয়্যারটি কখনই স্বতন্ত্র হার্ডওয়্যারের সমকক্ষ হতে পারে না। তবে যারা সাধারণ বা মাঝারি মানের ব্যবহারকারী তাদের জন্য বিল্টইন সাউন্ড বা এজিপি কার্ডই যথেষ্ঠ। আর বিল্টইন ল্যান কার্ড দিয়ে সমস্যা ছাড়াই কাজ চালাতে পারেন। তবে একটা কথা। যারা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট লাইন নেন তাদের সবার ল্যান কার্ডের ফিজিকাল বা ম্যাক এড্রেস কিন্তু সংশ্লিষ্ট আইএসপি নিয়ে রেকর্ড করে রাখে।ফলে মাদারবোর্ডে কোনো সমস্যা হলে নেট লাইন নিয়ে বিপদে পড়বেন আপনি। এক্ষেত্রে আইএসপি’র শরণাপন্ন আপনাকে হতেই হবে। আর আলাদা ল্যানে যে বাড়তি সুবিধা একই কারণে পাবেন তা হচ্ছে এটি অন্য পিসিতে লাগিয়ে একই নেট কানেকশন কাজের সময় ব্যবহার করতে পারবেন আপনি।
আর বিল্টইন সাউন্ড কার্ড বা এজিপিতে সমস্যা হলে তা বেশ বিড়ম্বনাকর। অনেকক্ষেত্রে মাদারবোর্ডের উপরই চাপটা পড়ে বেশ জটিলাকার ধারণ করে। তবে মনে রাখবেন, বিল্টইন এজিপি মানেই এটি আপনার সিস্টেম থেকে র‌্যাম শেয়ার করে। তাই বিল্টইন এজিপি ব্যবহার করলে বাড়তি র‌্যাম লাগানোটাই ভালো। নাহলে সিস্টেম স্লো হয়ে যাওয়া বা হ্যাং করাসহ অনেক সমস্যাই হতে পারে আপনার।একটা সহজ পয়েন্ট উল্লেখ করি।ক্রিয়েটিভের ভালোমানের সাউন্ড কার্ডের দাম ৪০০০ টাকার উপরে,এনভিডিয়ার ৯৬০০ জিটি ১ গিগাবাইট র‌্যামবিশিষ্ট এজিপির দাম ১৫০০০ টাকা।আর সুপার-ডুপার সাউন্ড(!),১৭৫৮ মেগাবাইট পর্যন্ত এজিপি বিশিষ্ট মাদারবোর্ড আপনি ৭০০০ টাকাতেই পাবেন!!আর কিছু বলতে হবে?

পাওয়ার,পাওয়ার সাপ্লাই-দেখে শুনে কিনুন
কম্পিউটারের অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ অংশ এই পাওয়ার সাপ্লাই। এর কারণে অনেক সমস্যাই হতে পারে। ইউপিএস কেন ব্যবহার করবেন, কেন করবেন না এই নিয়ে বেশি কিছু বলব না। শুধু বলব অস্থিতিশীল ভোল্টেজ সাপ্লাই আপনার মূল্যবান হার্ডওয়্যারের মৃত্যু ডেকে আনতে পারে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে আর্থিং। ভালো আর্থিং কম্পিউটারের জন্য অতীব প্রয়োজনীয়। কোনো ইলেকট্রিশিয়ানকে ডেকে আপনার আর্থিং ঠিক আছে কিনা তা চেক করে নিতে পারে। আর্থিং না থাকার কারণে অনেক সময় কোনো কোনো হার্ডওয়্যার ঠিকমতো কাজ নাও করতে পারে। মনিটর কাঁপতে পারে, কেসিং-এর বডি শক করতে পারে; এমনকি মাদারবোর্ড বা হার্ডডিস্কের ক্ষতি পর্যন্ত হতে পারে।

আরেকটি সমস্যা অনেকসময় দেখা যায়। কম্পিউটারের উপর যখন বেশি চাপ পড়ে। হাইএন্ড গেম বা এপ্লিকেশন রান করতে যায় তখন পিসি রিস্টার্ট করে। এর সম্ভাব্য কারণ হতে পারে অপর্যাপ্ত পাওয়ার সাপ্লাই। অর্থাৎ কাজের সময় আপনার পাওয়ার সাপ্লাই মাদারবোর্ডে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে না। এক্ষেত্রে আপনাকে পাওয়ার সাপ্লাইটি পরিবর্তন করতে হবে।
জানেন কি কম্পিউটারের ভেতরের যাবতীয় হার্ডওয়্যার চলে ডিসি পাওয়ারে? এসি ২২০ ভোল্ট পাওয়ারকে পাওয়ার সাপ্লাই ডিসি ৩.৫ ভোল্ট, ৫ ভোল্ট ও ১২ ভোল্টে রূপান্তর করে মাদারবোর্ডে সরবরাহ করে। ফলে সিপিইউর ভেতর যে কারেন্ট থাকে তা বিপদজনক নয়। তবে যদি পাওয়ার অন করে কখনও কাজ করতে হয় তখন খেয়াল রাখবেন যেন শর্টসার্কিট না হয় এবং আপনার পায়ে যেন শুকনা জুতা থাকে।

কম্পিউটার ট্রাবলশ্যুটিং সমগ্রঃ ধাপে ধাপে পিসির বিভিন্ন সমস্যার সমাধান- পর্ব ৩: হার্ডওয়ার ট্রাবলশ্যুটিং

কম্পিউটারের ট্রাবলশুটিংয়ের প্রসঙ্গ আসলেই চলে আসবে হার্ডওয়্যারজনিত বিভিন্ন সমস্যার কথা। এত এত হার্ডওয়্যার পিসির ভেতর কোন না কোনোটিতে সমস্যা হওয়াটি নিত্যনৈমত্তিক একটা ঘটনা। তাই এর ব্যবহারকারী সবারই হার্ডওয়্যারগত বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করার সাধারণ কিছু উপায় জানা উচিত। আসুন ধাপে ধাপে জেনে নিই এমন কিছু সমস্যা ও তার সমাধান।

হার্ডওয়্যার ট্রাবলশ্যুটিং

মনিটর/ডিসপ্লে
>> যদি মনিটরে কোনো ডিসপ্লে না আসে এবং এর লেড লাইট জ্বলে নিভে তখন বুঝতে হবে ভিডিও কার্ডে কোনো সমস্যা বা মনিটরের ক্যাবল কানেকশন লুজ হয়ে গেছে। কানেকশন চেক করুন।
>>যদি মনিটর ও পিসির পাওয়ার সুইচ অন করার পর তিনটি শর্ট বীপ শুনতে পান তাহলে বুঝতে হবে গ্রাফিক্স কার্ডে সমস্যা। আপনার গ্রাফিক্স কার্ডটি খুলে অন্য পিসিতে লাগিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন এটি ঠিক আছে কিনা। আর যদি বিল্টইন গ্রাফিক্স হয় তাহলে আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড এজিপি স্লটে লাগিয়ে টেস্ট করতে পারেন।ইন্টিগ্রেটেড এজিপির সমস্যা সমাধানে বায়োস সেটিংস রিসেট করে দেখতে পারেন।
>>যদি মনিটর ঝাপসা মনে হয় বা এটি কাঁপতে থাকে তাহলে বুঝতে হবে মনিটর ও গ্রাফিক্স কার্ডের রিফ্রেশ রেটে অসামঞ্জস্য আছে। যদি উইন্ডোজ লোড হওয়াকালীন এই সমস্যা হয় তাহলে বুঝবেন মনিটরের রিফ্রেশ রেট ভুলভাবে সেটিংস করা হয়েছে। এমতাবস্থায় সিস্টেম বুট হবার পর যখন Starting Windows মেসেজটি দেখবেন তখনই কী-বোর্ডের এফ৮ চেপে সেফ মোডে উইন্ডোজ চালু করুন। এর গ্রাফিক্স/ডিসপ্লে প্রোপার্টিজে গিয়ে রিফ্রেশ রেট ঠিক করুন।
>> যদি মনিটরে অস্পষ্ট কালার ও প্যাটার্ন দেখা যায় এবং চালু করতে গেলে মনিটর কাঁপতে থাকে বা চালুই হয় না তখন বুঝতে হবে একহয় আপনার ডাইরেক্ট এক্স পুরাতন অথবা গ্রাফিক্স কার্ডের লেটেস্ট ড্রাইভার নেই। তাই সবসময় লেটেস্ট ডাইরেক্ট এক্স ব্যবহার করবেন ও গ্রাফিক্স কার্ড ড্রাইভার আপডেটেড রাখবেন। এরপর সমস্যা থাকলে বুঝতে হবে আপনার ভিডিও কার্ড ও উইন্ডোজের মধ্যে কম্পাটিবিলিটিতে সমস্যা আছে। এমতাবস্থায় অভিজ্ঞ কাউকে দেখান অথবা বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করুন।

সিডি/ডিভিডি রম
>> যদি ড্রাইভে সিডি/ডিভিডি ঢুকালে তা দেখা না যায় অথবা সেটি রান না করে তখন বুঝতে হবে সিডি/ডিভিডিতে স্ক্র্যাচ পড়েছে অথবা আপনার ড্রাইভের হেডে ধুলা জমে সেটি অকার্যকর হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় পারলে সিডি ড্রাইভ খুলে সেটির হেড থেকে ধুলা পরিষ্কার করুন অথবা সিডি ক্লিনার কিনে তা প্রবেশ করিয়ে ড্রাইভের হেড ক্লিন করুন।
>> সিডি যদি ড্রাইভের Eject বাটন চাপার পরও বের না হয় তখন বুঝতে হবে সিডিটি এখনও রান করছে। তাই অপেক্ষা করুন। তবে নিয়মিত এই সমস্যাটি হলে বুঝতে হবে সিডি ড্রাইভের মেকানিজমে সমস্যা। বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করুন।
>> যদি মাই কম্পিউটারেই সিডি ড্রাইভ খুঁজে পাওয়া না যায় তখন দেখুন এর পেছনের ডাটা ক্যাবল ও পাওয়ার ক্যাবল লুজ হয়ে গিয়েছে কিনা। তারপরও কাজ না হলে বায়োসে ঢুকে দেখতে পারেন আসলেই মাদারবোর্ড ড্রাইভটিকে ডিটেক্ট করতে পারছে কি-না। এখানে বুট ডিভাইস লিস্টে ড্রাইভটি দেখা গেলে বুঝা যাবে যে উইন্ডোজের সমস্যা। সেক্ষেত্রে ডিভাইস ম্যানেজারে গিয়ে ড্রাইভের ড্রাইভারটি আনইন্সটল করুন। ড্রাইভের ডাটা ক্যাবল খুলে আবার লাগান। উইন্ডোজ এবার নতুন করে ড্রাইভার ইন্সটল করবে।
>>অনেকেই হয়তো জানেন না ময়লা সিডি ক্লিন করতে ইচ্ছে করলে আপনি সেটিকে হালকা সাবানা পানি দিয়ে ধুলে পরিষ্কর করে ভালোমতো শুকিয়ে তারপর ব্যবহার করতে পারেন। তবে ডিটারজেন্ট ব্যবহার করবেন না।

র‌্যাম
র‌্যামের ট্রাবলশুটিং বলতে বুঝায় যদি কখনও বিনা কারণেই পিসি হ্যাং করে বা রিস্টার্ট হয় তখন খেয়াল করবেন র‌্যাম স্লটে ঠিকমতো বসানো আছে কিনা। এরপর যদি একাধিক র‌্যাম ব্যবহার করে থাকেন তাহলে খেয়াল করুন সবগুলোই একই বাসস্পিডবিশিষ্ট কিনা। সিস্টেম স্ট্যাবিলিটির জন্য একই বাসস্পিডবিশিষ্ট র‌্যাম ব্যবহার করা খুবই জরুরি।

সাউন্ড
সাউন্ড নিঃসন্দেহে কম্পিউটারের অপরিহার্য একটি অংশ। কিন্তু একে নিয়ে বিড়ম্বনাও কম না। বন্ধুদেরকে নিয়ে আসলেন মুভি দেখাবেন বলে। কিন্তু পিসি অন করে মুভি প্লে করে দেখলেন ভিডিও আসছে কিন্তু সাউন্ড উধাও। অনেকেই মাঝেমধ্যে এরকম বিড়ম্বনাকর পরিস্থিতিতে পড়ে থাকেন। হঠাৎ হঠাৎ তো সাউন্ডের আইকনটাকেই খুঁজে পাওয়া যায় না। আসুন দেখে নিই কি করবেন তখন।
>>প্রথমেই যথারীতি দেখতে হবে সাউন্ড কার্ড ও স্পিকারের সব কানেকশন ঠিক আছে কিনা। মনে রাখবেন সাউন্ড কার্ডের মাঝের সবুজ পোর্টে স্পিকারের ইনপুট জ্যাকে ঢুকাতে হয়।

>> সব ঠিক আছে ? তাহলে এবার দেখুন তো উইন্ডোজের নোটিফিকেশনগুলোর (ডিসপ্লের নিচে ডানকোণায় ঘড়ির পাশে) মধ্যে সাউন্ডের আইকনটি খুঁজে পাওয়া যায় কি। নেই ? নাকি লাল ক্রস? তাহলে বুঝতে হবে সাউন্ডের ড্রাইভার ইন্সটল করতে হবে। ড্রাইভার ইন্সটল করে পিসি রিস্টার্ট দিন। ড্রাইভার না থাকলে উইন্ডোজ আপডেটের সহায়তা নিন।
>> আইকন ঠিক আছে ? তাহলে দেখুন Mute অন করা কিনা। সাউন্ডের প্রোপ্রার্টিজে গিয়ে সাউন্ডের লেভেল চেক করুন।
>>সব ঠিক ? ড্রাইভারও আছে ? তাহলে আগের ড্রাইভারটি আনইন্সটল করে আবার নতুন করে ড্রাইভার ইন্সটল করুন।
>> আরেকটি ব্যাপার হতে পারে। সাউন্ড কার্ডের ড্রাইভার অন্য কোনো ড্রাইভারের সাথে কনফ্লিক্ট করতে পারে। এটি দেখার জন্য ডিভাইস ম্যানেজারে যান।
>> সাউন্ড, ভিডিও এন্ড গেম কন্ট্রোলারস এক্সপান্ড করুন। যদি সাউন্ড কার্ডের পাশে হলুদ রংয়ের ‘!’ চিহ্ন দেখেন তাহলে বুঝতে হবে অন্য কোনো ডিভাইস সাউন্ড কার্ডের সাথে কনফ্লিক্ট করছে।
>>এর সমাধান করতে ডিভাইস ম্যানেজার ট্যাব হতে প্রোপার্টিজ>রিসোর্সে যান। কনফ্লিক্টিং ডিভাইস লিস্ট হতে দায়ী ডিভাইসটি খুঁজে বের করুন। অটোমেটিক সেটিংস চেকবক্সে ক্লিক করে পিসি রিস্টার্ট করুন।
>.এতেও কাজ হয়নি ? উপরের কাজটি আবার করে অটোমেটিক সেটিংস চেকবক্সটি ডিজেবল করে চেঞ্জ সেটিংস-এ ক্লিক করুন। অতঃপর বিভিন্ন সেটিংস-এর মাঝে দেখুন কখন কোন ডিভাইস কনফ্লিক করে, কখন করে না। কাজ শেষ হলে Ok করে পিসি আবার রিস্টার্ট দিন।
>>স্পীকার যেই সাউন্ড কার্ডে লাগানো সেটাই ডিফল্ট সাউন্ড ডিভাইস হিসেবে চিহ্নিত করা আছে কিনা দেখুন।কেননা বর্তমানে এক্সটার্নাল গ্রাফিক্স কার্ডেও সাউন্ড কার্ড থাকে।
>>সামনের পোর্ট দিয়ে স্পষ্ট সাউন্ড পেতে হলে ড্রাইভার এবং বায়োস সেটিংস দুটোই কিন্তু ঠিক থাকতে হবে।

মাউস
সাধারণত রোলার বলবিশিষ্ট মাউসগুলোর ভেতর ময়লা ও ধুলাবালি জমে প্রায়ই সমস্যা তৈরি করে। এজন্য উচিত নিয়মিত মাউস পরিষ্কার করা। প্রথমে মাউসটি হাতে নিয়ে উল্টো করে নিচের অংশ গোলাকৃতি চাকতিটি হাতের আঙ্গুল দিয়ে চেপে ধরে বামদিকে ঘুরিয়ে ফেলুন। ভেতরের রোলার বলটি বের করুন। এবার মাউস হোলের ভেতরে তাকান। সেখানে বেশ কিছু রোলার দেখতে পাবেন। ময়লা-ধুলাবালি সেখানেই জমে। চিমটা বা হাতের নখ দিয়ে ময়লাগুলো আলগা করে মাউস উল্টে বাইরে ফেলে দিন। এবার মাউসের বলটি পরিষ্কার কাপড় বা টিস্যু দিয়ে মুছে ফেলুন। সব কাজ শেষ হলে বলটি ভেতরে রেখে চাকতিটি নিয়ে বিপরীত দিকে ঘুরিয়ে বন্ধ করুন।

প্রাচীন কালের টিপস হয়ে গেল বলে দুঃখিত।কি করব বলুন।অপটিক্যাল মাউস নিয়ে বলার কিছু নেই।কেননা বেসিক ইলেকট্রনিক সার্কিট,সোল্ডারিং,মাল্টিমিটার এর সাথে যাদের পরিচয় নেই তারা আসলে নতুন মাউস কেনা ছাড়া কিছুই করতে পারবেন না।আর যারা এগুলো ব্যবহার করতে পারেন তাদের কোন সমস্যা হলে আশা করি নিজেরাই পারবেন বুঝেশুনে কাজ করতে।নইলে আমি তো আছিই!!

কী-বোর্ড
কী-বোর্ডে যে সমস্যাটি বেশি ঝামেলা ফেলে তা হচ্ছে কী-বোর্ডের যে বাটনে যেটি আসার কথা তা না এসে অন্যটি আসা। এ সমস্যার সমাধান করা জানা থাকলে খুবই সহজ। আসুন জেনে নেই-
>>কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে Regional and Language অপশনে যান।
>> Keyboard and Language ট্যাব থেকে Change Keyboard-এ ক্লিক করুন।
>> সেখান থেকে United States International সিলেক্ট করে Apply,Ok করুন।
>> এছাড়াও ডিভাইস ম্যানেজারে গিয়ে দেখে আসতে পারেন কী-বোর্ড ঠিকমতো কাজ করছে কিনা। সব ঠিক থাকার পরও যদি সমস্যা থেকে যায় তাহলে বুঝতে হবে কী-বোর্ড পরিবর্তনের দ্বারপ্রান্তে আপনি।

মডেম
প্রায় সময়ই দেখা যায় মডেমটি কাজ করছে না। এটি দিয়ে ইন্টারনেট কানেক্ট হতে পারছেন না আপনি অথবা পিসি মডেমই খুঁজে পাচ্ছে না। এই সমস্যা যেমন হার্ডওয়্যারজনিত হতে পারে তেমনি কমিউনিকেশন সফটওয়্যার বা সেটিংসজনিত কারণেও হতে পারে। নিচে এই জাতীয় বেশ কিছু ট্রাবলশুটিংয়ের কথা বলছি।
>>যদি উইন্ডোজ মডেমই ডিটেক্ট করতে না পারে তখন মডেমটি খুলে অন্য স্লটে লাগিয়ে দেখুন।
>>মডেম ওকে কিন্তু নেট কাজ করছে না ? তখন ডিভাইস ম্যানেজারে গিয়ে দেখুন মডেমটি ঠিকমতো কাজ করছে কিনা। প্রয়োজনবোধে ড্রাইভার রিইন্সটল করে দেখতে পারেন।
>>কাজ হচ্ছে না ? ফোন লাইন চেক করুন। মডেম ঠিক মোডে আছে কিনা দেখুন। যদি আপনি ট্রান্সমিশন রিসিভ করতে চান তাহলে মডেম অ্যানসার মোডে আর ইন্টারনেট ব্যবহার করতে ডায়াল মোডে থাকা লাগবে।
>> যদি মডেম ডায়াল করতে পারে কিন্তু কানেক্ট হয় না তখন দেখুন আপনার ডায়ালিং নাম্বার ঠিক আছে কিনা।
>>যদি না ডায়ালটোন হয় তাহলে লাইন চেক করুন। ফোনের বাসায় অন্য এক্সটেনশন লাইন থাকলে সেটি পরীক্ষা করুন।
>>কমিউনিকেশন সফটওয়্যার ঠিক আছে কিনা তা দেখুন। কন্ট্রোল প্যানেলে মডেম প্রোপার্টিজে wait for dial tone before dialing অপশনটি অফ করে দিলে সমস্যার সমাধান হতে পারে।
>>COM পোর্ট সেটিংস ঠিক আছে কি-না দেখুন। মডেম প্রোপার্টিজ থেকে এটি দেখতে পারবেন। প্রয়োজনে COM Port পরিবর্তন করুন।

এজ মডেম
উপরের প্রায় প্রতিটা পয়েন্টই এজ মডেমের জন্য প্রযোজ্য।আরো যেসব বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে তা বলছি এবার-
>>নেট কানেকশন না পেলে বা স্পীড খুব কম থাকলে সীমটি ট্রে থেকে খুলে আবার লাগিয়ে কানেক্ট দিন।অনেকসময় মডেম ঠিকমতো সীম কানেকশন না পাবার কারনেও নেট সমস্যা করে থাকে।
>>মডেম সবসময় উন্মুক্ত স্থানে রাখুন।কেননা এর উপর নেটওয়ার্ক নির্ভর করে।
>>মডেম কেনার সময় ভাল করে জেনে নিন এই মডেম উইন্ডোজ এক্সপি,ভিসতা,সেভেন বা লিনাক্স সাপোর্ট করে কিনা এবং সংশ্লিষ্ট সব ড্রাইভার সাথে দেয়া আছে কিনা।

হার্ডডিস্ক
অনেক সময় কম্পিউটার চালু হবার সময় হার্ডডিস্ক এরর দেখায়। এর কারণ হতে পারে-
>> মাদারবোর্ড হার্ডডিস্ক পাচ্ছে না। প্রথমেই নিশ্চিত হোন হার্ডডিস্কের পাওয়ার ক্যাবল ঠিক আছে কি-না। তারপর হার্ডডিস্ক থেকে মাদারবোর্ডের ডাটা ক্যাবল চেক করুন।
>>হার্ডডিস্কের পেছনের পিন ঠিক আছে কিনা দেখুন।
>>হয়তোবা বায়োসের সেটিংসের কারণেও সমস্যা হতে পারে। বায়োসে গিয়ে দেখতে পারেন হার্ডডিস্ক পাওয়া যাচ্ছে কিনা।

কম্পিউটার ট্রাবলশ্যুটিং সমগ্রঃ ধাপে ধাপে পিসির বিভিন্ন সমস্যার সমাধান- পর্ব ২: কম্পিউটার চালু না হলে কি করবেন আপনি

আগের পর্বে বলেছিলাম কিভাবে কম্পিউটার কেসিং খুলতে হবে সে ব্যাপারে।এবারে বলব কম্পিউটার চালু না হলে আপনি কি কি করতে পারেন সে ব্যাপারে কিছু কথা।

কম্পিউটার চালু হচ্ছে না: কি করবেন এখন?

এটিকে একটি পরিচিত সমস্যা হিসেবেই চিহ্নিত করতে চাই। নিয়মিত কম্পিউটার চালু হয় না এমনটা বললে মনে হয় ভুল বলা হবে না। নতুন ব্যবহারকারীদের কাছে এই সমস্যার একটাই সমাধান। তা হচ্ছে বিক্রেতার শরণাপন্ন হয়ে অযথা পয়সা খরচ। দেখি তো আপনাকে বাঁচাতে পারি কিনা। নিচের কথাগুলো শুনুন মনোযোগ দিয়ে।
>> পাওয়ার সুইচ অন করার পর সিস্টেমের ইন্টারনাল স্পিকার কয়টা আওয়াজ করলো খেয়াল করুন। যদি বীপ সংখ্যা এক হয় তার মানে কম্পিউটার ডিসপ্লে আউটপুট পাচ্ছে না।অথবা কীবোর্ড মাদারবোর্ডের সাথে ঠিকমতো সংযুক্ত না হলেও এমনটা হতে পারে।
>>যদি একটি বড় বীপের পর দুটি ছোটো বীপ হয় তারমানে র‌্যাম পাচ্ছে না আপনার মাদারবোর্ড।র‌্যাম পরিবর্তন না স্লট পরিবর্তন করে দেখুন।
>>যদি একটি বড় বীপের পর তিনটি ছোট বীপ হয় তাহলে বুঝবেন নিশ্চিতভাবেই ডিসপ্লে বা গ্রাফিক্স আউটপুটের সমস্যা।
>>আর যদি একটা বড় বীপ তারপর চারটা ছোট বীপ হয় তারমানে আপনার মাদারবোর্ড বা গুরুত্বপূর্ণ কোন হার্ডওয়ার নষ্ট হয়ে গিয়েছে বা ঠিকমতো কাজ করছে না।
>>তবে এর জন্য আপনার পিসিতে ইন্টারনাল স্পীকার কিন্তু থাকতে হবে। অনেক মাদারবোর্ডে ইন্টারনাল স্পীকার বিল্ট-ইন থাকে।অন্যগুলাতে আলাদা লাগাবে হয়।সাধারনত কম্পিউটার কেনার সময় বিক্রেতাই এটি দিয়ে দেয় তবে অনেকসময় ভুলে তা ঠিকমতো লাগানো নাও থাকতে পারে।সেক্ষেত্রে আপনার মাদারবোর্ডের বক্সে দেখুন স্পীকার পান কিনা।নইলে সময় করে বিক্রেতার কাছ থেকে নিয়ে আসুন।বুঝতেই পারছেন কেন আমি এটাকে এতো গুরুত্ব দিচ্ছি।
>> মনিটরের দিকে তাকান। এটি কি স্লীপ মোডে আছে ? অর্থাৎ এর লেড লাইট কি জ্বলছে নিভছে কিনা খেয়াল করুন। যদি তা না হয় অর্থাৎ লেড লাইট জ্বলেই থাকে এবং মনিটরে কিছু না কিছু দেখা যায় তাহলে আপনাকে অভিনন্দন। আপনার মাদারবোর্ড ও গ্রাফিক্স কার্ড ঠিক আছে।সমস্যাটা ছোটোখাটো।নো টেনশন!
>> যদি পাওয়ার অন করাই সম্ভব না হয় তাহলে কেসিং খুলে দেখুন নিঃসন্দেহে আপনার পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা। খোঁজার চেষ্টা করুন সমস্যাটা কোথায়।
>> এবারে ধরুন মাদারবোর্ডের পাওয়ার লেড জ্বলছে কিন্তু কেসিংয়ের পাওয়ার বাটন চাপলেও পিসি রেসপন্স করছে না তখন বুঝতে হবে কেসিংয়ের পাওয়ার সাপ্লাইয়ে কোনো সমস্যা হবার কারণে এটি পর্যাপ্ত ভোল্টেজ আউটপুট দিতে পারছে না। এক্ষেত্রে সম্ভব হলে অন্য পাওয়ার সাপ্লাই লাগিয়ে চেষ্টা করে দেখুন।
>> এবারেও কাজ হয়নি ? হতে পারে আপনার পাওয়ার সুইচেই সমস্যা। অভিজ্ঞ কাজ জানা ব্যবহারকারীরা সম্ভব হলে মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল দেখে মাদারবোর্ডের পাওয়ার বাটন পিন দুইটি বের করে তা কোনোভাবে কন্টাক্ট করে দেখতে পারেন কাজ হয় কিনা। তবে অনভিজ্ঞরা এই কাজটি না করতে যাওয়াটাই ভালো।
>> পাওয়ার সংক্রান্ত সমস্যার আশাকরি সমাধান হলো। এবারও কম্পিউটার চালু হচ্ছে না ? তাহলে বুঝতে হবে র‌্যামের সমস্যা। র‌্যামের স্লট পরিবর্তন করে নতুবা অন্য র‌্যাম লাগিয়ে দেখুন।
>> কম্পিউটার বুট হলো ঠিকঠাক কিন্তু উইন্ডোজ লোডিং-এর আগেই আটকে গেছে ? তখন বুঝতে হবে আপনার হার্ডডিস্কের সমস্যা। হার্ডডিস্কের পাওয়ার ও ডাটা ক্যাবলের কানেকশন চেক করুন। সম্ভব হবে মাদারবোর্ডের যে কানেক্টরে ক্যাবলটি লাগানো তা পরিবর্তন করে দেখুন। এছাড়া এমনটি কি হচ্ছে কম্পিউটার ঠিকমতো চালু হচ্ছে হয়তো অপারেটিং সিস্টেমও লোড হচ্ছে তারপর ধুড়ুম করে পিসি বন্ধ হয়ে রিস্টার্ট করছে। এটি সম্ভবত প্রসেসরের কুলিং ফ্যান বা হিটসিংক ও প্রসেসরের কানেকশনের দুর্বলতার কারণে হচ্ছে। চেক করে দেখুন ফ্যান ঠিকমতো ঘুরছে কি-না বা ফ্যানসহ সবকিছু ঠিকমতো টাইট আছে কিনা। পারলে কুলিং ফ্যানসহ হিটসিংক খুলে আবারও লাগান। কুলিং ফ্যান নিচের ছবির মতো বিপরীত দুইপাশে একসাথে চাপ দিয়ে খুলতে হয়।


আর হঠাৎ করে বন্ধ না হলে মানে একটু সময় নিয়ে সংকেত দিয়ে বন্ধ হওয়া মানে ভাইরাসের আক্রমণের শিকার আপনি।
>> হঠাৎ বলতে আমি এটা বুঝাচ্ছি যে কম্পিউটার চলার সময় পাওয়ার চলে গেলে যেভাবে বন্ধ হয় সেরকম ঘটনা।
>> এছাড়াও কোনো না কোনো ক্যাবল লুজ/ নষ্ট হয়ে যাবার কারণেও কম্পিউটার চালু হওয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই ব্যাপারটিও খেয়াল রাখবেন।

প্রধান এই সমস্যাগুলোর কারণেই কম্পিউটার চালু হয় না। তবে বুঝতেই পারছেন এই অংশে শুধুমাত্র হার্ডওয়্যারজনিত সমস্যার কথাই বললাম, অপারেটিং সিস্টেম সংক্রান্ত সমস্যা এখানে আলোচনা করিনি।

কম্পিউটার ট্রাবলশ্যুটিং সমগ্রঃ ধাপে ধাপে পিসির বিভিন্ন সমস্যার সমাধান- পর্ব ১: কেসিং খোলার নিয়মকানুন

কম্পিউটার যদি আপনার দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে থাকে তাহলে নিঃসন্দেহে আপনার কম্পিউটিং জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ সমস্যা।আজ সফটওয়ারের এই সমস্যাতো কাল ঐ হার্ডওয়ার সমস্যা করছে।সেই ডস থেকে উইন্ডোজ সেভেন,পেন্টিয়াম ১ থেকে কোর আই সেভেন-সবসময়ই আপনার পিসির সাথেই ছিল এই সমস্যা নামক বস্তুটা!ইন্টারনেটে এই টপিকে তেমন কোন ভালো বাংলা লেখা নেই।তাইতো বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে লিখাছি আজকের এই আর্টিকেলটি। কয়েক পর্বের এই লিখায় আমি চেষ্টা করব পিসির বিভিন্ন ট্রাবলশ্যুটিং এবং সমস্যা ও তার সমাধানের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিতে। আশা করি সবারই কাজে আসবে।

ট্রাবলশ্যুটিং-এর হাতেখড়িঃ কেসিং খুলবেন যেভাবে
যারা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা রাখেন না তাদের জন্য এই অংশটি। এখানে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেবো কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারগুলোর সাথে এবং জানাব কিভাবে কেসিং খুলতে হয় তা।
>> সাধারণত কেসিং-এর পেছনে এটি খোলার ২+২=৪টি স্ক্রু থাকে। কেসিং খোলার আগের পাওয়ার সাপ্লাই অফ করুন। মাদারবোর্ডের পেছন থেকে সব প্লাগ খুলে ফেলুন।
>>সাধারণত সামনে থেকে কেসিংটাকে দেখলে এর বামপাশের অংশটি খুলতে হয়। এর পেছনে স্ক্রু দুটি খুলতে ভালো চারকোণা স্ক্রু ড্রাইভার লাগবে আপনার। খোলা স্ক্রু সযত্নে রাখুন।
>> স্ক্রু খোলা হয়ে গেলে কেসিং-এর পাশ থেকে কভারটি আলাদা করে নিন। সাধারণত কভারটি পেছনদিকে কিছুটা স্লাইড করে খুলতে হয়।
>>কেসিং খুলেছেন ? ভেতরে তাকান। মূল যে বড় সার্কিট বোর্ডটি দেখছেন তাই মাদারবোর্ড। আর পাওয়ার সাপ্লাই থাকে কেসিং এর উপরে পেছন দিকে। পাওয়ার সাপ্লাই থেকে অনেকগুলো লাল, হলুদ, কালো বা নীল তার বের হয়ে আসে। এর কিছু সংযুক্ত মাদারবোর্ডে কিছু বা সরাসরি অন্য হার্ডওয়্যারে যেমন- সিডি ড্রাইভ, ফ্লপি ড্রাইভ, হার্ডডিস্ক।


>> মাদারবোর্ডে প্রসেসর কোনটি তা বুঝতে এর কুলিং ফ্যান খুঁজে বের করুন। সাধারণত এটি মাদারবোর্ডের উপরে কিছুটা বামে থাকে। প্রসেসর ফ্যানের জন্য সরাসরি দেখা সম্ভব নয়।
>>র‌্যাম সাধারণ প্রসেসরের ডানপাশে থাকে। মডেলভেদে ২-৪টি স্লট, লম্বাকৃতির।

>>সাউন্ডকার্ড কোনটি বুঝতে হলে খুঁজে বের করুন স্পিকারের ইনপুট জ্যাক কোথায় লাগে সেই ডিভাইসটি।
>> একইভাবে মনিটরের ক্যাবল দিয়ে জানতে পারবেন কোনটি আপনার গ্রাফিক্স কার্ড।
>> একই উপায়ে মডেম (টেলিফোনের তার), ল্যান কার্ড (ব্রন্ডব্যান্ড ইন্টারনেটের তার) খুঁজে বের করতে পারবেন আপনি।
>> চিকন চিকন লাল, হলুদ, কাল বা নীল তারগুলো পাওয়ার ক্যাবল। সাদা বা লাল চওড়া ক্যাবলগুলো ডাটা ক্যাবল।
>> সাধারণ একটি পিসিতে কেসিং-এর পেছনে পাওয়ার কর্ড, মনিটর কর্ড, মাউস ও কী-বোর্ড, স্পিকার ইনপুট এগুলো প্রাথমিক অনুসঙ্গ যা সব পিসিতেই আছে।>>বিভিন্ন ক্যাবল আলাদা রকমের হওয়াতে সবচেয়ে বড় সুবিধা এক ধরনের কানেকশন আপনি ভুল করে চাইলেও অন্যটিতে লাগাতে পারবেন না ।


February 9, 2010

উইন্ডোজ এক্সপির ২টি শর্টকাট টিপস

১. এক্সপি ব্যবহারকারীরা একটা মেসেজ দেখে এখন এতোটাই অভ্যস্থ হয়ে গেছেন যে এটাইকেই তারা তাদের নিয়তি হিসেবে মেনে নেন। সেটা হচ্ছে- “Send an Error Report to Microsoft”.
খুব সহজ ২টি ধাপে আপনি চিরতরে বন্ধ করে দিতে পারেন এই মেসেজ-
১.মাই কম্পিউটারে রাইট ক্লিক করে সিস্টেম প্রোপার্টিজ থেকে এডভান্সড-এ যান।
২. এরর রিপোর্টিং ডিজাবেল করে ওকে করুন।

কাজ কিন্তু শেষ!

২. আরেকটি অতি পরিচিত এক্সপি মেসেজ- "Your computer might be at risk"।যখন তখন কোন আগমনী বার্তা বা কারন ছাড়াই উইন্ডোজ নোটিফিকেশন এর আগমনের সাথে সবারই জানাশোনা আছে বৈকি।আসুনতো কথা না বাড়িয়ে এটিকে বিদায় করে দিই।

১.নোটিফিকেশন এরিয়ার লাল সিকিউরিটি সেন্টার আইকনে ক্লিক করে সিকিউরিটি সেন্টার ওপেন করুন।বামপাশে Resources সেকশনে দেখুন সবার নিচে আছে- “Change the way Security Center alerts me”।এখানে ক্লিক করুন।

২.এলার্ট সেটিংস উইন্ডো আসবে।টিকগুলা উঠিয়ে দিলেই ঝামেলা শেষ।

সিস্টেমের যেকোন সমস্যায় F8-এর ব্যবহার শিখে রাখুন

অপারেটিং সিস্টেম চালু হচ্ছে না।উইন্ডোজ রিপেয়ার করবেন।কিন্তু আপনার কাছে নেই উইন্ডোজ এর ইন্সটলেশন ডিস্ক।এমতাবস্থায় কিভাবে সিস্টেম রিপেয়ার করবেন?উপায় কিন্তু একটা ঠিকই আছে।আর তা হচ্ছে F8. এজন্য বুট স্ক্রীন দেখা যাবার পর উইন্ডোজ স্ক্রীন আসার পূর্বেই কী-বোর্ডের F৮ প্রেস করুন। Advanced Boot Options দেখতে পাবেন। এবারে একে একে আপনাদের জানাব এখানকার কোন অপ্সহনগুলার কি কাজ।

** Safe Mode : এটির ব্যবহার অনেকেই জানি আমরা। এই মোডে উইন্ডোজ শুধুমাত্র বেসিক টুলস/ইউটিলিটিসগুলো নিয়ে লোড হয়। কিন্তু ফাইল/সফটওয়্যার/ড্রাইভার ঠিকই মুছতে/আনইন্সটল করতে পারবেন আপনি।

** Safe Mode with Networking: সাধারণ Safe Mode -এ ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় না। কিন্তু ব্যাপারটা যদি এমন হয় সমস্যার সমাধানে আপনার ইন্টারনেট লাগবে তখন এই অপশন দিয়ে উইন্ডোজ লোড করতে হবে আপনাকে।

** Safe mode with command prompt: এটি পূর্ববর্তী কমান্ড প্রম্পট উইন্ডোই। আগের মতোই ব্যবহার করা যাবে এটিকে।

** Enable Boot Logging: এটি দিয়ে ল্যান করালে উইন্ডোজ বুট হবার প্রতিটি ধাপ ‘সি’ ড্রাইভের উইন্ডোজ ফোল্ডারে btbtlog.txt লিখা হয়ে যাবে। এরপর যদি উইন্ডোজ চালু না হয় তাহলে Safe Mode -এ পিসি চালু করুন। সেভ হওয়া ফাইলটি পড়ুন। খুব সম্ভবত এই ফাইলের শেষ এন্ট্রিটিই আপনার পিসি চালু না হবার কারণ। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন।

** Enable low resulation video(৬৪০*৪৮০) : এর মাধ্যমে উইন্ডোজ তার রেকর্ডে থাকা সর্বশেষ ভালো রেজিস্ট্রি ও ড্রাইভার সেটআপসহ বুট করার চেষ্টা করবে।

** Directory Services Restore Mode: পিসি যদি এনটি ডোমেইন কন্ট্রোলার হয় তখন এইটার প্রসঙ্গ আসবে। অন্য আরেকদিন এটি নিয়ে বলবো।

** Debugging Mode: এটির আসলে তেমন কোনো ভ্যালু দেখছি না আমি। এটি আপনার পিসির সিরিয়াল পোর্ট ব্যবহার করে অন্য ভালো পিসিতে আপনার ডিবাগ ইনফরমেশন সেন্ড করে।

** Disable Automatic Restart on System Failure: এটি পূর্ববর্তী অপশনগুলোর থেকে একটু ভিন্ন। কাজ চলাকালীন ভিসতা ক্র্যাশ করলে খেয়াল করবেন যে, একটি নীল স্ক্রীনে কিছু লিখা এসে পিসি রিস্টার্ট হয়। মাইক্রোসফটই জানে ১/২ সেকেন্ডে এতো বড় এরর মেসেজ পড়ার যোগ্যতা কয়জন মানুষের হয়েছে এটা নিয়ে তাদের মতামতটা আসলে কি, কিন্তু আমি মনে করি এটা নিয়ে তাদের মতামতটা আসলে কি, কিন্তু আমি মনে করি এটা খুবই হাস্যকর এক নিষ্ঠুরতা! কেননা জরুরী এরর মেসেজটা যদি নাই পড়তে পারি তাহলে এর দরকারই বা কোথায়। তাই অটোমেটিক রিস্টার্ট ডিসেবল রাখলে আপনি শান্তিমতো এরর মেসেজ করে পরে ম্যানুয়ালি যা ইচ্ছা তা করতে পারবেন।

** Disable Driver Signature Enfarcemen: সাধারণত ৬৪-বিট ভিসতায় কিংবা সেভেনে  আপনি ডিজিটালি সিগনেচার করা ছাড়া কোনো ডিভাইস ড্রাইভার ইন্সটল করতে পারবেন না। তাই নন সাইনড ড্রাইভার ইন্সটল করার জন্য এটি চালু করা লাগে।

উইন্ডোজে হারানো সিস্টেম রিস্টোরকে ফিরিয়ে আনুন

অনেকসময় ভাইরাসের কারসাজিতে বা অন্য কোন প্রোগ্রামের অনৈতিক(!) হস্তক্ষেপের কারনে আপনার উইন্ডোজ থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি টুল হারিয়ে যেতে পারে।আর তা হচ্ছে সিস্টেম রিস্টোর।তখন আপনার সিস্টেম রিস্টোর তো কাজ করবেই না উপরন্তু এটি এনাবেল করার অপশনও কাজ করবে না আর।তেমন পরিস্থিতি থেকে বাঁচার জন্য কি করবেন এবারে তাই বলছি আপনাদের

>> প্রথমেই স্টার্ট মেনুতে gpedit.msc লিখে এন্টার প্রেস করুন।গ্রুপ পলিসি এডিটর ওপেন হবে।

>> এবারে বামপাশের ট্রি মেনু থেকে Computer Configuration–> Administrative Templates—> System-> System Restore এ যান।

>> ডানপাশের বক্স থেকে Turn off System Restore এ রাইট ক্লিক করে edit এ ক্লিক করুন।

>> Disable থেকে সরিয়ে Not Configured সিলেক্ট করে Apply,OK করুন।

>> একইভাবে turn Off Configuration ও Not Configured করে দিন।

>> পিসি রিস্টার্ট করুন।আশা করি সব ঠিক হয়ে যাবে।

ট্যাগঃ Windows system restore

February 7, 2010

উইন্ডোজ সেভেন কম্পাটিবিলিটি : কি,কেন এবং কিভাবে ব্যবহার করবেন

একটা কথা জানেন কি?প্রযুক্তি বোদ্ধাদের অনেক তালিকাতেই উইন্ডোজ ভিসতা সবার উপরে অবস্থান করছে?কোন দিক দিয়ে?সবচেয়ে বাজে পণ্যের তালিকাতে!আর কেন উইন্ডোজ ভিসতা বাজে এই উত্তরটা আমরা সবাইই জানি।তা হচ্ছে হার্ডওয়ার এবং বিভিন্ন সফটওয়ারের সাথে এর কাজ না করার ক্ষমতা।ভিসতা কিভাবে এতোটা আনকম্পাটিবল হলো তার কোনো সন্তোষজনক জবাব আজো মাইক্রোসফট দিতে পারেনি।
তারপরো উইন্ডোজ ৭ নিয়ে বরাবরাই মাইক্রোসফট বড় বড় কথা বলে এসেছে।আর এই বড় কথাগুলার মধ্যে বড় স্থান দখল করে আছে কম্পাটিবিলিটি নিয়ে কথা।মাইক্রোসফট বলছে হালের সব সফটওয়ার ও হার্ডওয়ার তো কম্পাটিবল হবেই সাথে সাথে আগের সফটওয়ার ও হার্ডওয়ার চালাবার জন্যও বিশেষ পন্থা রাখা হয়েছে উইন্ডোজ ৭-এ।যদিও এসব কথা আপাতদৃষ্টিতে বাস্তবতার মুখ দেখেছে বলেই মনে হচ্ছে তবু এক্সপির তুলনায় এখনো বেশ খানিকটা পিছিয়ে আছে সেভেন।সেভেনে কম্পাটিবিলিটির জন্য মাইক্রোসফট সূচনা করেছে সম্পূর্ণ নতুন সিস্টেম ‘এক্সপি মোড’।এর মাধ্যমে আপনি আপনার উইন্ডোজ় সেভেনের ভেতরেই উইন্ডোজ এক্সপি চালাতে পারবেন।তবে বোধকরি এর চেয়ে ভার্চুয়াল মেশিন অনেক এগিয়ে।সেই সম্পর্কে একটু পরেই বলছি।এখন আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব উইন্ডোজ সেভেনের কম্পাটিবিলিটি অপশনের সাথে এবং শিখাব এর যথার্থ ব্যবহারের কলাকৌশল।

কম্পাটিবিলিটি কি?
উইন্ডোজ ৭ একদমই নতুন একটি অপারেটিং সিস্টেম।কিন্তু আপনি যেই পিসি ব্যবহার করেন তার হার্ডওয়ারগুলাতো আর নতুন না।সেগুলা যখন নির্মাতা প্রতিশঠান বানিয়ে বাজারযাত করে তখন নিশ্চয়ই তারা সেভেনের কথা মাথায় রাখেনি,তাই না?সফটওয়ারের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।বর্তমান জমানার আমাদের ব্যবহার্য সবকিছুই বানানো হয়েছে এক্সপি কিংবা ভিসতাকে মাথায় রেখে।তাহলে?এই সবকিছু উইন্ডোজ ৭ এ ঠিকমতো চলবে তো?কেননা নতুন অপারেটিং সিস্টেম মানেই নতুন কিছু,আর যেহেতু সেভেনের কার্নাল আগের সব অপারেটিং সিস্টেমের চেয়ে আলাদা তখন কি হবে?এইসব কিছু মাথায় নিয়েই মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ৭ এ কম্পাটিবিলিটি ইস্যুটি নিয়ে শুরু থেকেই কাজ করে গেছে।কম্পাটিবিলিটি মানে হচ্ছে এক অপারেটিং সিস্টেমের জন্য বানানো সফটওয়ার বা হার্ডওয়ার আরেক অপারেটিং সিস্টেমে চলার ব্যাপারটা।যদিও ভিসতাতেও এই সিস্টেম ছিল কিন্তু তা কতটুকু কাজে এসেছে তা আমরা সবাইই জানি।তবে আশার কথা হচ্ছে সেভেনে তেমনটা হয়নি।এখন পর্যন্ত বিভিন্ন হার্ডওয়ার ও সফটওয়ার সেভেনের সাথে ভালোভাবেই কাজ করছে।বিশেষত পিসির বেশিরভাব হার্ডওয়ারের জন্য উইন্ডোজ ৭ এর ডিফল্ট ড্রাইভারই যথেষ্ঠ ভালো পারফরম্যান্স প্রদানে সক্ষম।

এবার আপনাদের বলবো বিভিন্ন সফটওয়ারের জন্য কম্পাটিবিলিটি অপশন কিভাবে ব্যবহার করবো সেটি।

প্রথমেই বিবেচনা করি আপনার কোনো সফটওয়ার ইন্সটল হতে চাচ্ছে না।তখন কি করবেন
>>প্রথমে সেটাপ ফাইলে রাইট ক্লিক করে ট্রাবলশ্যুট কম্পাটিবিলিটি সিলেক্ট করুন।


>>উইন্ডোজ নিজে নিজেই সফটওয়ারটির সমস্যা খুজে বের করার চেস্টা করবে।
>>এরপর উইন্ডোজ আপনাকে দুইটা অপশন দেখাবে।ট্রাই রিকমান্ডেড সেটিংস এবং ট্রাবলশ্যুট প্রোগ্রাম।

>>ঝামেলা এড়াতে চাইলে প্রথমটি নির্বাচন করে উইন্ডোজই সেই প্রোগ্রামের জন্য সম্ভাব্য সঠিক সেটিংস নির্বাচন করে সেটিকে রান করাবে।এজন্য আপনাকে স্টার্ট দা প্রোগ্রামে ক্লিক করতে হবে।আর উপরে আপনি দেখতে পাবেন কোন সেটিংস এপ্লাই করা হচ্ছে।এক্ষেত্রে উইন্ডোজ এক্সপি সার্ভিস প্যাক ২ এর সেটিংস নির্বাচন করেছে উইন্ডোজ।

>>নেক্সটে ক্লিক করে চাইলে সবসময়ের জন্য এই সেটিংটি সংশ্লিস্ট প্রোগ্রামের জন্য সিলেক্ট করে রাখতে পারেন।
>>তবে ঝামেলা হলেও আমার পর্যবেক্ষণ হচ্ছে এইভাবে কাজ চালানোর চেয়ে ট্রাবলশ্যুট প্রোগ্রাম নির্বাচন করাটাই পরবর্তীতে ভালো ফল বয়ে আনে।
>>ট্রাবলশ্যুট প্রোগ্রাম-এ ক্লিক করলে পরের মেনুতে জানতে চাওয়া হবে আপনার কি সমস্যা হচ্ছে।বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রথমটিই আপনি টিক দিবেন যেটিতে বলা হচ্ছে আগের উইন্ডোজ ভার্সনে এটি চলতো কিন্তু সেভেনে চলছে না।নেক্সটে যান।

>>এবার জানতে চাওয়া হবে কোন উইন্ডোজে এটি চলতো।স্বস্তির কথা হচ্ছে উইন্ডোজ ৯৫ থেকে শুরু করে ভিসতার সার্ভিস প্যাক ২ বা এক্সপিসার্ভিস প্যাক ৩ সবই পাবেন তালিকায়।দরকারিটি টিক দিন।না জানলে কি করবেন?যদিও আই ডন্ট নো অপশনও রাখা হয়েছে তবে আমি বলব এক্সপি সার্ভিস প্যাক ২ নির্বাচন করে নেক্সটে যেতে।বৃথা যাবে না আপনার পরিশ্রম।
>>এবারে আগের মতোই।প্রোগ্রাম স্টার্ট করুন ও সেটিংস সেভ করে রাখুন।

এই পন্থাতো মূলত ইন্সটলের সময়ে কাজে লাগানোর জন্য।আর ইন্সটলের পর?বিশেষত গেমারদের কাজে লাগবে এমন পন্থা বলছি এখন।হয়তো অনেকেই এটি জানেন কিন্তু যারা জানেন না তাদের তো জানাতে হবে!
এপ্লিকেশন বা গেমের রান করার .exe ফাইলে রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজে যান।
>>কম্পাটিবিলিটি ট্যাব সিলেক্ট করুন।
>>কমাটিবিলিটি মোড থেকে ‘রান দিস প্রোগ্রাম ইন কম্পাটিবিলিটি মোড ফর’ বক্সটি চেক করে কম্পাটিবল অপারেটিং সিস্টেম নির্বাচন করে দিন।
>>তবে যদি এপ্লিকেশনটি বেশি পুরানো হয় তাহলে আপনাকে নিচের অপশনগুলাও বুঝেশুনে টিক দিয়ে নিতে হবে,নইলে চালাতে পারবেন না।

আপনার পিসির ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে নিন

উইন্ডোজ এক্সপি,ভিসতা এবং সেভেন আপনার হার্ডডিস্কে ডাটা সংরক্ষণের জন্য একটি বিশেষ পেজিং ফাইল ব্যবহার করে। যখন পসিতে অনেকগুলো এ্যপ্লিকেশন একত্রে রান করে এবং আপনার র‌্যামের পরিমাপ এতগুলো কাজ একসাথে করতে পর্যাপ্ত না হয় তখন র‌্যামের বদলে সাময়িকভাবে উইন্ডোজ ওই পেজিং ফাইলের স্পেস র‌্যাম হিসেবে ব্যবহার করে। কিন্তু হার্ডডিস্ক র‌্যামের চেয়ে অনেক মন্থর গতিতে কাজ করে। তাই ভালো পারফরম্যান্স পেতে আসুন দেখে নিই এই পেজিং ফাইলকে কিভাবে অপটিমাইজ করবেন।

>>মাই কম্পিউটারে রাইট ক্লিক করে প্রোপ্রার্টিজ-এ যান। বামপাশে Tasks মেনু থেকে Advanced System Settings-এ ক্লিক করুন। এক্সপিতে এটি Advanced ট্যাব আকারে পাবেন।

>>Performance মেনুর সেটিংস-এ ক্লিক করুন। আবারো Advanced ট্যাবে ক্লিক করুন। Virtual Memory মেনু থেকে Change বাটনে ক্লিক করুন।


>>উইন্ডোজ আপনার হার্ডড্রাইভের সব পার্টিশন ও প্রতি ড্রাইভের জন্য পেজিং ফাইল সেটিংস দেখাবে। ‘Automatically manage paging file size for all drivers’ বক্সের টিক চিহ্ন উঠিয়ে দিয়ে প্রতিটি ড্রাইভে পেজিং ফাইলের জন্য বরাদ্দকৃত সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মেমোরির পরিমাণ নিজের সুবিধামতো কাস্টোমাইজ করে নিতে পারবেন এখান থেকে।


>>র‌্যাম ও হার্ডডিস্কের ফ্রি স্পেসের দিকে খেয়াল রাখুন। যেমন এই মুহূর্তে আমার হার্ডডিস্কের ২.২ গিগাবাইট স্পেস ভার্চুয়াল মেমোরির জন্য বরাদ্দ যার ১.৭ গিগাবাইট ব্যবহৃত হচ্ছে। এর মানে কি ? এই মেমোরিটি না থাকলে শুধুমাত্র র‌্যাম সব কাজ একা করতে পারতো না। ফলে আমার সিস্টেম স্লো হয়ে যেত ও হ্যাং হবার সংখ্যা বেড়ে যেত। আশাকরি পিসির পারফরমেন্স বাড়াতে ভার্চুয়াল মেমোরির প্রয়োজনীয়তা কিছুটা হলেও বুঝতে পারছেন!

January 22, 2010

উইন্ডোজে তৈরি করে রাখুন সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্ট


বিভিন্ন কারনে অকারনে উইন্ডোজে অনেক রকম সমস্যাই আপনার হতে পারে।এর কারন হিসেবে রেজিস্ট্রি ডাটা পরিবর্তন,সফটওয়ার ইন্সটলেশন বা আনইন্সটলেশনের সমস্যা বা অনাকাংখিত শাটডাউন অনেক কিছুকেই বলা যায়।এখন কথা হচ্ছে সমাধান কি? যারা নতুন কম্পিউটার ব্যাবহার করে থাকেন তারা এমন পরিস্থিতিতে না পড়লে না বুঝেই নতুন করে উইন্ডোজ সেটাপ দিয়ে সমস্যা আরো বারিয়ে তোলেন,মানে দরকারি ফাইল অনেকসময় মুছে যাবার ঝুকি থাকেন এতে।এ রকম পরিস্থিতিতে সবচেয়ে সহজ সমাধান হতে পারে উইডোজ সিস্টেম রিস্টোর। সিস্টেম রিস্টোর মূলত আপনার উইন্ডোজের বিভিন্ন সেটিংস এবং সফটওয়ার,ড্রাইভার,সিস্টেম ডাটার এক সংগ্রহশালা।এগুলার কোন একটিতে সমস্যা হলেও আপনার উইন্ডোজ একেজো হয়ে যেতে পারে।তাই আর দেরি না করে এখনি তৈরি করেন নিন সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্ট যাকিনা পরবর্তীতে সিস্টেমের সমস্যায় আপনি কাজে লাগাতে পারবেন।

>> সিস্টেম রিস্টোর চালু করতে Start Menu>Programs>Accessories>System Tools>System Restore থেকে সিলেক্ট করুন।অথবা মাই কমিপুটারে রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজে যান।সেখান থেকে সিস্টেম প্রোটেকশনে ক্লিক করুন।

>> একদম নিচে Create বাটনে ক্লিক করুন।

>> একটি নাম দিয়ে সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্টটি তৈরি করে নিন।এক্ষেত্রে দিন,তারিখ,সময় দিয়ে চাইলে আপনি নাম দিতে পারেন।


ব্যস তৈরির কাজ এখানেই শেষ।যেকোন নতুন হার্ডওয়ার সিস্টেমে লাগানোর আগে বা বড় কোন সফটওয়ার বা গেম ইন্সটলেশনের আগে আপনি এই কাজটি করে নিন।কেননা এসব কাজে কোন সমস্যা হলে সিটেম রিস্টোরই আপনাকে পরে বাচাবে।
এবারে দেখে নিন কিভাবে সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্ট দিয়ে পিসিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে হয় সেই উপায়।
>> শুরুতেই সিস্টেম রিস্টোর ওপেন করুন।
>> System Restore বাটনে ক্লিক করুন।
>> সিস্টেম রিস্টোর উইন্ডো চালু হবে।নেক্সটে যান।
>> সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্টগুলার একটি তালিকা দেখতে পাবেন।খেয়াল করলেই এটি তৈরির সময়,এবং ঐ সময়ে কি কাজ করা হয়েছিল তা দেখতে পাবেন।

>> নিচে Scan for affected programs এ ক্লিক করলে এই রিস্টোর পয়েন্ট এক্টিভ করলে সিস্টেমে বর্তমান অবস্থা থেকে কি কি পরিবর্তন হবে বা কোন কোন এপ্লিকেশন,ডাটা মুছে যাবে বা পুরাতন কোনটা ফিরে আসবে তার তালিকা দেখতে পাবেন।একটা কথা মনে রাখবেন,সিস্টেম রিস্টোর শুধুমাত্র এপ্লিকেশনের উপর প্রভাব ফেলে এপ্লিকেশন দিয়ে তৈরি কোন ফাইলের উপর প্রভাব ফেলে না।



>> আর Show more restore points এ ক্লিক করলে যদি আরো কোন পুরাতন সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্ট থেকে থাকে তার তালিকা দেখতে পাবেন।
>> এরপর Next এ ক্লিক Finish  প্রেস করলেই কাজ শুরু হবে।

মনে রাখবেন,এই সময়ে পিসি একবার রিস্টার্ট নিবেন।রিস্টার্ট নেবার পরো আরো কিছুক্ষন সমস্যা লাগবে কাজ শেষ হতে।পুরোটা সময়ে যদি কোনভাবে বিদ্যুতজনিত কোন কারনে পিসি বন্ধ হয় তাহলে সমস্যায় পড়তে পারেন।সতর্ক থাকুন এ ব্যাপারে।
আরেকটি কথা,বুঝতেই পারছেন সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্ট তৈরির সময় উইন্ডোজ কিছু ডাটা তার মেমোরিতে সেভ করে রাখে,সুতরাং যখন-তখন সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্ট তৈরি করবেন না,তাতে পিসি স্লো হয়ে যেতে পারে।আর আপনি চাইলে উইন্ডোজকে সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্ট-এর জন্য নির্ধারিত স্পেস বরাদ্দ করে দিতে পারেন।এজন্য-
>> সিস্টেম রিস্টোর এ যেয়ে Configure-এ ক্লিক করুন Disk Space Usage ঠিক করে দিন। ছবি-৫৪
>> আর সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্ট কি কি ডাটা সেভ রাখবে তা ঠিক করে দিতে পারবেন Restore Settings থেকে।আর এবারে নিশ্চয়ই কিভাবে সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্ট অপশনটি বন্ধ করে রাখতে পারবেন তাও খুজে পেয়েছেন?৩ নাম্বার সেটিংসটির কথাই বলছি।

>> আর সর্বশেষ সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্টটি বাদ দিয়ে আগের সব মুছে ফেলতে চাইলে নিচের Delete বাটনে প্রেস করুন।

আশা করি যারা কম্পিউটার দুনিয়ায় হাটি হাটি পা পা করে ঢুকেছেন তাদের সবারই কাজে আসবে লিখাটি।
http://techtoday4u.blogspot.com/