Showing posts with label উইন্ডোজ এক্সপি. Show all posts
Showing posts with label উইন্ডোজ এক্সপি. Show all posts

February 9, 2010

উইন্ডোজের দিন-তারিখের ফরম্যাটটি নিজের মতো করে নিন

আমরা সবাইই জানি উইন্ডোজ স্ক্রীণের নিচে বামপাশে থাকে এর ঘড়ি এবং দিন তারিখের আইকনটি।যারা পিসির সামনে সারাটা দিন বসে থাকেন তাদের সময় গণনার জন্য এই ঘড়িটিই ভরসা,সেটাই স্বাভাবিক।কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ঘড়িটি ডিফল্ট হিসেবে আমেরিকান স্টাইল অনুসরন করে,যা হঠাত করে তাকালে আমাদের বুঝতে একটু সময় লাগে।তাই একবার কষ্ট করে এই ঘড়িটকে আপনার সুবিধামতো ফরম্যাটে নিয়ে আসুন,কাজে দিবে।

>> ঘড়িতে ক্লিক করে change date and time settings এ ক্লিক করুন।Change date and time এ ক্লিক করুন। Change calender settings এ যান।

>> Date formats এর Short Dates ড্রপডাউন মেন্যু থেকে আপনার পছন্দের ফরম্যাটটি নির্বাচন করুন।

>> আর একটু নিচে First day of week থেকে সোমবার বা Monday বদলে শনিবার করে দিন।এপ্লাই করে ওকে করুন।

এবারে দেখুনতো ঘড়িটা দেখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন কিনা?

উইন্ডোজ এক্সপির ২টি শর্টকাট টিপস

১. এক্সপি ব্যবহারকারীরা একটা মেসেজ দেখে এখন এতোটাই অভ্যস্থ হয়ে গেছেন যে এটাইকেই তারা তাদের নিয়তি হিসেবে মেনে নেন। সেটা হচ্ছে- “Send an Error Report to Microsoft”.
খুব সহজ ২টি ধাপে আপনি চিরতরে বন্ধ করে দিতে পারেন এই মেসেজ-
১.মাই কম্পিউটারে রাইট ক্লিক করে সিস্টেম প্রোপার্টিজ থেকে এডভান্সড-এ যান।
২. এরর রিপোর্টিং ডিজাবেল করে ওকে করুন।

কাজ কিন্তু শেষ!

২. আরেকটি অতি পরিচিত এক্সপি মেসেজ- "Your computer might be at risk"।যখন তখন কোন আগমনী বার্তা বা কারন ছাড়াই উইন্ডোজ নোটিফিকেশন এর আগমনের সাথে সবারই জানাশোনা আছে বৈকি।আসুনতো কথা না বাড়িয়ে এটিকে বিদায় করে দিই।

১.নোটিফিকেশন এরিয়ার লাল সিকিউরিটি সেন্টার আইকনে ক্লিক করে সিকিউরিটি সেন্টার ওপেন করুন।বামপাশে Resources সেকশনে দেখুন সবার নিচে আছে- “Change the way Security Center alerts me”।এখানে ক্লিক করুন।

২.এলার্ট সেটিংস উইন্ডো আসবে।টিকগুলা উঠিয়ে দিলেই ঝামেলা শেষ।

সিস্টেমের যেকোন সমস্যায় F8-এর ব্যবহার শিখে রাখুন

অপারেটিং সিস্টেম চালু হচ্ছে না।উইন্ডোজ রিপেয়ার করবেন।কিন্তু আপনার কাছে নেই উইন্ডোজ এর ইন্সটলেশন ডিস্ক।এমতাবস্থায় কিভাবে সিস্টেম রিপেয়ার করবেন?উপায় কিন্তু একটা ঠিকই আছে।আর তা হচ্ছে F8. এজন্য বুট স্ক্রীন দেখা যাবার পর উইন্ডোজ স্ক্রীন আসার পূর্বেই কী-বোর্ডের F৮ প্রেস করুন। Advanced Boot Options দেখতে পাবেন। এবারে একে একে আপনাদের জানাব এখানকার কোন অপ্সহনগুলার কি কাজ।

** Safe Mode : এটির ব্যবহার অনেকেই জানি আমরা। এই মোডে উইন্ডোজ শুধুমাত্র বেসিক টুলস/ইউটিলিটিসগুলো নিয়ে লোড হয়। কিন্তু ফাইল/সফটওয়্যার/ড্রাইভার ঠিকই মুছতে/আনইন্সটল করতে পারবেন আপনি।

** Safe Mode with Networking: সাধারণ Safe Mode -এ ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় না। কিন্তু ব্যাপারটা যদি এমন হয় সমস্যার সমাধানে আপনার ইন্টারনেট লাগবে তখন এই অপশন দিয়ে উইন্ডোজ লোড করতে হবে আপনাকে।

** Safe mode with command prompt: এটি পূর্ববর্তী কমান্ড প্রম্পট উইন্ডোই। আগের মতোই ব্যবহার করা যাবে এটিকে।

** Enable Boot Logging: এটি দিয়ে ল্যান করালে উইন্ডোজ বুট হবার প্রতিটি ধাপ ‘সি’ ড্রাইভের উইন্ডোজ ফোল্ডারে btbtlog.txt লিখা হয়ে যাবে। এরপর যদি উইন্ডোজ চালু না হয় তাহলে Safe Mode -এ পিসি চালু করুন। সেভ হওয়া ফাইলটি পড়ুন। খুব সম্ভবত এই ফাইলের শেষ এন্ট্রিটিই আপনার পিসি চালু না হবার কারণ। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন।

** Enable low resulation video(৬৪০*৪৮০) : এর মাধ্যমে উইন্ডোজ তার রেকর্ডে থাকা সর্বশেষ ভালো রেজিস্ট্রি ও ড্রাইভার সেটআপসহ বুট করার চেষ্টা করবে।

** Directory Services Restore Mode: পিসি যদি এনটি ডোমেইন কন্ট্রোলার হয় তখন এইটার প্রসঙ্গ আসবে। অন্য আরেকদিন এটি নিয়ে বলবো।

** Debugging Mode: এটির আসলে তেমন কোনো ভ্যালু দেখছি না আমি। এটি আপনার পিসির সিরিয়াল পোর্ট ব্যবহার করে অন্য ভালো পিসিতে আপনার ডিবাগ ইনফরমেশন সেন্ড করে।

** Disable Automatic Restart on System Failure: এটি পূর্ববর্তী অপশনগুলোর থেকে একটু ভিন্ন। কাজ চলাকালীন ভিসতা ক্র্যাশ করলে খেয়াল করবেন যে, একটি নীল স্ক্রীনে কিছু লিখা এসে পিসি রিস্টার্ট হয়। মাইক্রোসফটই জানে ১/২ সেকেন্ডে এতো বড় এরর মেসেজ পড়ার যোগ্যতা কয়জন মানুষের হয়েছে এটা নিয়ে তাদের মতামতটা আসলে কি, কিন্তু আমি মনে করি এটা নিয়ে তাদের মতামতটা আসলে কি, কিন্তু আমি মনে করি এটা খুবই হাস্যকর এক নিষ্ঠুরতা! কেননা জরুরী এরর মেসেজটা যদি নাই পড়তে পারি তাহলে এর দরকারই বা কোথায়। তাই অটোমেটিক রিস্টার্ট ডিসেবল রাখলে আপনি শান্তিমতো এরর মেসেজ করে পরে ম্যানুয়ালি যা ইচ্ছা তা করতে পারবেন।

** Disable Driver Signature Enfarcemen: সাধারণত ৬৪-বিট ভিসতায় কিংবা সেভেনে  আপনি ডিজিটালি সিগনেচার করা ছাড়া কোনো ডিভাইস ড্রাইভার ইন্সটল করতে পারবেন না। তাই নন সাইনড ড্রাইভার ইন্সটল করার জন্য এটি চালু করা লাগে।

আপনার উইন্ডোজের রেজিস্ট্রি ব্যাকআপ করে রাখুন

উইন্ডোজের রেজিস্ট্রি অপারেটিং সিস্টেমের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর কোনো সমস্যা আপনার পিসির ঠিকমতো কাজ করার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে। সাধারণত কোন প্রোগ্রাম ইন্সতল বা আনইন্সটলজনিত যেসব সমস্যা হয়ে থাকে তা মূলে রয়েছে এই রেজিস্ট্রি।তাই আমাদের সবার উচিত এই রেজিস্ট্রি একটি ব্যাকআপ করে তা নিরাপদ স্থানে সেভ করে রাখা, যাতে প্রয়োজনের সময় তা ব্যবহার করা যায়। কিভাবে এই ব্যাকআপ তৈরি করতে পারবেন আপনি এবারে তাই জানাব আপনাদের।

>> প্রথমে স্টার্ট মেনু থেকে রানে গিয়ে regedit লিখে এন্টার দিয়ে রেজিস্ট্রি এডিটর চালু করুন।

>> এবার ফাইল মেনু থেকে Export সিলেক্ট করুন।

>> এবার এক্সপোর্ট রেঞ্জ All সিলেক্ট করে ফাইলটি কোথায় কি নামে সেভ করবেন তা দেখালেই কাজ হয়ে যাবে।

ট্যাগঃ Windows Registry