Showing posts with label উইন্ডোজ সেভেন. Show all posts
Showing posts with label উইন্ডোজ সেভেন. Show all posts

February 9, 2010

উইন্ডোজ সেভেনে মিডিয়া প্লেয়ার ১২-এর ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করুন সহজেই

মিডিয়া প্লেয়ার ১২ উইন্ডোজ সেভেনের অন্যতম আপডেটেড প্রোগ্রাম কিন্তু কতোদিন একই চেহারার মিডিয়া প্লেয়ার দেখা যায় বলুন তো?জানেন কি উইন্ডোজ দিয়েই আপনি চাইলে আপনার মিডিয়া প্লেয়ার-এর ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তনের কাজটি সারতে পারবেন।

>> প্রথমেই স্টার্ট মেনুতে regedit লিখে এন্টার প্রেস করে রেজিস্ট্রি এডিটর ওপেন করুন।

>> HKEY_CURRENT_USER\Software\Microsoft\MediaPlayer\Preferences এ যান।

>> LibraryBackgroundImage কীতে ডাবল ক্লিক করে এর ভ্যালু 0-6 এর মধ্য যেকোন সংখ্যা করে দিন।প্রতিটির জন্যই আলাদা আলাদা ব্যাকগ্রাউন্ড পাবেন।

ট্যাগঃ Windows 7 Media player background

উইন্ডোজ সেভেনে আপনার এলসিডি মনিটর ফাইন টিউন করে নিন

এলসিডি মনিটর বিলাসিতার লেভেল থেকে নেমে প্রয়োজনের বস্তুতে পরিণত হয়েছে অনেক আগেই।এর একটা ব্যাপার অনেকেইহয়তো খেয়াল করেছেন যে-বিভিন্ন মনিটর ছবির কোয়ালিটি বা লেখার শার্পনেস-এর পার্থক্যটা বেশ চোখে পড়ে।আগের সিআরটি মনিটরে কিন্তু এমনটা হতো না।অনেকসময় অনেক টেক্সট ফাইল পড়তে সমস্যা হতেও দেখা যায়।আর ব্যক্তিভেবে চোখের ক্ষমতার পার্থক্যতো আছেই। এইসব সমস্যার অতি সহজ সমাধান আছে উইন্ডোজ সেভেন।আর তা হচ্ছে ClearType Text Tuner.

>> আপনার স্টার্ট মেনুতে cleartype লিখুন।Adjust cleartype text-এ ক্লিক করুন।

>> Turn On ClearType বক্সে টিক দিন।নেক্সেটে যান।

>> উইন্ডোজ আপনার মনিটরের রেজুলেশন চেক করে ওকে আছে কিনা বলবে।তারপর নেক্সেটে যান।

>> এবার পরপর চারটি উইন্ডোতে উইন্ডোজ আপনাকে কিছু লিখা দেখাবে।প্রতিটি স্ক্রীণে যেটা আপনি সবচেয়ে পরিষ্কারভাবে দেখতে পারছেন তাতে ক্লিক করে নেক্সটে যেতে থাকুন।

>> কাজ শেষ হলে ফিনিশ প্রেস করুন।

উইন্ডোজের মাধ্যমেই যেকোন ড্রাইভ-এ বাড়তি স্পেস যোগ করুন

হার্ডডিস্কের যেকোন পার্টিশন ভাঙ্গা বা নতুন করে তৈরি করার কাজের জন্য অনেকেই আমরা থার্ড পার্টি টুল বা অপারেটিং সিস্টেম সেটাপের সময় প্রদত্ত মেনু ব্যবহার করে থাকি।এবং এই কাজগুলা করতে যেয়ে অনাকাংখিত সমস্যার সম্মুখীন হননি এমন মানুষের সংখ্যাটাও নেহায়েত কম না।উইন্ডোজ ৭ এসব যাবতীয় সমস্যার সমাধান করতে একাই একশ।এই আর্টিকেলে সেদিকে যাব না।আজ বলব অন্য কথা।ধরুন কোন কারনে সেভেন ইন্সটল করে ফেলেছেন এমন একটা ড্রাইভে যেখানে কিনা পর্যাপ্ত পরিমান স্পেস নেই এখন।শুরুর সময়তো আর এতোকিছু বুঝে কাজ করা হয়নি।এদিকে না আছে নতুন প্রোগ্রাম ইন্সটল করার মতো স্পেস না আছে উইন্ডোজ় নতুন করে ইন্সটল করার অবস্থা।কেননা জরুরী সব কাজের রেকর্ড তো এখানেই।এমন অবস্থায় পড়ার অভিজ্ঞতা আমাদের অনেকেরই আছে।আসুন দেখি তো এখন,এমন অবস্থায় করলে কি করতে পারেন আপনি।

এই পরিস্থিতিতে সহজ এক সমাধানের নাম হচ্ছে উইন্ডোজের কম্পিউটার ম্যানেজমেন্ট।সেখানকারই এক অধিবাসী Extend a Partion হতে পারে আপনার ত্রাণকর্তা।এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার হার্ডডাইভের খালি অংশ উইন্ডোজ বা অন্য যেকোন ড্রাইভের সাথে যুক্ত করে দিতে পারেন।

>> প্রথমেই কন্ট্রোল প্যানেল থেকে Administrative Tools এ যান।সেখান থেকে কম্পিউটার ম্যানেজমেন্টে যান।

>>বামপাশের Storage থেকে Disk Management সিলেক্ট করুন।ডানপাশের ঘরে আপনার সিস্টেমের সাথে যুক্ত মেমোরি ডিভাইসগুলার যাবতীয় তথ্য দেখতে পাবেন।

>> এখন আপনি আপনার উইন্ডোজ ড্রাইভে যেখান থেকে স্পেস যুক্ত করবেন হার্ডড্রাইভের সেই পার্টিশনটি শুধু ফরম্যাট করলেই চলবে না এটিকে মুছেও ফেলতে হবে।মানে পার্টিশনটি ডিলিট করে ফেলতে হবে আপনাকে।এজন্য ড্রাইভটিতে রাইট ক্লিক করে Delete Volume-এ ক্লিক করুন।

>> উইন্ডোজ কনফার্মেশন চাইলে Yes প্রেস করুন।

>> এবারে আমরা এই অতিরিক্ত হার্ডডিস্ক স্পেস আমাদের কাংখিত ড্রাইভে যুক্ত করব।এজন্য কাংখিত ড্রাইভে মাউসের রাইট ক্লিক করে Extent Volume-এ ক্লিক করুন।

>> নতুন উইন্ডোতে Extend Volume Wizard ওপেন হবে।নেক্সটে যান।

>> পরের উইন্ডোতে স্পেস বাড়ানোর জন্য প্রাপ্ত মেমোরির পরিমাণ আপনাকে দেখানো হবে।এই মেমোরি সিলেক্ট করে নেক্সটে যান।

>> এবারে ফিনিশ প্রেস করুন।

কাজ হয়ে যাবে।তবে খুব সতর্কতার সাথে বুঝেশুনে কাজ করবেন।প্রতিটি মেসেজ/ওয়ার্নিং ভালো করে পড়বেন।হাজার হলেও ডাটা নিয়ে কাজকারবার তাই না?

এক্সক্লুসিভ উইন্ডোজ সেভেন টিপসঃ উইন্ডোজ ইজি ট্রান্সফার

উইন্ডোজ সেভেনে যে কয়টি নতুন ফিচার যুক্ত হয়েছে তারমধ্যে আমার নিজের পছন্দের একটি ফিচার হচ্ছে উইন্ডোজ ইজি ট্রান্সফার। এটির মাধ্যমে আপনি আপনার পিসির উইজার একাউন্টে থাকা যাবতীয় ডাটা হার্ডডস্কে কপি করে নিতে পারবেন, যার মধ্যে আছে-পিকচার, ডকুমেন্ট, মিউজিক, ভিডিও, ডাউনলোড থেকে শুধু করে সব।এরপর নতুন করে অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটলের কারনে ডাটা হারানো নিয়ে আর চিন্তিত থাকতে হবে না আপনাকে। শুধু এইখানে একবার ঢু মারলেই হবে। প্রথমেই কিভাবে এটি ব্যবহার করবেন তা বলছি।

>> প্রথমেই কন্ট্রোল প্যানেলের ব্যাকআপ এন্ড রিস্টোরে যান।।একদম নিচে বামে Windows Easy Transfer ক্লিক করে ওপেন করুন। নেক্সটে যান।

>> যদি পিসিতে লাগানো কোনো হার্ডড্রাইভ বা পেনড্রাইভে সেভ রাখতে চান তাহলে নিচের ৩ নাম্বার অপশনটি সিলেক্ট করুন। দ্বিতীয় অপশনটি দিয়ে নেটওয়ার্কে থাকা পিসিতে ডাটা রাখতে পারবেন।আর চাইলে ইউএসবি ইজি ডাটা ট্রান্সফার ক্যাবল ব্যবহার করে অন্য পিসিতে ডাটা রাখতে পারবেন।এমনকি অন্য পিসি এক্সপি বা ভিসতা হলেও সমস্যা নেই।শুধু কখন কি করতে হবে তা দেখে কাজ করুন।আর আপনার পিসি বলার আগ পর্যন্ত ক্যাবল পিসিতে লাগাবেন না।আমি ইউএসবি ড্রাইভ বা হার্ডড্রাইভ নিয়ে বিস্তারিত বলছি।

>> এতে ক্লিক করার পর উইন্ডোজ জানতে চাইবে এইটা কি আপনার নতুন না পুরাতন পিসি। যদি আপনি ব্যাকয়াপ করতে চান তাহলে এটি আপনার পুরাতন পিসি মানে এই পিসির ডাটাই তো আপনি সেভ করবেন-এই অর্থে। আর নতুন পিসি সিলেক্ট করে ব্যাকয়াপ থেকে ডাটা রিস্টোর করতে পারবেন বুঝতেই পারছেন।

>> এখন উইন্ডোজ আপনার ইউজার একাউন্টের ডাটা ও শেয়ারড ডাটার পরিমান ও অবস্থান ঠিক করবে।কিছুটা সময় লাগবে এই কাজটি শেষ করতে।অপেক্ষা করুন।

>> হিসেব শেষ হলে মোট আকার ও প্রয়োজনীয় স্পেস-এর পরিমান আপনি দেখতে পাবেন। আর চাইলে ইচ্ছে মতো যেকোনো অংশ আপনি বাদ দিতে পারবেন।এজন্য কাস্টোমাইজে ক্লিক করে অপ্রয়োজনীয় ফাইল বা ফোল্ডার বাদ দিয়ে দিন। বাদ দেবার জন্য এডভান্সড অপশনও রয়েছে, দেখে নিতে ভুলবেন না।

>> এই কাজ শেষ করে নেক্সটে যান।এবার আপনাকে ফাইলটির জন্য পাসওয়ার্ড দিতে হবে।আর ভবিষ্যতে ডাটা রিকভারেও কিন্তু এই পাসওয়ার্ড কাজে লাগবে আপনার,মনে রাখবেন কথাটা। সুতরাং সতর্কতার সাথে কাজ করবেন।

>> এরপর সেভ এ ক্লিক করলেই কাজ হয়ে যাবে।

আর বুঝতেই পারছেন এই সিস্টেমে ডাটা আবার নতুন পিসিতে স্থানান্তরের সমস্য আপনাকে পিসি নির্বাচনের সময় Old Computer অপশনটি সিলেক্ট করতে হবে।

ট্যাগঃ Windows 7 easy transfer

উইন্ডোজ সেভেনে হিডেন ড্রাইভ দেখতে চাইলে

উইন্ডোজ সেভেনে সাধারনত খালি হার্ডড্রাইভ বা ব্ল্যাংক সিডি/ডিভিডি ড্রাইভকে দেখা যায় না।উইন্ডোজ নিজে থেকেই এগুলাকে হাইড করে রাখে।এই সমস্যার সমাধান করতে চাইলে

>> প্রথমে ফোল্ডার অপশনে গিয়ে ভিউ ট্যাবে যান।

>> সেখান থেকে Hide empty drives in the Computer folder এ টিক চিহ্ন দিয়ে ওকে করুন।

উইন্ডোজ সেভেন শর্টকাট টিপস: খুব সহজেই গতিময় করুন আপনার কম্পিউটার ব্যবহার

Shift+Right Click শর্টকাট
ফোল্ডার-ফাইল –এ মাউসের রাইট ক্লিক করে কি করা যায় না যায় সে সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নাই।শুধু যেটা ব্লব এখন তা হচ্ছে কিবোর্ডের Shift বাটনটা চেপে কাজটা করুনতো দেখি।এক্সট্রা আরো কিছু অপশনের দেখা পাবেন এখানে যে কিন্তু বেশ কাজের।যেমন লোকেশন এড্রেসটা কপি করা,কমান্ড উইন্ডোতে ওপেন করা,নিউ প্রসেস হিসেবে রান করানো,স্টার্ট মেনুতে পিন করা সহ আরো কিছু অপশন দেখতে পাবেন।কখনো না কখনো আপনার যা কাজে আসবেই,আমি নিশ্চিত। আর এভাবে কোন ফাইলে ক্লিক করে Sent To-তেও আরো বেশি লোকেশনে সরাসরি ফাইলটি পাঠাবার সুযোগ পাবেন আপনি।

‘’ run as administrator’’ শর্টকাট
উইন্ডোজ ভিসতা এবং সেভেনে অনেক এপ্লিকেশনই চলার আগে run as administrator হিসেবে চলার অনুমতি চায়।এই ঝামেলা থেকে বাচার বিভিন্ন পদ্ধতি আছে যার মধ্যে আজ আপনাদের একটি কিবোর্ড শর্টকাট শেখাব।এপ্লিকেশনটিতে ক্লিক করার সময় কিবোর্ডের Ctrl+Shift চেপে ধরে রাখুন,তাহলেই হয়ে যাবে।

ভলিউম কন্ট্রোল করুন আলাদাভাবে
অনেকেই আমরা খেয়াল করে দেখি নাই যে উইন্ডোজ সেভেন সাউন্ড আইকনে ক্লিক করলে মিউট বাটনের নিচে মিক্সার নামে একটি নতুন অপশন আছে।কখনো এতে ঢুকেছেন কি?এর মাধ্যমে আপনি আপনার সিস্টেমে চলতে থাকা প্রতিটি প্রোগ্রামের সাউন্ড আলাদা করে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।যেকন একটি প্রোগ্রামের সাউন্ড কমিয়ে আরেকটির সাউন্ড বাড়াতে পারবেন,যেভাবে ইচ্ছা সেভাবেই।

শাটডাউন বাটন ঠিক করুন
মাইক্রোসফটের আজব এক খেয়াল!স্টার্ট মেনু থেকে শাটডাউনকে বাদ দিয়ে সেখানে লক বাটনকে স্থান দিয়েছে তারা।এর কি মানে থাকতে পারে তা বোধোহয় অনেকেরই বোধগম্য নয়।এখন যাই হোক কষ্ট করে আপনিই না হয় কাজটা করে ফেলুন।
>> টাস্কবারে রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজে যান।
>> Start Menu ট্যাবে যান।
>>Power button action ড্রপডাউন বক্স থেকে Shut Down সিলেক্ট করে Apply,Ok করুন।

নোটিফিকেশন এরিয়া কাস্টোমাইজেশন
উইন্ডোজ সেভেনের নোটিফিকেশন এরিয়াতে সাধারণত বাটনগুলা দেখা যায় না।বরং সেখানে থাকা এরোতে ক্লিক করলে বাটন দেখা যায় এবং এরপরে গিয়েই কাজ সারা যায়।কিন্তু আমার ধারনা যেসব প্রোগ্রামের নোটিফিকেশন এরিয়াতে বাটন থাকে সেগুলা বেশ গুরুত্বপূর্ণই বটে এবং সবসময় এগুলা দেখা গেলেই বরং কাজের সুবিধা হয়।


>> নোটিফিকেশন এরিয়াতে Customize-এ ক্লিক করুন।কন্ট্রোল প্যানেলের নোটিফিকেশন এরিয়া আইকন সেটিংস ওপেন হবে।
>> একদম নিচের অপশনে টিক দেয়া মানে সবগুলা আইকনই দেখা যাবে।
>> আর তা না করতে চাইলে প্রতিটি প্রোগ্রামের পাশের ড্রপডাউন মেনু থেকে কাংখিত অপশন নির্বাচন করে দিন।

>> আর সিস্টেম আইকন গুলারে সেটিংস পাবেন এই বক্সের নিচেই Turn system icons on or off-এ গিয়ে।

উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার কাস্টোমাইজেশন
উইন্ডোজ সেভেনে এক্সপ্লোরার উইন্ডোতে এক্সপির মতো File,Edit বা Tools ট্যাব দেখা যায় না।

এই সমস্যার সমাধান করতে Organize ট্যাবে ক্লিক করে Layout থেকে Menu bar-এ টিক চিহ্ন দিয়ে দিন।আর Layout-এর নিচেই খুজে পাবেন সবার দরকারি Folder and search options অপশনটি।

উইন্ডোজ সেভেনের নতুন টাস্কবারের ব্যবহার

প্রয়োজনীয় এপ্লিকেশন পিন করে রাখুন
উইন্ডোজ ৭ ব্যবহারের শুরুতেই এর টাস্কবারের একটি পরিবর্তন সবার নজরে আসে।আর তা হচ্ছে এতে কুইক লঞ্চ বাটন নেই। কিন্তু এতে বেশি দুশ্চিন্তা করার কিছু আছে বলে মনে হয় না।আপনি চাইলে আপনার টাস্কবারেই যেকোন এপ্লিকেশনকে পিন করে রাখতে পারেন।কিভাবে?খুব সহজ।যেকোন প্রোগ্রাম চালু করে টাস্কবারে তা আইকনে রাইট ক্লিক করে Pin this program to taskbar-এ ক্লিক করুন,কাজ হয়ে যাবে।যেকোন ফোল্ডারকেও একইভাবে পিন করে রাখতে পারবেন যা কিনা আগে ছিল না।আর কোন এপ্লিকেশন টাস্কবারের কোথায় থাকবে তাও মাউস দিয়ে ড্রাগ এন্ড ড্রপ করেই নির্ধারণ করতে পারবেন।
যেকোন প্রোগ্রাম আইকনে প্রথমবার ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি ওপেন হবে।কিন্তু পরবর্তী যেকোন সময়ে ক্লিক করে উইন্ডোটি ম্যাক্সিমাইজ হবে,নতুন প্রোগ্রাম কিন্তু ওপেন হবে না।তখন নতুন প্রোগ্রাম ওপেনের জন্য আপনাকে রাইট ক্লিক করতে হবে।

উইন্ডো ওপেন না করেই কাজ সারুন এক ক্লিকে
যেকোন এপ্লিকেশন উইন্ডো যেমন ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার,ফায়ারফক্স কিংবা পিডিএফ ভিউয়ার এ যদি একাধিক ট্যাব ওপেন করে রাখা হয় তাহলে দরকারি ট্যাবটি খুলতে বা বন্ধ সবসময় যে আপনার উইন্ডোটি ম্যাক্সিমাইজ করতেই হনে এমনটা ভাবার দিন কিন্তু শেষ।যদি আপনার এরো এনাবেল করা থাকে(৭৫%) পিসিতেই তা করা থাকে বলে আমার বিশ্বাস) তাহলে আপনি জাস্ট টাস্কবারে এপ্লিকেশন আইকনে মাউস রেখেই কাজটি সেরে নিতে পারবেন।
যেমন আইই-এর ক্ষেত্রে টাস্কবারে মাউস রাখুন,দেখবেন যে কয়টি ট্যাব খোলা তার প্রতিটিরই থাম্বনেইল দেখা যাচ্ছে।থাম্বনেইলে মাউস রাখলেই অটোমেটিক তা ম্যাক্সিমাইজ হচ্ছে।অথচ এখন পর্যন্ত কোন মাউস ক্লিকই করতে হয়নি আপনাকে।এবারে যেটি ম্যাক্সিমাইজ করতে চান সেটিতে ক্লিক করুন আর বন্ধ করতে চাইলে উপরে ডানে ক্রস আইকন প্রেস করুন।

 সাম্পতিক ফাইল ওপেন করুন টাস্কবার থেকেই
এতোদিন পরযন্ত সাম্প্রতিক ডকুমেন্ট ওপেন করতে হলে আপনাকে রিসেন্ট ফাইলস বা ডকুমেন্টস এ যেতে হতো।কিন্তু উইন্ডোজ ৭ এ এই কাজটিও আপনি টাস্কবার থেকেই সারতে পারেন।ধরুন ওয়ার্ডের রিসেন্ট ফাইল খুলতে টাস্কবারে থাকা ওয়ার্ড আইকনে রাইট ক্লিক করলেই সাম্পতিক ওপেন করা ফাইলগুলার নাম দেখতে পাবেন।এবার শুধু তাতে ক্লিক করুন।তবে এজন্য আপনার এপ্লিকেশনটিও উইন্ডোজ ৭ কম্পাটিবল হতে হবে।যেমন অপেরার লেটেস্ট ভার্সন ব্যবহার না করলে আপনি এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন।


টাস্কবার প্রোগ্রাম চালুর কিবোর্ড শর্টকাট
টাস্কবারে থাকা প্রোগ্রাম আপনি শুধু যে মাউসের সাহায্যেই চালু করতে পারবেন এমনটা কিন্তু নয়।নতুন আরেকটি কিবোর্ড শর্টকাটের মাধ্যমেও চাইলে আপনি টাস্কবারে থাকা প্রোগ্রাম চালু করতে পারেন।উইন্ডোজ কী চেপে ০-৯ পর্যন্ত যেকোন সংখ্যা চাপলে টাস্কবারে থাকা প্রোগ্রামগুলা বাঁ থেকে ডানে ক্রমান্বয়ে চালু হবে।

টাস্কবার আগের মতো করে নিন
মাইক্রোসফটতো আপনার ১৪’’/১৫’’ ছোট্ট মণিটরের কথা না ভেবেই এক্সপি/ভিসতার তুলনায় বড় এক টাস্কবার বানিয়ে বসে আছে।এর চাহিদা পূরণ করতেই তো অনেকখানি চলে যাচ্ছে আপনার ,চাই নয় কি?সুতরাং আর দেরি না করে এখনি একে ছোট করে ফেলুন তো!
>> টাস্কবারে রাইটক্লিক করে প্রোপার্টিজে যান।
>> Use small icons বক্সে্ টিক দিয়ে Apply,OK করুন।

উইন্ডোজে গডমোড এনাবেল করুন

গডমোড সম্পর্ক-এ অনেকেরই ধারণা আছে।উইন্ডোজের যাবতীয় কন্ট্রোল সেটিংস উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার-এর মতো করে ব্রাউজ করা সম্ভব এই মোড ব্যবহার করে।

বিশেষত যারা নতুন পিসি ব্যবহাকারী,কোন সিস্টেম সেটিংস কন্ট্রোল প্যানেলে খুজতে গিয়ে যাদের নিজেদেরই হারিয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে তাদের জন্য গডমোড অত্যাবশ্যক।গডমোড এনাবেল করার বিভিন্ন পদ্ধতি আছে।আমি উইন্ডোজ সেভেনের জন্য সবচেয়ে সহজটি আপনাদারে বলছি।

>> প্রথমেই উইন্ডোজ এক্সপ্লোরারে বা ডেস্কটপে মাউসের রাইট ক্লিক করে একটি নতুন ফোল্ডার তৈরি করে নিন।

>> এবারে ফোল্ডারটিকে রিনেম করুন, নাম দিন
GodMode.{ED7BA470-8E54-465E-825C-99712043E01C}
>>দেখুন আপনার ফোল্ডারের আইকন চেঞ্জ হয়ে কন্ট্রোল প্যানেলের আইকন দেখা যাচ্ছে।এখন থেকে এখানেই ক্লিক করে যাবতীয় সিস্টেম সেটিংস পরিবর্তন করাটাই আপনার জন্য অনেক সহজ হবে।
ট্যাগঃ Windows Godmode,Windows 7

February 7, 2010

উইন্ডোজ সেভেন কম্পাটিবিলিটি : কি,কেন এবং কিভাবে ব্যবহার করবেন

একটা কথা জানেন কি?প্রযুক্তি বোদ্ধাদের অনেক তালিকাতেই উইন্ডোজ ভিসতা সবার উপরে অবস্থান করছে?কোন দিক দিয়ে?সবচেয়ে বাজে পণ্যের তালিকাতে!আর কেন উইন্ডোজ ভিসতা বাজে এই উত্তরটা আমরা সবাইই জানি।তা হচ্ছে হার্ডওয়ার এবং বিভিন্ন সফটওয়ারের সাথে এর কাজ না করার ক্ষমতা।ভিসতা কিভাবে এতোটা আনকম্পাটিবল হলো তার কোনো সন্তোষজনক জবাব আজো মাইক্রোসফট দিতে পারেনি।
তারপরো উইন্ডোজ ৭ নিয়ে বরাবরাই মাইক্রোসফট বড় বড় কথা বলে এসেছে।আর এই বড় কথাগুলার মধ্যে বড় স্থান দখল করে আছে কম্পাটিবিলিটি নিয়ে কথা।মাইক্রোসফট বলছে হালের সব সফটওয়ার ও হার্ডওয়ার তো কম্পাটিবল হবেই সাথে সাথে আগের সফটওয়ার ও হার্ডওয়ার চালাবার জন্যও বিশেষ পন্থা রাখা হয়েছে উইন্ডোজ ৭-এ।যদিও এসব কথা আপাতদৃষ্টিতে বাস্তবতার মুখ দেখেছে বলেই মনে হচ্ছে তবু এক্সপির তুলনায় এখনো বেশ খানিকটা পিছিয়ে আছে সেভেন।সেভেনে কম্পাটিবিলিটির জন্য মাইক্রোসফট সূচনা করেছে সম্পূর্ণ নতুন সিস্টেম ‘এক্সপি মোড’।এর মাধ্যমে আপনি আপনার উইন্ডোজ় সেভেনের ভেতরেই উইন্ডোজ এক্সপি চালাতে পারবেন।তবে বোধকরি এর চেয়ে ভার্চুয়াল মেশিন অনেক এগিয়ে।সেই সম্পর্কে একটু পরেই বলছি।এখন আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব উইন্ডোজ সেভেনের কম্পাটিবিলিটি অপশনের সাথে এবং শিখাব এর যথার্থ ব্যবহারের কলাকৌশল।

কম্পাটিবিলিটি কি?
উইন্ডোজ ৭ একদমই নতুন একটি অপারেটিং সিস্টেম।কিন্তু আপনি যেই পিসি ব্যবহার করেন তার হার্ডওয়ারগুলাতো আর নতুন না।সেগুলা যখন নির্মাতা প্রতিশঠান বানিয়ে বাজারযাত করে তখন নিশ্চয়ই তারা সেভেনের কথা মাথায় রাখেনি,তাই না?সফটওয়ারের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।বর্তমান জমানার আমাদের ব্যবহার্য সবকিছুই বানানো হয়েছে এক্সপি কিংবা ভিসতাকে মাথায় রেখে।তাহলে?এই সবকিছু উইন্ডোজ ৭ এ ঠিকমতো চলবে তো?কেননা নতুন অপারেটিং সিস্টেম মানেই নতুন কিছু,আর যেহেতু সেভেনের কার্নাল আগের সব অপারেটিং সিস্টেমের চেয়ে আলাদা তখন কি হবে?এইসব কিছু মাথায় নিয়েই মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ৭ এ কম্পাটিবিলিটি ইস্যুটি নিয়ে শুরু থেকেই কাজ করে গেছে।কম্পাটিবিলিটি মানে হচ্ছে এক অপারেটিং সিস্টেমের জন্য বানানো সফটওয়ার বা হার্ডওয়ার আরেক অপারেটিং সিস্টেমে চলার ব্যাপারটা।যদিও ভিসতাতেও এই সিস্টেম ছিল কিন্তু তা কতটুকু কাজে এসেছে তা আমরা সবাইই জানি।তবে আশার কথা হচ্ছে সেভেনে তেমনটা হয়নি।এখন পর্যন্ত বিভিন্ন হার্ডওয়ার ও সফটওয়ার সেভেনের সাথে ভালোভাবেই কাজ করছে।বিশেষত পিসির বেশিরভাব হার্ডওয়ারের জন্য উইন্ডোজ ৭ এর ডিফল্ট ড্রাইভারই যথেষ্ঠ ভালো পারফরম্যান্স প্রদানে সক্ষম।

এবার আপনাদের বলবো বিভিন্ন সফটওয়ারের জন্য কম্পাটিবিলিটি অপশন কিভাবে ব্যবহার করবো সেটি।

প্রথমেই বিবেচনা করি আপনার কোনো সফটওয়ার ইন্সটল হতে চাচ্ছে না।তখন কি করবেন
>>প্রথমে সেটাপ ফাইলে রাইট ক্লিক করে ট্রাবলশ্যুট কম্পাটিবিলিটি সিলেক্ট করুন।


>>উইন্ডোজ নিজে নিজেই সফটওয়ারটির সমস্যা খুজে বের করার চেস্টা করবে।
>>এরপর উইন্ডোজ আপনাকে দুইটা অপশন দেখাবে।ট্রাই রিকমান্ডেড সেটিংস এবং ট্রাবলশ্যুট প্রোগ্রাম।

>>ঝামেলা এড়াতে চাইলে প্রথমটি নির্বাচন করে উইন্ডোজই সেই প্রোগ্রামের জন্য সম্ভাব্য সঠিক সেটিংস নির্বাচন করে সেটিকে রান করাবে।এজন্য আপনাকে স্টার্ট দা প্রোগ্রামে ক্লিক করতে হবে।আর উপরে আপনি দেখতে পাবেন কোন সেটিংস এপ্লাই করা হচ্ছে।এক্ষেত্রে উইন্ডোজ এক্সপি সার্ভিস প্যাক ২ এর সেটিংস নির্বাচন করেছে উইন্ডোজ।

>>নেক্সটে ক্লিক করে চাইলে সবসময়ের জন্য এই সেটিংটি সংশ্লিস্ট প্রোগ্রামের জন্য সিলেক্ট করে রাখতে পারেন।
>>তবে ঝামেলা হলেও আমার পর্যবেক্ষণ হচ্ছে এইভাবে কাজ চালানোর চেয়ে ট্রাবলশ্যুট প্রোগ্রাম নির্বাচন করাটাই পরবর্তীতে ভালো ফল বয়ে আনে।
>>ট্রাবলশ্যুট প্রোগ্রাম-এ ক্লিক করলে পরের মেনুতে জানতে চাওয়া হবে আপনার কি সমস্যা হচ্ছে।বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রথমটিই আপনি টিক দিবেন যেটিতে বলা হচ্ছে আগের উইন্ডোজ ভার্সনে এটি চলতো কিন্তু সেভেনে চলছে না।নেক্সটে যান।

>>এবার জানতে চাওয়া হবে কোন উইন্ডোজে এটি চলতো।স্বস্তির কথা হচ্ছে উইন্ডোজ ৯৫ থেকে শুরু করে ভিসতার সার্ভিস প্যাক ২ বা এক্সপিসার্ভিস প্যাক ৩ সবই পাবেন তালিকায়।দরকারিটি টিক দিন।না জানলে কি করবেন?যদিও আই ডন্ট নো অপশনও রাখা হয়েছে তবে আমি বলব এক্সপি সার্ভিস প্যাক ২ নির্বাচন করে নেক্সটে যেতে।বৃথা যাবে না আপনার পরিশ্রম।
>>এবারে আগের মতোই।প্রোগ্রাম স্টার্ট করুন ও সেটিংস সেভ করে রাখুন।

এই পন্থাতো মূলত ইন্সটলের সময়ে কাজে লাগানোর জন্য।আর ইন্সটলের পর?বিশেষত গেমারদের কাজে লাগবে এমন পন্থা বলছি এখন।হয়তো অনেকেই এটি জানেন কিন্তু যারা জানেন না তাদের তো জানাতে হবে!
এপ্লিকেশন বা গেমের রান করার .exe ফাইলে রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজে যান।
>>কম্পাটিবিলিটি ট্যাব সিলেক্ট করুন।
>>কমাটিবিলিটি মোড থেকে ‘রান দিস প্রোগ্রাম ইন কম্পাটিবিলিটি মোড ফর’ বক্সটি চেক করে কম্পাটিবল অপারেটিং সিস্টেম নির্বাচন করে দিন।
>>তবে যদি এপ্লিকেশনটি বেশি পুরানো হয় তাহলে আপনাকে নিচের অপশনগুলাও বুঝেশুনে টিক দিয়ে নিতে হবে,নইলে চালাতে পারবেন না।