February 4, 2010

গেম রিভিউঃ দা লঙ্গেস্ট জার্ণি

এবারে নতুন গেমের জগৎ ছেড়ে একটু পুরাতনের জগতে ঢু মারা যাক কি বলেন ? যারা জনপ্রিয় এ্যাডভেঞ্চার গেমগুলো খেলেছেন তারা হয়তো The Longest Journey  গেমের নাম শুনে থাকবেন। নরওয়েজিয়ান গেম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফানকম এর তৈরী এটি একটি পয়েন্ট এ্যান্ড ক্লিক ধাঁচের এ্যাডভেঞ্চার গেম।
১৯৯৯ সালে রিলিজ পাওয়া The Longest Journey গেমটি প্রচুর প্রশংসা কুড়িয়েছিল শুধুমাত্র এর ব্রিভ্রান্তিমূল এবং সেই সাথে জটিল কাহিনী, হাই প্রোডাকশন ভ্যালু এবং এর জটিল জটিল ধাঁ ধাঁ গুলোর জন্য। এই গেমের কাহিনী গড়ে উঠেছে আরকেডিয়া এর সমান্তরাল মহাবিশ্বকে ঘিরে। আর এই আরকেডিয়া হচ্ছে যাদুবিদ্যা থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের উন্নত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সম্মিলিত রূপের একটি বিশ্ব। অর্থাৎ, লৌকিক আর অলৌকিকের সংমিশ্রন রয়েছে এই গেমে।
 ১৮ বছরের তরুণী এপ্রিল রায়ান একজন আর্টের ছাত্রী। স্টার্কে তার বসবাস। একসময় রায়ান বুঝতে পারে এই দুই জগতের সীমারেখা ক্রমশ চোট হয়ে আসছে এবং তারপর সে জানতে পারে সে একজনশিফটার অর্থাৎ এই দুই জগতের বিচরণ করার ক্ষমতা তার মাঝে রয়েছে। ঝাঁপিয়ে পড়ে রায়ান। এই দুই জগতের ভারসাম্য রক্ষার জন্য শুরু হয় তার দুঃসাহসিক অভিযান। আর ইে অভিযানের মধ্য দিয়ে রায়ান উপলব্ধি করতে থাকে ভিন্ন মাত্রার দুই জগৎ !

গেমের গ্রাফিক্স ও সাউন্ড কোয়ালিটি বেশ উন্নত মানের ( অন্ত:ত সেই সময়কার গেমের তুলনায়)। গেমের বিভিন্ন ধাঁচরে পাজল বা ধাঁধাঁ গেমারকে মুগ্ধ এবং সেই সাথে হতবুদ্ধি দুইই করতে সক্ষম। যারা এ্যাডভেঞ্চার গেম খেলতে ভালোবাসেন তারা এই গেমটি খেলে দেখতে পারেন।

গেম রিভিউঃ লেফট ফর ডেড ২

ভৌতিক শক্তির বিরূদ্ধে যুদ্ধ করতে কার না ভালো লাগে? ভূত যারা বিশ্বাস করেন না তারাও এবার ভূত নিধনের কাজে নেমে পড়তে পারেন অবলীলায়। আর আপনাকে এই ভূত মারার কাজটি করতে হবে লেফ্ট ফর ডেড টু গেমটিতে। লেফ্ট ফর ডেড সিরিজের প্রথম গেম লেফ্ট ফর ডেড বাজারে আসার পরপরই গেমারদের মধ্যে দারুণ সাড়া ফেলে দেয়। আর এবারো কিন্তু তার ব্যতিক্রম হয় নি। লেফ্ট ফর ডেড- এর যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে লেফ্ট ফর ডেড টু এর চাহিদা বর্তমানে প্রচুর।
লেফ্ট ফর ডেড টু তে এবারে থাকছে ৫টি ক্যাম্পেইন ম্যাপ। গেমটির ক্লেভার ডিজাইন কনসেপ্ট গেম খেলার সময় কীভাবে এগোতে হবে তার পরিষ্কার ধারণা দিবে গেমারকে। এছাড়াও গেমটির পরিবেশ গেমারকে গেমটির মূল ঘটনা জানতে সাহায্য করবে। গেমটিতে ভূত মারার জন্য আপনি বিভিন্ন ধরণের অস্ত্র পাবেন। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য অস্ত্রগুলো হলো- পিস্তল, শটগান, সাবমেশিন গান এবং অ্যাসল্ট রাইফেল। এছাড়াও গেমার ফায়ার এ্যাক্স, ক্রোবার, ক্রিকেট ব্যাট, ফ্রাইং প্যান প্রভৃতি ভূত মারার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন। গেমটি ভার্সাস এবং রিয়েলিজম- এই দুই মোডে খেলা যাবে।

পূর্বের তুলনায় গেমটির এ.আই ( কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ) কিছুটা উন্নত করা হলেও গেমের গ্রাফিক্স এবং সাউন্ড কোয়ালিটি পূর্বের মতোই রয়েগেছে। এ্যাকশন গেম যাদের প্রিয়র তালিকায় রয়েছে তারা এই গেমটি খেলে দেখতে পারেন।

সর্বনিম্ন সিস্টেম চাহিদা/Minimum System Configuration :
অপারেটিং সিস্টেম : উইন্ডোজ এক্সপি/ ভিসতা/ ভিসতা ৬৪/ ৭
প্রসেসর : ইন্টেল পেন্টিয়াম ৪, ৩.০ গি:হা:
র‌্যাম : এক্সপির জন্য ১ গিগাবাইট/ ভিসতার জন্য ২ গিগাবাইট মেমোরি
ভিডিও কার্ড : ১২৮ মে:বা: (ATI x 800, NVidia 600)
৭.৫ গি:বা: ফ্রি হার্ডডিস্ক স্পেস এবং ডিরেক্ট এক্স ৯.০ সি

এই সাইটের লেখাগুলার কপিরাইট প্রসঙ্গে

এই সাইটের প্রায় সব লিখাই একইসাথে মাসিক টেকনোলজি টুডেতেও প্রকাশিত হচ্ছে।আর টেকনোলজি তুডের আগের লিখাগুলাও এখানে দেয়া হচ্ছে পত্রিকার সমস্ত নিয়মকানুন মেনেই।

টেকনোলজি টুডে ২০০২ সালের জুন থেকে নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে আসছে।সুতরাং পথচলার এই দীর্ঘ সময়ে এর লেখার কালেকশন কিছু কম না।এবং এখান থেকে লেখার তথ্য নিয়ে বিভিন্ন সমস্য বিভিন্ন মিডিয়াতেও স্বভাবতই তা প্রকাশিত হয়।সুতরাং এই সাইটের কোন লেখাই অন্য কোন সাইট/মিডিয়ার থেকে কপি-পেস্ট করা না।আমার কাছে সমস্ত লেখার হার্ড কপি আছে।চাইলে যেকেউ তা দেখে নিশ্চিত হয়ে নিতে পারেন।

মূলত পত্রিকার সবগুলা লেখার একটা অনলাইন আর্কাইভ গড়ে তোলাই আমার এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।আর অনলাইনের এই দুনিয়ায় শুধু প্রিন্ট না সব মিডিয়াতেই দরকার সমান প্রচার,এইটা কি আর অস্বীকার করার উপায় আছে?

গেম রিভিউঃ ডার্ক ভয়েড

আনরিয়েল ইঞ্জিন ৩ এর উপর ভিত্তি করে নির্মিত ডার্ক ভয়েড একটি অসাধারণ এ্যাকশন গেম। গেমটি এক্সবক্স ৩৬০, প্লে-স্টেশন ৩ সহ পিসি ভার্সনেও রিলিজ করা হয়েছে। গেমটিতে গেমারকে এলিয়েনদের বিরূদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হবে।

বারমুডা ট্রায়াঙ্গল-এ বিপদে পড়া কার্গো পাইলট উইলিয়াম অগাস্টাস গ্রে কে ঘিরে গেমের কাহিনী কেন্দ্রীভূত হয়েছে এই গেমে। বারমুডা থেকে নায়ক চলে যাবে সমান্তরাল মহাবিশ্বে যেখানে তাকে মুখোমুখি হতে হবে সারভাইভারস নামক অন্য মানব প্রজাতির সঙ্গে। উইল এবং সেইসব মানব প্রজাতিদের ওয়াচারস যুদ্ধে জয়ী হয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসার চেষ্টা করতে হবে। এমতাবস্থায় বহির্বিশ্বের প্রাণীরা পৃথিবী দখল করে মানব জাতির উপর প্রভুত্ব স্থাপন করে এবং মানবজাতিকে তাদের হুকুম পালনের নির্দেশ দেয়, আর তাই এবারে গেমারকে অবতীর্ণ হতে হবে এলিয়ে দের বিরূদ্ধে। মানবজাতি রক্ষার্থে তাকে এবার মুখোমুখি যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হবে বহির্বিশ্বের প্রাণীদের বিরূদ্ধে।


গেমটিতে একটি নতুন ভার্টিকাল কভার সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। চিড়াচড়িত গেম প্লে থেকে ফ্লাইট গেম প্লে তে যাবার জন্য গেমটিতে প্রথমে হোভার প্যাক এবং পরবর্তীতে একটি জেটপ্যাক সংযুক্ত করা হয়েছে। যা গেমের মজা বাড়িয়ে দিবে অনেকটাই। বিভিন্ন পথে একই উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য ট্যাকটিক্যাল ফ্রিডম গেমটির একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য। উদাহরণ স্বরূপ, গেমটিতে গেমারকে Archon নামক একটি বিশাল রোবট শত্র“র মোকাবেলা করতে বলা হবে। Archon নামক রোবটকে ধ্বংস করার প্রথম উপায় হচ্ছে এর পায়ে গুলি করা এবং তারপর রোবটটি পড়ে গেলে এর লেজ বেয়ে উঠে Archon রোবটকে যে নিয়ন্ত্রণ করছে সেই নিয়ন্ত্রণকারী ওয়াচার (এলিয়েন) কে হত্যা করা। আর Archon কে ধ্বংস করার অন্য উপায়টি হচ্ছে এলিয়েনদের ইউ.এফ.ও হাইজ্যাক করে তা দিয়ে অৎপযড়হ কে ধ্বংস করা। অর্থাৎ, একজন গেমার উদ্দেশ্য সাধনের জন্য বিভিন্ন পথ অবলম্বন করতে পারবেন। গেমের গ্রাফিক্স এবং শব্দশৈলী বেশ ভালো। যারা সায়েন্স ফিকশন ভালোবাসেন তাদের জন্য এই গেমটি একটি আদর্শ গেম হতে পারে।
সিস্টেম কনফিগারেশন/ System Configuration: :
অপারেটিং সিস্টেম : এক্সপি/ ভিসতা
প্রসেসর : ইন্টেল ২.৪ গি:হা: অথবা এএমডি ২.০ গি:হা:
গ্রাফিক্স কার্ড : জিফোর্স ৭৯০০ অথবা রেডন ৩৮৫০ সিরিজ
মেমোরি : ১ গি:বা: এবং ১০ গি:বা: ফ্রি হার্ডডিস্ক স্পেস।

http://techtoday4u.blogspot.com/

February 3, 2010

টিউটোরিয়ালঃ থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স দিয়ে চোখ তৈরি

আজ থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স-এর আরেকটা টিউটোরিয়াল নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হলাম।আজ আপনাদের শেখাব কিভাবে থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স দিয়ে মানুষের চোখ তৈরি করা যায়।থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স দিয়ে মানুষের চোখের ভালো একটি থ্রিডি মডেল তৈরি করা বেশ কঠিন একটি কাজ।মূলত কিছুটা অভিজ্ঞদের জন্যই এই লিখাটি।তথাপি আমি যতটা সম্ভব সহজ বলে বলার চেষ্টা করব আপনাদের।
আগে আপনাদের মডেলটি সপম্পর্কে একটা ধারণা দিয়ে নেই।একটি থ্রিডি চোখে বা আইবলে ২ থেকে ৩টি অংশ থাকবে-কর্ণিয়া,আইরিশ,স্ক্লেরা।আপনি চাইলে আইরিশ আর স্ক্লেরা নিয়ে একসাথে কাজ করতে পারেন।শুধু আইবলের জন্যই নয়,পুরো চোখের ভেতরের এবং বাইরের সঠিক আকৃতির জন্য আপনি কি ধরনের জিওমেট্রি ব্যবহার করবেন তা খুব গুরুত্বপূর্ণ।এজন্য শুরুতেই আগে দেখে নিন চোখটি কেমন হবে।এতে কাজের সুবিধা হবে।

>> প্রথমেই আমরা ক্যাপসুল প্রিমিটিভ ব্যবহার করব।এজন্য Create > Geometry > Extended primitives > Capsule and drag সিলেক্ট করুন।তবে স্ফেয়ার প্রিমিটিভ ব্যবহার করবেন না,এতে কাংখিত আকৃতি পাবেন না।

>> সাইড নাম্বার ৮ ঠিক করুন,তারপর এটিকে এডিটেবল পলিতে কনভার্ট করুন।

>> এবারে মাঝের ফেসটি মুছে দিন।

>> এবারে খন্ডিত দুই অংশকে জোড়া লাগান,তাহলে অক্ষিগোলকের মত আকৃতি পেয়ে যাবেন।

>> এবারে নিচের ছবির মতো করে কর্ণারগুলাকে যুক্ত করুন।

>> ছটো আরেকটি স্ফেয়ার তৈরি করে কর্ণার মুছে দিন

>> বড়টিকে স্ফেয়ারটিকে Shift+Scale চেপে ডুপ্লিকেট করুন।তারমানে এখন এখন পজিশনে দুইটি স্ফেয়ার আছে আপনার।নতুন স্ফেয়ারটিকে সিলেক্ট করে কর্ণার ঠিক করে চ্যাম্ফার করুন।


>> মেশস্মুথ মডিফায়ার ব্যবহার করে জিওম্যাট্রির সাথে প্লে করুন।এর সম্মুখপ্রান্তে bulge বানিয়ে দিন।এমনটি দেখাবে


>> এবারে ভেতরের স্ফেয়ারটিকে নির্বাচন করে নিন।সফট সিলেকশন মুড ব্যবহার করে জিওম্যাট্রিটিকে রিশেপ করে নিন।সম্মুখপ্রান্ত flatten out করে দিন।এই অংশটিই হবে আপনার আইরিশ পার্ট।


>> আর ফাইনাল আইবল জিওম্যাট্রি দেখতে এমন হবে।

>> এবারে থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স থেকে মাথার মডেল ইমপোর্ট করে আইবল সেখানে জায়গামতো বসান।

>> এবারে আমরা চোখের পাতা তৈরি করব।প্রথমেই কয়েকটি স্লাইন কার্ভ বানিয়ে নিন।তারপর বৃত্তাকার সার্ফেস তৈরি করুন,প্রতিটি স্লাইন বরাবর এক্সট্রুড করুন।ভিন্ন ভিন্ন কয়েকটি কার্ভ পাবেন।ট্যাপার প্যারামিটার সেট করুন এমনভাবে যাতে একপ্রান্ত চীকন থাকে।


একইভাবে চোখের নীচের প্রান্তের জন্য আপনাকে পাতা তৈরি করে নিতে হবে।এগুলা অপেক্ষাকৃত আরো বেশি বাকানো এবং ছোট হবে।

>> এবার এগুলা কপি করুন।ক্রাউড তৈরি করুন এবং চোখের পাতার বরাবর বসান।মনে রাখবেন পাতাগুলার ডিরেকশন হবে চোখের সেন্টার বরাবর।


এই ধাপটি খুব সূক্ষ্ণভাবে সময় নিয়ে করতে হবে আপনাকে।নতুবা চোখ তার বাস্তবতা হারাবে।বিভিন্নভাবে বারবার চেষ্টা করে দেখুন।

>>এবারে পরের ধাপ।ওয়েট লেয়ার দিয়ে কার্ভড পাইপের মতো জিওম্যাট্রি তৈরি করুন।মনে রাখবেন এর কার্ভেচার কিন্তু কর্ণিয়ার কার্ভেচারের সাথে মিলতে হবে।আপনি চাইলে ট্রায়াঙ্গুলার জিম্যাট্রি ব্যবহার করে কিছু ডেপথ নিয়ে caruncula তৈরি করতে পারেন।তারপর এটিকে চোখের ভেতরে বসান।

>>এবারের চোখের টেক্সচার তৈরির পালা।এজন্য কর্ণিয়া আর স্ক্লেরার বাইরে ইউভিতে pelt mapping ব্যবহার করুন।স্ট্রেচিং এর ঝামেলা করতে চাইলে প্রতিটি স্ক্লেরা আর কর্ণিয়া মেশের মাঝে আলাদা সীম তৈরি করুন।এজন্য আপনার চারটি ম্যাপ লাগবে।

১. স্ক্লেরা ডিফিউজ কালার

২.আইরিশ সেলফ ইলুমিনেশন

৩. কর্ণিয়া বাম্প

৪. স্ক্লেরা বাম্প

প্রতিটি ম্যাপই স্ক্লেরা ডিফিউজ কালার থেকে বানাবেন।কর্নিয়া বাম্প আর স্ক্লেরা বাম্প subtle noise থাকতে হবে।


>> শেডার ঠিক করার ক্ষেত্রে স্ক্লেরার ক্ষেত্রে স্ট্যান্ডার্ড ম্যাটেরিয়াল বা এসএসএস নির্বাচন করুন।

>> কর্ণিয়া শেডার এখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়।আপনি বেশ কয়েকটা শেডার পাবেন এখানে ব্যবহারের জন্য।তবে Raytrace material নিচের ছবির মতো সেটিংস এর সাথে ব্যবহার করতে পারেলে ভাল ফলাফল পাবেন।


>> এবার রেন্ডারিং এর পালা।এখানে আপনাকে পাওয়ারফুল রেন্ডার যেমন menta ray ব্যবহার করতে হবে আপনার পছন্দসই সেটিং এর সাথে।তবে রেন্ডারিং-এর পূর্বেই লাইট ইফেক্ট নিয়ে কিছু কাজ করে নিন।মডেলটি এতে আরো জীবন্ত হয়ে উঠবে।

http://techtoday4u.blogspot.com/

টেকটুনঃ ফেলনা মাউস-কীবোর্ডের কারিশমা

কোন কিছু ফেলনা নয়,নিচের ছবিগুলা দেখে আবারো আপনি একই কথাই বলবেন।শুধুমাত্র ফেলে দেয়া মাউস আর কিবোর্ড এর বাটন দিয়েই তৈরি করা হয়েছে এগুলা।দেখতে কেমন হলো আপনিই ভেবে বলুন

মানবদেহের মজার সব তথ্য

**মানুষের পাকস্থলীতে দিনে ২ লিটার পর্যন্ত হাইড্রোক্লোরিক এসিড তৈরি হয়,যা কিনা ধাতুকেও পর্যন্ত ক্ষয় করতে সক্ষম।কিন্তু পাকস্থলীর কোন ক্ষতি হয় না কারন এতে প্রতি মিনিটে ক্ষয়ের সমানতালে ৫০০,০০০টি করে নতুন কোষ উতপন্ন হচ্ছে।

**একজন পুরুষের শরীরে গড়ে ৫ লিটার রক্ত থাকে,নারীর শরীরে থাকে ৪.৩ লিটার।

** মানুষের চুল দিনে দৈর্ঘ্যে ০.৫ মিলিমিটার করে বাড়ে।

** হাতের নখ সপ্তাহে .০৫ সেন্টিমিটার করে বাড়ে।আর পায়ের নখ এর এক-চতুর্থাংশ গতিতে বাড়ে।


** আমাদের স্নায়ুতন্ত্রের ভেতর দিয়ে ঘন্টায় ২৯০ কিমি বেগে সংকেত আদান-প্রদান হয়।

** হাঁচির সময় নাক দিয়ে ১৬০ কিমি/ঘন্টা বেগে বাতাস বের হয়।

** মানুষের ত্বক থেকে প্রতি মিনিটে ৫০,০০০ মৃত মাইক্রোস্কপিক কণা ঝরে পড়ে।

** পুরুষের চেয়ে নারীর শরীরের একই অস্থি সাধারনত ৬-১৩% ছোট হয়ে থাকে।

**মানুষের শরীরের ৯৯ শতাংশই অক্সিজেন,কার্বন,হাইড্রোজেন,নাইট্রোজেন,ক্যালসিয়াম আর ফসফরাস দিয়ে তৈরি।

** মানুষের শরীরের সম্মিলিত অস্থির ভর মোট শরীরের ভরের পাঁচ ভাগের এক ভাগ।

**মানুষের শরীরে যত রক্তবাহী নালী আছে সেগুলা জোড়া লাগালে ১০০,০০০ কিলোমিটার হবে যা দিয়ে পৃথিবীকে ২.৫বার প্যাচানো যাবে।

** মানুষের রক্তে ২৫,০০০,০০০,০০০-৩০,০০০,০০০,০০০ টি লোহিত কণিকা থাকে যেগুলার গড় আয়ু ১২০ দিন।প্রতি মুহুর্তে শরীরে ১,২০০,০০০-২,০০০,০০০ টি লোহিত কণিকা তৈরি হয়।একজন মানুষের শরীরে তার জীবদ্দশায় যত লোহিত কণিকা তার মোট ভর প্রায় আধা টন।

**মানুষের শরীরে যে পরিমান কার্বন আছে তা দিয়ে ৯০০ টি পেন্সিল তৈরি করা যাবে।জমে থাকা চর্বি দিয়ে বানান যাবে ৭৫টি মোমবাতি।২২০টি ম্যাচের কাঠি বানাবার মত ফসফরাস আছে শরীরে।

**হৃদপিন্ড মিনিটে গড়ে ৭০ বার করে দিনে প্রায় ১০০,০০০ বারের বেশি সারাদিনে পাম্প হয়।প্রতিবারে ৫৯ সিসি রক্ত পাম্প হয় যার পরিমানটা দিনের হিসেবে ১৩,৬৪০ লিটার।

** ত্বকের ৩,০০০,০০০ ঘর্মগ্রন্থি দিয়ে দিনে .৫ লিটার ঘাম নির্গত হয় যার পরিমান গরমের দিনে ১৩.৫ লিটার পর্যন্ত হতে পারে।

** মানুষ গড়ে মিনিটে ২০ বার শ্বাস নেয়,এতে ৬ লিটার বাতাস থাকে।এভাবে দিনে মোট ৮,৬৪০ লিটার বাতাস ২৮,৮০০ বার শ্বাসগ্রহণের মাধ্যমে নেয় মানুষ।

** বয়স ও পরিপার্শ্বে উপর নির্ভর করে মানুষের দিনে ৪০০ মিলিলিটার থেকে ২ লিটার পর্যন্ত প্রস্রাব হতে পারে।