এবারে নতুন গেমের জগৎ ছেড়ে একটু পুরাতনের জগতে ঢু মারা যাক কি বলেন ? যারা জনপ্রিয় এ্যাডভেঞ্চার গেমগুলো খেলেছেন তারা হয়তো The Longest Journey গেমের নাম শুনে থাকবেন। নরওয়েজিয়ান গেম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফানকম এর তৈরী এটি একটি পয়েন্ট এ্যান্ড ক্লিক ধাঁচের এ্যাডভেঞ্চার গেম।
১৯৯৯ সালে রিলিজ পাওয়া The Longest Journey গেমটি প্রচুর প্রশংসা কুড়িয়েছিল শুধুমাত্র এর ব্রিভ্রান্তিমূল এবং সেই সাথে জটিল কাহিনী, হাই প্রোডাকশন ভ্যালু এবং এর জটিল জটিল ধাঁ ধাঁ গুলোর জন্য। এই গেমের কাহিনী গড়ে উঠেছে আরকেডিয়া এর সমান্তরাল মহাবিশ্বকে ঘিরে। আর এই আরকেডিয়া হচ্ছে যাদুবিদ্যা থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের উন্নত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সম্মিলিত রূপের একটি বিশ্ব। অর্থাৎ, লৌকিক আর অলৌকিকের সংমিশ্রন রয়েছে এই গেমে।
১৮ বছরের তরুণী এপ্রিল রায়ান একজন আর্টের ছাত্রী। স্টার্কে তার বসবাস। একসময় রায়ান বুঝতে পারে এই দুই জগতের সীমারেখা ক্রমশ চোট হয়ে আসছে এবং তারপর সে জানতে পারে সে একজনশিফটার অর্থাৎ এই দুই জগতের বিচরণ করার ক্ষমতা তার মাঝে রয়েছে। ঝাঁপিয়ে পড়ে রায়ান। এই দুই জগতের ভারসাম্য রক্ষার জন্য শুরু হয় তার দুঃসাহসিক অভিযান। আর ইে অভিযানের মধ্য দিয়ে রায়ান উপলব্ধি করতে থাকে ভিন্ন মাত্রার দুই জগৎ !
গেমের গ্রাফিক্স ও সাউন্ড কোয়ালিটি বেশ উন্নত মানের ( অন্ত:ত সেই সময়কার গেমের তুলনায়)। গেমের বিভিন্ন ধাঁচরে পাজল বা ধাঁধাঁ গেমারকে মুগ্ধ এবং সেই সাথে হতবুদ্ধি দুইই করতে সক্ষম। যারা এ্যাডভেঞ্চার গেম খেলতে ভালোবাসেন তারা এই গেমটি খেলে দেখতে পারেন।
Showing posts with label Game Review. Show all posts
Showing posts with label Game Review. Show all posts
February 4, 2010
গেম রিভিউঃ দা লঙ্গেস্ট জার্ণি
Labels:
Game Review,
The Longest Journey,
গেম রিভিউ,
গেমিং,
দা লঙ্গেস্ট জার্ণি
গেম রিভিউঃ লেফট ফর ডেড ২
ভৌতিক শক্তির বিরূদ্ধে যুদ্ধ করতে কার না ভালো লাগে? ভূত যারা বিশ্বাস করেন না তারাও এবার ভূত নিধনের কাজে নেমে পড়তে পারেন অবলীলায়। আর আপনাকে এই ভূত মারার কাজটি করতে হবে লেফ্ট ফর ডেড টু গেমটিতে। লেফ্ট ফর ডেড সিরিজের প্রথম গেম লেফ্ট ফর ডেড বাজারে আসার পরপরই গেমারদের মধ্যে দারুণ সাড়া ফেলে দেয়। আর এবারো কিন্তু তার ব্যতিক্রম হয় নি। লেফ্ট ফর ডেড- এর যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে লেফ্ট ফর ডেড টু এর চাহিদা বর্তমানে প্রচুর।
লেফ্ট ফর ডেড টু তে এবারে থাকছে ৫টি ক্যাম্পেইন ম্যাপ। গেমটির ক্লেভার ডিজাইন কনসেপ্ট গেম খেলার সময় কীভাবে এগোতে হবে তার পরিষ্কার ধারণা দিবে গেমারকে। এছাড়াও গেমটির পরিবেশ গেমারকে গেমটির মূল ঘটনা জানতে সাহায্য করবে। গেমটিতে ভূত মারার জন্য আপনি বিভিন্ন ধরণের অস্ত্র পাবেন। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য অস্ত্রগুলো হলো- পিস্তল, শটগান, সাবমেশিন গান এবং অ্যাসল্ট রাইফেল। এছাড়াও গেমার ফায়ার এ্যাক্স, ক্রোবার, ক্রিকেট ব্যাট, ফ্রাইং প্যান প্রভৃতি ভূত মারার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন। গেমটি ভার্সাস এবং রিয়েলিজম- এই দুই মোডে খেলা যাবে।
পূর্বের তুলনায় গেমটির এ.আই ( কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ) কিছুটা উন্নত করা হলেও গেমের গ্রাফিক্স এবং সাউন্ড কোয়ালিটি পূর্বের মতোই রয়েগেছে। এ্যাকশন গেম যাদের প্রিয়র তালিকায় রয়েছে তারা এই গেমটি খেলে দেখতে পারেন।
সর্বনিম্ন সিস্টেম চাহিদা/Minimum System Configuration :
অপারেটিং সিস্টেম : উইন্ডোজ এক্সপি/ ভিসতা/ ভিসতা ৬৪/ ৭
প্রসেসর : ইন্টেল পেন্টিয়াম ৪, ৩.০ গি:হা:
র্যাম : এক্সপির জন্য ১ গিগাবাইট/ ভিসতার জন্য ২ গিগাবাইট মেমোরি
ভিডিও কার্ড : ১২৮ মে:বা: (ATI x 800, NVidia 600)
৭.৫ গি:বা: ফ্রি হার্ডডিস্ক স্পেস এবং ডিরেক্ট এক্স ৯.০ সি
লেফ্ট ফর ডেড টু তে এবারে থাকছে ৫টি ক্যাম্পেইন ম্যাপ। গেমটির ক্লেভার ডিজাইন কনসেপ্ট গেম খেলার সময় কীভাবে এগোতে হবে তার পরিষ্কার ধারণা দিবে গেমারকে। এছাড়াও গেমটির পরিবেশ গেমারকে গেমটির মূল ঘটনা জানতে সাহায্য করবে। গেমটিতে ভূত মারার জন্য আপনি বিভিন্ন ধরণের অস্ত্র পাবেন। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য অস্ত্রগুলো হলো- পিস্তল, শটগান, সাবমেশিন গান এবং অ্যাসল্ট রাইফেল। এছাড়াও গেমার ফায়ার এ্যাক্স, ক্রোবার, ক্রিকেট ব্যাট, ফ্রাইং প্যান প্রভৃতি ভূত মারার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন। গেমটি ভার্সাস এবং রিয়েলিজম- এই দুই মোডে খেলা যাবে।
পূর্বের তুলনায় গেমটির এ.আই ( কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ) কিছুটা উন্নত করা হলেও গেমের গ্রাফিক্স এবং সাউন্ড কোয়ালিটি পূর্বের মতোই রয়েগেছে। এ্যাকশন গেম যাদের প্রিয়র তালিকায় রয়েছে তারা এই গেমটি খেলে দেখতে পারেন।
সর্বনিম্ন সিস্টেম চাহিদা/Minimum System Configuration :
অপারেটিং সিস্টেম : উইন্ডোজ এক্সপি/ ভিসতা/ ভিসতা ৬৪/ ৭
প্রসেসর : ইন্টেল পেন্টিয়াম ৪, ৩.০ গি:হা:
র্যাম : এক্সপির জন্য ১ গিগাবাইট/ ভিসতার জন্য ২ গিগাবাইট মেমোরি
ভিডিও কার্ড : ১২৮ মে:বা: (ATI x 800, NVidia 600)
৭.৫ গি:বা: ফ্রি হার্ডডিস্ক স্পেস এবং ডিরেক্ট এক্স ৯.০ সি
Labels:
Game Review,
Left For dead 2 PC Game,
গেম রিভিউ,
গেমিং,
লেফ্ট ফর ডেড
গেম রিভিউঃ ডার্ক ভয়েড
আনরিয়েল ইঞ্জিন ৩ এর উপর ভিত্তি করে নির্মিত ডার্ক ভয়েড একটি অসাধারণ এ্যাকশন গেম। গেমটি এক্সবক্স ৩৬০, প্লে-স্টেশন ৩ সহ পিসি ভার্সনেও রিলিজ করা হয়েছে। গেমটিতে গেমারকে এলিয়েনদের বিরূদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হবে।
বারমুডা ট্রায়াঙ্গল-এ বিপদে পড়া কার্গো পাইলট উইলিয়াম অগাস্টাস গ্রে কে ঘিরে গেমের কাহিনী কেন্দ্রীভূত হয়েছে এই গেমে। বারমুডা থেকে নায়ক চলে যাবে সমান্তরাল মহাবিশ্বে যেখানে তাকে মুখোমুখি হতে হবে সারভাইভারস নামক অন্য মানব প্রজাতির সঙ্গে। উইল এবং সেইসব মানব প্রজাতিদের ওয়াচারস যুদ্ধে জয়ী হয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসার চেষ্টা করতে হবে। এমতাবস্থায় বহির্বিশ্বের প্রাণীরা পৃথিবী দখল করে মানব জাতির উপর প্রভুত্ব স্থাপন করে এবং মানবজাতিকে তাদের হুকুম পালনের নির্দেশ দেয়, আর তাই এবারে গেমারকে অবতীর্ণ হতে হবে এলিয়ে দের বিরূদ্ধে। মানবজাতি রক্ষার্থে তাকে এবার মুখোমুখি যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হবে বহির্বিশ্বের প্রাণীদের বিরূদ্ধে।
গেমটিতে একটি নতুন ভার্টিকাল কভার সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। চিড়াচড়িত গেম প্লে থেকে ফ্লাইট গেম প্লে তে যাবার জন্য গেমটিতে প্রথমে হোভার প্যাক এবং পরবর্তীতে একটি জেটপ্যাক সংযুক্ত করা হয়েছে। যা গেমের মজা বাড়িয়ে দিবে অনেকটাই। বিভিন্ন পথে একই উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য ট্যাকটিক্যাল ফ্রিডম গেমটির একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য। উদাহরণ স্বরূপ, গেমটিতে গেমারকে Archon নামক একটি বিশাল রোবট শত্র“র মোকাবেলা করতে বলা হবে। Archon নামক রোবটকে ধ্বংস করার প্রথম উপায় হচ্ছে এর পায়ে গুলি করা এবং তারপর রোবটটি পড়ে গেলে এর লেজ বেয়ে উঠে Archon রোবটকে যে নিয়ন্ত্রণ করছে সেই নিয়ন্ত্রণকারী ওয়াচার (এলিয়েন) কে হত্যা করা। আর Archon কে ধ্বংস করার অন্য উপায়টি হচ্ছে এলিয়েনদের ইউ.এফ.ও হাইজ্যাক করে তা দিয়ে অৎপযড়হ কে ধ্বংস করা। অর্থাৎ, একজন গেমার উদ্দেশ্য সাধনের জন্য বিভিন্ন পথ অবলম্বন করতে পারবেন। গেমের গ্রাফিক্স এবং শব্দশৈলী বেশ ভালো। যারা সায়েন্স ফিকশন ভালোবাসেন তাদের জন্য এই গেমটি একটি আদর্শ গেম হতে পারে।
সিস্টেম কনফিগারেশন/ System Configuration: :
অপারেটিং সিস্টেম : এক্সপি/ ভিসতা
প্রসেসর : ইন্টেল ২.৪ গি:হা: অথবা এএমডি ২.০ গি:হা:
গ্রাফিক্স কার্ড : জিফোর্স ৭৯০০ অথবা রেডন ৩৮৫০ সিরিজ
মেমোরি : ১ গি:বা: এবং ১০ গি:বা: ফ্রি হার্ডডিস্ক স্পেস।
http://techtoday4u.blogspot.com/
বারমুডা ট্রায়াঙ্গল-এ বিপদে পড়া কার্গো পাইলট উইলিয়াম অগাস্টাস গ্রে কে ঘিরে গেমের কাহিনী কেন্দ্রীভূত হয়েছে এই গেমে। বারমুডা থেকে নায়ক চলে যাবে সমান্তরাল মহাবিশ্বে যেখানে তাকে মুখোমুখি হতে হবে সারভাইভারস নামক অন্য মানব প্রজাতির সঙ্গে। উইল এবং সেইসব মানব প্রজাতিদের ওয়াচারস যুদ্ধে জয়ী হয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসার চেষ্টা করতে হবে। এমতাবস্থায় বহির্বিশ্বের প্রাণীরা পৃথিবী দখল করে মানব জাতির উপর প্রভুত্ব স্থাপন করে এবং মানবজাতিকে তাদের হুকুম পালনের নির্দেশ দেয়, আর তাই এবারে গেমারকে অবতীর্ণ হতে হবে এলিয়ে দের বিরূদ্ধে। মানবজাতি রক্ষার্থে তাকে এবার মুখোমুখি যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হবে বহির্বিশ্বের প্রাণীদের বিরূদ্ধে।
গেমটিতে একটি নতুন ভার্টিকাল কভার সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। চিড়াচড়িত গেম প্লে থেকে ফ্লাইট গেম প্লে তে যাবার জন্য গেমটিতে প্রথমে হোভার প্যাক এবং পরবর্তীতে একটি জেটপ্যাক সংযুক্ত করা হয়েছে। যা গেমের মজা বাড়িয়ে দিবে অনেকটাই। বিভিন্ন পথে একই উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য ট্যাকটিক্যাল ফ্রিডম গেমটির একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য। উদাহরণ স্বরূপ, গেমটিতে গেমারকে Archon নামক একটি বিশাল রোবট শত্র“র মোকাবেলা করতে বলা হবে। Archon নামক রোবটকে ধ্বংস করার প্রথম উপায় হচ্ছে এর পায়ে গুলি করা এবং তারপর রোবটটি পড়ে গেলে এর লেজ বেয়ে উঠে Archon রোবটকে যে নিয়ন্ত্রণ করছে সেই নিয়ন্ত্রণকারী ওয়াচার (এলিয়েন) কে হত্যা করা। আর Archon কে ধ্বংস করার অন্য উপায়টি হচ্ছে এলিয়েনদের ইউ.এফ.ও হাইজ্যাক করে তা দিয়ে অৎপযড়হ কে ধ্বংস করা। অর্থাৎ, একজন গেমার উদ্দেশ্য সাধনের জন্য বিভিন্ন পথ অবলম্বন করতে পারবেন। গেমের গ্রাফিক্স এবং শব্দশৈলী বেশ ভালো। যারা সায়েন্স ফিকশন ভালোবাসেন তাদের জন্য এই গেমটি একটি আদর্শ গেম হতে পারে।
সিস্টেম কনফিগারেশন/ System Configuration: :
অপারেটিং সিস্টেম : এক্সপি/ ভিসতা
প্রসেসর : ইন্টেল ২.৪ গি:হা: অথবা এএমডি ২.০ গি:হা:
গ্রাফিক্স কার্ড : জিফোর্স ৭৯০০ অথবা রেডন ৩৮৫০ সিরিজ
মেমোরি : ১ গি:বা: এবং ১০ গি:বা: ফ্রি হার্ডডিস্ক স্পেস।
http://techtoday4u.blogspot.com/
Labels:
Dark Void PC Game,
Game Review,
গেম রিভিউ,
গেমিং
January 22, 2010
গেম রিভিউঃ নীড ফর স্পীড শিফট
সেই মোস্ট ওয়ান্টেড এর পর থেকে নীড ফর স্পীডের কার্বন,প্রোস্ট্রিট কিংবা আন্ডারকভার কোনটিই পারেনি রেসিং ভক্তদের চাহিদা পূরণ করতে।না রেসিং না একশন কোন ধরন দিয়েই সফল হতে পারছিল না ইএ স্পোর্টস।এবার তাই নতুন উদ্যোগ।অরিজিনাল রেসিং এক্সপেরিয়েন্স!!দুই সংখ্যা আগেই শিফটের প্রিভিউ লিখেছিলাম,সেখানে বেশ কিছু কথা বলা হয়ে গেছে।আজ তাই এটা লিখতে বসা যে আসলে কতটা কি করতে পেরেছে নির্মাতারা।
আপনি কি রেসিং খেলাগুলা টিভিতে দেখেন?ফর্মুলা ওয়ান,মটোজিপি,কার র্যালি যদি আপনার টিভিতে দেখা খেলাগুলার তালিকায় পড়ে থাকে তাহলে আপনার খুশীতে লাফ দেবার মতো যথেষ্ঠ কারন আছে।কেননা রেসিং গেম দুনিয়ায় এই প্রথমবারের মতো কোন গেমস আপনাকে দিতে যাচ্ছে সত্যিকারের রেসিং উত্তেজনা!সত্যিকারের রেস ট্র্যাকে ৩৫০ কিলোমিটার বেগে গাড়ি চালানো,গতির উদ্দামতা,হাই স্পীড ওভারটেকিং এর চমতকার স্বাদ সবমিলিয়ে আপনি এমন কিছু পাবেন যা আগে ছিল কল্পনাতীত।
এসব কথা মানে কি যারা বুঝছেন না তাদের বলছি-আমরা অনেক রেসিং গেমসই খেলি।তার অনেকগুলাতেই আবার একশন থাকে।কিন্তু গেমারদের আলাদা আনন্দ দেবার জন্য নির্মাতারা বাস্তবতা থেকে অনেক সময়ই দূরে সরে আসেন।গাড়ি নিয়ে আপনি এমন অনেক কসরত দেখান গেমে যা বাস্তব জীবনে আসলে অসম্ভব।আবার ওভারটেকিং,হাই স্পীডে গাড়ি চালানো,একসিডেন্ট করলে পল্টি খেয়ে গাড়ির আবার ঠিক হয়ে যাওয়া-এই ঘটনাগুলা বাস্তবতা থেকে কিন্তু অনেকটাই দূরে।তাই এমন গেমসের নাম কিন্তু আপনি বলতে পারবেন না যেটাতে আপনি টিভির পর্দায় রেসিংকে যেভাবে দেখেন গেমসেও ঠিক সেভাবেই ফুটে উঠেছে।
এই চিন্তা থেকেই নীড ফর স্পীড শিফটের জন্ম।গেমসের টাইটেলই হচ্ছে-শিফট ইনটু হাই গীয়ার।রেসিং গেম খেলার সময়কার সত্যিকারের দুর্বার উত্তেজনার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়াই এই গেমসের উদ্দেশ্য।এবারের গেমসই প্রথমবারের মতো আপনি পেতে যাচ্ছেন হাই পারফরম্যান্স রেসিং কার নিয়ে রেস ট্র্যাকের উপর ৩০০ কিলোমিটার গতিতে ছুটে যাবার অসাধারণ এক অনুভূতি ,সংগে রয়েছে ককপিট ভিউ,যা আপনাকে দিবে গাড়ির ভেতর থেকে রেসের মাঝে ডুবে যাবার অনুভূতি।আগেই বলে নিই পুলিশ টুলিশ জাতীয় কিছু এখানে আশা করবেন না।রাস্তার মধ্যে গাড়ি নিয়ে দৌড়ঝাপের কথাও ভুলে যান।একদমই অরিজিনাল ট্র্যাক হোক না সেটা রেস ট্র্যাক কিংবা স্ট্রীট ট্র্যাকই হবে আপনার খেলার স্থান।গেমেরই ক্যারিয়ারের শুরুতেই আপনাকে বিএমডব্লিউ এম৩ নিয়ে রেস ট্র্যাকে নেমে পড়তে হবে আপনার যোগ্যতা প্রমাণের জন্য।এখানে পজিশনের ভিত্তিতে আপনি টাকা পাবেন এবং তা দিয়ে নতুন গাড়ি কিনে ক্যারিয়ার শুরু করবেন।আর রেসে আপনার পারফরম্যান্সের উপর ভিত্তি করে গাড়ির কন্ট্রোল ঠিক করে দেয়া হবে।নতুন রেসারদের জন্য ব্রেক আর স্টিয়ারিং দুই ক্ষেত্রেই কম্পিউটার আপনাকে সাহায্য করবে।খেলতে খলতে আপনার ড্রাইভিং লেভেল যত বাড়বে এই ধরনের অটোমেটিক সাহায্য ততোই কমবে।সুতরাং আপনাকে অতটা চিন্টা না করলেও চলবে।
প্রতিটি ইভেন্টের শুরুতেই আপনাকে ইভেন্টটির সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া হবে।আর ইভেন্ট লোড হবার সময় পর্দায় সেই ইভেন্টের আইন-কানুন দেখতে পাবেন।গেমের মেনু যথেষ্ঠ দ্রুত কাজ করে।সুতরাং স্বাচ্ছন্দের সাথে আপনি বিভিন্ন অপশনে যেতে পারবেন।তবে একটা কথা বলে রাখি।গ্রাফিক্স সংক্রান্ত কোন অপশন পরিবর্তন করবেন না।গেমস নিজে থেকেই আপনার পিসির কনফিগারেশন বুঝে তা ঠিক করে নিবে।এতে কোন পরিবর্তন হলে পরের গেম ঠিকমতো রান নাও করতে পারে।
রেসিং এ ফিরে আসি।ক্যারিয়ারের শুরুতেই আপনাকে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দীতা পূর্ণ পরিবেশের মধ্যে দিয়ে আগাতে হবে।প্রতিটা খেলার জন্য আপনাকে টাকা,পয়েন্ট এবং স্টার মেডেল দেয়া হবে।টাকা আপনার লাগবেই নতুন গাড়ি কিনতে বা আপগ্রেড করতে।স্টারের মাধ্যমে আপনি নতুন নতুন গেম লেভেল আনলক করতে পারবেন।আর পয়েন্ট আপনার ড্রাইভিং লেভেলকে বাড়াবে।একটা রেস খেলার সময় সবগুলাই খেয়াল রাখতে হবে আপনাকে।রেসে আপনার পজিশন ১ হলে ৩ স্টার,২ হলে ২ স্টার আর ৩ হলে ১ স্টার পাবেন আপনি।আর আপনার চালানোর স্টাইল,আপনি কি সতর্ক না আগ্রাসী এর উপর ভিত্তি করে পয়েন্ট পাবেন আপনি।নির্দিষ্ট পয়েন্ট জমলে আবার আপনি স্টার অর্জন করবেন।আর প্রতি রেসেই একটি নির্দিষ্ট ক্যাটাগরীতে দক্ষতা প্রদর্শনের উপর ভিত্তি করে স্টার পাবেন আপনি।মোট ৬টি স্টার প্রতিটি রেসে।
ক্যারিয়ারে লেভেল আছে ৫টি।প্রথমে টিয়ার ১ থেকে ৪।তারপর আসবে এনএফএস ওয়ার্ল্ড ট্যুর।এখানে বিশ্বের বাঘা বাঘা সব রেসারদের সাথে কঠিন সব ট্র্যাকে উত্তেজনায় ভরা একের পর এক খেলায় নামতে হবে আপনাকে।
গেমের গ্রাফিক্স আসলে কিছু বলার অবকাশ রাখে না।এযাবতকালের শ্রেষ্ঠ গ্রাফিক্সই আপনি দেখতে পাবেন এই নিশ্চয়তা আপনাকে দিতেই পারি আমি।আর গেমের সাউন্ড আপনাকে মুগ্ধ করবেই।স্পীড,ট্র্যাক,গাড়ি সবকিছু উপর নির্ভর করে নিয়ত পরিবর্তিত সাউন্ড ইফেক্ট আপনার ভালো লাগবেই।
সবমিলিয়ে সমালোচকরা এটিকে ইতোমধ্যেই এনএফএস সিরিজের সেরা গেমস-এর মুকুট পড়াতে দ্বিধা করছেন না।আমারো তাদের সাথে খুব একটা দ্বিমত নেই।এবারে আপনি আপনার মতামত জানাতে তৈরি তো?
পাবলিশারঃ ইএ স্পোর্টস
ডেভেলপারঃ স্লাইটলি ম্যাড স্টুডিও
ক্যাটাগরিঃ রেসিং
রিলিজ ডেটঃ ১৫.০৯.০৯
অন্য ভার্সনঃ এক্সবক্স,প্লে স্টেশন থ্রি,পিএসপি,আইফোন
গেম রেটিং
প্রেজেন্টেশনঃ ৮.৫
গ্রাফিক্সঃ ৯.০
সাউন্ডঃ ৯.৫
গেমপ্লেঃ ৯.০
ওভারঅলঃ ৯.০
সিস্টেম রিকোয়ারমেন্টসঃ
প্রসেসরঃ কোর ২ ডুও ২.৬ গিগাহার্জ
র্যামঃ ১ গিগাবাইট
গ্রাফিক্স কার্ডঃ ২৫৬ মেগাবাইট
অপারেটিং সিস্টেমঃ উইন্ডোজ এক্সপি/ভিসতা/সেভেন
ডিভিডি রম ড্রাইভ
ডাইরেক্ট এক্স ৯.০
http://techtoday4u.blogspot.com/
এসব কথা মানে কি যারা বুঝছেন না তাদের বলছি-আমরা অনেক রেসিং গেমসই খেলি।তার অনেকগুলাতেই আবার একশন থাকে।কিন্তু গেমারদের আলাদা আনন্দ দেবার জন্য নির্মাতারা বাস্তবতা থেকে অনেক সময়ই দূরে সরে আসেন।গাড়ি নিয়ে আপনি এমন অনেক কসরত দেখান গেমে যা বাস্তব জীবনে আসলে অসম্ভব।আবার ওভারটেকিং,হাই স্পীডে গাড়ি চালানো,একসিডেন্ট করলে পল্টি খেয়ে গাড়ির আবার ঠিক হয়ে যাওয়া-এই ঘটনাগুলা বাস্তবতা থেকে কিন্তু অনেকটাই দূরে।তাই এমন গেমসের নাম কিন্তু আপনি বলতে পারবেন না যেটাতে আপনি টিভির পর্দায় রেসিংকে যেভাবে দেখেন গেমসেও ঠিক সেভাবেই ফুটে উঠেছে।
এই চিন্তা থেকেই নীড ফর স্পীড শিফটের জন্ম।গেমসের টাইটেলই হচ্ছে-শিফট ইনটু হাই গীয়ার।রেসিং গেম খেলার সময়কার সত্যিকারের দুর্বার উত্তেজনার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়াই এই গেমসের উদ্দেশ্য।এবারের গেমসই প্রথমবারের মতো আপনি পেতে যাচ্ছেন হাই পারফরম্যান্স রেসিং কার নিয়ে রেস ট্র্যাকের উপর ৩০০ কিলোমিটার গতিতে ছুটে যাবার অসাধারণ এক অনুভূতি ,সংগে রয়েছে ককপিট ভিউ,যা আপনাকে দিবে গাড়ির ভেতর থেকে রেসের মাঝে ডুবে যাবার অনুভূতি।আগেই বলে নিই পুলিশ টুলিশ জাতীয় কিছু এখানে আশা করবেন না।রাস্তার মধ্যে গাড়ি নিয়ে দৌড়ঝাপের কথাও ভুলে যান।একদমই অরিজিনাল ট্র্যাক হোক না সেটা রেস ট্র্যাক কিংবা স্ট্রীট ট্র্যাকই হবে আপনার খেলার স্থান।গেমেরই ক্যারিয়ারের শুরুতেই আপনাকে বিএমডব্লিউ এম৩ নিয়ে রেস ট্র্যাকে নেমে পড়তে হবে আপনার যোগ্যতা প্রমাণের জন্য।এখানে পজিশনের ভিত্তিতে আপনি টাকা পাবেন এবং তা দিয়ে নতুন গাড়ি কিনে ক্যারিয়ার শুরু করবেন।আর রেসে আপনার পারফরম্যান্সের উপর ভিত্তি করে গাড়ির কন্ট্রোল ঠিক করে দেয়া হবে।নতুন রেসারদের জন্য ব্রেক আর স্টিয়ারিং দুই ক্ষেত্রেই কম্পিউটার আপনাকে সাহায্য করবে।খেলতে খলতে আপনার ড্রাইভিং লেভেল যত বাড়বে এই ধরনের অটোমেটিক সাহায্য ততোই কমবে।সুতরাং আপনাকে অতটা চিন্টা না করলেও চলবে।
প্রতিটি ইভেন্টের শুরুতেই আপনাকে ইভেন্টটির সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া হবে।আর ইভেন্ট লোড হবার সময় পর্দায় সেই ইভেন্টের আইন-কানুন দেখতে পাবেন।গেমের মেনু যথেষ্ঠ দ্রুত কাজ করে।সুতরাং স্বাচ্ছন্দের সাথে আপনি বিভিন্ন অপশনে যেতে পারবেন।তবে একটা কথা বলে রাখি।গ্রাফিক্স সংক্রান্ত কোন অপশন পরিবর্তন করবেন না।গেমস নিজে থেকেই আপনার পিসির কনফিগারেশন বুঝে তা ঠিক করে নিবে।এতে কোন পরিবর্তন হলে পরের গেম ঠিকমতো রান নাও করতে পারে।
রেসিং এ ফিরে আসি।ক্যারিয়ারের শুরুতেই আপনাকে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দীতা পূর্ণ পরিবেশের মধ্যে দিয়ে আগাতে হবে।প্রতিটা খেলার জন্য আপনাকে টাকা,পয়েন্ট এবং স্টার মেডেল দেয়া হবে।টাকা আপনার লাগবেই নতুন গাড়ি কিনতে বা আপগ্রেড করতে।স্টারের মাধ্যমে আপনি নতুন নতুন গেম লেভেল আনলক করতে পারবেন।আর পয়েন্ট আপনার ড্রাইভিং লেভেলকে বাড়াবে।একটা রেস খেলার সময় সবগুলাই খেয়াল রাখতে হবে আপনাকে।রেসে আপনার পজিশন ১ হলে ৩ স্টার,২ হলে ২ স্টার আর ৩ হলে ১ স্টার পাবেন আপনি।আর আপনার চালানোর স্টাইল,আপনি কি সতর্ক না আগ্রাসী এর উপর ভিত্তি করে পয়েন্ট পাবেন আপনি।নির্দিষ্ট পয়েন্ট জমলে আবার আপনি স্টার অর্জন করবেন।আর প্রতি রেসেই একটি নির্দিষ্ট ক্যাটাগরীতে দক্ষতা প্রদর্শনের উপর ভিত্তি করে স্টার পাবেন আপনি।মোট ৬টি স্টার প্রতিটি রেসে।
ক্যারিয়ারে লেভেল আছে ৫টি।প্রথমে টিয়ার ১ থেকে ৪।তারপর আসবে এনএফএস ওয়ার্ল্ড ট্যুর।এখানে বিশ্বের বাঘা বাঘা সব রেসারদের সাথে কঠিন সব ট্র্যাকে উত্তেজনায় ভরা একের পর এক খেলায় নামতে হবে আপনাকে।
গেমের গ্রাফিক্স আসলে কিছু বলার অবকাশ রাখে না।এযাবতকালের শ্রেষ্ঠ গ্রাফিক্সই আপনি দেখতে পাবেন এই নিশ্চয়তা আপনাকে দিতেই পারি আমি।আর গেমের সাউন্ড আপনাকে মুগ্ধ করবেই।স্পীড,ট্র্যাক,গাড়ি সবকিছু উপর নির্ভর করে নিয়ত পরিবর্তিত সাউন্ড ইফেক্ট আপনার ভালো লাগবেই।
সবমিলিয়ে সমালোচকরা এটিকে ইতোমধ্যেই এনএফএস সিরিজের সেরা গেমস-এর মুকুট পড়াতে দ্বিধা করছেন না।আমারো তাদের সাথে খুব একটা দ্বিমত নেই।এবারে আপনি আপনার মতামত জানাতে তৈরি তো?
পাবলিশারঃ ইএ স্পোর্টস
ডেভেলপারঃ স্লাইটলি ম্যাড স্টুডিও
ক্যাটাগরিঃ রেসিং
রিলিজ ডেটঃ ১৫.০৯.০৯
অন্য ভার্সনঃ এক্সবক্স,প্লে স্টেশন থ্রি,পিএসপি,আইফোন
গেম রেটিং
প্রেজেন্টেশনঃ ৮.৫
গ্রাফিক্সঃ ৯.০
সাউন্ডঃ ৯.৫
গেমপ্লেঃ ৯.০
ওভারঅলঃ ৯.০
সিস্টেম রিকোয়ারমেন্টসঃ
প্রসেসরঃ কোর ২ ডুও ২.৬ গিগাহার্জ
র্যামঃ ১ গিগাবাইট
গ্রাফিক্স কার্ডঃ ২৫৬ মেগাবাইট
অপারেটিং সিস্টেমঃ উইন্ডোজ এক্সপি/ভিসতা/সেভেন
ডিভিডি রম ড্রাইভ
ডাইরেক্ট এক্স ৯.০
http://techtoday4u.blogspot.com/
Labels:
২০০৯,
Game Review,
Need For Speed Shift,
কম্পিউটার,
গেম রিভিউ,
গেমিং











