উইন্ডোজ সেভেনে সাধারনত খালি হার্ডড্রাইভ বা ব্ল্যাংক সিডি/ডিভিডি ড্রাইভকে দেখা যায় না।উইন্ডোজ নিজে থেকেই এগুলাকে হাইড করে রাখে।এই সমস্যার সমাধান করতে চাইলে
>> প্রথমে ফোল্ডার অপশনে গিয়ে ভিউ ট্যাবে যান।
>> সেখান থেকে Hide empty drives in the Computer folder এ টিক চিহ্ন দিয়ে ওকে করুন।
February 9, 2010
উইন্ডোজ সেভেন শর্টকাট টিপস: খুব সহজেই গতিময় করুন আপনার কম্পিউটার ব্যবহার
Shift+Right Click শর্টকাট
ফোল্ডার-ফাইল –এ মাউসের রাইট ক্লিক করে কি করা যায় না যায় সে সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নাই।শুধু যেটা ব্লব এখন তা হচ্ছে কিবোর্ডের Shift বাটনটা চেপে কাজটা করুনতো দেখি।এক্সট্রা আরো কিছু অপশনের দেখা পাবেন এখানে যে কিন্তু বেশ কাজের।যেমন লোকেশন এড্রেসটা কপি করা,কমান্ড উইন্ডোতে ওপেন করা,নিউ প্রসেস হিসেবে রান করানো,স্টার্ট মেনুতে পিন করা সহ আরো কিছু অপশন দেখতে পাবেন।কখনো না কখনো আপনার যা কাজে আসবেই,আমি নিশ্চিত। আর এভাবে কোন ফাইলে ক্লিক করে Sent To-তেও আরো বেশি লোকেশনে সরাসরি ফাইলটি পাঠাবার সুযোগ পাবেন আপনি।
‘’ run as administrator’’ শর্টকাট
উইন্ডোজ ভিসতা এবং সেভেনে অনেক এপ্লিকেশনই চলার আগে run as administrator হিসেবে চলার অনুমতি চায়।এই ঝামেলা থেকে বাচার বিভিন্ন পদ্ধতি আছে যার মধ্যে আজ আপনাদের একটি কিবোর্ড শর্টকাট শেখাব।এপ্লিকেশনটিতে ক্লিক করার সময় কিবোর্ডের Ctrl+Shift চেপে ধরে রাখুন,তাহলেই হয়ে যাবে।
ভলিউম কন্ট্রোল করুন আলাদাভাবে
অনেকেই আমরা খেয়াল করে দেখি নাই যে উইন্ডোজ সেভেন সাউন্ড আইকনে ক্লিক করলে মিউট বাটনের নিচে মিক্সার নামে একটি নতুন অপশন আছে।কখনো এতে ঢুকেছেন কি?এর মাধ্যমে আপনি আপনার সিস্টেমে চলতে থাকা প্রতিটি প্রোগ্রামের সাউন্ড আলাদা করে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।যেকন একটি প্রোগ্রামের সাউন্ড কমিয়ে আরেকটির সাউন্ড বাড়াতে পারবেন,যেভাবে ইচ্ছা সেভাবেই।
শাটডাউন বাটন ঠিক করুন
মাইক্রোসফটের আজব এক খেয়াল!স্টার্ট মেনু থেকে শাটডাউনকে বাদ দিয়ে সেখানে লক বাটনকে স্থান দিয়েছে তারা।এর কি মানে থাকতে পারে তা বোধোহয় অনেকেরই বোধগম্য নয়।এখন যাই হোক কষ্ট করে আপনিই না হয় কাজটা করে ফেলুন।
>> টাস্কবারে রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজে যান।
>> Start Menu ট্যাবে যান।
>>Power button action ড্রপডাউন বক্স থেকে Shut Down সিলেক্ট করে Apply,Ok করুন।
নোটিফিকেশন এরিয়া কাস্টোমাইজেশন
উইন্ডোজ সেভেনের নোটিফিকেশন এরিয়াতে সাধারণত বাটনগুলা দেখা যায় না।বরং সেখানে থাকা এরোতে ক্লিক করলে বাটন দেখা যায় এবং এরপরে গিয়েই কাজ সারা যায়।কিন্তু আমার ধারনা যেসব প্রোগ্রামের নোটিফিকেশন এরিয়াতে বাটন থাকে সেগুলা বেশ গুরুত্বপূর্ণই বটে এবং সবসময় এগুলা দেখা গেলেই বরং কাজের সুবিধা হয়।
>> নোটিফিকেশন এরিয়াতে Customize-এ ক্লিক করুন।কন্ট্রোল প্যানেলের নোটিফিকেশন এরিয়া আইকন সেটিংস ওপেন হবে।
>> একদম নিচের অপশনে টিক দেয়া মানে সবগুলা আইকনই দেখা যাবে।
>> আর তা না করতে চাইলে প্রতিটি প্রোগ্রামের পাশের ড্রপডাউন মেনু থেকে কাংখিত অপশন নির্বাচন করে দিন।
>> আর সিস্টেম আইকন গুলারে সেটিংস পাবেন এই বক্সের নিচেই Turn system icons on or off-এ গিয়ে।
উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার কাস্টোমাইজেশন
উইন্ডোজ সেভেনে এক্সপ্লোরার উইন্ডোতে এক্সপির মতো File,Edit বা Tools ট্যাব দেখা যায় না।
এই সমস্যার সমাধান করতে Organize ট্যাবে ক্লিক করে Layout থেকে Menu bar-এ টিক চিহ্ন দিয়ে দিন।আর Layout-এর নিচেই খুজে পাবেন সবার দরকারি Folder and search options অপশনটি।
ফোল্ডার-ফাইল –এ মাউসের রাইট ক্লিক করে কি করা যায় না যায় সে সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নাই।শুধু যেটা ব্লব এখন তা হচ্ছে কিবোর্ডের Shift বাটনটা চেপে কাজটা করুনতো দেখি।এক্সট্রা আরো কিছু অপশনের দেখা পাবেন এখানে যে কিন্তু বেশ কাজের।যেমন লোকেশন এড্রেসটা কপি করা,কমান্ড উইন্ডোতে ওপেন করা,নিউ প্রসেস হিসেবে রান করানো,স্টার্ট মেনুতে পিন করা সহ আরো কিছু অপশন দেখতে পাবেন।কখনো না কখনো আপনার যা কাজে আসবেই,আমি নিশ্চিত। আর এভাবে কোন ফাইলে ক্লিক করে Sent To-তেও আরো বেশি লোকেশনে সরাসরি ফাইলটি পাঠাবার সুযোগ পাবেন আপনি।
‘’ run as administrator’’ শর্টকাট
উইন্ডোজ ভিসতা এবং সেভেনে অনেক এপ্লিকেশনই চলার আগে run as administrator হিসেবে চলার অনুমতি চায়।এই ঝামেলা থেকে বাচার বিভিন্ন পদ্ধতি আছে যার মধ্যে আজ আপনাদের একটি কিবোর্ড শর্টকাট শেখাব।এপ্লিকেশনটিতে ক্লিক করার সময় কিবোর্ডের Ctrl+Shift চেপে ধরে রাখুন,তাহলেই হয়ে যাবে।
ভলিউম কন্ট্রোল করুন আলাদাভাবে
অনেকেই আমরা খেয়াল করে দেখি নাই যে উইন্ডোজ সেভেন সাউন্ড আইকনে ক্লিক করলে মিউট বাটনের নিচে মিক্সার নামে একটি নতুন অপশন আছে।কখনো এতে ঢুকেছেন কি?এর মাধ্যমে আপনি আপনার সিস্টেমে চলতে থাকা প্রতিটি প্রোগ্রামের সাউন্ড আলাদা করে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।যেকন একটি প্রোগ্রামের সাউন্ড কমিয়ে আরেকটির সাউন্ড বাড়াতে পারবেন,যেভাবে ইচ্ছা সেভাবেই।
শাটডাউন বাটন ঠিক করুন
মাইক্রোসফটের আজব এক খেয়াল!স্টার্ট মেনু থেকে শাটডাউনকে বাদ দিয়ে সেখানে লক বাটনকে স্থান দিয়েছে তারা।এর কি মানে থাকতে পারে তা বোধোহয় অনেকেরই বোধগম্য নয়।এখন যাই হোক কষ্ট করে আপনিই না হয় কাজটা করে ফেলুন।
>> টাস্কবারে রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজে যান।
>> Start Menu ট্যাবে যান।
>>Power button action ড্রপডাউন বক্স থেকে Shut Down সিলেক্ট করে Apply,Ok করুন।
নোটিফিকেশন এরিয়া কাস্টোমাইজেশন
উইন্ডোজ সেভেনের নোটিফিকেশন এরিয়াতে সাধারণত বাটনগুলা দেখা যায় না।বরং সেখানে থাকা এরোতে ক্লিক করলে বাটন দেখা যায় এবং এরপরে গিয়েই কাজ সারা যায়।কিন্তু আমার ধারনা যেসব প্রোগ্রামের নোটিফিকেশন এরিয়াতে বাটন থাকে সেগুলা বেশ গুরুত্বপূর্ণই বটে এবং সবসময় এগুলা দেখা গেলেই বরং কাজের সুবিধা হয়।
>> নোটিফিকেশন এরিয়াতে Customize-এ ক্লিক করুন।কন্ট্রোল প্যানেলের নোটিফিকেশন এরিয়া আইকন সেটিংস ওপেন হবে।
>> একদম নিচের অপশনে টিক দেয়া মানে সবগুলা আইকনই দেখা যাবে।
>> আর তা না করতে চাইলে প্রতিটি প্রোগ্রামের পাশের ড্রপডাউন মেনু থেকে কাংখিত অপশন নির্বাচন করে দিন।
>> আর সিস্টেম আইকন গুলারে সেটিংস পাবেন এই বক্সের নিচেই Turn system icons on or off-এ গিয়ে।
উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার কাস্টোমাইজেশন
উইন্ডোজ সেভেনে এক্সপ্লোরার উইন্ডোতে এক্সপির মতো File,Edit বা Tools ট্যাব দেখা যায় না।
এই সমস্যার সমাধান করতে Organize ট্যাবে ক্লিক করে Layout থেকে Menu bar-এ টিক চিহ্ন দিয়ে দিন।আর Layout-এর নিচেই খুজে পাবেন সবার দরকারি Folder and search options অপশনটি।
Labels:
উইন্ডোজ,
উইন্ডোজ সেভেন,
কম্পিউটার,
টিপস এন্ড ট্রিকস
উইন্ডোজ সেভেনের নতুন টাস্কবারের ব্যবহার
প্রয়োজনীয় এপ্লিকেশন পিন করে রাখুন
উইন্ডোজ ৭ ব্যবহারের শুরুতেই এর টাস্কবারের একটি পরিবর্তন সবার নজরে আসে।আর তা হচ্ছে এতে কুইক লঞ্চ বাটন নেই। কিন্তু এতে বেশি দুশ্চিন্তা করার কিছু আছে বলে মনে হয় না।আপনি চাইলে আপনার টাস্কবারেই যেকোন এপ্লিকেশনকে পিন করে রাখতে পারেন।কিভাবে?খুব সহজ।যেকোন প্রোগ্রাম চালু করে টাস্কবারে তা আইকনে রাইট ক্লিক করে Pin this program to taskbar-এ ক্লিক করুন,কাজ হয়ে যাবে।যেকোন ফোল্ডারকেও একইভাবে পিন করে রাখতে পারবেন যা কিনা আগে ছিল না।আর কোন এপ্লিকেশন টাস্কবারের কোথায় থাকবে তাও মাউস দিয়ে ড্রাগ এন্ড ড্রপ করেই নির্ধারণ করতে পারবেন।
যেকোন প্রোগ্রাম আইকনে প্রথমবার ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি ওপেন হবে।কিন্তু পরবর্তী যেকোন সময়ে ক্লিক করে উইন্ডোটি ম্যাক্সিমাইজ হবে,নতুন প্রোগ্রাম কিন্তু ওপেন হবে না।তখন নতুন প্রোগ্রাম ওপেনের জন্য আপনাকে রাইট ক্লিক করতে হবে।
উইন্ডো ওপেন না করেই কাজ সারুন এক ক্লিকে
যেকোন এপ্লিকেশন উইন্ডো যেমন ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার,ফায়ারফক্স কিংবা পিডিএফ ভিউয়ার এ যদি একাধিক ট্যাব ওপেন করে রাখা হয় তাহলে দরকারি ট্যাবটি খুলতে বা বন্ধ সবসময় যে আপনার উইন্ডোটি ম্যাক্সিমাইজ করতেই হনে এমনটা ভাবার দিন কিন্তু শেষ।যদি আপনার এরো এনাবেল করা থাকে(৭৫%) পিসিতেই তা করা থাকে বলে আমার বিশ্বাস) তাহলে আপনি জাস্ট টাস্কবারে এপ্লিকেশন আইকনে মাউস রেখেই কাজটি সেরে নিতে পারবেন।
যেমন আইই-এর ক্ষেত্রে টাস্কবারে মাউস রাখুন,দেখবেন যে কয়টি ট্যাব খোলা তার প্রতিটিরই থাম্বনেইল দেখা যাচ্ছে।থাম্বনেইলে মাউস রাখলেই অটোমেটিক তা ম্যাক্সিমাইজ হচ্ছে।অথচ এখন পর্যন্ত কোন মাউস ক্লিকই করতে হয়নি আপনাকে।এবারে যেটি ম্যাক্সিমাইজ করতে চান সেটিতে ক্লিক করুন আর বন্ধ করতে চাইলে উপরে ডানে ক্রস আইকন প্রেস করুন।
সাম্পতিক ফাইল ওপেন করুন টাস্কবার থেকেই
এতোদিন পরযন্ত সাম্প্রতিক ডকুমেন্ট ওপেন করতে হলে আপনাকে রিসেন্ট ফাইলস বা ডকুমেন্টস এ যেতে হতো।কিন্তু উইন্ডোজ ৭ এ এই কাজটিও আপনি টাস্কবার থেকেই সারতে পারেন।ধরুন ওয়ার্ডের রিসেন্ট ফাইল খুলতে টাস্কবারে থাকা ওয়ার্ড আইকনে রাইট ক্লিক করলেই সাম্পতিক ওপেন করা ফাইলগুলার নাম দেখতে পাবেন।এবার শুধু তাতে ক্লিক করুন।তবে এজন্য আপনার এপ্লিকেশনটিও উইন্ডোজ ৭ কম্পাটিবল হতে হবে।যেমন অপেরার লেটেস্ট ভার্সন ব্যবহার না করলে আপনি এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন।
টাস্কবার প্রোগ্রাম চালুর কিবোর্ড শর্টকাট
টাস্কবারে থাকা প্রোগ্রাম আপনি শুধু যে মাউসের সাহায্যেই চালু করতে পারবেন এমনটা কিন্তু নয়।নতুন আরেকটি কিবোর্ড শর্টকাটের মাধ্যমেও চাইলে আপনি টাস্কবারে থাকা প্রোগ্রাম চালু করতে পারেন।উইন্ডোজ কী চেপে ০-৯ পর্যন্ত যেকোন সংখ্যা চাপলে টাস্কবারে থাকা প্রোগ্রামগুলা বাঁ থেকে ডানে ক্রমান্বয়ে চালু হবে।
টাস্কবার আগের মতো করে নিন
মাইক্রোসফটতো আপনার ১৪’’/১৫’’ ছোট্ট মণিটরের কথা না ভেবেই এক্সপি/ভিসতার তুলনায় বড় এক টাস্কবার বানিয়ে বসে আছে।এর চাহিদা পূরণ করতেই তো অনেকখানি চলে যাচ্ছে আপনার ,চাই নয় কি?সুতরাং আর দেরি না করে এখনি একে ছোট করে ফেলুন তো!
>> টাস্কবারে রাইটক্লিক করে প্রোপার্টিজে যান।
>> Use small icons বক্সে্ টিক দিয়ে Apply,OK করুন।
উইন্ডোজ ৭ ব্যবহারের শুরুতেই এর টাস্কবারের একটি পরিবর্তন সবার নজরে আসে।আর তা হচ্ছে এতে কুইক লঞ্চ বাটন নেই। কিন্তু এতে বেশি দুশ্চিন্তা করার কিছু আছে বলে মনে হয় না।আপনি চাইলে আপনার টাস্কবারেই যেকোন এপ্লিকেশনকে পিন করে রাখতে পারেন।কিভাবে?খুব সহজ।যেকোন প্রোগ্রাম চালু করে টাস্কবারে তা আইকনে রাইট ক্লিক করে Pin this program to taskbar-এ ক্লিক করুন,কাজ হয়ে যাবে।যেকোন ফোল্ডারকেও একইভাবে পিন করে রাখতে পারবেন যা কিনা আগে ছিল না।আর কোন এপ্লিকেশন টাস্কবারের কোথায় থাকবে তাও মাউস দিয়ে ড্রাগ এন্ড ড্রপ করেই নির্ধারণ করতে পারবেন।
যেকোন প্রোগ্রাম আইকনে প্রথমবার ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি ওপেন হবে।কিন্তু পরবর্তী যেকোন সময়ে ক্লিক করে উইন্ডোটি ম্যাক্সিমাইজ হবে,নতুন প্রোগ্রাম কিন্তু ওপেন হবে না।তখন নতুন প্রোগ্রাম ওপেনের জন্য আপনাকে রাইট ক্লিক করতে হবে।
উইন্ডো ওপেন না করেই কাজ সারুন এক ক্লিকে
যেকোন এপ্লিকেশন উইন্ডো যেমন ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার,ফায়ারফক্স কিংবা পিডিএফ ভিউয়ার এ যদি একাধিক ট্যাব ওপেন করে রাখা হয় তাহলে দরকারি ট্যাবটি খুলতে বা বন্ধ সবসময় যে আপনার উইন্ডোটি ম্যাক্সিমাইজ করতেই হনে এমনটা ভাবার দিন কিন্তু শেষ।যদি আপনার এরো এনাবেল করা থাকে(৭৫%) পিসিতেই তা করা থাকে বলে আমার বিশ্বাস) তাহলে আপনি জাস্ট টাস্কবারে এপ্লিকেশন আইকনে মাউস রেখেই কাজটি সেরে নিতে পারবেন।
যেমন আইই-এর ক্ষেত্রে টাস্কবারে মাউস রাখুন,দেখবেন যে কয়টি ট্যাব খোলা তার প্রতিটিরই থাম্বনেইল দেখা যাচ্ছে।থাম্বনেইলে মাউস রাখলেই অটোমেটিক তা ম্যাক্সিমাইজ হচ্ছে।অথচ এখন পর্যন্ত কোন মাউস ক্লিকই করতে হয়নি আপনাকে।এবারে যেটি ম্যাক্সিমাইজ করতে চান সেটিতে ক্লিক করুন আর বন্ধ করতে চাইলে উপরে ডানে ক্রস আইকন প্রেস করুন।
সাম্পতিক ফাইল ওপেন করুন টাস্কবার থেকেই
এতোদিন পরযন্ত সাম্প্রতিক ডকুমেন্ট ওপেন করতে হলে আপনাকে রিসেন্ট ফাইলস বা ডকুমেন্টস এ যেতে হতো।কিন্তু উইন্ডোজ ৭ এ এই কাজটিও আপনি টাস্কবার থেকেই সারতে পারেন।ধরুন ওয়ার্ডের রিসেন্ট ফাইল খুলতে টাস্কবারে থাকা ওয়ার্ড আইকনে রাইট ক্লিক করলেই সাম্পতিক ওপেন করা ফাইলগুলার নাম দেখতে পাবেন।এবার শুধু তাতে ক্লিক করুন।তবে এজন্য আপনার এপ্লিকেশনটিও উইন্ডোজ ৭ কম্পাটিবল হতে হবে।যেমন অপেরার লেটেস্ট ভার্সন ব্যবহার না করলে আপনি এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন।
টাস্কবার প্রোগ্রাম চালুর কিবোর্ড শর্টকাট
টাস্কবারে থাকা প্রোগ্রাম আপনি শুধু যে মাউসের সাহায্যেই চালু করতে পারবেন এমনটা কিন্তু নয়।নতুন আরেকটি কিবোর্ড শর্টকাটের মাধ্যমেও চাইলে আপনি টাস্কবারে থাকা প্রোগ্রাম চালু করতে পারেন।উইন্ডোজ কী চেপে ০-৯ পর্যন্ত যেকোন সংখ্যা চাপলে টাস্কবারে থাকা প্রোগ্রামগুলা বাঁ থেকে ডানে ক্রমান্বয়ে চালু হবে।
টাস্কবার আগের মতো করে নিন
মাইক্রোসফটতো আপনার ১৪’’/১৫’’ ছোট্ট মণিটরের কথা না ভেবেই এক্সপি/ভিসতার তুলনায় বড় এক টাস্কবার বানিয়ে বসে আছে।এর চাহিদা পূরণ করতেই তো অনেকখানি চলে যাচ্ছে আপনার ,চাই নয় কি?সুতরাং আর দেরি না করে এখনি একে ছোট করে ফেলুন তো!
>> টাস্কবারে রাইটক্লিক করে প্রোপার্টিজে যান।
>> Use small icons বক্সে্ টিক দিয়ে Apply,OK করুন।
Labels:
উইন্ডোজ,
উইন্ডোজ সেভেন,
কম্পিউটার,
টাস্কবার,
টিপস এন্ড ট্রিকস
উইন্ডোজে গডমোড এনাবেল করুন
গডমোড সম্পর্ক-এ অনেকেরই ধারণা আছে।উইন্ডোজের যাবতীয় কন্ট্রোল সেটিংস উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার-এর মতো করে ব্রাউজ করা সম্ভব এই মোড ব্যবহার করে।
বিশেষত যারা নতুন পিসি ব্যবহাকারী,কোন সিস্টেম সেটিংস কন্ট্রোল প্যানেলে খুজতে গিয়ে যাদের নিজেদেরই হারিয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে তাদের জন্য গডমোড অত্যাবশ্যক।গডমোড এনাবেল করার বিভিন্ন পদ্ধতি আছে।আমি উইন্ডোজ সেভেনের জন্য সবচেয়ে সহজটি আপনাদারে বলছি।
>> প্রথমেই উইন্ডোজ এক্সপ্লোরারে বা ডেস্কটপে মাউসের রাইট ক্লিক করে একটি নতুন ফোল্ডার তৈরি করে নিন।
>> এবারে ফোল্ডারটিকে রিনেম করুন, নাম দিন
GodMode.{ED7BA470-8E54-465E-825C-99712043E01C}
>>দেখুন আপনার ফোল্ডারের আইকন চেঞ্জ হয়ে কন্ট্রোল প্যানেলের আইকন দেখা যাচ্ছে।এখন থেকে এখানেই ক্লিক করে যাবতীয় সিস্টেম সেটিংস পরিবর্তন করাটাই আপনার জন্য অনেক সহজ হবে।
ট্যাগঃ Windows Godmode,Windows 7
বিশেষত যারা নতুন পিসি ব্যবহাকারী,কোন সিস্টেম সেটিংস কন্ট্রোল প্যানেলে খুজতে গিয়ে যাদের নিজেদেরই হারিয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে তাদের জন্য গডমোড অত্যাবশ্যক।গডমোড এনাবেল করার বিভিন্ন পদ্ধতি আছে।আমি উইন্ডোজ সেভেনের জন্য সবচেয়ে সহজটি আপনাদারে বলছি।
>> প্রথমেই উইন্ডোজ এক্সপ্লোরারে বা ডেস্কটপে মাউসের রাইট ক্লিক করে একটি নতুন ফোল্ডার তৈরি করে নিন।
>> এবারে ফোল্ডারটিকে রিনেম করুন, নাম দিন
GodMode.{ED7BA470-8E54-465E-825C-99712043E01C}
>>দেখুন আপনার ফোল্ডারের আইকন চেঞ্জ হয়ে কন্ট্রোল প্যানেলের আইকন দেখা যাচ্ছে।এখন থেকে এখানেই ক্লিক করে যাবতীয় সিস্টেম সেটিংস পরিবর্তন করাটাই আপনার জন্য অনেক সহজ হবে।
ট্যাগঃ Windows Godmode,Windows 7
Labels:
উইন্ডোজ,
উইন্ডোজ সেভেন,
কম্পিউটার,
গডমোড,
টিপস এন্ড ট্রিকস
আপনার সাটা হার্ডড্রাইভের AHCI এনাবেল রাখুন
বর্তমানে প্রায় সবারই হার্ডড্রাইভ সাটা ক্যাবলবিশিষ্ট।স্বভাবতই এর ডাটা ট্রান্সফার রেট অনেক বেশি আগের যেকোন মডেলের হার্ডড্রাইভের চেয়ে।কিন্তু কথা হচ্ছে আপনি এর কতটা ব্যবহার করতে পারছেন?বা করছেন?জানেন কি হয়তো আপনার এই সাটা ড্রাইভটাই আপনাকে আগের আইডিই বা পাটা’র মতো পারফরম্যান্স প্রদান করছে?শুধুমাত্র কিছু সিস্টেম সেটিং-এর কারনে?সেটা নিয়েই বলব এখন।
ঘটনাটা ঘটে থাকে মূলত মাদারবোর্ড এবং অপারেটিং সিস্টেম নির্মাতাদের কারনে।কেননা তারা এখনো হার্ডড্রাইভের ডিফল্ট ডাটা ট্রান্সফার মোড হিসেবে আগের প্রযুক্তিকেই ব্যবহার করে থাকে।তাই বর্তমান ড্রাইভগুলার সর্বোচ্চ সুবিধা পেতে আপনাকে এর কনফিগারেশন পরিবর্তন করে AHCI বাএডভান্সড হোস্ট কন্ট্রোলার ইন্টারফেস করে দিতে হবে। এজন্য প্রথমে
>> স্টার্ট মেনুতে regedit লিখে রেজিস্ট্রি এডিটর ওপেন করুন।
>> HKEY_LOCAL_MACHINE\System\CurrentControlSet\Services\Msahci-এ যান।
>> ডানপাশের বক্স থেকে Start এন্ট্রিটির ভ্যালু 3 থেকে পরিবর্তন করে 0 করে দিন।
>> কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন।বায়োসে ঢুকুন।আপনার হার্ডড্রাইভের সাটা কনফিগারেশন খুজে বের করে তা AHCI করে দিন।সেভ করে বের হয়ে আসুন।
>> এবারে পিসি চালু করলে উইন্ডোজ আপনার হার্ডড্রাইভকে নতুন করে ডিটেক্ট করবে।কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন।এরপর আবার পিসি নিজেই রিস্টার্ট চাইবে।রিস্টার্ট দিন।কাজ শেষ।
ঘটনাটা ঘটে থাকে মূলত মাদারবোর্ড এবং অপারেটিং সিস্টেম নির্মাতাদের কারনে।কেননা তারা এখনো হার্ডড্রাইভের ডিফল্ট ডাটা ট্রান্সফার মোড হিসেবে আগের প্রযুক্তিকেই ব্যবহার করে থাকে।তাই বর্তমান ড্রাইভগুলার সর্বোচ্চ সুবিধা পেতে আপনাকে এর কনফিগারেশন পরিবর্তন করে AHCI বাএডভান্সড হোস্ট কন্ট্রোলার ইন্টারফেস করে দিতে হবে। এজন্য প্রথমে
>> স্টার্ট মেনুতে regedit লিখে রেজিস্ট্রি এডিটর ওপেন করুন।
>> HKEY_LOCAL_MACHINE\System\CurrentControlSet\Services\Msahci-এ যান।
>> ডানপাশের বক্স থেকে Start এন্ট্রিটির ভ্যালু 3 থেকে পরিবর্তন করে 0 করে দিন।
>> কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন।বায়োসে ঢুকুন।আপনার হার্ডড্রাইভের সাটা কনফিগারেশন খুজে বের করে তা AHCI করে দিন।সেভ করে বের হয়ে আসুন।
>> এবারে পিসি চালু করলে উইন্ডোজ আপনার হার্ডড্রাইভকে নতুন করে ডিটেক্ট করবে।কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন।এরপর আবার পিসি নিজেই রিস্টার্ট চাইবে।রিস্টার্ট দিন।কাজ শেষ।
Labels:
উইন্ডোজ,
কম্পিউটার,
টিপস এন্ড ট্রিকস,
হার্ডওয়ার
উইন্ডোজে কোনো বিশেষ প্রোগ্রাম দ্রুত রান করাতে যা করবেন
এমন পরিস্থিতি অনেক সময়ই আপনার হয় যে, অনেকগুলো প্রোগ্রাম/এপ্লিকেশন চালু করে আছেন। কিন্তু একটি বিশেষ এপ্লিকেশন যথেষ্ঠ রিসোর্স হাংরি এবং এটি স্লো চলছে।কিন্তু এটর স্মুথলি চলাটা আপনার জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এই পরিস্থিতিতে ঐ বিশেষ প্রোগ্রামকে ঠিকমতো রান করাতে পাবেন এইভাবে-
>> প্রোগ্রামটি রান করা অবস্থায় Task Manager ওপেন করুন।
>> Processes ট্যাব থেকে ঐ প্রোগ্রামে রাইট ক্লিক করে set priority থেকে High সিলেক্ট করুন।
>> Change Priority কনফার্মেশন বক্স আসলে কনফার্ম করে OK করুন।
>> প্রোগ্রামটি রান করা অবস্থায় Task Manager ওপেন করুন।
>> Processes ট্যাব থেকে ঐ প্রোগ্রামে রাইট ক্লিক করে set priority থেকে High সিলেক্ট করুন।
>> Change Priority কনফার্মেশন বক্স আসলে কনফার্ম করে OK করুন।
Labels:
কম্পিউটার,
টিপস এন্ড ট্রিকস,
পিসির গতি বাড়ান,
সফটওয়ার
পিসির গতি বাড়ানোর সহজ ২টি টিপস
হার্ডওয়ার আপগ্রেড করুন
এইটা সবাইই বুঝেন যে পিসির গতি বাড়ানোর জন্য হার্ডওয়ার আপগ্রেড করার চেয়ে ভাল কোন উপায় আর হতে পারে না।কিন্তু বাজেট স্বলপতার জন্য সবসময় কি আর তা করা সম্ভব?আর করলেও বা কতোটুকুই করবেন?কোনটা রেখে কোনটা আপগ্রেড করবেন?এই প্রসঙ্গেই কিছু কথা বলছি।মন দিয়ে শুনুন-
র্যাম বাড়ান,যতটা সম্ভব
এটি মনে হয় পিসির পারফরম্যান্স বাড়ানোর সহজতম ছোট টিপস। পকেটে টাকা আছে? থাকলে আজই কিনে ফেলুন র্যাম। কেননা পিসি চলাকালীন সময়ে যত কাজ হয় তার সবকিছুই ট্রান্সমিট হয় র্যামের মধ্য দিয়ে। তাই র্যাম মেমোরি যত বেশি হবে আপনার কাজও তত দ্রুত হবে এই কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়। এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই র্যাম মেমোরি বাড়ালে উইন্ডোজের পারফরম্যান্স এ পরিবর্তনটা ঈর্ষণীয় (!) পর্যায়ের। তবে খেয়াল রাখবেন নতুন র্যামটি যেন আপনার পুরাতন র্যামের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বাসস্পিড বিশিষ্ট হয়। নাহলে সিস্টেম হ্যাং করতে পারে। আর চেষ্টা করবেন বেশি বাসস্পিডের র্যাম কিনতে।
বর্তমানে বাজারে ডিডিআর২ ৫৩৩, ৬৬৭, ৮০০,১০৬৬ এবং ডিডিআর৩ ১৩৩৩ মেগাহার্জ স্পিডের র্যাম পাওয়া যাচ্ছে। আর আপনার মাদারবোর্ড যদি ডুয়েল চ্যানেল মেমোরি সাপোর্টেড হয় তাহলে র্যাম একটির বদলে দুটি কিনে র্যাম দুটি একই রঙের স্লটে স্থাপন করুন। ব্যাস। বর্ধিত বাসস্পিড পাবেন আপনি।
আপগ্রেড করুন আপনার গ্রাফিক্স কার্ড
বর্তমানে প্রায় সব মাদারবোর্ডেই ইন্টিগ্রেটেড গ্রাফিক্স বা এজিপি কার্ড বিশিষ্ট। সাধারণ প্রায় সব কাজের জন্য এই ইন্টিগ্রেটেড কার্ডই যথেষ্ঠ। এই এজিপি কার্ডগুলো মূল র্যাম থেকে মেমোরি শেয়ার করে কাজ করে। তাই বর্তমানে অনেকেই যেই কাজটা করে বেশি করে র্যাম কিনে এই ইন্টিগ্রেটেড এজিপি থেকে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স পাবার চেষ্টা করেন। তারা ভাবেন, ‘এই ভাবে কম খরচে র্যাম যেমন বাড়ানো গেল তেমনি এজিপির কাজটাও চললো।’ হ্যাঁ, কথাটা হয়তো ঠিক আবার কিছুটা ভুল। কারণ ইন্টিগ্রেটেড এজিপি মেমোরি ৫১২ মেগাবাইট হতে পারে সত্যি কিন্তু তা কখনই আসল এজিপি কার্ডের সমতূল্য হতে পারে না। তাই গেমার বা প্রফেশনালদের বলছি, বাড়তি র্যাম লাগিয়ে এজিপি বাড়ানো এই কথাটি আপনাদের জন্য প্রযোজ্য নয়।কারন মাঝারি মানের একটি এজিপি কার্ডের দামই যেখানে ৫০০০ টাকার উপরে সেখানে আপনার মাদারবোর্ডের দাম কতো ভাবুনতো একবার?মনে রাখবেন বর্তমানে মাদারবোর্ডের বিজ্ঞাপনে লিখা ১৭০০+ মেগাবাইট এজিপি কার্ডের চেয়েও আপনার ৫০০০ টাকা দামের ৫১২ মেগাবাইট এজিপি কার্ডের পারফরম্যান্স অনেক অনেক ভাল।আর লেটেস্ট গেমগুলার মধ্যে কিছু কিছু গেম কিন্তু ইন্টিগ্রেটেড এজিপি দিয়ে চালুই হয় না।
আর ভালোমানের দামী এজিপি কার্ডগুলার জন্য আলাদা পাওয়ার সাপ্লাই প্রয়োজন হয়।সুতরাং সেক্ষেত্রে আপনার পুরাতন পাওয়ার সাপ্লাইটি পরিবর্তন করা লাগতে পারে।আর নতুন পিসি কেনার সময় বিষয়টি খেয়াল রাখুন।
এইটা সবাইই বুঝেন যে পিসির গতি বাড়ানোর জন্য হার্ডওয়ার আপগ্রেড করার চেয়ে ভাল কোন উপায় আর হতে পারে না।কিন্তু বাজেট স্বলপতার জন্য সবসময় কি আর তা করা সম্ভব?আর করলেও বা কতোটুকুই করবেন?কোনটা রেখে কোনটা আপগ্রেড করবেন?এই প্রসঙ্গেই কিছু কথা বলছি।মন দিয়ে শুনুন-
র্যাম বাড়ান,যতটা সম্ভব
এটি মনে হয় পিসির পারফরম্যান্স বাড়ানোর সহজতম ছোট টিপস। পকেটে টাকা আছে? থাকলে আজই কিনে ফেলুন র্যাম। কেননা পিসি চলাকালীন সময়ে যত কাজ হয় তার সবকিছুই ট্রান্সমিট হয় র্যামের মধ্য দিয়ে। তাই র্যাম মেমোরি যত বেশি হবে আপনার কাজও তত দ্রুত হবে এই কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়। এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই র্যাম মেমোরি বাড়ালে উইন্ডোজের পারফরম্যান্স এ পরিবর্তনটা ঈর্ষণীয় (!) পর্যায়ের। তবে খেয়াল রাখবেন নতুন র্যামটি যেন আপনার পুরাতন র্যামের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বাসস্পিড বিশিষ্ট হয়। নাহলে সিস্টেম হ্যাং করতে পারে। আর চেষ্টা করবেন বেশি বাসস্পিডের র্যাম কিনতে।
বর্তমানে বাজারে ডিডিআর২ ৫৩৩, ৬৬৭, ৮০০,১০৬৬ এবং ডিডিআর৩ ১৩৩৩ মেগাহার্জ স্পিডের র্যাম পাওয়া যাচ্ছে। আর আপনার মাদারবোর্ড যদি ডুয়েল চ্যানেল মেমোরি সাপোর্টেড হয় তাহলে র্যাম একটির বদলে দুটি কিনে র্যাম দুটি একই রঙের স্লটে স্থাপন করুন। ব্যাস। বর্ধিত বাসস্পিড পাবেন আপনি।
আপগ্রেড করুন আপনার গ্রাফিক্স কার্ড
বর্তমানে প্রায় সব মাদারবোর্ডেই ইন্টিগ্রেটেড গ্রাফিক্স বা এজিপি কার্ড বিশিষ্ট। সাধারণ প্রায় সব কাজের জন্য এই ইন্টিগ্রেটেড কার্ডই যথেষ্ঠ। এই এজিপি কার্ডগুলো মূল র্যাম থেকে মেমোরি শেয়ার করে কাজ করে। তাই বর্তমানে অনেকেই যেই কাজটা করে বেশি করে র্যাম কিনে এই ইন্টিগ্রেটেড এজিপি থেকে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স পাবার চেষ্টা করেন। তারা ভাবেন, ‘এই ভাবে কম খরচে র্যাম যেমন বাড়ানো গেল তেমনি এজিপির কাজটাও চললো।’ হ্যাঁ, কথাটা হয়তো ঠিক আবার কিছুটা ভুল। কারণ ইন্টিগ্রেটেড এজিপি মেমোরি ৫১২ মেগাবাইট হতে পারে সত্যি কিন্তু তা কখনই আসল এজিপি কার্ডের সমতূল্য হতে পারে না। তাই গেমার বা প্রফেশনালদের বলছি, বাড়তি র্যাম লাগিয়ে এজিপি বাড়ানো এই কথাটি আপনাদের জন্য প্রযোজ্য নয়।কারন মাঝারি মানের একটি এজিপি কার্ডের দামই যেখানে ৫০০০ টাকার উপরে সেখানে আপনার মাদারবোর্ডের দাম কতো ভাবুনতো একবার?মনে রাখবেন বর্তমানে মাদারবোর্ডের বিজ্ঞাপনে লিখা ১৭০০+ মেগাবাইট এজিপি কার্ডের চেয়েও আপনার ৫০০০ টাকা দামের ৫১২ মেগাবাইট এজিপি কার্ডের পারফরম্যান্স অনেক অনেক ভাল।আর লেটেস্ট গেমগুলার মধ্যে কিছু কিছু গেম কিন্তু ইন্টিগ্রেটেড এজিপি দিয়ে চালুই হয় না।
আর ভালোমানের দামী এজিপি কার্ডগুলার জন্য আলাদা পাওয়ার সাপ্লাই প্রয়োজন হয়।সুতরাং সেক্ষেত্রে আপনার পুরাতন পাওয়ার সাপ্লাইটি পরিবর্তন করা লাগতে পারে।আর নতুন পিসি কেনার সময় বিষয়টি খেয়াল রাখুন।
Labels:
কম্পিউটার,
গ্রাফিক্স কার্ড,
টিপস এন্ড ট্রিকস,
র্যাম,
হার্ডওয়ার



















