জেমস বন্ড মুভি কিংবা নাইট রাইডার টিভি সিরিজে গাড়ীর পানিতে চলাটা আমরা অনেকেই দেখেছি আর মনে মনে ভেবেছি ইশ এমনটা যদি সত্যি সত্যি হতো!কিংবা বিভিন্ন সময়ে নদীমাতৃক বাংলাদেশের বিভিন্ন ফেরীঘাটে অসহনীয় যানজটে পড়ে কত মানুষ যে গাড়ী নিয়ে পানিতেই নেমে পড়তে চান তার কি ইয়াত্তা আছে?এইবার হয়তো সেইটাই বাস্তবে রুপ পেতে যাচ্ছে।জলে-স্থলে দুই জায়গাতেই চলতে সক্ষম বিশ্বের প্রথম গাড়ী হিসেবে এই মর্যাদা পেয়েছে ওয়াটারকার পাইথন নামের উভচর গাড়ীটি।করভেট ইঞ্জিন বিশিষ্ট এই গাড়ীর ডিজাইনে রয়েছে করভেট আর ডজ ভাইপারের চমতকার এক সমন্বয়।শুধু যে উভচর তাই না,সুপারকার হবার অনেক যোগ্যতাই রয়েছে এই গাড়ীতে।ভূমিতে ৪.৫ সেকেন্ডে ৬০ মাইল গতি তুলতে সক্ষম এটি।আর পানিতেও ডমিনেটর জেট প্রোপালশান সিস্টেম ব্যবহার করে ঘন্টায় ৬০ মাইল বেগে চলতে সক্ষম এটি।চিন্তা করে দেখুন এইবার!
আর ট্রান্সফর্মেশনের কোনো ব্যাপারই নেই গাড়ীতে।ভূমি থেকে ঝাপ দিয়ে পানিতে নেমেই দূর্দান্ত গতিতে ছুটে চলা শুরু করা সম্ভব এই গাড়ী নিয়ে।৩৮০০ পাউন্ড ভরের এই গাড়ীর চেসিস তৈরি লাইটওয়েট স্টেইনলেস স্টীল দিয়ে।দেড় কোটি টাকার এই গাড়ী ২০১২ সাল থেকে বাজারে পাওয়া যাবে।আর আপনি চাইলে নিজে অর্ডার দিয়ে গাড়ীর সবকিছুকেই মনমতো করে বানিয়ে নিতে পারবেন।যেমন একটা উদাহরন দেই।রং নির্বাচনের জন্য ৬০০০০ বিকল্প দেয়া হয়েছে আপনাকে।আর গাড়ীর প্রতিটা উপকরণ বিশ্বের সেরা সব উপকরন দিয়েই তৈরি,এই ব্যাপারে নিশ্চিত থাকতে পারেন।
আর ছয় সাতজন বন্ধুবান্ধব নিয়ে সহজেই চড়তে পারবেন এই গাড়ীতে।পারবেন পানিতে থাকা অবস্থাতেও গাড়ীর দরজা খুলতে।আর কি চাই?এখন শুধু অপেক্ষার পালা।
http://techtoday4u.blogspot.com/
Showing posts with label ২০০৯. Show all posts
Showing posts with label ২০০৯. Show all posts
January 22, 2010
এবারে বাজারে আসছে উভচর গাড়ী, জল আর স্থল দুটোই এখন আপনার নাগালে
Labels:
২০০৯,
News,
Science,
Water Car,
আসছে প্রযুক্তি,
খবর,
ফটোফিচার,
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
গেম রিভিউঃ নীড ফর স্পীড শিফট
সেই মোস্ট ওয়ান্টেড এর পর থেকে নীড ফর স্পীডের কার্বন,প্রোস্ট্রিট কিংবা আন্ডারকভার কোনটিই পারেনি রেসিং ভক্তদের চাহিদা পূরণ করতে।না রেসিং না একশন কোন ধরন দিয়েই সফল হতে পারছিল না ইএ স্পোর্টস।এবার তাই নতুন উদ্যোগ।অরিজিনাল রেসিং এক্সপেরিয়েন্স!!দুই সংখ্যা আগেই শিফটের প্রিভিউ লিখেছিলাম,সেখানে বেশ কিছু কথা বলা হয়ে গেছে।আজ তাই এটা লিখতে বসা যে আসলে কতটা কি করতে পেরেছে নির্মাতারা।
আপনি কি রেসিং খেলাগুলা টিভিতে দেখেন?ফর্মুলা ওয়ান,মটোজিপি,কার র্যালি যদি আপনার টিভিতে দেখা খেলাগুলার তালিকায় পড়ে থাকে তাহলে আপনার খুশীতে লাফ দেবার মতো যথেষ্ঠ কারন আছে।কেননা রেসিং গেম দুনিয়ায় এই প্রথমবারের মতো কোন গেমস আপনাকে দিতে যাচ্ছে সত্যিকারের রেসিং উত্তেজনা!সত্যিকারের রেস ট্র্যাকে ৩৫০ কিলোমিটার বেগে গাড়ি চালানো,গতির উদ্দামতা,হাই স্পীড ওভারটেকিং এর চমতকার স্বাদ সবমিলিয়ে আপনি এমন কিছু পাবেন যা আগে ছিল কল্পনাতীত।
এসব কথা মানে কি যারা বুঝছেন না তাদের বলছি-আমরা অনেক রেসিং গেমসই খেলি।তার অনেকগুলাতেই আবার একশন থাকে।কিন্তু গেমারদের আলাদা আনন্দ দেবার জন্য নির্মাতারা বাস্তবতা থেকে অনেক সময়ই দূরে সরে আসেন।গাড়ি নিয়ে আপনি এমন অনেক কসরত দেখান গেমে যা বাস্তব জীবনে আসলে অসম্ভব।আবার ওভারটেকিং,হাই স্পীডে গাড়ি চালানো,একসিডেন্ট করলে পল্টি খেয়ে গাড়ির আবার ঠিক হয়ে যাওয়া-এই ঘটনাগুলা বাস্তবতা থেকে কিন্তু অনেকটাই দূরে।তাই এমন গেমসের নাম কিন্তু আপনি বলতে পারবেন না যেটাতে আপনি টিভির পর্দায় রেসিংকে যেভাবে দেখেন গেমসেও ঠিক সেভাবেই ফুটে উঠেছে।
এই চিন্তা থেকেই নীড ফর স্পীড শিফটের জন্ম।গেমসের টাইটেলই হচ্ছে-শিফট ইনটু হাই গীয়ার।রেসিং গেম খেলার সময়কার সত্যিকারের দুর্বার উত্তেজনার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়াই এই গেমসের উদ্দেশ্য।এবারের গেমসই প্রথমবারের মতো আপনি পেতে যাচ্ছেন হাই পারফরম্যান্স রেসিং কার নিয়ে রেস ট্র্যাকের উপর ৩০০ কিলোমিটার গতিতে ছুটে যাবার অসাধারণ এক অনুভূতি ,সংগে রয়েছে ককপিট ভিউ,যা আপনাকে দিবে গাড়ির ভেতর থেকে রেসের মাঝে ডুবে যাবার অনুভূতি।আগেই বলে নিই পুলিশ টুলিশ জাতীয় কিছু এখানে আশা করবেন না।রাস্তার মধ্যে গাড়ি নিয়ে দৌড়ঝাপের কথাও ভুলে যান।একদমই অরিজিনাল ট্র্যাক হোক না সেটা রেস ট্র্যাক কিংবা স্ট্রীট ট্র্যাকই হবে আপনার খেলার স্থান।গেমেরই ক্যারিয়ারের শুরুতেই আপনাকে বিএমডব্লিউ এম৩ নিয়ে রেস ট্র্যাকে নেমে পড়তে হবে আপনার যোগ্যতা প্রমাণের জন্য।এখানে পজিশনের ভিত্তিতে আপনি টাকা পাবেন এবং তা দিয়ে নতুন গাড়ি কিনে ক্যারিয়ার শুরু করবেন।আর রেসে আপনার পারফরম্যান্সের উপর ভিত্তি করে গাড়ির কন্ট্রোল ঠিক করে দেয়া হবে।নতুন রেসারদের জন্য ব্রেক আর স্টিয়ারিং দুই ক্ষেত্রেই কম্পিউটার আপনাকে সাহায্য করবে।খেলতে খলতে আপনার ড্রাইভিং লেভেল যত বাড়বে এই ধরনের অটোমেটিক সাহায্য ততোই কমবে।সুতরাং আপনাকে অতটা চিন্টা না করলেও চলবে।
প্রতিটি ইভেন্টের শুরুতেই আপনাকে ইভেন্টটির সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া হবে।আর ইভেন্ট লোড হবার সময় পর্দায় সেই ইভেন্টের আইন-কানুন দেখতে পাবেন।গেমের মেনু যথেষ্ঠ দ্রুত কাজ করে।সুতরাং স্বাচ্ছন্দের সাথে আপনি বিভিন্ন অপশনে যেতে পারবেন।তবে একটা কথা বলে রাখি।গ্রাফিক্স সংক্রান্ত কোন অপশন পরিবর্তন করবেন না।গেমস নিজে থেকেই আপনার পিসির কনফিগারেশন বুঝে তা ঠিক করে নিবে।এতে কোন পরিবর্তন হলে পরের গেম ঠিকমতো রান নাও করতে পারে।
রেসিং এ ফিরে আসি।ক্যারিয়ারের শুরুতেই আপনাকে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দীতা পূর্ণ পরিবেশের মধ্যে দিয়ে আগাতে হবে।প্রতিটা খেলার জন্য আপনাকে টাকা,পয়েন্ট এবং স্টার মেডেল দেয়া হবে।টাকা আপনার লাগবেই নতুন গাড়ি কিনতে বা আপগ্রেড করতে।স্টারের মাধ্যমে আপনি নতুন নতুন গেম লেভেল আনলক করতে পারবেন।আর পয়েন্ট আপনার ড্রাইভিং লেভেলকে বাড়াবে।একটা রেস খেলার সময় সবগুলাই খেয়াল রাখতে হবে আপনাকে।রেসে আপনার পজিশন ১ হলে ৩ স্টার,২ হলে ২ স্টার আর ৩ হলে ১ স্টার পাবেন আপনি।আর আপনার চালানোর স্টাইল,আপনি কি সতর্ক না আগ্রাসী এর উপর ভিত্তি করে পয়েন্ট পাবেন আপনি।নির্দিষ্ট পয়েন্ট জমলে আবার আপনি স্টার অর্জন করবেন।আর প্রতি রেসেই একটি নির্দিষ্ট ক্যাটাগরীতে দক্ষতা প্রদর্শনের উপর ভিত্তি করে স্টার পাবেন আপনি।মোট ৬টি স্টার প্রতিটি রেসে।
ক্যারিয়ারে লেভেল আছে ৫টি।প্রথমে টিয়ার ১ থেকে ৪।তারপর আসবে এনএফএস ওয়ার্ল্ড ট্যুর।এখানে বিশ্বের বাঘা বাঘা সব রেসারদের সাথে কঠিন সব ট্র্যাকে উত্তেজনায় ভরা একের পর এক খেলায় নামতে হবে আপনাকে।
গেমের গ্রাফিক্স আসলে কিছু বলার অবকাশ রাখে না।এযাবতকালের শ্রেষ্ঠ গ্রাফিক্সই আপনি দেখতে পাবেন এই নিশ্চয়তা আপনাকে দিতেই পারি আমি।আর গেমের সাউন্ড আপনাকে মুগ্ধ করবেই।স্পীড,ট্র্যাক,গাড়ি সবকিছু উপর নির্ভর করে নিয়ত পরিবর্তিত সাউন্ড ইফেক্ট আপনার ভালো লাগবেই।
সবমিলিয়ে সমালোচকরা এটিকে ইতোমধ্যেই এনএফএস সিরিজের সেরা গেমস-এর মুকুট পড়াতে দ্বিধা করছেন না।আমারো তাদের সাথে খুব একটা দ্বিমত নেই।এবারে আপনি আপনার মতামত জানাতে তৈরি তো?
পাবলিশারঃ ইএ স্পোর্টস
ডেভেলপারঃ স্লাইটলি ম্যাড স্টুডিও
ক্যাটাগরিঃ রেসিং
রিলিজ ডেটঃ ১৫.০৯.০৯
অন্য ভার্সনঃ এক্সবক্স,প্লে স্টেশন থ্রি,পিএসপি,আইফোন
গেম রেটিং
প্রেজেন্টেশনঃ ৮.৫
গ্রাফিক্সঃ ৯.০
সাউন্ডঃ ৯.৫
গেমপ্লেঃ ৯.০
ওভারঅলঃ ৯.০
সিস্টেম রিকোয়ারমেন্টসঃ
প্রসেসরঃ কোর ২ ডুও ২.৬ গিগাহার্জ
র্যামঃ ১ গিগাবাইট
গ্রাফিক্স কার্ডঃ ২৫৬ মেগাবাইট
অপারেটিং সিস্টেমঃ উইন্ডোজ এক্সপি/ভিসতা/সেভেন
ডিভিডি রম ড্রাইভ
ডাইরেক্ট এক্স ৯.০
http://techtoday4u.blogspot.com/
এসব কথা মানে কি যারা বুঝছেন না তাদের বলছি-আমরা অনেক রেসিং গেমসই খেলি।তার অনেকগুলাতেই আবার একশন থাকে।কিন্তু গেমারদের আলাদা আনন্দ দেবার জন্য নির্মাতারা বাস্তবতা থেকে অনেক সময়ই দূরে সরে আসেন।গাড়ি নিয়ে আপনি এমন অনেক কসরত দেখান গেমে যা বাস্তব জীবনে আসলে অসম্ভব।আবার ওভারটেকিং,হাই স্পীডে গাড়ি চালানো,একসিডেন্ট করলে পল্টি খেয়ে গাড়ির আবার ঠিক হয়ে যাওয়া-এই ঘটনাগুলা বাস্তবতা থেকে কিন্তু অনেকটাই দূরে।তাই এমন গেমসের নাম কিন্তু আপনি বলতে পারবেন না যেটাতে আপনি টিভির পর্দায় রেসিংকে যেভাবে দেখেন গেমসেও ঠিক সেভাবেই ফুটে উঠেছে।
এই চিন্তা থেকেই নীড ফর স্পীড শিফটের জন্ম।গেমসের টাইটেলই হচ্ছে-শিফট ইনটু হাই গীয়ার।রেসিং গেম খেলার সময়কার সত্যিকারের দুর্বার উত্তেজনার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়াই এই গেমসের উদ্দেশ্য।এবারের গেমসই প্রথমবারের মতো আপনি পেতে যাচ্ছেন হাই পারফরম্যান্স রেসিং কার নিয়ে রেস ট্র্যাকের উপর ৩০০ কিলোমিটার গতিতে ছুটে যাবার অসাধারণ এক অনুভূতি ,সংগে রয়েছে ককপিট ভিউ,যা আপনাকে দিবে গাড়ির ভেতর থেকে রেসের মাঝে ডুবে যাবার অনুভূতি।আগেই বলে নিই পুলিশ টুলিশ জাতীয় কিছু এখানে আশা করবেন না।রাস্তার মধ্যে গাড়ি নিয়ে দৌড়ঝাপের কথাও ভুলে যান।একদমই অরিজিনাল ট্র্যাক হোক না সেটা রেস ট্র্যাক কিংবা স্ট্রীট ট্র্যাকই হবে আপনার খেলার স্থান।গেমেরই ক্যারিয়ারের শুরুতেই আপনাকে বিএমডব্লিউ এম৩ নিয়ে রেস ট্র্যাকে নেমে পড়তে হবে আপনার যোগ্যতা প্রমাণের জন্য।এখানে পজিশনের ভিত্তিতে আপনি টাকা পাবেন এবং তা দিয়ে নতুন গাড়ি কিনে ক্যারিয়ার শুরু করবেন।আর রেসে আপনার পারফরম্যান্সের উপর ভিত্তি করে গাড়ির কন্ট্রোল ঠিক করে দেয়া হবে।নতুন রেসারদের জন্য ব্রেক আর স্টিয়ারিং দুই ক্ষেত্রেই কম্পিউটার আপনাকে সাহায্য করবে।খেলতে খলতে আপনার ড্রাইভিং লেভেল যত বাড়বে এই ধরনের অটোমেটিক সাহায্য ততোই কমবে।সুতরাং আপনাকে অতটা চিন্টা না করলেও চলবে।
প্রতিটি ইভেন্টের শুরুতেই আপনাকে ইভেন্টটির সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া হবে।আর ইভেন্ট লোড হবার সময় পর্দায় সেই ইভেন্টের আইন-কানুন দেখতে পাবেন।গেমের মেনু যথেষ্ঠ দ্রুত কাজ করে।সুতরাং স্বাচ্ছন্দের সাথে আপনি বিভিন্ন অপশনে যেতে পারবেন।তবে একটা কথা বলে রাখি।গ্রাফিক্স সংক্রান্ত কোন অপশন পরিবর্তন করবেন না।গেমস নিজে থেকেই আপনার পিসির কনফিগারেশন বুঝে তা ঠিক করে নিবে।এতে কোন পরিবর্তন হলে পরের গেম ঠিকমতো রান নাও করতে পারে।
রেসিং এ ফিরে আসি।ক্যারিয়ারের শুরুতেই আপনাকে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দীতা পূর্ণ পরিবেশের মধ্যে দিয়ে আগাতে হবে।প্রতিটা খেলার জন্য আপনাকে টাকা,পয়েন্ট এবং স্টার মেডেল দেয়া হবে।টাকা আপনার লাগবেই নতুন গাড়ি কিনতে বা আপগ্রেড করতে।স্টারের মাধ্যমে আপনি নতুন নতুন গেম লেভেল আনলক করতে পারবেন।আর পয়েন্ট আপনার ড্রাইভিং লেভেলকে বাড়াবে।একটা রেস খেলার সময় সবগুলাই খেয়াল রাখতে হবে আপনাকে।রেসে আপনার পজিশন ১ হলে ৩ স্টার,২ হলে ২ স্টার আর ৩ হলে ১ স্টার পাবেন আপনি।আর আপনার চালানোর স্টাইল,আপনি কি সতর্ক না আগ্রাসী এর উপর ভিত্তি করে পয়েন্ট পাবেন আপনি।নির্দিষ্ট পয়েন্ট জমলে আবার আপনি স্টার অর্জন করবেন।আর প্রতি রেসেই একটি নির্দিষ্ট ক্যাটাগরীতে দক্ষতা প্রদর্শনের উপর ভিত্তি করে স্টার পাবেন আপনি।মোট ৬টি স্টার প্রতিটি রেসে।
ক্যারিয়ারে লেভেল আছে ৫টি।প্রথমে টিয়ার ১ থেকে ৪।তারপর আসবে এনএফএস ওয়ার্ল্ড ট্যুর।এখানে বিশ্বের বাঘা বাঘা সব রেসারদের সাথে কঠিন সব ট্র্যাকে উত্তেজনায় ভরা একের পর এক খেলায় নামতে হবে আপনাকে।
গেমের গ্রাফিক্স আসলে কিছু বলার অবকাশ রাখে না।এযাবতকালের শ্রেষ্ঠ গ্রাফিক্সই আপনি দেখতে পাবেন এই নিশ্চয়তা আপনাকে দিতেই পারি আমি।আর গেমের সাউন্ড আপনাকে মুগ্ধ করবেই।স্পীড,ট্র্যাক,গাড়ি সবকিছু উপর নির্ভর করে নিয়ত পরিবর্তিত সাউন্ড ইফেক্ট আপনার ভালো লাগবেই।
সবমিলিয়ে সমালোচকরা এটিকে ইতোমধ্যেই এনএফএস সিরিজের সেরা গেমস-এর মুকুট পড়াতে দ্বিধা করছেন না।আমারো তাদের সাথে খুব একটা দ্বিমত নেই।এবারে আপনি আপনার মতামত জানাতে তৈরি তো?
পাবলিশারঃ ইএ স্পোর্টস
ডেভেলপারঃ স্লাইটলি ম্যাড স্টুডিও
ক্যাটাগরিঃ রেসিং
রিলিজ ডেটঃ ১৫.০৯.০৯
অন্য ভার্সনঃ এক্সবক্স,প্লে স্টেশন থ্রি,পিএসপি,আইফোন
গেম রেটিং
প্রেজেন্টেশনঃ ৮.৫
গ্রাফিক্সঃ ৯.০
সাউন্ডঃ ৯.৫
গেমপ্লেঃ ৯.০
ওভারঅলঃ ৯.০
সিস্টেম রিকোয়ারমেন্টসঃ
প্রসেসরঃ কোর ২ ডুও ২.৬ গিগাহার্জ
র্যামঃ ১ গিগাবাইট
গ্রাফিক্স কার্ডঃ ২৫৬ মেগাবাইট
অপারেটিং সিস্টেমঃ উইন্ডোজ এক্সপি/ভিসতা/সেভেন
ডিভিডি রম ড্রাইভ
ডাইরেক্ট এক্স ৯.০
http://techtoday4u.blogspot.com/
Labels:
২০০৯,
Game Review,
Need For Speed Shift,
কম্পিউটার,
গেম রিভিউ,
গেমিং





